Advertisement(970X90).png
Advertisement(300X90).png

১৫ কার্তিক ১৪৩৩, ১৯ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬

স্পেনে ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনা, নিহত বেড়ে ৬৪
স্পেনে ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনা, নিহত বেড়ে ৬৪

স্থানীয় সংবাদমাধ্যমগুলে জানিয়েছে, একই গন্তব্যের দিকে যাওয়া দু’টি ট্রেন একই লাইনে চলছিলো। এর মধ্যে একটি ট্রেন আরেকটি ট্রেনকে পেছন থেকে এসে অত্যন্ত জোরে আঘাত করে। এতে ট্রেনের দু’টি বগি লাইন থেকে পড়ে যায়। দুর্ঘটনার শিকার হওয়া দুটি ট্রেনে ৫৪৪ জন যাত্রী ভ্রমণ করছিলেন। দুর্ঘটনাটি হয় মোরা এবং ওরগাজ শহরের মধ্যবর্তী স্থানে। দু’টি ট্রেনই মাদ্রিদ থেকে সেভিয়াতে যাচ্ছিলো। নিহতের সর্বশেষ এই সংখ্যা অনুযায়ী, ২০১৩ সালের পর এটিই স্পেনের সবচেয়ে ভয়াবহ রেল দুর্ঘটনা। সে বছর একটি ট্রেন রেললাইনের বাকে গিয়ে লাইনচ্যুত হয়ে পাশের লাইনে গিয়ে পড়ে। তখন উল্টো দিকে থেকে আসা আরেকটি ট্রেন লাইনচ্যুত হওয়া ট্রেনকে ধাক্কা দেয়। ওই দুর্ঘটনায় ৮০ জনের মৃত্যু হয়েছিলো। এখন দেশটি আরেকটি বড় দুর্ঘটনা দেখলো। স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ এ ঘটনায় শোক প্রকাশ করে বলেছেন, ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনার ঘটনায় আমি মর্মাহত। তিনি আরও জানান, পরিবহণমন্ত্রীর সঙ্গে তিনি সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখছেন। রেল পরিচালনাকারী সংস্থা আদিফ জানিয়েছে, রেনফে পরিচালিত একটি ট্রেনের সঙ্গে ইরিও কোম্পানির আরেকটি ট্রেনের সংঘর্ষ হয়েছে। ইরিওর ট্রেনটি মাদ্রিদ থেকে সেভিয়া রুটে চলাচল করে। দুর্ঘটনায় জড়িত একটি ট্রেনের ১৭ বছর বয়সী এক যাত্রী স্পেনের একটি সম্প্রচারমাধ্যমকে বলেন, এটি ছিল এক বিপর্যয়। দুর্ঘটনাস্থলে চরম বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়েছিলো বলেও জানান তিনি। জেসুস জেরোনিমো নামে ৫৪ বছর বয়সী এক যাত্রী বলেছেন, ভয়াবহ দুর্ঘটনার সময় ট্রেনের যাত্রীরা ভেতর থেকে ছিটকে বাইরে পড়ে যান। তিনি বলেছেন, প্রথমে আমরা ভেবেছিলাম ট্রেন লাইনচ্যুত হয়েছে। পরে ধীরে ধীরে আমরা বাইরে বের হই এবং দেখতে পাই আমাদের ট্রেন একপাশে কাত হয়ে গেছে। সেখানে অনেক আহত মানুষ ছিলেন। অনেকে ভয়ে কাঁপছিলেন। এই দুর্ঘটনায় আরও অন্তত ৮০ জন আহত হয়েছেন। সংবাদমাধ্যম বিবিসি জানিয়েছে, আহতদের মধ্যে প্রায় ৫০ জনের অবস্থা বেশ গুরুতর। যাদের অবস্থা বেশি খারাপ তাঁদের হেলিকপ্টারে করে উন্নত চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়েছে। আর কম আহতদের আশপাশের হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। সূত্র: বিবিসি /এমএএইচ/

