Advertisement(970X90).png
Advertisement(300X90).png

১৫ কার্তিক ১৪৩৩, ১৯ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬

চিনি ছাড়াই গ্রিন টি সুস্বাদু করার ৬ উপায়
চিনি ছাড়াই গ্রিন টি সুস্বাদু করার ৬ উপায়

১. লেবুর রস চিনি ছাড়াই গ্রিন টি সুস্বাদু করার ৬ উপায়গ্রিন টিতে কয়েক ফোঁটা লেবুর রস মিশিয়ে নিলে স্বাদে আসবে হালকা টক ভাব। যারা চিনি ছাড়া গ্রিন টি খেতে অভ্যস্ত নন, তাদের জন্য এটি ভালো বিকল্প হতে পারে। লেবুতে ভিটামিন সি রয়েছে। ২. মধু গ্রিন টি তৈরির পর সামান্য মধু মিশিয়ে নিতে পারেন। এতে চায়ের স্বাদে মিষ্টি ভাব যোগ হবে। তবে মধুতেও চিনি ও ক্যালরি থাকে, তাই পরিমাণের দিকে খেয়াল রাখা ভালো। ৩. আদা গ্রিন টিতে কয়েক টুকরো আদা বা সামান্য আদার রস যোগ করলে স্বাদে আসবে ঝাঁজালো আমেজ। আদা চায়ের স্বাদ ও ঘ্রাণ বাড়াতে পারে। ৪. দারুচিনি দারুচিনির হালকা মিষ্টি ঘ্রাণ গ্রিন টির স্বাদে ভিন্নতা আনতে পারে। চা তৈরির সময় দারুচিনির ছোট একটি টুকরো দিয়ে কিছুক্ষণ জ্বাল দিলেই হবে। তবে দারুচিনি মেশানো চা খেলেই ওজন কমবে বা রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে থাকবে, এমন নিশ্চয়তা নেই। ৫. তুলসী পাতা গ্রিন টি তৈরির সময় চার-পাঁচটি পরিষ্কার তুলসী পাতা যোগ করতে পারেন। এতে চায়ের ঘ্রাণে পরিবর্তন আসবে এবং স্বাদও হবে সতেজ। ৬. পুদিনা পাতা গ্রিন টিতে কয়েকটি তাজা পুদিনা পাতা মিশিয়ে নিলে পাওয়া যাবে সতেজ ঘ্রাণ ও ভিন্ন স্বাদ। পুদিনা অনেকের হজমের অস্বস্তি কমাতেও সহায়ক হতে পারে। চায়ের স্বাদ বাড়াতে এসব উপকরণ অল্প পরিমাণে ব্যবহার করে দেখতে পারেন। তবে গ্রিন টি বা এসব উপকরণ একাই শরীরের মেদ কমায় কিংবা শরীর থেকে ‘টক্সিন’ দূর করে, এমন দাবি নিশ্চিতভাবে প্রমাণিত নয়। সুস্থ থাকতে সুষম খাবার, নিয়মিত শরীরচর্চা ও পর্যাপ্ত ঘুমের বিকল্প নেই। /শান্ত/

সবুজ, হলুদ, কমলা নাকি লাল, কোন ক্যাপসিকামে পুষ্টি বেশি?
সবুজ, হলুদ, কমলা নাকি লাল, কোন ক্যাপসিকামে পুষ্টি বেশি?

