Advertisement(970X90).png
Advertisement(300X90).png

১৫ কার্তিক ১৪৩৩, ১৯ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬

তাহসিফের সেই ‘জুনিয়র বন্ধু’ দ্বীপকে হেফাজতে নিয়েছে পিবিআই
তাহসিফের সেই ‘জুনিয়র বন্ধু’ দ্বীপকে হেফাজতে নিয়েছে পিবিআই

তাঁকে পিবিআই ঢাকা মেট্রো উত্তরে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে বলে গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন পিবিআই সদর দপ্তরের পুলিশ সুপার আবু ইউসুফ। শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) সকালে তিনি জানান, গত রাতে তাঁকে সেখানে নেওয়া হয়। দু’জন একসঙ্গে ছিলেন বলে তাঁরা কোথায় কোথায় গিয়েছিলেন, সে-ই বিষয়ে রেজা দ্বীপের দেওয়া কিছু তথ্য যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। শাহরিয়ার রেজা দ্বীপ ওই এলাকার বাসিন্দা সেলিম রেজার ছেলে। এর আগে, বুধবার বিকেলে তুরাগের রাজাবাড়ী ঘাট এলাকা থেকে তাহসিফ সাউরীর ভাসমান মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তাঁরা বাবা এনায়েতুল করিম জানান, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় দ্বীপের ফোনেই তাহসিফ বাসা থেকে বেরিয়েছিলেন। রাত ১টা ৩৫ মিনিটের দিকে তাহসিফ তাঁর মায়ের মোবাইলে একটা বার্তা পাঠিয়ে জানান, তিনি বাসায় ফিরছেন। বিমান বাহিনীর সাবেক এই কর্মকর্তা উত্তরার দিয়াবাড়ির বাসা থেকে নিজের বাইক নিয়ে বেরিয়েছিলেন। তাঁর মরদেহ উদ্ধারের সময় নৌপুলিশ মোবাইল ও মানিব্যাগ পেলেও বাইকটির সন্ধান পায়নি। তাহসীফকে ডেকে নেওয়া বন্ধুস্থানীয় ‘ছোট ভাই’ দ্বীপের সঙ্গে পরিবারের তরফে কথা হয়েছে বলে বৃহস্পতিবার জানান এক স্বজন। তাঁর ভাষ্য, দ্বীপ তাঁদের বলেছেন, তাঁরা একসঙ্গে রাতে খাওয়াদাওয়া করেছেন। পরে তাহসিফকে তাঁর বাসার এলাকাতেই রেখে ফিরে যাওয়ার কথা বলেছেন দ্বীপ। সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৬টা ২৪ মিনিটে বাইক নিয়ে তাহসিফের বাসার গ্যারেজে এসে হাজির হন দ্বীপ। গ্যারেজে ঢুকে প্রথমেই তিনি নিজের হেলমেটটি মোটরসাইকেলের ওপর রাখেন এবং পরিহিত কাপড় দিয়ে চোখ-মুখ মুছে নেন। এর কিছুক্ষণ পরই তাহসিফ ওপর থেকে নেমে নিচে চলে আসেন এবং দ্বীপের সঙ্গে কুশল বিনিময় করে হাত মেলান। এরপর সন্ধ্যা ৬টা ৩১ মিনিটে দু’জনকে দুটি আলাদা মোটরসাইকেল নিয়ে গ্যারেজ ছেড়ে বেরিয়ে যেতে দেখা যায়। গত বুধবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে টঙ্গী নৌ পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা তুরাগ নদের রাজাবাড়ি ঘাটসংলগ্ন নদ থেকে কে এম তাহসিফ সাউরির মরদেহ উদ্ধার করেন। পরে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠানো হয়। /এমএএইচ/

ঢাকার প্রতিটি ফুটপাত দখলমুক্ত করার ঘোষণা দিলেন ডিএনসিসি প্রশাসক
ঢাকার প্রতিটি ফুটপাত দখলমুক্ত করার ঘোষণা দিলেন ডিএনসিসি প্রশাসক

