Advertisement(970X90).png
Advertisement(300X90).png

১৫ কার্তিক ১৪৩৩, ১৯ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬

একদিনের রিমান্ডে দিলীপ আগরওয়ালা
একদিনের রিমান্ডে দিলীপ আগরওয়ালা

৬৭৮ কোটি ১৯ লাখ ১৪ হাজার ১৪ টাকা চোরাকারবার ও অর্থপাচারের (মানিলন্ডারিং) মামলায় ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ড লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) দিলীপ কুমার আগরওয়ালাকে একদিনের রিমান্ড দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) বিকেলে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলাম তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের প্রেক্ষিতে শুনানি শেষে এই আদেশ দেন। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা, সিআইডির ফাইন্যান্সিয়াল ক্রাইম ইউনিটের উপপরিদর্শক (এসআই) মো. আশরাফুল হাসান আসামিকে আদালতে হাজির করে এই রিমান্ড আবেদন করেন। আবেদনে বলা হয়েছে, মানিলন্ডারিংয়ের সত্যতা নিরূপণ, চোরাচালানের উৎস সন্ধান এবং মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে আসামি দিলীপ কুমার আগরওয়ালাকে ৩ দিনের পুলিশ হেফাজতে নিয়ে নিবিড় জিজ্ঞাসাবাদের প্রয়োজন। এদিন রিমান্ড শুনানির জন্য দুপুর ২ টা ১০ মিনিটে তাঁকে সিএমএম আদালতের হাজতখানায় এনে রাখা হয়। পরে সেখান থেকে পুলিশি পাহারায় ৩টা ২ মিনিটে তাঁকে এজলাসে তোলা হয়। ৩টা ১৩ মিনিটে বিচারক এজলাসে উঠেন। পরে তদন্ত কর্মকর্তা রিমান্ডের যুক্তি তুলে ধরেন। একই সঙ্গে রাষ্ট্র পক্ষে আইনজীবী শামসুদ্দোহা সুমন রিমান্ডের পক্ষে যুক্তি তুলে ধরেন। আসামিপক্ষে আইনজীবী আনোয়ারুল কবীর বাবুল, আবদুল্লাহ আল মনসুর রিপন, সানাউল ইসলাম টিপু, জাহাঙ্গীর আলম, মনিরুল ইসলামসহ কয়েকজন রিমান্ড বাতিল চেয়ে শুনানি করেন। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত রিমান্ডের আদেশ দেন। শুনানিতে আসামিপক্ষের আইনজীবী আনোয়ারুল কবীর বাবুল আদালতকে বলেন, রিমান্ড আবেদন মামলার সঙ্গে সাংঘর্ষিক। আগরওয়ালা একজন সিআইবি। সর্বোচ্চ করদাতা। তিনি অসুস্থ, বয়োজ্যেষ্ঠ। আইনজীবী বলেন, মুসলিম হিসেবে যেমন আমাদের ধর্মীয় উৎসব থাকে, তাঁদেরও (হিন্দু) ধর্মীয় অনুষ্ঠান চলছে। আগামীকাল দশমী রয়েছে। সেই বিবেচনায় রিমান্ড বাতিল করে তাঁকে জামিন দেওয়া হোক। আরেক আইনজীবী শুনানিতে বলেন, ৫০ হাজার কর্মচারী তাঁর অধীনে কাজ করেন, তাঁর বয়স ৫৭ বাস্তবে ৬০। বয়স বিবেচনায় তাঁর রিমান্ড আবেদন বাতিল করা হোক। পরে বিকেল সাড়ে ৩টায় বিচারক জামিন আবেদন নাকচ করে একদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। শুনানি শেষে তাঁকে ৩টা ৩৩ মিনিটে পুনরায় পুলিশি পাহারায় সিএমএম হাজতখানায় নিয়ে যাওয়া হয়। মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, সিআইডির পুলিশ পরিদর্শক (নিরস্ত্র) মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান শেখ বাদী হয়ে রাজধানীর গুলশান থানায় মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে মামলাটি করেন। আবেদনে তদন্ত কর্মকর্তা জানান, আসামি ২০০৬ সাল থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত এলসির মাধ্যমে ৩৮ কোটি ৬৭ লাখ ৮১ হাজার টাকার পণ্য বৈধভাবে আনলেও, বিভিন্ন সময়ে স্থানীয় মার্কেট থেকে অবৈধ চোরাকারবারের মাধ্যমে আরও ৬৭৮ কোটি ১৯ লাখ ১৪ হাজার ১৪ টাকা মূল্যের সোনা ও ডায়মন্ড ক্রয় করেন। এসব পণ্যের ক্রয়সূত্র বা কোনো বৈধ কাগজপত্র তিনি দেখাতে পারেননি। /এমএএইচ/