Advertisement(970X90).png
Advertisement(300X90).png

১৫ কার্তিক ১৪৩৩, ১৯ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬

ম্যাজেন্টা বেনারসিতে সেমন্তী সৌমীর রাজকীয় সাজ
ম্যাজেন্টা বেনারসিতে সেমন্তী সৌমীর রাজকীয় সাজ

সেমন্তীর পরনে ছিলো সোনালি জরির জমকালো কারুকাজ করা বেনারসি সিল্ক শাড়ি। ঐতিহ্যবাহী ব্রোকেডের নকশা ও চওড়া সোনালি পাড় শাড়িটিতে এনেছে রাজকীয় আবহ। এর সঙ্গে গোলাপি স্লিভলেস ব্লাউজের কিনারায় সোনালি সুতোর কাজ সাজে যোগ করেছে আধুনিকতার ছোঁয়া। গয়না বাছাইয়েও রঙের সামঞ্জস্য রেখেছেন অভিনেত্রী। গলায় পরেছেন চওড়া সোনালি চোকার নেকলেস, সঙ্গে মানানসই দুল। দুই হাতে গোলাপি ও সোনালি চুড়ির সমন্বয় এবং আঙুলের আংটি পুরো সাজকে করেছে আরও আকর্ষণীয়। মেকআপে চোখের পাতায় গোলাপি ও বাদামি আইশ্যাডো, উইংড আইলাইনার ও মাসকারা ব্যবহার করেছেন সেমন্তী। গালে হালকা ব্লাশ, ঠোঁটে গোলাপি লিপস্টিক আর কপালে ছোট লাল টিপ তার সাজে এনেছে স্নিগ্ধতা। চুল মাঝখানে সিঁথি করে পেছনে পরিপাটি খোঁপা করেছেন তিনি। খোঁপার চারপাশে সাদা ফুলের গজরা সাজে যোগ করেছে ঐতিহ্যবাহী আবহ। সামনের দিকে ছেড়ে দেওয়া কয়েক গোছা চুল পুরো লুককে করেছে আরও কোমল। সেমন্তীর এই সাজে ঐতিহ্যবাহী বেনারসি, মানানসই গয়না ও আধুনিক মেকআপের সমন্বয় দেখা গেছে। বিয়েবাড়ি, গায়ে হলুদ কিংবা সন্ধ্যার জমকালো অনুষ্ঠানের সাজে তার এই লুক থেকে অনুপ্রেরণা নিতে পারেন ফ্যাশনপ্রেমীরা। /শান্ত/

পূজার সাজে শাড়ির সঙ্গে যেমন ব্লাউজ পরবেন
পূজার সাজে শাড়ির সঙ্গে যেমন ব্লাউজ পরবেন

সময় বদলেছে। এখন আর কেউ শাড়ির সাথে ম্যাচিং করে ব্লাউজ পরে না। অনুষ্ঠানের ধরণ বুঝে তৈরি করে নেন নানারকম ব্লাউজ। বর্তমানে টিনএজার মেয়েরা যতই ওয়েস্টার্ণ পোশাক পরুক না কেন, শাড়ির আবেদনও তাদের কাছে কম নয়। তারা নানা ঢঙের ব্লাউজ বানিয়ে নিজেদের সাজে নিয়ে আসে বিশেষ চমক। শাড়ির সঙ্গে ব্লাউজের সম্পর্কটা শুধু মিলিয়ে পরার নয়। একে অন্যকে ভিন্নভাবে ফুটিয়ে তোলারও। ব্লাউজের কাট, কাপড়, হাতা কিংবা নকশায় সামান্য পরিবর্তনেই বদলে যেতে পারে শাড়ির পুরো সৌন্দর্য। পূজায় লাল-সাদা রং বেশি পরা হয়। সেখানে কাট আর সাজে নিয়ে আসা যায় ভিন্নতা। যেমন ব্লাউজ পড়বেন সুতি শাড়ির সঙ্গে ব্লাউজ বাছাইয়ের ক্ষেত্রে কিছুটা স্বাধীনভাবে ভাবা যায়। যে কোনো চেক কাপড়ের ব্লাউজ যেমন মানায়, জয়পুরিও মানিয়ে যায়। লেস লাগিয়ে নিলে, একটু সাবেকি ঢঙে ব্লাউজটি বানিয়ে নিলে চমৎকার ভিন্ন মাত্রা যোগ করে। হাতায় কুচি দিয়ে ঘটি হাতার চলও সমানতালে জনপ্রিয়। চাইলে সিল্কের ব্লাউজও পরা যায়। একটু ম্যাট ধরনের, তাহলে সুতি শাড়ির সঙ্গে বেশ ভালো মানায়। মসলিন শাড়ির ক্ষেত্রে অবশ্য মসলিন বা সিল্কের ব্লাউজই বেশি মানানসই। সাধারণ রঙের ব্লাউজে চিকন লেস বা সামান্য হাতের কাজ থাকলে দারুণ মানিয়ে যায়। বিভিন্ন ধরনের সুতি শাড়ির সঙ্গেও পরা যায়। চোলি কাটের ব্লাউজে কারচুপি বা অন্য কোনো কাজ থাকলে মসলিন, বেনারসি কাতানের সঙ্গে পরলে বেশ অভিজাত লাগে। টপ স্টাইলের ব্লাউজও শাড়ির সঙ্গে চমৎকার লাগে। পূজা বা অন্য কোনো উৎসবে যখন একটু আরামদায়ক সাজ চাই, প্লিট করে পরা শাড়ির সঙ্গে এই ধরনের ব্লাউজ বেশ মানিয়ে যায়। আঁচল যেভাবে রাখবেন যারা শাড়ির আঁচল ছেড়ে রাখতে পছন্দ করেন, তাদের জন্য হাফ হাতা বা ফুল হাতার সাধারণ কাটের ব্লাউজ বেশ ভালো মানায়। বয়স, শাড়ির ধরন ও ব্যক্তিগত পছন্দের ওপর নির্ভর করে সেজে নিতে পারেন। শাড়ির ধরন ও আঁচল কীভাবে পরা হচ্ছে, সেটি বুঝে ব্লাউজের কাট ও নকশা বেছে নেওয়া জরুরি। মসলিন শাড়ির আঁচল সাধারণত প্লিট করে পরার চেয়ে ছেড়ে রাখলেই বেশি সুন্দর লাগে। সুতি শাড়ির আঁচলে সুন্দর কাজ থাকলে, সেটিও ছেড়ে রাখলে শাড়ির নকশাটা ভালোভাবে ফুটে ওঠে। দেশীয় বেনারসি বা কাতানের আঁচল ছেড়ে রাখলে শাড়ির নিজস্ব আবেদন বজায় থাকে। মূল বিষয় হলো শাড়ি ও ব্লাউজ দুটোরই আলাদা সৌন্দর্য যেন প্রকাশ পায়। শাড়ির ধরন ও আঁচল কীভাবে পরা হচ্ছে, সেটি বুঝে ব্লাউজের কাট ও নকশা বেছে নিতে হবে। /শিউলী/