মধ্য ও দক্ষিণ আমেরিকায় উৎপত্তি হওয়া ক্যাপসিকাম উদ্ভিদবিজ্ঞানের দৃষ্টিতে একটি ফল। ফুল থেকে জন্মানো এবং ভেতরে বীজ থাকার কারণে একে ফল হিসেবে বিবেচনা করা হয়। তবে রান্নায় সবজি হিসেবেই এর ব্যবহার বেশি। রঙের সঙ্গে বদলায় স্বাদ সবুজ ক্যাপসিকাম সাধারণত অপরিপক্ব অবস্থায় সংগ্রহ করা হয়। এতে ক্লোরোফিল বেশি থাকায় রং সবুজ হয়। স্বাদ কিছুটা তেতো এবং গঠন শক্ত ও মচমচে। অন্যদিকে, পরিপক্ব হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে হলুদ, কমলা ও লাল রং ধারণ করতে পারে ক্যাপসিকাম। এই সময় এর স্বাদও সাধারণত মিষ্টি হয়ে ওঠে। ক্যাপসিকামের নিচে তিনটি খাঁজ থাকলে সেটি পুরুষ আর চারটি থাকলে স্ত্রী এবং স্ত্রী ক্যাপসিকাম বেশি মিষ্টি, এমন ধারণার বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই। খাঁজের সংখ্যা মূলত ফলের গঠনগত বৈশিষ্ট্য, স্বাদ নির্ধারণের নির্ভরযোগ্য মাপকাঠি নয়। কোন রঙে কী পুষ্টি? সব রঙের ক্যাপসিকামেই ভিটামিন সি, খাদ্যআঁশ এবং বিভিন্ন অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে। তবে পরিপক্বতার সঙ্গে কিছু পুষ্টি উপাদানের পরিমাণ বদলায়। সবুজ ক্যাপসিকামে লুটিন ও অন্যান্য ক্যারোটিনয়েড থাকে, যা চোখের স্বাস্থ্যে ভূমিকা রাখতে পারে। হলুদ ও কমলা ক্যাপসিকামে বিভিন্ন ক্যারোটিনয়েড পাওয়া যায়। লাল ক্যাপসিকামে সাধারণত ভিটামিন সি ও বিটা-ক্যারোটিন বেশি থাকে। বিটা-ক্যারোটিন শরীরে ভিটামিন এ তৈরিতে সহায়তা করে, যা দৃষ্টিশক্তি ও রোগ প্রতিরোধব্যবস্থার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। কাঁচা নাকি রান্না করে খাবেন? কাঁচা ক্যাপসিকাম খেলে ভিটামিন সিসহ তাপসংবেদনশীল কিছু পুষ্টি উপাদান ভালোভাবে পাওয়া যায়। অন্যদিকে, রান্নার ফলে কিছু ক্যারোটিনয়েড শরীরের জন্য সহজলভ্য হতে পারে। তবে অতিরিক্ত তাপে ভিটামিন সি কমে যেতে পারে। তাই পুষ্টিগুণের সুবিধা পেতে ক্যাপসিকাম কখনো কাঁচা, আবার কখনো হালকা রান্না করে খাওয়া যেতে পারে। খাদ্যতালিকায় বিভিন্ন রঙের ক্যাপসিকাম রাখলে বিভিন্ন ধরনের পুষ্টি উপাদান পাওয়ার সুযোগ বাড়ে। সবুজ ক্যাপসিকাম তুলনামূলক কম পরিপক্ব অবস্থায় সংগ্রহ করা হয় বলে অনেক ক্ষেত্রে এর দাম কম থাকে। গাছে বেশি সময় ধরে রেখে অন্য রঙে পরিপক্ব করতে হয় বলে হলুদ, কমলা ও লাল ক্যাপসিকামের দাম বেশি হতে পারে। তবে দাম নির্ভর করে উৎপাদন, সরবরাহ ও বাজারের ওপরও। সব মিলিয়ে, কোনো একটি রঙের ক্যাপসিকামই সব দিক থেকে সেরা নয়। বরং বিভিন্ন রঙের ক্যাপসিকাম কাঁচা ও রান্না করে খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তোলাই ভালো। /শান্ত/

