Advertisement(970X90).png
Advertisement(300X90).png

১৫ কার্তিক ১৪৩৩, ১৯ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬

সমর্থকদের ভোটে সেরা রোনালদোর ২০০৮ সালের পারফরম্যান্স
সমর্থকদের ভোটে সেরা রোনালদোর ২০০৮ সালের পারফরম্যান্স

ফুটবলের মর্যাদাপূর্ণ ব্যক্তিগত পুরস্কার ব্যালন ডি’অরের ৭০ বছর পূর্তি উপলক্ষে বিশেষ এই ভোটের আয়োজন করে ফ্রান্স ফুটবল। ১ অক্টোবর থেকে ২৮ অক্টোবর পর্যন্ত তাদের ওয়েবসাইটে ভোট দেওয়ার সুযোগ পান সমর্থকেরা। প্রতিটি ভোটের জন্য খরচ করতে হয়েছে এক ইউরো। ২৮ অক্টোবর প্রকাশিত ফলাফলে তৃতীয় স্থান পেয়েছে রোনালদোর ২০১৭ সালের ব্যালন ডি’অর জয়। তালিকার প্রথম তিনটি অবস্থানের দুটিই রোনালদোর দখলে। ২০০৮ সালে ক্যারিয়ারে প্রথমবার ব্যালন ডি’অর জেতেন রোনালদো। ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের হয়ে স্যার অ্যালেক্স ফার্গুসনের অধীনে সেই মৌসুমে প্রিমিয়ার লিগ ও উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগের শিরোপা জেতেন তিনি। সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে তার গোলসংখ্যা ছিলো ৪২। অন্যদিকে, ২০১২ সালে ক্লাব ও জাতীয় দলের হয়ে এক পঞ্জিকাবর্ষে রেকর্ড ৯১ গোল করেছিলেন মেসি। সেই পারফরম্যান্স তাকে ব্যালন ডি’অরের ভোটে দ্বিতীয় স্থানে রেখেছে। ক্যারিয়ারে সর্বোচ্চ আটবার ব্যালন ডি’অর জিতেছেন মেসি। অন্যদিকে, রোনালদোর ঝুলিতে রয়েছে পাঁচটি ব্যালন ডি’অর। বিশেষ এই ভোটের ফলাফল সমর্থকদের পছন্দের প্রতিফলন, এটি নতুন কোনো ব্যালন ডি’অর পুরস্কার নয়। /শান্ত/

আর্জেন্টিনার কোচ স্কালোনির মা আর নেই
আর্জেন্টিনার কোচ স্কালোনির মা আর নেই

আর্জেন্টিনার কোচ লিওনেল স্কালোনির মা ইউলালিয়া মারজেত্তি আর নেই। দীর্ঘ দিন জটিল রোগে ভোগার পর ৭৪ বছর বয়সে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন তিনি। বুধবার (২৮ অক্টোবর) তাঁর প্রয়াণের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। স্থানীয় গণমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার রাতে নিজ বাসভবনে স্বামী অ্যাঞ্জেলের উপস্থিতিতেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন ইউলালিয়া। মাতৃবিয়োগের সময়ে স্কালোনি বুয়েনস এইরেসে অবস্থান করছিলেন নাকি স্পেনের বাড়ি থেকে রওনা দিয়েছিলেন, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। স্বজন ও শুভানুধ্যায়ীদের নিয়ে একান্ত পরিসরে তাঁর শেষকৃত্যানুষ্ঠান আয়োজিত হওয়ার কথা রয়েছে। পেশাগত জীবনে ইউলালিয়া পৌরসভার বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। স্কালোনি ছাড়া তাঁর মাউরো ও কোরিনা নামে আরও দুই সন্তান রয়েছে। জাতীয় দলের ব্যস্ততার মাঝেও সময় পেলেই মায়ের সঙ্গে দেখা করতে যেতেন এই কোচ। পাঁচ বছর আগেই মায়ের অসুস্থতার কথা প্রকাশ্যে এনেছিলেন তিনি। তবুও পেশাদারিত্বের সঙ্গে ডাগআউটের দায়িত্ব সামলে গেছেন স্কালোনি। ২০২১ সালে কোপা আমেরিকা ও ২০২২ সালে কাতার বিশ্বকাপ জয়ের স্মরণীয় অর্জনগুলো তিনি উৎসর্গ করেছিলেন অসুস্থ মায়ের নামে। কোপা জয়ের পর আবেগপ্রবণ কণ্ঠে স্কালোনি বলেছিলেন, আমি এই জয় আমার মাকে উৎসর্গ করতে চাই। কয়েক দিন আগে তিনি গুরুতর সমস্যায় পড়েছিলেন এবং লড়াই করছেন। স্কালোনির মাতৃবিয়োগে গভীর শোক প্রকাশ করেছে আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (এএফএ)। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন সংস্থাটির সভাপতি ক্লদিও তাপিয়া। কঠিন এই মুহূর্তে কোচের পাশে থাকার বার্তা দিয়েছে দেশের শীর্ষ ফুটবল নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি। //আইই//