ডিএনসিসি প্রশাসক বলেন, ঢাকা শহরের যেসব জায়গায় ফুটপাত দখল হয়ে আছে এবং জনসাধারণের চলাচলে বাধা সৃষ্টি হচ্ছে, সেসব হটস্পট চিহ্নিত করে দখলমুক্ত করা হবে। একটি একটি করে ফুটপাত দখলমুক্ত করে নগরবাসীর হাঁটাচলার পথ তৈরি করা হবে। ডিএনসিসি প্রশাসক আরও বলেন, গত ১৭ তারিখে জনগণের ভোটে নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাদের ঢাকাকে পরিচ্ছন্ন ও সবুজ রাখতে কাজ করার নির্দেশনা দিয়েছেন। ঢাকাকে পরিচ্ছন্ন, আধুনিক ও বাসযোগ্য শহর হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এই জন্য সরকার ও সিটি করপোরেশনের পাশাপাশি জনগণকেও সহযোগিতা করতে হবে। তিনি বলেন, জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দল একটি সুশৃঙ্খল সংগঠন। তাদের পরিচ্ছন্নতা ও সবুজায়নের কাজে যুক্ত করা হলে নগরবাসী আরও উপকৃত হবে এবং সিটি করপোরেশনও সহযোগিতা পাবে। শফিকুল ইসলাম খান বলেন, দীর্ঘ ১৮ বছর ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে আন্দোলন-সংগ্রাম করতে গিয়ে অনেকেই ত্যাগ স্বীকার করেছেন। এখন দেশ গড়ার সময়। প্রধানমন্ত্রী যেভাবে দেশকে আধুনিক ও বাসযোগ্য করার নির্দেশনা দিচ্ছেন, তাঁর একজন সহকর্মী হিসেবে সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নে কাজ করা আমাদের দায়িত্ব। তিনি বলেন, স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকর্মীরা ইতিমধ্যে যেসব জায়গায় গাছ লাগানো হয়েছে, সেগুলোর পরিচর্যা করবেন। নতুন করে যেসব জায়গায় গাছ লাগানো হবে, সেখানেও নিয়মিত পানি দেওয়ার ব্যবস্থা করবেন। সপ্তাহে ২ থেকে ৩ দিন রুটিন করে গাছে পানি দেওয়া এবং যেসব জায়গায় বেশি ময়লা জমে আছে, সেগুলো নিজেদের উদ্যোগে পরিষ্কার করার কাজ করবেন। এই কাজে সিটি করপোরেশন সহযোগিতা করবে। নগরবাসীর বিভিন্ন সমস্যা দ্রুত সমাধানে ‘আমার ঢাকা’ নামে একটি অ্যাপ চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে জানিয়ে ডিএনসিসি প্রশাসক বলেন, অ্যাপটির কাজ চলছে। অল্প কিছুদিনের মধ্যেই এটি উদ্বোধন করা হবে। নগরীর যেকোনো এলাকার সমস্যা অ্যাপের মাধ্যমে জানানো হলে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তা সমাধানের ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি আরও বলেন, এর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ‘ফিক্স ইট ডিএনসিসি’ নামে একটি অ্যাপ তৈরি করেছিলেন। সেটির মাধ্যমে অনেক সমস্যার সমাধান করা হয়েছে। মিরপুর-১০ নম্বরের ফুটপাত দখলমুক্ত করার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আগে এই এলাকার ফুটপাত দিয়ে শিক্ষার্থী, চাকরিজীবী ও সাধারণ মানুষ নির্বিঘ্নে চলাচল করতে পারতেন না। ব্যবসায়ীদেরও চলাচলে সমস্যা হতো। মিরপুরবাসী ও সহকর্মীদের সহযোগিতায় ফুটপাত দখলমুক্ত করা হয়েছে। এখন সেটিকে আরও নান্দনিক ও দৃষ্টিনন্দন করতে সংস্কারকাজ চলছে। ইতিমধ্যে সেখানে গাছ লাগানো হয়েছে। শফিকুল ইসলাম খান বলেন, শুধু মিরপুর-১০ নয়, যেসব জায়গায় যানজট সৃষ্টি হয়, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যাতায়াতে বিঘ্ন ঘটে কিংবা নগরবাসীর হাঁটাচলায় সমস্যা হয়, সেসব এলাকার ফুটপাত পর্যায়ক্রমে দখলমুক্ত করা হবে। /এমএএইচ/