আজ অ্যাপল ডে, জানুন আপেলের নানা গুণ
আজ অ্যাপল ডে, জানুন আপেলের নানা গুণ

আপেল ডে কেন পালিত হয়? আপেল ডে শুধু ফল খাওয়ার আনন্দ উদ্‌যাপনের দিন নয়। বিশ্বজুড়ে আপেলের হাজারো জাতের বৈচিত্র্য তুলে ধরা এবং স্থানীয় ফলের বাগান ও কৃষি ঐতিহ্য সংরক্ষণে মানুষকে উৎসাহিত করাও দিবসটির উদ্দেশ্য। ফলের বাগান বিভিন্ন পাখি, কীটপতঙ্গ ও অন্যান্য প্রাণীর আবাসস্থল হিসেবেও গুরুত্বপূর্ণ। আপেল ডের ইতিহাস ১৯৯০ সালে যুক্তরাজ্যে পরিবেশ ও স্থানীয় ঐতিহ্য নিয়ে কাজ করা দাতব্য সংস্থা কমন গ্রাউন্ড প্রথম অ্যাপল ডে আয়োজন করে। লন্ডনের কোভেন্ট গার্ডেনে আয়োজিত ওই অনুষ্ঠানে বিভিন্ন জাতের আপেল, গাছের চারা, আপেলের রস ও সাইডারসহ নানা পণ্য প্রদর্শন করা হয়। ঐতিহ্যবাহী ফলের বাগান কমে যাওয়া এবং স্থানীয় আপেলের অনেক জাত হারিয়ে যাওয়ার উদ্বেগ থেকেই দিবসটি চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। আপেল খাওয়ার স্বাস্থ্যগুণ আপেলে রয়েছে খাদ্য-আঁশ, ভিটামিন সি এবং বিভিন্ন অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। সুষম খাদ্যাভ্যাসের অংশ হিসেবে ফলটি খাওয়ার কয়েকটি সম্ভাব্য উপকারিতা রয়েছে। হজমে সহায়তা: আপেলের আঁশ অন্ত্রের স্বাভাবিক কার্যক্রমে সহায়তা করে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য কমাতে ভূমিকা রাখতে পারে। হৃদ্‌স্বাস্থ্যে উপকারী: আপেলের দ্রবণীয় আঁশ কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহায়তা করতে পারে। ওজন নিয়ন্ত্রণ: আপেলে ক্যালোরি তুলনামূলক কম এবং আঁশ রয়েছে। ফলে এটি খেলে কিছু সময় পেট ভরা অনুভূতি থাকতে পারে। রোগপ্রতিরোধে সহায়তা: আপেলের ভিটামিন সি ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরের স্বাভাবিক রোগপ্রতিরোধব্যবস্থাকে সহায়তা করে। রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণ: গোটা আপেলের আঁশ শর্করা শোষণের গতি ধীর করতে পারে। তবে ডায়াবেটিস থাকলে পরিমাণ ও সামগ্রিক খাদ্যাভ্যাসের বিষয়ে সতর্ক থাকা জরুরি। আপেলে থাকা কোয়ারসেটিনের মতো উদ্ভিজ্জ যৌগ কোষকে অক্সিডেটিভ ক্ষতি থেকে সুরক্ষায় ভূমিকা রাখতে পারে। তবে আপেল খেলেই স্মৃতিশক্তি বাড়ে, ত্বকের উজ্জ্বলতা নিশ্চিত হয় কিংবা নির্দিষ্ট রোগের ঝুঁকি দূর হয়, এমন সিদ্ধান্তের যথেষ্ট প্রমাণ নেই। অ্যাপল ডে তাই আপেলের পুষ্টিগুণের পাশাপাশি ফলের বৈচিত্র্য ও পরিবেশগত গুরুত্বের কথাও মনে করিয়ে দেয়। সুস্থ থাকতে আপেলের পাশাপাশি অন্যান্য ফল, শাকসবজি ও বৈচিত্র্যময় খাবার খাওয়াও জরুরি। /এসআই/

প্যাকেটজাত খাবারে স্বাস্থ্যঝুঁকির সতর্কবার্তা চালুর দাবি
প্যাকেটজাত খাবারে স্বাস্থ্যঝুঁকির সতর্কবার্তা চালুর দাবি

বিশ্ব খাদ্য দিবস উপলক্ষে গবেষণা ও অ্যাডভোকেসি প্রতিষ্ঠান প্রজ্ঞা (প্রগতির জন্য জ্ঞান) আয়োজিত এক ওয়েবিনারে এই দাবি জানানো হয়। গ্লোবাল হেলথ অ্যাডভোকেসি ইনকিউবেটরের (জিএইচএআই) সহযোগিতায় ‘অতিপ্রক্রিয়াজাত খাদ্য-প্যাকেটের সামনে সতর্কতামূলক লেবেল: অগ্রগতি, বাধা ও করণীয়’ শীর্ষক ওয়েবিনারটি অনুষ্ঠিত হয়। ওয়েবিনারে জানানো হয়, দেশের ৯৭ শতাংশ মানুষ সপ্তাহে অন্তত একবার অতিপ্রক্রিয়াজাত খাবার খান। বর্তমানে প্যাকেটের পেছনে থাকা জটিল পুষ্টিতথ্য বুঝে ভোক্তাদের পক্ষে স্বাস্থ্যসম্মত খাবার নির্বাচন করা কঠিন। এই পরিস্থিতিতে খাদ্য প্যাকেটের সামনে বাধ্যতামূলক সতর্কীকরণভিত্তিক ফ্রন্ট-অফ-প্যাকেজ লেবেলিং (এফওপিএল) কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ এই সংক্রান্ত ‘নিরাপদ খাদ্য (মোড়কাবদ্ধ খাদ্য লেবেলিং) প্রবিধানমালা, ২০২৬’-এর খসড়া তৈরি করলেও এটি এখনো খাদ্য মন্ত্রণালয়ে রয়েছে। বক্তাদের অভিযোগ, খাদ্যশিল্পের বিভিন্ন পক্ষ বাধ্যতামূলক লেবেলিংয়ের পরিবর্তে স্বেচ্ছামূলক ব্যবস্থা ও সতর্কবার্তার বদলে কম দৃশ্যমান লেবেল চালুসহ নানা দাবি জানাচ্ছে। বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের সদস্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ শোয়েব বলেন, খসড়াটি খাদ্য মন্ত্রণালয়ে রয়েছে। বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেওয়া হয়েছে এবং ব্যবসায়িক সংগঠনগুলোর সঙ্গেও কাজ চলছে। দ্রুত এটি গেজেট আকারে প্রকাশের আশা করছেন তারা। জনস্বাস্থ্যবিদ ও আইইডিসিআরের সাবেক প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ডা. মুশতাক হোসেন বলেন, দেশে মোট মৃত্যুর প্রায় ৭১ শতাংশ অসংক্রামক রোগে ঘটে। এসব রোগ মোকাবিলায় বাধ্যতামূলক এফওপিএল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। তাই খাদ্য কোম্পানির হস্তক্ষেপমুক্ত রেখে প্রবিধানমালাটি দ্রুত চূড়ান্ত করা প্রয়োজন। /শান্ত/