২৫ বছর পর ইংল্যান্ডের ফুটবলে ব্যালন ডি’অর, কেন আলাদা হ্যারি কেইনের জয়?
২৫ বছর পর ইংল্যান্ডের ফুটবলে ব্যালন ডি’অর, কেন আলাদা হ্যারি কেইনের জয়?

দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান। ২৫ বছর পর আবার ইংল্যান্ডের কোনো ফুটবলারের হাতে উঠেছে ব্যালন ডি’অর। ২০২৬ সালের এই পুরস্কার জিতে ইতিহাস গড়েছেন বায়ার্ন মিউনিখের স্ট্রাইকার হ্যারি কেইন। তাঁর এই জয় শুধু ব্যক্তিগত অর্জন নয়, ইংলিশ ফুটবলের সাম্প্রতিক সাফল্যেরও একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। ৩৩ বছর বয়সী কেইন ২০২৫-২০২৬ মৌসুমে ক্লাব ও জাতীয় দলের হয়ে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে ৭৩টি গোল করেছেন। বায়ার্ন মিউনিখকে বুন্দেসলিগার শিরোপা ধরে রাখতে সাহায্য করার পাশাপাশি জিতেছেন ঘরোয়া ট্রেবল। জার্মান লিগে টানা তৃতীয়বারের মতো সর্বোচ্চ গোলদাতাও হয়েছেন তিনি। চ্যাম্পিয়ন্স লিগে করেছেন ১৪ গোল। কেইনের সামনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা ছিলো কিলিয়ান এমবাপে ও লামিনে ইয়ামালের মতো তারকাদের। শেষ পর্যন্ত তাঁদের পেছনে ফেলে ফুটবলের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ ব্যক্তিগত পুরস্কারটি জিতেছেন ইংল্যান্ডের অধিনায়ক। ১৯৫৬ সালে চালু হওয়া ব্যালন ডি’অরের প্রথম বিজয়ী ছিলেন ইংল্যান্ডের স্ট্যানলি ম্যাথিউস। এরপর ইংলিশ ফুটবলার হিসেবে সর্বশেষ ২০০১ সালে পুরস্কারটি জিতেছিলেন মাইকেল ওয়েন। দীর্ঘ ২৫ বছর পর কেইনের হাত ধরে আবারও এই স্বীকৃতি পেলো ইংল্যান্ড। কেইনের এই অর্জন তাঁর ক্যারিয়ারের দীর্ঘ পথচলারও স্বীকৃতি। টটেনহ্যাম হটস্পারে একের পর এক গোল করেও বড় কোনো দলীয় শিরোপা না জেতার আক্ষেপ ছিলো তাঁর। বায়ার্নে যোগ দেওয়ার পর সেই অপেক্ষার অবসান ঘটেছে। এবার ব্যক্তিগত সাফল্যের শীর্ষেও পৌঁছালেন তিনি। //আইই//