মেট্রোরেলের ২ লাইনের ৪ প্যাকেজের চুক্তি সই
মেট্রোরেলের ২ লাইনের ৪ প্যাকেজের চুক্তি সই

এসব প্যাকেজের আওতায় ১১ দশমিক ৫০৭ কিলোমিটার উড়াল রেলপথ ও ৮টি স্টেশন নির্মাণ করা হবে। এছাড়া দু’টি মেট্রোরেলের ডিপোর বিভিন্ন স্থাপনাও নির্মাণ করা হবে। সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব ড. মোহাম্মদ জিয়াউল হক বলেন, রাজধানীর যানজট নিরসন ও যাতায়াতের সময় কমানো সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার। এই লক্ষ্য অর্জনে আধুনিক, নিরাপদ ও পরিবেশবান্ধব গণপরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তুলতে মেট্রোরেল নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ করা হচ্ছে। চুক্তি অনুযায়ী, এমআরটি লাইন-১-এর ডিপো নির্মাণের জন্য সিপি-০২ প্যাকেজে ওয়ার্কশপ, স্ট্যাবলিং শেড ও অপারেশন ম্যানেজমেন্ট সেন্টারসহ মোট ৪৯টি স্থাপনা নির্মাণ করা হবে। এই কাজের চুক্তি হয়েছে ‘সিনোহাইড্রো-এসইবিসিএল জয়েন্ট ভেঞ্চার’-এর সঙ্গে। এমআরটি লাইন-১-এর সিপি-০৭ প্যাকেজের আওতায়, পাতাল থেকে উড়াল পথে ওঠার স্থান থেকে বালু নদীর শুরু পর্যন্ত ৫ দশমিক ০০৭ কিলোমিটার উড়াল রেলপথ নির্মাণ করা হবে। পাশাপাশি জোয়ার সাহারা, বোয়ালিয়া ও মস্তুল—এই তিনটি উড়াল স্টেশন নির্মিত হবে। এ কাজের চুক্তি হয়েছে ‘সিআরইসি-এমআইএল-এমবিইসি জয়েন্ট ভেঞ্চার’-এর সঙ্গে। এমআরটি লাইন-৫-এর নর্দার্ন রুটের ডিপো নির্মাণের সিপি-০২ প্যাকেজে প্রশাসনিক ভবন, স্ট্যাবলিং ইয়ার্ড, গুদাম ও ওয়ার্কশপ শেডসহ বিভিন্ন অবকাঠামো নির্মাণ করা হবে। এই কাজের চুক্তি হয়েছে ‘সিপিসি-হানিল জয়েন্ট ভেঞ্চার’-এর সঙ্গে। অন্যদিকে, এমআরটি লাইন-৫-এর সিপি-০৩ প্যাকেজের আওতায় হেমায়েতপুর থেকে আমিন বাজার এবং নতুন বাজার থেকে ভাটারা পর্যন্ত মোট ৬ দশমিক ৫০ কিলোমিটার উড়াল রেলপথ নির্মাণ করা হবে। এছাড়া হেমায়েতপুর, বালিয়াপুর, বিলামালিয়া, আমিন বাজার ও ভাটারা—এই ৫টি উড়াল স্টেশন নির্মিত হবে। এই কাজের চুক্তিও হয়েছে ‘সিআরইসি-এমআইএল-এমবিইসি জয়েন্ট ভেঞ্চার’-এর সঙ্গে। সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ জানিয়েছে, চারটি প্যাকেজের নির্মাণকাজের মাধ্যমে রাজধানীর গণপরিবহন অবকাঠামো সম্প্রসারণে অগ্রগতি হবে। একই সঙ্গে ঢাকার ক্রমবর্ধমান যাতায়াতের চাহিদা মোকাবিলা, যানজট কমানো এবং নাগরিকদের জন্য নিরাপদ ও নির্ভরযোগ্য গণপরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তোলার উদ্যোগ এগিয়ে যাবে। /এমএএইচ/

