Advertisement(970X90).png
Advertisement(300X90).png

১৫ কার্তিক ১৪৩৩, ১৯ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬

মেসেঞ্জারে সালামের জবাব দেওয়া কি ওয়াজিব?
মেসেঞ্জারে সালামের জবাব দেওয়া কি ওয়াজিব?

ইসলামি আলোচক শায়খ আহমাদুল্লাহ এক প্রশ্নের উত্তরে বলেন, ইসলামে সালাম দেওয়া সুন্নত এবং সালামের জবাব দেওয়া ওয়াজিব। কেউ সালাম দিলে তাকে উত্তমভাবে অথবা অনুরূপভাবে জবাব দেওয়ার নির্দেশ রয়েছে পবিত্র কোরআনে। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘তোমাদের যখন অভিবাদন করা হয়, তখন তোমরা তার চেয়ে উত্তম অভিবাদন করো অথবা তারই অনুরূপ জবাব দাও।’ (সুরা নিসা, আয়াত ৮৬) শায়খ আহমাদুল্লাহর মতে, আয়াতটিতে সালামের কোনো নির্দিষ্ট মাধ্যমের কথা বলা হয়নি। তাই সরাসরি সালাম দেওয়ার মতো মেসেজের মাধ্যমে সালাম দিলেও তার জবাব দেওয়া ওয়াজিব। তবে মাসিক আল কাউসারে প্রকাশিত একটি প্রশ্নোত্তরে বলা হয়েছে, এ ধরনের ক্ষেত্রে সালামের জবাব সালামদাতাকে শুনিয়ে দেওয়া জরুরি নয়। এমনকি পাল্টা মেসেজ পাঠানো বা ফোন করে জানানোরও প্রয়োজন নেই। মুখে জবাব দিলেই যথেষ্ট বলে সেখানে উল্লেখ করা হয়েছে। এই বিষয়ে ফয়জুল কাদির ও রদ্দুল মুহতারের উদ্ধৃতিও দেওয়া হয়েছে। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পারস্পরিক ভালোবাসা বাড়াতে সালাম প্রচারের নির্দেশ দিয়েছেন। হাদিসে এসেছে, ‘তোমরা পরস্পরের মধ্যে সালাম প্রচার কর।’ (তিরমিজি, হাদিস ২৬৮৮) /শান্ত/

যেসব অবস্থায় আজানের জবাব দেওয়া জায়েজ নয়
যেসব অবস্থায় আজানের জবাব দেওয়া জায়েজ নয়

হজরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, মুয়াজ্জিনের আজানের আওয়াজ যত দূর পৌঁছায়, তত দূর পর্যন্ত তার গোনাহ ক্ষমা করা হয়। আজানের আওয়াজ যেসব প্রাণী ও নিষ্প্রাণ বস্তু শুনতে পায়, সেগুলোও তার পক্ষে সাক্ষ্য দেবে। (সুনানে আবু দাউদ: ৫১৫) আজানের জবাব দেওয়ার নিয়ম হলো, মুয়াজ্জিন যে বাক্য বলেন, শ্রোতাও সাধারণত সেই বাক্যই বলবেন। তবে ‘হাইয়্যা আলাস সালাহ’ ও ‘হাইয়্যা আলাল ফালাহ’ বলার সময় ‘লা হাওলা ওয়া লা কুউওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ’ বলার নির্দেশনা রয়েছে। (সহিহ মুসলিম: ৩৮৫) ঐতিহ্যবাহী কৌড়িয়া মাদ্রাসার প্রধান মুফতি ও মুহাদ্দিস মাওলানা হেলাল আসহাব কাসেমির বক্তব্য অনুযায়ী, যেসব অবস্থায় আজানের জবাব দেওয়া জায়েজ নয়, সেগুলো হলো— ১. নামাজরত অবস্থায়। ২. জুমার খুতবা বা বিবাহের খুতবা চলাকালে। ৩. স্বামী-স্ত্রীর সহবাসের সময়। ৪. প্রস্রাব-পায়খানা করার সময়। যেসব অবস্থায় জবাব না দেওয়ার অবকাশ রয়েছে ধর্মীয় জ্ঞান অর্জন, শরিয়তের মাসআলা শেখা বা শেখানোর সময় আজানের জবাব না দেওয়ার অবকাশ রয়েছে। তবে সুযোগ হলে জবাব দেওয়া উত্তম। কোরআন তিলাওয়াতের সময় আজান হলে তিলাওয়াত থামিয়ে আজানের জবাব দেওয়াকে উত্তম বলা হয়েছে। (ফতওয়ায়ে মাহমুদিয়া, দ্বিতীয় খণ্ড) খাবার খাওয়ার সময়ও আজানের জবাব না দেওয়ার অবকাশ রয়েছে। তবে খাবার সাময়িক বন্ধ রেখে জবাব দেওয়াই উত্তম বলে উল্লেখ করা হয়েছে। (আদ্দুররুল মুখতার: ১/৩৯৭) /শান্ত/