এল ক্লাসিকোর নায়ককে নিয়ে মরিনহোর উচ্ছ্বাস
এল ক্লাসিকোর নায়ককে নিয়ে মরিনহোর উচ্ছ্বাস

স্পটিফাই ক্যাম্প ন্যু-তে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী বার্সেলোনাকে ২-১ ব্যবধানে হারিয়েছে রিয়াল মাদ্রিদ। এইএল ক্লাসিকো জয়ের নেপথ্যে ছিলেন একাদশে চমক হিসেবে আসা ব্যাকআপ গোলকিপার আন্দ্রে লুনিন, যার পারফর্ম্যান্সে মুগ্ধ হয়ে ম্যাচ শেষে ভূয়সী প্রশংসা করেছেন দলের পর্তুগিজ কোচ হোসে মরিনহো। ম্যাচের মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগে রিয়াল মাদ্রিদ যখন কাতালুনিয়া সফরের প্রস্তুতি নিচ্ছিলো, ঠিক তখনই অসুস্থতার কারণে ছিটকে যান নিয়মিত গোলকিপার থিবো কোর্তোয়া। ফলে চলতি মৌসুমে একটি ম্যাচও না খেলা লুনিনের সামনে হঠাৎ করেই একাদশে নামার বড় চ্যালেঞ্জ এসে পড়ে। বার্সেলোনার ঘরের মাঠের প্রতিকূল পরিবেশ সামলে ৯০ মিনিটের পুরো খেলায় ৫টি সেভ করেন তিনি। বিশেষ করে দ্বিতীয় অর্ধে জেরার্ড মার্টিনের একটি বিপজ্জনক হেডার ঠেকিয়ে দিয়ে দলের জয় নিশ্চিত করেন এই ইউক্রেনীয় গোলকিপার। ম্যাচ পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের কাছ থেকে লুনিনকে নিয়ে কোনো প্রশ্ন না আসায় নিজেই এই দুই নম্বর গোলকিপারের প্রশংসায় মুখর হন মরিনহো। তিনি বলেন, "তোমাদের কেউই কি আমাকে লুনিনকে নিয়ে কোনো প্রশ্ন করবে না? আমি নিশ্চিত, আমরা হেরে গেলে ঠিকই তাঁকে নিয়ে প্রশ্ন তুলতে। লুনিনকে আমি শুধু একটাই কথা বলেছিলাম- তুমি মাঠে নেমে খেলার জন্যই অনুশীলন করো, বেঞ্চে বসে থাকার জন্য নয়।" পর্তুগিজ কোচ আরও জানান, "সে সত্যি অসাধারণ ও অবিশ্বাস্য খেলেছে।" স্প্যানিশ লিগে টানা ৯ ম্যাচ জয়ের পর এটাই বার্সেলোনার প্রথম হার। এই পরাজয়ে লা লিগায় সেরা শুরুর নতুন রেকর্ড গড়া হলো না কাতালান ক্লাবটির, একই সঙ্গে থামলো ঘরের মাঠে তাদের টানা ২৩ জয়ের পথচলা। //আইই//

অনুশীলনের মাঠে লুটিয়ে পড়ে হাসপাতালে বায়ার্ন কোচ কোম্পানি
অনুশীলনের মাঠে লুটিয়ে পড়ে হাসপাতালে বায়ার্ন কোচ কোম্পানি

