Advertisement(970X90).png
Advertisement(300X90).png

১৫ কার্তিক ১৪৩৩, ১৯ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬

পুলিশে ১০ হাজারের বেশি কনস্টেবল নিয়োগ
পুলিশে ১০ হাজারের বেশি কনস্টেবল নিয়োগ

নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, প্রার্থীদের অনলাইনের মাধ্যমে আবেদন করতে হবে। নির্ধারিত শারীরিক, শিক্ষাগত ও অন্যান্য যোগ্যতা পূরণকারী প্রার্থীরা এই পদে আবেদনের সুযোগ পাবেন। নির্বাচিত প্রার্থীদের ৬ মাসের মৌলিক প্রশিক্ষণ সফলভাবে সম্পন্ন করার পর ১৭তম গ্রেডে কনস্টেবল পদে নিয়োগ দেওয়া হবে। নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ পুলিশ। পদের নাম ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল (টিআরসি)। জেলাভিত্তিক শূন্য পদের সংখ্যা বাংলাদেশ পুলিশের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে। এই পদে বেতন গ্রেড নির্ধারণ করা হয়েছে ১৭তম। বেতনস্কেল ২১ হাজার ৪০০ টাকা থেকে ৫১ হাজার ৯০০ টাকা। বয়স: ২০২৬ সালের ৩০ অক্টোবর তারিখে প্রার্থীর বয়স ১৮ থেকে ২০ বছরের মধ্যে হতে হবে। মুক্তিযোদ্ধা, শহীদ মুক্তিযোদ্ধা ও বীরাঙ্গনার সন্তানদের ক্ষেত্রে প্রচলিত কোটা নীতিমালা অনুসরণ করা হবে। শিক্ষাগত যোগ্যতা: এসএসসি বা সমমানের পরীক্ষায় ভোকেশনালসহ ন্যূনতম জিপিএ ২.৫০ পেয়ে উত্তীর্ণ হতে হবে। বৈবাহিক অবস্থা: আবেদনকারীকে অবশ্যই অবিবাহিত হতে হবে। তালাকপ্রাপ্ত প্রার্থীরা এই নিয়োগে আবেদন করতে পারবেন না। নিয়োগের অনলাইন আবেদন শুরু হয়েছে ১৩ অক্টোবর ২০২৬ সকাল ১০টায়। আবেদন করা যাবে ৩০ অক্টোবর ২০২৬ রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত। আবেদন ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ৬৫ টাকা। আগ্রহী প্রার্থীদের বাংলাদেশ পুলিশের টেলিটক আবেদন পোর্টালে প্রবেশ করে নির্ধারিত নিয়মে আবেদন ফরম পূরণ করতে হবে। প্রার্থীদের নিজ নিজ জেলার পুলিশ লাইন্স মাঠে নির্ধারিত তারিখে শারীরিক মাপ, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যাচাই এবং শারীরিক সক্ষমতা পরীক্ষায় অংশ নিতে হবে। বিজ্ঞপ্তিতে জেলাগুলোকে চারটি দলে ভাগ করে পরীক্ষার সময়সূচি নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রথম দল: ১৩, ১৪ ও ১৫ নভেম্বর ২০২৬ দ্বিতীয় দল: ১৬, ১৭ ও ১৮ নভেম্বর ২০২৬ তৃতীয় দল: ১৯, ২০ ও ২১ নভেম্বর ২০২৬ চতুর্থ দল: ২২, ২৩ ও ২৪ নভেম্বর ২০২৬ প্রতিদিন সকাল ৮টায় পরীক্ষা শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। তবে কোন জেলার প্রার্থীরা কোন তারিখে পরীক্ষায় অংশ নেবেন, তা জানতে মূল নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির জেলাভিত্তিক তালিকা অনুসরণ করতে হবে। নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে দেওয়া সূচি অনুযায়ী, লিখিত পরীক্ষা ২৫ নভেম্বর থেকে ১৯ ডিসেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। অন্যদিকে, মনস্তাত্ত্বিক ও মৌখিক পরীক্ষা ৫ ডিসেম্বর থেকে ২৬ ডিসেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত চলার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। আগ্রহী প্রার্থীদের বাংলাদেশ পুলিশের টেলিটক নিয়োগ পোর্টালে গিয়ে অনলাইনে আবেদন করতে হবে। নিয়োগসংক্রান্ত বিস্তারিত নির্দেশনা, প্রয়োজনীয় শর্তাবলি এবং জেলাভিত্তিক শূন্য পদের তথ্য জানতে বাংলাদেশ পুলিশের আনুষ্ঠানিক ওয়েবসাইট ও মূল নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি অনুসরণ করতে হবে। /এমএএইচ/

চাঁদাবাজি নির্মূলে শিগগিরই নতুন আইন হচ্ছে: আইজিপি
চাঁদাবাজি নির্মূলে শিগগিরই নতুন আইন হচ্ছে: আইজিপি