সীতাকুণ্ডে লরিচাপায় নারী-শিশুসহ নিহত ৫
সীতাকুণ্ডে লরিচাপায় নারী-শিশুসহ নিহত ৫

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলায় লরিচাপায় সড়কের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা ৫ যাত্রী নিহত হয়েছেন। সোমবার দিবাগত রাত ১টা ১০ মিনিটের দিকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ছোট কুমিরা রয়েল সিমেন্ট গেট এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতদের মধ্যে এক শিশু, তিনজন নারী এবং একজন পুরুষ রয়েছেন। এ ঘটনায় আহত অবস্থায় অন্তত ৮ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে। এরমধ্যে ফাতেমা (৪০) এবং তার ৮ বছর বয়সী ছেলে রাকিবের নাম জানা গেছে। তাদের বাড়ি নেত্রকোণার মদন শিবাশ্রম এলাকায়। ফায়ার সার্ভিস কুমিরা স্টেশনের ফাইটার মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম ঢাকা পোস্টকে বলেন, যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকামুখী এক যাত্রীবাহী বাস সড়কের পাশে দাঁড়ানো ছিল। গাড়িটি মেরামতের সময় যাত্রীরা নেমে সড়কের পাশে দাঁড়িয়ে ছিল। এসময় ঢাকামুখী একটি লরি সড়কে দাঁড়িয়ে থাকা যাত্রীদের চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই ৩ জন নিহত হন এবং বাকি দুজনকে হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন। /এমএএইচ/

ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে বাস খাদে পড়ে নিহত ৩
ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে বাস খাদে পড়ে নিহত ৩

ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ে’র মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগরে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে যাত্রীবাহী একটি বাস খাদে পড়ে ৩ জন নিহত হয়েছেন। শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) দিবাগত রাত ৩টা ১৮ মিনিটের দিকে এক্সপ্রেসওয়ের ঢাকামুখী লেনে উপজেলার হাসাড়া এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ১৬ জন। দুর্ঘটনায় নিহতদের মধ্যে একজন হলেন চুয়াডাঙ্গার রুকুনুজ্জামান রঞ্জু (৫৫)। অন্য ২ জনের পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। মরদেহগুলো উদ্ধার করে হাইওয়ে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। দুর্ঘটনায় আহত ১৬ জন হলেন হৃদয় (৩০), শাহিন আক্তার (৩২), নূর ইসলাম (৫৫), ইমরান (২৭), গিলবাড সরকার (৫৫), তরিকুল ইসলাম (৩৬), সাইফুল ইসলাম (৪০), মিরাজুল ইসলাম (২৮), রফিকুল ইসলাম (৩৫), অনিফিন (১৭), সন্দীপন বসু (৪০), ইকরাম (৪০), রায়হান (২১), হাসিব (২২), তিশা (২৪) ও বোরহান উদ্দিন (৫৫)। মুন্সীগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপ-সহকারী পরিচালক মুহাম্মদ সফিকুল ইসলাম জানান, চুয়াডাঙ্গা থেকে ঢাকাগামী দর্শনা পরিবহণের একটি যাত্রীবাহী বাস কাভার্ডভ্যানকে ওভারটেক করার সময় বেপরোয়া গতির কারণে নিয়ন্ত্রণ হারায়। পরে বাসটি সড়কের রেলিং ভেঙে সার্ভিস লেন অতিক্রম করে পাশের পানিভর্তি খাদে পড়ে যায়। খবর পেয়ে শ্রীনগর ফায়ার স্টেশনের ২টি উদ্ধারকারী ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধারকাজ শুরু করে। উদ্ধারকারীরা ১১ জনকে উদ্ধার করে ফায়ার সার্ভিসের অ্যাম্বুলেন্সে শ্রীনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠান। এছাড়া ঘটনাস্থলেই ৫ জনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। /এমএএইচ/

বালুবোঝাই ট্রাক উল্টে পড়লো প্রাইভেটকারের ওপর, অতঃপর...
বালুবোঝাই ট্রাক উল্টে পড়লো প্রাইভেটকারের ওপর, অতঃপর...

