চাপ সামলাতে পারছে না বাংলাদেশ, বলছেন তাসকিন
সংযুক্ত আরব আমিরাতে ত্রিদেশীয় সিরিজের প্রথম ম্যাচে জিম্বাবুয়ের কাছে ৯৯ রানের বড় হারে মুখ থুবড়ে পড়েছে বাংলাদেশ। ২৭২ রানের লক্ষ্যে ১৬ ওভার শেষে দলের স্কোর ছিলো ৩ উইকেটে ৯৪, তখনও জয়ের আশা টিকে ছিলো। কিন্তু এরপর ১৭.৪ ওভারে বাকি ৭ উইকেট হারিয়ে ১৭২ রানেই গুটিয়ে যায় তারা। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সবশেষ ৪ ওয়ানডের কোনোটিতেই পুরো ৫০ ওভার ব্যাট করতে পারেনি বাংলাদেশ। এই ব্যর্থতার মূল কারণ হিসেবে চাপ সামলাতে না পারাকেই দেখছেন পেসার তাসকিন আহমেদ।
ছন্দপতন ও পুরোনো সমস্যা
১৬ ওভার পর্যন্ত সাইফ হাসান ও তাওহীদ হৃদয়দের নেতৃত্বে দল ওভারপ্রতি প্রায় ৫.৮৭ রান তুলছিলো। কিন্তু এরপর ডট বলের আধিক্য, নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারানো এবং চাপের মুখে দ্রুত ধস, সব মিলিয়ে জুটি গড়তে না পারার পুরোনো সমস্যাই আবার সামনে এসেছে। জয়ের পথ নিজেরাই কঠিন করে ফেলেছে বাংলাদেশ।
শুরুতে ২৬ রানে ৩ উইকেট হারিয়েও হাল ছাড়েনি জিম্বাবুয়ে। ব্রেন্ডন টেলর ও ক্রেইগ আরভিনের ১৫০ রানের জুটি ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ তাদের হাতে এনে দেয়। বিপরীতে বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানরা জুটি গড়ার বদলে একের পর এক উইকেট হারিয়েছেন।
তাসকিনের মতে, এই পিচে ২৭২ রান তাড়া করা সম্ভব ছিলো। ম্যাচ শেষে তিনি বলেন, ‘এই পিচে দীর্ঘ সময় ব্যাটিং করা সম্ভব। এখানে রান করার সুযোগ ছিলো এবং চাইলে বড় জুটিও গড়ে তোলা যেত। প্রতিপক্ষ সেটি করেও দেখিয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘সত্যি বলতে, আজকের পিচের কথা বিবেচনা করলে ২৭০ রান অবশ্যই তাড়া করার মতো ছিলো। আমরাও এই পিচে বোলিং করেছি। দেখেছি, সামান্য ভুল হলেই প্রতিপক্ষ তার সুযোগ নিয়েছে।’
জিম্বাবুয়ের কন্ডিশনে খেলা কঠিন হলেও আমিরাতের উইকেটে বাংলাদেশের জেতা উচিত ছিলো বলে মনে করেন এই পেসার। তার ভাষায়, ‘জিম্বাবুয়ের মাটিতে খেলা কঠিন। তারা নিজেদের কন্ডিশনে অস্ট্রেলিয়াকেও যথেষ্ট চাপে ফেলেছে। এ কন্ডিশনে আমাদের রান তাড়া করে জেতা উচিত ছিলো। আমরা আসলে ভালো খেলতে পারিনি। সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো, ব্যাটিংয়ে আমরা কোনো কার্যকর জুটি গড়তে পারিনি। অন্তত একটি ভালো জুটি গড়তে পারলেও ম্যাচটি জেতা সম্ভব হতো।
ব্যাটিংয়ে একই ধরনের ভুলের পুনরাবৃত্তি নিয়ে হতাশাও প্রকাশ করেছেন তাসকিন।
/শুভ/