শেকৃবি’র গবেষণা মাঠে সচিবালয় নির্মাণের কাজ বন্ধ করে দিলেন শিক্ষার্থীরা
শেকৃবি’র গবেষণা মাঠে সচিবালয় নির্মাণের কাজ বন্ধ করে দিলেন শিক্ষার্থীরা

এছাড়া মাঠ পুনরুদ্ধারে প্রশাসনের নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ তুলে ৩ দিনের মধ্যে জরুরি সিন্ডিকেট সভা আহ্বান এবং সচিবালয় স্থানান্তরের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে রিট করার দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে লিখিত আবেদন দিয়েছেন তাঁরা। শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা ও ব্যবহারিক শিক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ মাঠটি অন্য কাজে ব্যবহারের উদ্যোগ নেওয়া হলেও তা পুনরুদ্ধারে প্রশাসনের দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ নেই। দাবি পূরণে অগ্রগতি না হলে আরও কঠোর আন্দোলন ও আমরণ অনশনের হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন তাঁরা। মঙ্গলবার সকালে পূর্বঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসে গণজমায়েত করেন। পরে পতাকা স্ট্যান্ডের সামনে থেকে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে প্রশাসনিক ভবন প্রদক্ষিণ করে পুরোনো আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলার মাঠে যান। সেখানে অবস্থান নিয়ে সয়েল টেস্টের কাজ বন্ধ করে দেন শিক্ষার্থীরা। এই সময় পরীক্ষার সরঞ্জাম ও নমুনা সংগ্রহের দু’টি গাড়ি ক্যাম্পাসে নিয়ে আসেন তাঁরা। মাঠের দায়িত্বে থাকা গণপূর্ত অধিদপ্তরের লাগানো একটি সাইনবোর্ডও ভেঙে ক্যাম্পাসে এনে প্রশাসনিক ভবনের সামনে রাখা হয়। এই আন্দোলনের সমর্থনে স্নাতকোত্তর (মাস্টার্স) পর্যায়ের শিক্ষার্থীরা ক্লাস ও পরীক্ষা বর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন। তাঁদের মতে, মাঠটি হাতছাড়া হলে বিশ্ববিদ্যালয়ের উচ্চতর কৃষি গবেষণা ও ব্যবহারিক শিক্ষা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তবে ক্লাস-পরীক্ষা বর্জনের বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের মাঠ পুনরুদ্ধার কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক এম. সালাহউদ্দিন মাহমুদ চৌধুরী জানান, পরীক্ষা পেছানোর সিদ্ধান্ত বিভাগের চেয়ারম্যানদের সভায় নেওয়া হয়। তাই আপাতত আগের সূচি অনুযায়ীই পরীক্ষা চলবে। অন্যদিকে, বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মো. আব্দুল লতিফ জানান, বাণিজ্য মেলার মাঠ নিয়ে একটি নির্দিষ্ট কমিটি কাজ করছে। রিট করার ব্যাপারে কমিটি এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানায়নি। কমিটির প্রতিবেদন পাওয়া গেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন উপদেষ্টার সঙ্গে কথা বলে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে। /এমএএইচ/

টিকে থাকতে পারলো না ‘কর্ণফুলী গার্ডেন সিটি’
টিকে থাকতে পারলো না ‘কর্ণফুলী গার্ডেন সিটি’