ফরিদপুরে বালুবোঝাই একটি ট্রাক উল্টে প্রাইভেটকারের ওপর পড়েছে। এই ঘটনায় সুমি বেগম (৩২) নামে এক নারী ও তাঁর ছেলের মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে সদর উপজেলার কানাইপুর ইউনিয়নের তেঁতুলতলা এলাকায় ঢাকা-খুলনা মহাসড়কে এই দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার পলাশ মিয়ার স্ত্রী সুমি বেগম (৩২) ও তাঁর ৭ বছর বয়সী ছেলে শাওন। সুমি বেগম ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা ঢাকায় থাকেন। পরিবারের ৬ সদস্য মাগুরায় সুমি বেগমের বাবার বাড়িতে বেড়াতে এসেছিলেন। বাবার বাড়ি থেকে ঢাকায় ফেরার জন্য বাসের টিকিট না পেয়ে তাঁরা একটি ইজিবাইকে করে ফরিদপুর বাসস্ট্যান্ডের দিকে যাচ্ছিলেন। ঘটনাস্থলে পৌঁছালে ফরিদপুরের দিক থেকে আসা একটি বালুবোঝাই ট্রাক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ইজিবাইক ও একটি প্রাইভেটকারের ওপর আছড়ে পড়ে। এতে এই দুর্ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় ইজিবাইকে থাকা ৫ জন গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয় লোকজন তাঁদের উদ্ধার করে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক সুমি বেগম ও তাঁর ছেলেকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত অপর ৩ জনকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। দুর্ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ফরিদপুর ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন অফিসার শ্রীবাস বাড়ৈ জানান, ট্রাকটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে এই দুর্ঘটনা ঘটিয়েছে বলে তাঁরা জানতে পেরেছেন। দুর্ঘটনায় ইজিবাইকের পাশাপাশি একটি প্রাইভেটকারও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। হাসপাতালে নেয়ার পর মা ও ছেলের মৃত্যু হয়। তিনি আরও বলেন, বালুর নিচে চাপা পড়া ইজিবাইকচালককে দীর্ঘ এক ঘণ্টার চেষ্টায় মৃত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। তাঁর বয়স আনুমানিক ২৭ বছর। তাঁর নাম জানা যায়নি। /এমএএইচ/

মিশরে বাসের সঙ্গে ট্রাকের সংঘর্ষ, প্রাণ গেলো ১৩ জনের
মিশরে বাসের সঙ্গে ট্রাকের সংঘর্ষ, প্রাণ গেলো ১৩ জনের

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে দেশটির রাষ্ট্রায়ত্ত দৈনিক আল-আহরাম। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কায়রো-আসিয়ুত পশ্চিম মরুভূমি মহাসড়কে বাস ও ট্রাকের মধ্যে ঘটা এই মর্মান্তিক সংঘর্ষে ১৩ জন নিহত এবং ৩৪ জন আহত হয়েছেন। আল-আহরামের প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, আহতদের গিজার একটি হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে তদন্তও শুরু করেছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। এএফপির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কর্তৃপক্ষ মহাসড়ক থেকে বাস ও ট্রাকের ধ্বংসাবশেষ সরানোর কাজ করছে। একটি ক্রেনের সাহায্যে বড় বাসটিকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। সংঘর্ষের পর বাসটির সামনের পুরো অংশটি বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছিলো এবং সেখানে দুমড়েমুচড়ে যাওয়া ইস্পাত ও ধ্বংসাবশেষ পড়ে ছিলো। রাস্তার পাশে যাত্রীদের আসনগুলো ছড়িয়ে-ছিটিয়ে ছিলো এবং ট্রাকটির পেছনের অংশে বাসের ধ্বংসাবশেষ দেখা যাচ্ছিলো। রাষ্ট্রীয় পরিসংখ্যান সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, গত বছর মিশরে সড়ক দুর্ঘটনায় দেশজুড়ে প্রাণ হারিয়েছেন প্রায় ৬ হাজার মানুষ। গত সেপ্টেম্বরে সিনাই অঞ্চলে একটি বাস দুর্ঘটনায় ১০ জর্ডানি পর্যটকসহ মোট ২২ জন নিহত হন। তার আগের মাস আগস্টে উত্তর মিশরে কৃষি শ্রমিক বহনকারী দু’টি পিকআপ ট্রাকের সংঘর্ষে অন্তত ১৮ জন নিহত হন। সূত্র: আরব নিউজ /এমএএইচ/

