Advertisement(970X90).png
Advertisement(300X90).png

১৫ কার্তিক ১৪৩৩, ১৯ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬

দিনাজপুরে স্কুলশিক্ষককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ
দিনাজপুরে স্কুলশিক্ষককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ

রবিবার (২৫ অক্টোবর) দুপুরে উপজেলার ১ নম্বর বেলাইন্ডী ইউনিয়নের নয়া মোল্লাপাড়া গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। নিহত শিক্ষকের নাম মনোরঞ্জন রায়। তিনি চকসুদা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এবং চিরিরবন্দরের ইসবপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা। জানা যায়, মনোরঞ্জন রায় তাঁর একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার জন্য সোনাপুকুর গ্রামে যান। এসময় পারিবারিক বিরোধের জেরে কয়েকজন ব্যক্তি লাঠিসোঁটা নিয়ে তাঁকে পিটিয়ে হত্যা করে। স্থানীয়রা এক হামলাকারীকে আটক করেন। পার্বতীপুর মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল ওয়াদুদ বলেন, পারিবারিক বিরোধের জেরে তাঁকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। ৯৯৯-এ কল পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। এই ঘটনায় একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। /এমএএইচ/

কেরানীগঞ্জে যৌতুকের দাবিতে স্ত্রীকে হত্যা, স্বামীর মৃত্যুদণ্ড
কেরানীগঞ্জে যৌতুকের দাবিতে স্ত্রীকে হত্যা, স্বামীর মৃত্যুদণ্ড

রাজধানীর দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে যৌতুকের দাবিতে রেহানা নামে এক নারীকে শ্বাসরোধে হত্যার দায়ে স্বামী মো. মিজানুর রহমান ওরফে মিজান হোসেনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাঁকে এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। রবিবার (২৫ অক্টোবর) ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৪ এর বিচারক মুন্সী মো. মশিয়ার রহমান এই রায় ঘোষণা করেন। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত মিজানুর রহমান ভোলার চরফ্যাশন থানার পূর্ব মাদ্রাজ খাঁ বাড়ির মো. শামসুল ইসলাম ও রোসনা বেগমের ছেলে। তিনি দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের চর মীরেরবাগে ভাড়া বাসায় থাকতেন। এদিন রায় ঘোষণার আগে আসামিকে আদালতে আনা হয়। রায় শেষে সাজা পরোয়ানা দিয়ে তাঁকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত। মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ঘটনার (২০১৯) প্রায় ১১ বছর আগে শরিয়ত অনুযায়ী রেহানার সঙ্গে মিজানের বিয়ে হয়। তাদের দাম্পত্য জীবনে দু’টি কন্যা সন্তান রয়েছে। বিয়ের পর থেকেই বিভিন্ন সময় যৌতুকের দাবিতে রেহানার ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালাতেন মিজান। ভুক্তভোগীর পরিবার বিভিন্ন সময় তাঁকে আসবাবপত্র, স্বর্ণালংকার এমনকি বাড়ি নির্মাণের জন্য টিনের ঘরও তুলে দেয়। হত্যাকাণ্ডের প্রায় ২০ দিন আগে মিজান পুনরায় রেহানার পরিবারের কাছে ৫০ হাজার টাকা যৌতুক দাবি করেন। পরে রেহানার ভাই বিকাশের মাধ্যমে ২ হাজার টাকা পাঠান। কিন্তু বাকি টাকার জন্য রেহানাকে আবারও মারধর করা হয়। একপর্যায়ে ২০১৯ সালের ২৫ জুলাই সকাল ৭টার আগে যেকোনো সময় দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের চর মীরেরবাগের ভাড়া বাসায় রেহানাকে গলা টিপে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেন মিজান। পরদিন ২৬ জুলাই দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেন রেহানার বড় ভাই মো. আব্বাস। মামলা দায়েরের পর অভিযুক্ত মিজানকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এরপর মিজান আদালতে স্বেচ্ছায় দোষ স্বীকার করে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। তদন্ত শেষে ২০১৯ সালের ২৯ ডিসেম্বর তদন্তকারী কর্মকর্তা পুলিশের এসআই মো. আক্কাস মিয়া আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করেন। পরে আদালত আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে মামলার বিচার শুরুর আদেশ দেন। বিচার চলাকালে আদালত মোট ১০ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করেন। /এমএএইচ/

রংপুরে অটোরিকশা চুরির অভিযোগে গণপিটুনিতে নিহত ২
রংপুরে অটোরিকশা চুরির অভিযোগে গণপিটুনিতে নিহত ২

রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলায় ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চুরির অভিযোগে গণপিটুনিতে ২ জন নিহত হয়েছেন। নিহতরা হলেন কচুয়া সরদারপাড়া এলাকার এজারুল ওরফে রেজাউল কানা (৪৫) এবং অন্যজন কোলকোন্দ ইউনিয়নের বাসিন্দা সাদিকুল ইসলাম (২৫)। রবিবার (২৫ অক্টোবর) ভোরে উপজেলার বড়বিল ইউনিয়নের বাগপুর বাগেরহাট গ্রামের পুকুর খুড়ির দোলা ক্যানেল এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ভোরে গ্রামের বাসিন্দা সোহেল মিয়ার বাড়ি থেকে একটি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চুরি করে নিয়ে যাওয়ার সময় তিনি বিষয়টি টের পান। তিনি চিৎকার শুরু করলে পাশের মসজিদের মাইকে ‘চোর, চোর’ বলে ঘোষণা দেওয়া হয়। মাইকের ঘোষণা শুনে ফজরের নামাজ পড়তে আসা মুসল্লিসহ স্থানীয় লোকজন অটোরিকশাসহ ২ জনকে ধাওয়া করেন। ধাওয়া খেয়ে ওই ২ ব্যক্তি অটোরিকশাটি ফেলে পালানোর চেষ্টা করেন। এলাকাবাসী তাঁদের পিছু নিয়ে একপর্যায়ে সোহেল মিয়ার বাড়ি থেকে আধা কিলোমিটার পশ্চিমে উত্তর পানাপুকুর এলাকার পুকুর খুড়ির দোলায় ধানক্ষেত থেকে তাঁদের আটক করা হয়। সেখানে স্থানীয় লোকজন তাঁদের পিটুনি দিলে ঘটনাস্থলেই ২ জনের মৃত্যু হয়। গঙ্গাচড়া মডেল থানার ওসি আবদুস সবুর জানান, স্থানীয় লোকজনের কাছ থেকে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, অটোরিকশা চুরির পর উত্তেজিত জনতার গণপিটুনিতে ২ জনের মৃত্যু হয়েছে। মরদেহ উদ্ধার করে থানায় আনা হয়েছে। ময়নাতদন্তের পর অভিযোগকারীদের সঙ্গে কথা বলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। /এমএএইচ/

বরিশালে যুবদলকর্মীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ
বরিশালে যুবদলকর্মীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ

নিহত কাওসার হাওলাদার সাতলার আলামদী গ্রামের মোনাসেফ হাওলাদারের ছেলে। তিনি পেশায় মোটরবাইকচালক। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে কাওসার হাওলাদার, রাশেদ আমিনসহ কয়েকজন যুবদলকর্মী উজিরপুর-কোটালীপাড়া সীমান্তবর্তী পশ্চিম সাতলা এলাকার একটি ব্রিজের ওপর দাঁড়িয়ে কথা বলছিলেন। এই সময় মাইক্রোবাস নিয়ে একদল সশস্ত্র সন্ত্রাসী এসে তাঁদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। জীবন রক্ষার্থে কাওসার ও রাশেদ আমিন ব্রিজের নিচে পানিতে লাফিয়ে পড়ে পাশের হাবিব হাওলাদারের বাড়িতে গিয়ে আশ্রয় নেন। সেখানে ঘরের দরজা ভেঙে সন্ত্রাসীরা প্রবেশ করে কাওসারকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে ফেলে রেখে যায়। পরে তাঁকে উদ্ধার করে কোটালীপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। এই সময় অপর যুবদলকর্মী রাশেদ আমিনও গুরুতর আহত হন। উজিরপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিবুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতাল মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। /এমএএইচ/

অপ্রতিম হত্যা মামলায় ৪ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র
অপ্রতিম হত্যা মামলায় ৪ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র

শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) সকালে গণমাধমকে এই তথ্য নিশ্চিত করেন কুমিল্লা জেলা পুলিশের মিডিয়া কর্মকর্তা ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. লুৎফর রহমান। তিনি জানান, গত ২০ অক্টোবর আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়েছে। তদন্তে আসামিদের অপরাধে জড়িত থাকার প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে। অভিযোগপত্রে থাকা আসামিরা হলেন সাইফুল ইসলাম ওরফে তুহিন (১৯), মো. সিয়াম (১৯) এবং ১৫ ও ১৬ বছর বয়সী দুই কিশোর। তাদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৩০২, ২০১ ও ৩৪ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে। শিশু আইন অনুযায়ী, ২ কিশোরকে শিশু হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। তারা বর্তমানে গাজীপুর শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে রয়েছে। নিহত অপ্রতিমের বাবা ব্যবসায়ী কে এম ফিরোজ শাহরিয়ার দ্রুত মামলার রায় দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। পাশাপাশি দুই আসামির বয়স কম দেখানো হয়েছে বলে অভিযোগ করে ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে তাদের বয়স পুনর্নির্ধারণের দাবি জানিয়েছেন তিনি। গত ১৮ সেপ্টেম্বর বিকেলে আইফোন নিয়ে ছবি তুলতে বের হওয়ার পর কুমিল্লার কোটবাড়ি এলাকা থেকে নিখোঁজ হয় অপ্রতিম। পরদিন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়সংলগ্ন লালমাই পাহাড়ের সানন্দা এলাকার একটি জঙ্গল থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে এই ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তার করা হয়। /শান্ত/