চাঁদাবাজি নির্মূলে শিগগিরই নতুন আইন হচ্ছে বলে জানিয়েছেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির। শনিবার (২৪ অক্টোবর) দুপুরে খুলনায় পুলিশ লাইন্সে খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ (কেএমপি) এবং খুলনা এলাকার মাদক, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, কিশোর গ্যাং ও উগ্রবাদ বিরোধী কমিউনিটি পুলিশিং সুধী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এই কথা বলেন তিনি। আইজিপি বলেন, প্রভাবশালী চাঁদাবাজদের ভয়ে সাধারণ মানুষ থানায় অভিযোগ করতে চান না বা সাক্ষ্য দিতে ভয় পান। এই বাধা দূর করতে এবং চাঁদাবাজি নির্মূলে শিগগিরই নতুন আইন হতে যাচ্ছে। এই আইন পাস হলে ভুক্তভোগীর অভিযোগ ছাড়াই পুলিশ নিজে বাদী হয়ে চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে পারবে। তিনি বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা করতে বলপ্রয়োগ করলে পুলিশকে ফ্যাসিবাদী বলা হয়, আর বলপ্রয়োগ না করলে দুর্বল মনে করে মানুষ। গত ১৭ বছরে পুলিশ ও জনগণের মধ্যে দূরত্ব তৈরি হয়েছে। সমাজে মাদককে প্রতিষ্ঠিত করা হয়েছে। এই পরিস্থিতি নিরসনে কাজ করছে পুলিশ। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে আরও কার্যকর করতে স্বরাষ্ট্র ও অর্থ মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনে আইনি কাঠামো তৈরি করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে কমিউনিটি পুলিশিং পুলিশের একটি শাখা হিসেবে কাজ করবে। কমিউনিটি পুলিশের কতিপয় সদস্যের বিরুদ্ধে নিরীহ মানুষকে হয়রানি ও ভয়-ভীতি দেখিয়ে অর্থ আদায়ের অভিযোগ রয়েছে। এসব যেন আর না হয়, সেজন্য একটি আইনি কাঠামোর ভেতরে কমিউনিটি পুলিশের কার্যক্রম পরিচালিত হবে। তিনি আরও বলেন, কিশোর গ্যাং, চাঁদাবাজি ও মাদক নিয়ন্ত্রণে দেশব্যাপী যৌথ অভিযান চলছে। পাশাপাশি চাঁদাবাজির অভিযোগে ভুক্তভোগীদের অভিযোগ ছাড়াই পুলিশ যাতে স্বপ্রণোদিত হয়ে মামলা করতে পারে, সেই ক্ষমতা দিতে নতুন আইন প্রণয়নের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। /এমএএইচ/

সাইবার অপরাধ মোকাবিলায় পুলিশের বিশেষ ইউনিট গঠনের উদ্যোগ
সাইবার অপরাধ মোকাবিলায় পুলিশের বিশেষ ইউনিট গঠনের উদ্যোগ

দেশের সাইবার অপরাধ মোকাবিলায় পুলিশের প্রযুক্তিগত সক্ষমতা ও দক্ষতা বাড়াতে ডিজিটাল ফরেনসিক ল্যাব ও সাইবার ল্যাব স্থাপন, বিশেষায়িত প্রশিক্ষণ এবং স্বতন্ত্র সাইবার পুলিশ ইউনিট গঠনসহ বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। পাশাপাশি, সাইবার অপরাধের মামলা তদন্তে দক্ষ জনবল গড়ে তুলতে দেশব্যাপী প্রশিক্ষণ কার্যক্রম জোরদার করা হচ্ছে। সিআইডির তথ্যানুযায়ী, ২০২৫ সালের ১ সেপ্টেম্বর থেকে ২০২৬ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সাইবার অপরাধ-সংক্রান্ত জিআর (জেনারেল রেজিস্টার) ৩২টি ও সিআর (ক্রিমিনাল রেজিস্টার) ১৫৯টিসহ মোট ১৯১টি মামলা হয়েছে। এ ছাড়া সাইবার অপরাধের অভিযোগে এক বছরে ১০১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

সাজেকে সেনাবাহিনী ও পুলিশের সহায়তায় ৩ হাজার পর্যটক উদ্ধার
সাজেকে সেনাবাহিনী ও পুলিশের সহায়তায় ৩ হাজার পর্যটক উদ্ধার

