Advertisement(970X90).png
Advertisement(300X90).png

১৫ কার্তিক ১৪৩৩, ১৯ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬

বিশ্ববাজারে পণ্যের দাম ২৩ শতাংশ বাড়ার পূর্বাভাস বিশ্বব্যাংকের

বিশ্ববাজারে পণ্যের দাম ২৩ শতাংশ বাড়ার পূর্বাভাস বিশ্বব্যাংকের

চলতি বছরের শেষ নাগাদ বিশ্ববাজারে পণ্যের দাম ২৩ শতাংশ বাড়তে পারে বলে সতর্ক করেছে বিশ্বব্যাংক। মধ্যপ্রাচ্য সংঘাত, এল নিনোর প্রভাব ও জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির কারণে এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে বলে বুধবার (২৮ অক্টোবর) প্রকাশিত 'কমোডিটি মার্কেটস আউটলুক' প্রতিবেদনে জানিয়েছে সংস্থাটি। প্রতিবেদন প্রকাশের সময় বিশ্বব্যাংকের উপপ্রধান অর্থনীতিবিদ আয়হান কোসে বলেন, "পণ্যের বাজার একসঙ্গে বেশ কয়েকটি বড় ধাক্কার মুখে পড়ছে। জ্বালানির বাড়তি খরচ ও বাণিজ্যে বাধার কারণে নানা ধরনের পণ্যের দাম বাড়ছে। এতে মূল্যস্ফীতি ও খাদ্য পাওয়ার অনিশ্চয়তা আরও বাড়ার ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে। অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিও কমে যেতে পারে।" প্রতিবেদনে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে, ২০২৬ সালে খাদ্যের দাম ১০ শতাংশ ও পরবর্তী বছর আরও ৭ শতাংশ বাড়তে পারে। সংঘাতের কারণে খাদ্য সরবরাহ বাধাগ্রস্ত হওয়া, তীব্র এল নিনোর প্রভাবে বন্যা ও খরা এবং সার ও জ্বালানির চড়া দামকে এর প্রধান কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এছাড়া চলতি বছর জ্বালানির দাম ৩২ শতাংশ বাড়তে পারে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। বিশ্বব্যাংক জানিয়েছে, সংঘাত ও প্রতিকূল আবহাওয়া আরও বাড়লে ২০২৭ সালে অপরিশোধিত তেলের গড় দাম প্রতি ব্যারেল ১০৫ মার্কিন ডলারে পৌঁছাতে পারে। এতে খাদ্যপণ্যের দাম মূল পূর্বাভাসের চেয়ে ১২ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে পারে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে আয়হান কোসে জানান, "সবচেয়ে দরিদ্র মানুষদের সুরক্ষা দেওয়াকে অগ্রাধিকার দিতে হবে। পাশাপাশি ঋণের বড় বোঝা নিয়ে ইতোমধ্যে সমস্যায় থাকা নিম্ন আয়ের দেশগুলোকে সহায়তা দেওয়াও অগ্রাধিকার হতে হবে।" প্রতিবেদন অনুযায়ী, মধ্যপ্রাচ্য ও ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাবে ২০২৬ সালে বিশ্বে তেলের সরবরাহ ৫ দশমিক ২ শতাংশ এবং চলতি বছর তেলের ব্যবহার ২ দশমিক ৫ শতাংশ কমতে পারে। চলমান সংকটের কারণে ঝুঁকিতে থাকা দেশগুলোকে ইতোমধ্যে ৮৭০ কোটি ডলারের জরুরি সহায়তা দেওয়া হলো বলে জানিয়েছে সংস্থাটি। //আইই//

Advertisement
Advertisement