কর্মজীবী নারীর সময় ব্যবস্থাপনা
এসব সমস্যা মোকাবিলার প্রথম ধাপ হলো সব দায়িত্ব একা পালন করার প্রত্যাশা থেকে বেরিয়ে আসা। পরিবারের সদস্যদের মধ্যে কিছু কাজ ভাগ করে দেওয়া এবং প্রয়োজন অনুযায়ী সহায়তা নেওয়া জরুরি। এছাড়াও দৈনন্দিন কাজের তালিকা তৈরি করে নিতে পারেন। এতে কোন কাজটি আগে করা প্রয়োজন, তা নির্ধারণ করা সহজ হয়। সব কাজ একই দিনে শেষ করার চেষ্টা না করে জরুরি কাজকে অগ্রাধিকার দিন। ইন্টারনেটে অহেতুক সময় নষ্ট না করে একটু রেস্ট নিয়ে দ্রুত কাজগুলো শেষ করে নিতে পারেন। কিছুটা সময় বাঁচলে পরের দিনের জন্যে কিছু কাজ করে এগিয়ে রাখুন। দুই জায়গার দায়িত্ব পালনের পর সঙ্গীর জন্যেও কিছু সময় তুলে রাখুন। সাথে নিজেকেও সময় দিন। কর্মক্ষেত্রেও দায়িত্বের স্পষ্টতা, যুক্তিসংগত কর্মঘণ্টা এবং সহযোগিতামূলক পরিবেশ গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিষ্ঠানগুলো নমনীয় কর্মব্যবস্থা ও বৈষম্যহীন সুযোগ নিশ্চিত করতে পারলে কর্মীদের জন্য কাজ ও ব্যক্তিগত জীবনের ভারসাম্য বজায় রাখা সহজ হতে পারে। একই সঙ্গে নারীদের বিশ্রাম, স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন এবং ব্যক্তিগত আগ্রহের জন্য সময় রাখা প্রয়োজন। তবে এই সমস্যা শুধু নারীর ব্যক্তিগত সময় ব্যবস্থাপনার বিষয় নয়। পরিবার, কর্মক্ষেত্র এবং সামাজিক ব্যবস্থার সহযোগিতাও প্রয়োজন। কর্মজীবী নারীর ভারসাম্যপূর্ণ জীবন গড়ে তুলতে ব্যক্তিগত পরিকল্পনার পাশাপাশি পরিবারের দায়িত্ব ভাগাভাগি এবং কর্মক্ষেত্রে সহায়ক পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে। /শিউলী/
