ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় অটোরিকশাচালক একাই জড়িত: পুলিশ
কুমিল্লায় সপ্তম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় অটোরিকশাচালক সুমন একাই জড়িত বলে জানিয়েছে পুলিশ। শুক্রবার চট্টগ্রাম থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তার দেখানো মতে শিক্ষার্থীর মুঠোফোন উদ্ধার করা হয়েছে।
শনিবার (১০ অক্টোবর) সকাল সোয়া ১০টায় কুমিল্লার পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) পংকজ বড়ুয়া।
পুলিশ জানায়, ঘটনার রাতে পদুয়ার বাজার বিশ্বরোড থেকে ৩০০ টাকা ভাড়ায় অটোরিকশায় ওঠে ওই শিক্ষার্থী। তাকে রেসকোর্স এলাকার বাসায় পৌঁছে দেওয়ার কথা বলে অন্য স্থানে নিয়ে যান চালক। সেখানে ধর্ষণের পর গলায় গামছা পেঁচিয়ে তাকে হত্যা করা হয়। পরে ধানখেতে মাথা চেপে ধরে মৃত্যু নিশ্চিত করে পালিয়ে যান সুমন। হত্যার পর শিক্ষার্থীর মুঠোফোনটিও নিয়ে যান তিনি।
অটোরিকশার নিবন্ধনের সূত্র ধরে গাড়ির মালিক আবুল হাসেমকে শনাক্ত করে পুলিশ। বৃহস্পতিবার রাতে তাকে জিজ্ঞাসাবাদের পর চালক সুমনের পরিচয় পাওয়া যায়। শুক্রবার চট্টগ্রাম থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে বাখরাবাদ এলাকা থেকে শিক্ষার্থীর ফোন উদ্ধার করা হয়।
এর আগে বৃহস্পতিবার সকালে লালমাই উপজেলার পেরুল উত্তর ইউনিয়নের জগৎপুর গ্রামের একটি ফসলি জমি থেকে শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ জানায়, মুঠোফোনের কললিস্ট ও সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে শিক্ষার্থীর চলাচলের তথ্য পাওয়া যায়। গত ৭ অক্টোবর রাতে কুমিল্লার পদুয়ার বাজারে নামার পর তাকে কয়েকটি ক্যামেরায় দেখা যায়।
শিক্ষার্থীর বাবা জানিয়েছিলেন, বুধবার গভীর রাতে মেয়ে বার্তা ও লাইভ লোকেশন পাঠিয়ে আটকে রাখার কথা জানিয়ে উদ্ধারের অনুরোধ করেছিলো। সকালে বার্তা দেখে সেখানে গিয়ে তিনি মেয়ের মৃত্যুর খবর জানতে পারেন।
/শান্ত/