পূজায় পাতে থাকুক পাঁচমিশালি সবজি
পূজায় পাতে থাকুক পাঁচমিশালি সবজি

যা লাগবে পাঁচ রকমের সবজি যেমন পেঁপে, মিষ্টি কুমড়া, পটল, ধুন্দল, চিচিঙ্গা-আড়াইশো গ্রাম। আদা-রসুন বাটা-এক চা চামচ। হলুদ, মরিচ, ধনিয়া, জিরার গুঁড়া-এক চা চামচ। পাঁচফোড়ন-এক চা চামচ। পেঁয়াজ ও রসুন কুচি-এক টেবিল চামচ। কাঁচা মরিচ ৫-৬টি। শুকনা মরিচ ২টি। লবণ স্বাদমতো। তেল ২ টেবিল চামচ। যেভাবে রাঁধবেন সবজিগুলো পছন্দের আকারে কেটে ধুয়ে গরম পানিতে ভাপিয়ে পানি ঝরিয়ে নিন। পাত্রে তেল গরম হলে পাঁচফোড়ন দিন। সব উপকরণ দিয়ে কষিয়ে নিন। এবার সবগুলো সবজি দিয়ে কষিয়ে পাঁচ মিনিট ঢেকে রাখুন। চুলা বন্ধ করে ঢাকনা খুলে নিন। গরম গরম ভাতের সাথে পরিবেশন করুন ঐতিহ্যবাহী এই পাঁচমিশালি সবজি নিরামিষ। শিউলী

কেন খাবেন জাপানিজ সবজি পিকল?
কেন খাবেন জাপানিজ সবজি পিকল?

যা লাগবে শসা, বেল পেপার অথবা ক্যাপসিকাম, রসুন, সামান‍্য গোলমরিচ (ব্ল্যাক পেপার) পাউডার, সামান্য পিংক সল্ট, দুটি কাঁচামরিচ কুচি, খাবার ভিনেগার। কেউ চাইলে হোয়াইট ভিনেগার বা রাইস ভিনেগার দিয়েও করতে পারেন। উপকারিতা জাপানিজ সবজি ভিনেগার পিকল হজমশক্তি বাড়ায়, ওজন নিয়ন্ত্রণে সহায়ক, রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণ করে। একবারে অনেক বেশি না খেয়ে প্রতিদিন মূল খাবারের সাথে অল্প পরিমাণে (সাইড ডিশ হিসেবে) খেতে হয়। বাংলাদেশে যেসব সবজি সহজে পাওয়া যায় যেমন পেঁপে, লাউ, শসা, গাজর, মুলা, মিষ্টি কুমড়া, ক্যাপসিকাম, বেগুন, বাঁধাকপি ফুলকপি ইত্যাদি দিয়েও তৈরি করা সম্ভব। একবার বানিয়ে কাঁচের জারে করে ফ্রিজে রেখে দিলে পুরো এক সপ্তাহ বা তারও বেশি সময় ধরে স্বাচ্ছন্দ্যে খাওয়া যায়। /শিউলী/