সেনাবাহিনীর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, পর্যটকদের নিরাপদে সরিয়ে নেওয়ার সময় সকাল ১০টার দিকে গঙ্গারাম বাজার এলাকায় অবরোধকারীরা সড়কে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে যান চলাচল বন্ধ করে দেন। সেনাবাহিনী ও পুলিশের সদস্যরা তাদের সঙ্গে আলোচনা করে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার চেষ্টা করেন। সেনাবাহিনীর দাবি, সকাল পৌনে ১১টার দিকে অবরোধকারীরা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও পর্যটকদের লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বাহিনীর সদস্যরা লাঠিচার্জ করে অবরোধকারীদের ছত্রভঙ্গ করেন। পরে সকাল ১১টার দিকে ইউপিডিএফের সশস্ত্র সদস্যরা আনুমানিক ৩০ থেকে ৪০ রাউন্ড গুলি ছোড়েন বলে প্রাথমিক তথ্যের বরাতে জানিয়েছে সেনাবাহিনী। এই সময় আত্মরক্ষা ও পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সেনাবাহিনীর টহল দল পাল্টা গুলি ছোড়ে। এরপর সশস্ত্র ব্যক্তিরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান। সেনাবাহিনীর বিবৃতিতে আরও বলা হয়, স্থানীয় লোকজনকে ভয়ভীতি দেখিয়ে অবরোধে অংশ নিতে বাধ্য করা এবং মানবঢাল হিসেবে ব্যবহারের অভিযোগ রয়েছে। এই ধরনের সহিংসতা পার্বত্য চট্টগ্রামের শান্তি, স্থিতিশীলতা, পর্যটনশিল্প ও স্থানীয় মানুষের জীবন-জীবিকার ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলছে বলে উল্লেখ করা হয়। পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তি ও জননিরাপত্তা বজায় রাখতে বেসামরিক প্রশাসন ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করে দায়িত্ব পালন অব্যাহত রাখার কথা জানিয়েছে সেনাবাহিনী। /শান্ত/

এজেআর কুরিয়ারে হামলা, সন্ত্রাসীদের পরিচয় সনাক্তে বেগ পেতে হচ্ছে পুলিশের!
এজেআর কুরিয়ারে হামলা, সন্ত্রাসীদের পরিচয় সনাক্তে বেগ পেতে হচ্ছে পুলিশের!

হামলাকারীরা ভাঙচুরের পর ল্যাপটপ, সিসি ক্যামেরা ও ফুটেজ সংরক্ষণের ডিভিআর নিয়ে গেছে বলে অভিযোগ এজেআর কুরিয়ার কতৃপক্ষের। হামলাকারীরা আবার আসার হুমকিও দেন বলেও জানান এজেআর কুরিয়ার সিকিউরিটি ইনচার্জ রুহুল আমিন। মঙ্গলবার ঘটনার পরপর ৯৯৯ এ ফোন পেয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয় পুলিশ। সকালে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন রমনা বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার শেখ জাহিদুল ইসলাম। তিনি বলেন, শীর্ষ সন্ত্রাসী কোন গ্রুপ জড়িত কিনা তদন্ত সাপেক্ষে জানাবে পুলিশ। শতাধিক সিসিটিভি ক্যামেরা থাকলেও ডিভিআর নিয়ে যাওয়ায় সন্ত্রাসীদের পরিচয় সনাক্তে বেগ পেতে হচ্ছে খোদ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকেই। এ ঘটনায় ৩১ লাখের বেশি ক্ষয়ক্ষতির কথা জানিয়েছে কুরিয়ার কতৃপক্ষ। /সাইফুল/

দিল্লি পুলিশকে ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম
দিল্লি পুলিশকে ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম

সোমবার (১২ অক্টোবর) আরেক সহ-সমন্বয়ক সৌরভ দাসকে সঙ্গে নিয়ে পার্লামেন্ট স্ট্রিট থানায় যান রানকা। সেখানে তারা বিক্ষোভের জন্য নতুন তারিখ নির্ধারণের দাবি জানান। রানকা বলেন, যন্তর মন্তর বিক্ষোভের নির্ধারিত স্থান। সেখানে কবে বিক্ষোভ করা যাবে, তা জানতে তারা পুলিশের কাছে এসেছেন। আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে পুলিশকে বিক্ষোভের সুযোগ ও তারিখ জানাতে হবে। অন্যথায় পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে। গত ১০ অক্টোবর যন্তর মন্তরে সিজেপির প্রস্তাবিত বিক্ষোভের অনুমতি দেয়নি দিল্লি পুলিশ। স্বল্প সময়ের নোটিশে আবেদন, আগের বিক্ষোভে নিয়ম লঙ্ঘনের অভিযোগ এবং জননিরাপত্তা, যান চলাচল ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগের কথা জানিয়ে অনুমতি প্রত্যাখ্যান করা হয়। পুলিশের দাবি, প্রস্তাবিত কর্মসূচির বিষয়ে ৭ অক্টোবর তাদের জানানো হয়েছিলো। অর্থাৎ, বিক্ষোভের মাত্র ৩ দিন আগে আবেদন করা হয়। অথচ নিয়ম অনুযায়ী, এ ধরনের কর্মসূচির জন্য অন্তত ১০ দিন আগে আবেদন জমা দিতে হয়। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভের পরিকল্পনা করেছিলো সিজেপি। ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) কার্যক্রমে কথিত অনিয়মের প্রতিবাদে দলটির চলমান আন্দোলনের অংশ ছিলো এই কর্মসূচি। পুলিশ আরও অভিযোগ করেছে, সিজেপির আগের একটি বিক্ষোভ নির্ধারিত সময়ের পরও চলেছিলো, যার ফলে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটে। /শান্ত/