মেসেঞ্জারে সালামের জবাব দেওয়া কি ওয়াজিব?
সালাম ইসলামের গুরুত্বপূর্ণ অভিবাদন। এটি মানুষের মধ্যে ভালোবাসা, সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধন দৃঢ় করে। সরাসরি সাক্ষাতের পাশাপাশি এখন মেসেঞ্জার, হোয়াটসঅ্যাপ ও ইমোর মতো অনলাইন মাধ্যমেও একে অপরকে সালাম জানান অনেকে। তবে এসব মাধ্যমে কেউ সালাম দিলে তার জবাব দেওয়া কি ওয়াজিব?
ইসলামি আলোচক শায়খ আহমাদুল্লাহ এক প্রশ্নের উত্তরে বলেন, ইসলামে সালাম দেওয়া সুন্নত এবং সালামের জবাব দেওয়া ওয়াজিব। কেউ সালাম দিলে তাকে উত্তমভাবে অথবা অনুরূপভাবে জবাব দেওয়ার নির্দেশ রয়েছে পবিত্র কোরআনে। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘তোমাদের যখন অভিবাদন করা হয়, তখন তোমরা তার চেয়ে উত্তম অভিবাদন করো অথবা তারই অনুরূপ জবাব দাও।’ (সুরা নিসা, আয়াত ৮৬)
শায়খ আহমাদুল্লাহর মতে, আয়াতটিতে সালামের কোনো নির্দিষ্ট মাধ্যমের কথা বলা হয়নি। তাই সরাসরি সালাম দেওয়ার মতো মেসেজের মাধ্যমে সালাম দিলেও তার জবাব দেওয়া ওয়াজিব।
তবে মাসিক আল কাউসারে প্রকাশিত একটি প্রশ্নোত্তরে বলা হয়েছে, এ ধরনের ক্ষেত্রে সালামের জবাব সালামদাতাকে শুনিয়ে দেওয়া জরুরি নয়। এমনকি পাল্টা মেসেজ পাঠানো বা ফোন করে জানানোরও প্রয়োজন নেই। মুখে জবাব দিলেই যথেষ্ট বলে সেখানে উল্লেখ করা হয়েছে। এই বিষয়ে ফয়জুল কাদির ও রদ্দুল মুহতারের উদ্ধৃতিও দেওয়া হয়েছে।
রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পারস্পরিক ভালোবাসা বাড়াতে সালাম প্রচারের নির্দেশ দিয়েছেন। হাদিসে এসেছে, ‘তোমরা পরস্পরের মধ্যে সালাম প্রচার কর।’ (তিরমিজি, হাদিস ২৬৮৮)
/শান্ত/