শিশু চোর সন্দেহে একজনকে পিটিয়ে হত্যা
শিশু চোর সন্দেহে একজনকে পিটিয়ে হত্যা

বুধবার (২১ অক্টোবর) রাত ১১টার দিকে এই ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছেন ডিএমপির তেজগাঁও বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) ইবনে মিজান। তিনি বলেন, নিহত আলম শেখের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে পুলিশ। পরিবার জানিয়েছে, তিনি মানসিক ভারসাম্যহীন ছিলেন। ঘটনার যে হোতা, তাঁকে আমরা আটক করেছি। নিহতের পরিবারের লোকজনকে খবর দেওয়া হয়েছে, তাঁরা এলে মামলা হবে। ঘটনার বিষয়ে পুলিশ বলছে, রাত ১১টার দিকে আলম শেখ শহীদ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডের সামনে ঘোরাঘুরি করছিলেন। এই সময় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন শিশুদের স্বজনরা তাঁকে শিশু চোর বলে সন্দেহ করেন। শিশুদের স্বজনেরা আলম শেখের কাছে হাসপাতালে আসার কারণ জানতে চাইলে কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি বলে জানা গেছে। তখন একদল মানুষ সন্দেহভাজন আলম শেখকে টেনেহিঁচড়ে হাসপাতালের নিচে নামিয়ে বেধড়ক মারধর করেন। এতে ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়। ডিসি ইবনে মিজান বলেন, ঘটনার পর জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করে। পরে আঙুলের ছাপ মিলিয়ে আলম শেখের পরিচয় নিশ্চিত হয় পুলিশ। তিনি জানান, নিহত আলম শেখ রাজধানীর রূপনগরের এলাকার বাসিন্দা। /এমএএইচ/

খুলনায় যুবককে গুলি করে হত্যা
খুলনায় যুবককে গুলি করে হত্যা

খুলনায় দুর্বৃত্তদের গুলিতে মো. তুষার (২৭) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) ভোর সাড়ে ৫টার দিকে নগরীর মিস্ত্রিপাড়া বাজারের পূর্ব পাশের আনসার উদ্দিন লেন থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহত তুষার নগরীর জিন্নাহপাড়ার আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে। পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, বৃহস্পতিবার ভোরে নম্বর প্লেটবিহীন মোটরসাইকেলে করে যাওয়ার সময় আনসার উদ্দিন লেনের পূর্ব প্রান্তে তুষারকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে দুর্বৃত্তরা। এতে তিনি গুলিবিদ্ধ হয়ে মোটরসাইকেলসহ রাস্তায় পড়ে যান। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় তাঁর। পরে পুলিশ তাঁর মরদেহ ও মোটরসাইকেলটি উদ্ধার করে। খুলনা সদর থানার ওসি লোকমান হোসেন রিপন বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, নিহত তুষার নগরীর শীর্ষ সন্ত্রাসী ও মাদক সম্রাট পলাশের অন্যতম সহযোগী। তাঁর বিরুদ্ধে খুলনা সদর থানায় অস্ত্র ও চাঁদাবাজির মামলা রয়েছে। হত্যাকাণ্ডের কারণ ও জড়িতদের গ্রেপ্তারে অভিযান চালানো হচ্ছে। নিহত তুষারের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। /এমএইচ/

সাংবাদিক আলিফ হত্যা মামলায় যুবক গ্রেপ্তার
সাংবাদিক আলিফ হত্যা মামলায় যুবক গ্রেপ্তার

দুর্গাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খন্দকার শাকের আহমেদ রাতে গণমাধ্যমকে গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। গ্রেপ্তারকৃত অপূর্ব দুর্গাপুর পৌর শহরের উকিলপাড়া এলাকার শমসের আলীর ছেলে। পুলিশ জানায়, সাংবাদিক আলিফ ফকিরকে হত্যার সময় অপূর্ব সরাসরি ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন। এই সময় অস্ত্রের ব্যাগটি তার কাছেই ছিলো। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি বিষয়টি স্বীকার করেছেন। ওসি খন্দকার শাকের আহমেদ জানান, গ্রেপ্তার অপূর্ব সাংবাদিক আলিফ হত্যাকাণ্ডের মূল সন্দেহভাজন শুটারের ভাগ্নে। মূল সন্দেহভাজন ব্যক্তি একজন পেশাদার খুনি হিসেবে পরিচিত। //সোহেল//