শনিবার (২৪ অক্টোবর) এক বিবৃতিতে বায়ার্ন মিউনিখ জানায়, অনুশীলনের সময় পড়ে যাওয়ার পর কোম্পানির জরুরি চিকিৎসার প্রয়োজন হয়। বর্তমানে তার বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে। পরবর্তী ঘোষণা না দেওয়া পর্যন্ত তার কোচিং স্টাফের অন্য সদস্যরা অনুশীলন ও ম্যাচের দায়িত্ব সামলাবেন। গত কয়েক দিন ধরে ভাইরাস সংক্রমণে অসুস্থ ছিলেন কোম্পানি। গত মঙ্গলবার চ্যাম্পিয়ন্স লিগে আর্সেনালের বিপক্ষে ম্যাচের আগে সংবাদ সম্মেলনেও অংশ নিতে পারেননি তিনি। এছাড়া প্রথম দলের কয়েকটি অনুশীলনেও অনুপস্থিত ছিলেন বায়ার্নের এই কোচ। কোম্পানির শারীরিক অবস্থা নিয়ে বায়ার্নের বোর্ড সদস্য ম্যাক্স ইবার্ল বলেন, তার দ্রুত সুস্থ হয়ে ওঠাই এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। প্রয়োজনীয় সব ধরনের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে এবং কোচিং স্টাফের ওপর ক্লাবের পূর্ণ আস্থা রয়েছে। কোম্পানির মাঠে ফিরতে কয়েক সপ্তাহ সময় লাগতে পারে বলে জানিয়েছেন ইবার্ল। তবে ঠিক কত দিন তাকে বিশ্রামে থাকতে হবে, তা এখনো নিশ্চিত নয়। কোম্পানির অনুপস্থিতিতে রবিবার বুন্দেসলিগায় ফ্রেইবুর্গের বিপক্ষে ম্যাচে দায়িত্ব পালন করবেন তার কোচিং স্টাফের সদস্যরা। /শান্ত/

রোনান সুলিভানকে নিয়েই সাফের প্রাথমিক দল
রোনান সুলিভানকে নিয়েই সাফের প্রাথমিক দল

গত এপ্রিলে অনূর্ধ্ব-২০ সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশের হয়ে খেলেন রোনান। দলের শিরোপা জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন তিনি। মালদ্বীপের রাজধানী মালেতে অনুষ্ঠিত অনূর্ধ্ব-২০ সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে অপরাজিত চ‍্যাম্পিয়ন হয় বাংলাদেশ। ফাইনালে ভারতকে টাইব্রেকারে হারিয়েছিল ৪-৩ গোলে। ওই আসরে পাকিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচে দুটি এবং ফাইনালে ভারতের বিপক্ষে টাইব্রেকারে গোল করেন রোনান। ২৮ জনের প্রাথমিক দলে সিংহভাগই চেনা মুখ। আছেন তিন গোলকিপার মিতুল মারমা, সুজন হোসাইন ও মেহেদী হাসান শ্রাবণ। রক্ষণে তপু বর্মণ, তারিক রায়হান কাজী ও বিশ্বনাথ ঘোষের মতো অভিজ্ঞদের সাথে আছেন রহমত মিয়ারা। প্রবাসীদের মধ্যে হামজা চৌধুরী, শোমিত সোমের সাথে আছে ফারহান আলী ওয়াহিদ ও মোহাম্মদ মাহে খান। এছাড়া রয়েছেন সুকি ইতোফুসা, মিনহাজুল করিম স্বাধীন এবং জামাল ভূঁইয়া। ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তায় আশিয়ান কাপে খেলতে গিয়ে বিতর্কের জন্ম দেওয়া সাদ উদ্দিন ও সোহেল রানা জুনিয়রও আছেন প্রাথমিক দলে। প্রাথমিক দলে আরও দুজনকে শুধু অনুশীলনের জন্য রাখা হয়েছে। তারা হলেন ইসহাক আকন্দো ও মোহাম্মদ আসিফ। আগামী ৪ নভেম্বর ঢাকায় শুরু হবে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের ১৫তম আসর। ২০০৩ সালে প্রথম এবং সবশেষ এই শিরোপার স্বাদ পেয়েছিল বাংলাদেশ। কেআর/শান্ত/