স্পেন থেকে মরক্কোয় ফেরত পাঠানো অভিবাসীদের দলে বাংলাদেশিও
ছবি: সংগৃহীত
স্পেনের ছিটমহল সেউতা থেকে মরক্কোয় ফেরত পাঠানো ১৬ অভিবাসীর মধ্যে বাংলাদেশি নাগরিকও রয়েছেন। আশ্রয়ের আবেদন প্রত্যাখ্যাত হওয়ার পর তাদের ফেরত পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছে অভিবাসীদের অধিকার নিয়ে কাজ করা কয়েকটি সংগঠন। তবে ফেরত পাঠানো ব্যক্তিদের সংখ্যা ও জাতীয়তা আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেনি স্পেনের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য ইন্ডিপেনডেন্টের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ফেরত পাঠানো ব্যক্তিদের মধ্যে বাংলাদেশ ছাড়াও সেনেগাল, নাইজেরিয়া, ইয়েমেন ও ক্যামেরুনের নাগরিক রয়েছেন।
জুলাইয়ে মরক্কো থেকে বিপুলসংখ্যক মানুষের সেউতায় প্রবেশের পর এটিকে এই ধরনের প্রথম প্রত্যাবাসনের ঘটনা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। স্পেনের কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, মরক্কো এসব অভিবাসীকে গ্রহণে সম্মত হয়েছে। দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দাবি, ইউরোপীয় ইউনিয়নের বিবেচনায় মরক্কো একটি নিরাপদ দেশ এবং প্রয়োজনীয় সুরক্ষাব্যবস্থা অনুসরণ করেই তাদের ফেরত পাঠানো হয়েছে।
তবে অভিবাসী অধিকার সংগঠনগুলো প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া এবং মরক্কোয় ফেরত পাঠানো ব্যক্তিদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছে। অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের গবেষক ভার্জিনিয়া আলভারেজও স্পেনের অবস্থানের সমালোচনা করেছেন।
স্পেনের সংবাদমাধ্যম কাদেনা এসইআর ও এল পাইসের প্রতিবেদনেও প্রত্যাবাসন নিয়ে মানবাধিকার সংগঠন ও আইনজীবীদের আপত্তির কথা উঠে এসেছে। তাদের অভিযোগ, কিছু ক্ষেত্রে আইনি আপিল নিষ্পত্তি বা আদালতের সুরক্ষামূলক আদেশ কার্যকর হওয়ার আগেই অভিবাসীদের ফেরত পাঠানো হয়েছে। তবে স্পেনের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এসব অভিযোগের সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করেছে।
স্পেনের সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ১০ আগস্ট থেকে ২০ অক্টোবর পর্যন্ত বিভিন্ন প্রক্রিয়ায় ১২ হাজার ৭০০ জনের বেশি মানুষ মরক্কোয় ফিরে গেছেন।
/শান্ত/