নাটোরে বাস-ট্রাক সংঘর্ষ, নিহত বেড়ে ১৪
নাটোরে বাস-ট্রাক সংঘর্ষ, নিহত বেড়ে ১৪

নাটোরে যাত্রীবাহী বাস ও বালুবোঝাই ট্রাকের সংঘর্ষে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১৪ জনে দাঁড়িয়েছে। মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) ভোর সাড়ে ৪টার দিকে বড়াইগ্রাম উপজেলার সরকারপাড়ার নাটোর-পাবনা মহাসড়কে এই দুর্ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনায় ঘটনাস্থলেই ৯ জনের মৃত্যু হয়। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয় আরও পাঁচজনের। আহত ও নিহতদের উদ্ধার করে নাটোর সদর হাসপাতাল ও রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এদেরমধ্যে আটজনকে রামেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এ ঘটনায় অন্তত ৩০ জন যাত্রী আহত হয়েছেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নাটোরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইফতেখায়ের আলম। তিনি বলেন, নিহতদের মরদেহ নাটোর হাসপাতালের মর্গে রয়েছে। আহতদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে। এর আগে, মঙ্গলবার ভোর সাড়ে ৪টার দিকে বড়াইগ্রাম উপজেলার সরকারপাড়ার নাটোর-পাবনা মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে। তাৎক্ষণিকভাবে নিহত ও আহতদের পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। বিষয়টি নিয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা কাজ করছে। পুলিশ জানায়, বরিশালের বরগুনা থেকে রাজশাহীগামী আরপি পরিবহনের একটি বাস ভোরে বড়াইগ্রাম এলাকায় পৌঁছালে পাবনাগামী বালুবোঝাই ট্রাকের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়। এ সময় ঘটনাস্থলেই ৯ জনের মৃত্যু হয়। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও পাঁচজনের মৃত্যু হয়। ঘটনাস্থল পরিদর্শনে এসে বড়াইগ্রাম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) লায়লা জান্নাতুল ফেরদৌস দুর্ঘটনার কারণ হিসেবে তিনি বলেন, যেহেতু ভোর ছিল, চালক হয়তো ঘুমন্ত অবস্থায় গাড়ি চালাচ্ছিলেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। যেহেতু অনেকেই গুরুত্বর আহত, মৃতের সংখ্যা বাড়তে পারে। এ ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে। আহত ও নিয়হতের পরিচয় শনাক্তে কাজ করছে প্রশাসন। ঘটনাস্থল পরিদর্শনে করেছেন জাতীয় সংসদের হুইপ ও নাটোর-২ আসনের সংসদ সদস্য রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু এমপি। তিনি বলেন, আমি ব্যক্তিগতভাবে যারা নিহত হয়েছেন তাদেরকে আর্থিক সহায়তা দেওয়ার জন্য চেষ্টা করব। যেহেতু এই সড়কে প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনা ঘটেছে, সেজন্য দুর্ঘটনা এড়াতে যে পদক্ষেপগুলো নেওয়া প্রয়োজন সেগুলো সরকারের দায়িত্বশীল এমপি-মন্ত্রীদের সঙ্গে তিনি আলোচনা করবেন বলে জানান।