ব্যবসায়ীদের মতে, এক দশকেরও বেশি সময় ধরে এই বিপণিবিতানটি ধীরে ধীরে তার গুরুত্ব হারাচ্ছিলো। ২০১৬-১৭ সালের দিকে শান্তিনগর ফ্লাইওভার নির্মাণকাজের সময় সংলগ্ন সড়কে তীব্র যানজট, ধুলাবালি ও চলাচলের চরম ভোগান্তি তৈরি হয়। ওই সময়েই মূলত এর ব্যবসায়িক পতন শুরু হয় এবং অনেক নামী ব্র্যান্ড ও প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী অন্য মার্কেটে চলে যান, যা পরে আর পুনরুদ্ধার করা যায়নি। বৈশ্বিক মহামারি করোনাকালের মন্দা এই মার্কেটের ব্যবসায়িক মেরুদণ্ড পুরোপুরি ভেঙে দেয়। একের পর এক দোকান বন্ধ হতে শুরু করে। বিপণিবিতানটিতে ক্রেতাদের জন্য এক ছাদের নিচে প্রয়োজনীয় সব ধরনের পণ্যের পর্যাপ্ত বৈচিত্র্য ছিলো না। পাশাপাশি কিছু অসাধু ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে নিম্নমানের পণ্যকে বিদেশি বা নামী ব্র্যান্ডের বলে চালিয়ে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে, যা ক্রেতাদের আস্থা চিরতরে কমিয়ে দেয়। ফেসবুক ও ই-কমার্স ভিত্তিক অনলাইন কেনাকাটার ব্যাপক প্রসার এবং বসুন্ধরা সিটি ও যমুনা ফিউচার পার্কের মতো আধুনিক, বিশাল শপিং মলগুলোর সাথে প্রতিযোগিতায় টিকতে পারেনি কর্ণফুলী গার্ডেন সিটি। ২০ তলা বিশিষ্ট এই ভবনের নিচতলা থেকে তৃতীয় তলা পর্যন্ত বাণিজ্যিক কার্যক্রম চলতো। চালুর সময় মোট দোকান ছিলো ১৯৮টি, কিন্তু বন্ধের ঠিক আগমুহূর্তে সচল ছিলো মাত্র ১৭টি দোকান। বাকি সব দোকান ক্রেতাশূন্যতার কারণে আগেই বন্ধ হয়ে যায়। মার্কেটটি সচল রাখতে প্রতি মাসে প্রায় ১৫ লাখ টাকা পরিচালন ব্যয়ের প্রয়োজন হতো। তবে গত ৬ মাসে সার্ভিস চার্জ বাবদ মাসে মাত্র ১ থেকে দেড় লাখ টাকার বেশি সংগ্রহ করা সম্ভব হয়নি। দোকান মালিক সমিতির কর্মকর্তারা ব্যক্তিগত ঋণ নিয়ে আরও ৬ থেকে ৮ মাস মার্কেটটি চালু রাখার আপ্রাণ চেষ্টা করলেও বকেয়া বিদ্যুৎ বিল ৬০ লাখ টাকা ছাড়িয়ে যাওয়ায় শেষ পর্যন্ত দোকানমালিকদের সম্মিলিত সিদ্ধান্তে এটি বন্ধ করে দেওয়া হয়। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এই বন্ধের সিদ্ধান্তটি কেবল ভবনের বাণিজ্যিক অংশের (নিচতলা থেকে তৃতীয় তলা) জন্য প্রযোজ্য। ওপরের তলার আবাসিক অ্যাপার্টমেন্টগুলো আগের মতোই চালু রয়েছে। একসময় কর্ণফুলী গ্রুপের উদ্যোগে নির্মিত এই মার্কেটের অধিকাংশ দোকান আগেই ব্যক্তিমালিকানায় বিক্রি হয়ে গিয়েছিলো। বর্তমানে মালিকেরা পুরো বাণিজ্যিক অংশটি কোনো একক প্রতিষ্ঠানের কাছে ভাড়া দিতে বা বিক্রি করতে চাচ্ছেন। যদিও গত দুই বছর ধরে উপযুক্ত কোনো গ্রাহক বা প্রতিষ্ঠান খুঁজে পাওয়া যায়নি। পরিবর্তিত আধুনিক বাজার ব্যবস্থার সাথে তাল মেলাতে না পারলে যেকোনো প্রতিষ্ঠিত প্রতিষ্ঠানও যে বিলুপ্ত হতে পারে, কর্ণফুলী গার্ডেন সিটির এই পরিণতি তারই এক বাস্তব উদাহরণ। /এমএএইচ/

১৩তম জাতীয় এসএমই পণ্যমেলা শুরু ২২ নভেম্বর
১৩তম জাতীয় এসএমই পণ্যমেলা শুরু ২২ নভেম্বর

আগামী ২২ থেকে ২৮ নভেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত ঢাকার আগারগাঁওস্থ বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী প্রদর্শনী কেন্দ্রে (বিসিইসিপি) অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে দেশের শতভাগ দেশীয় পণ্যের সর্ববৃহৎ প্রদর্শনী ‘১৩তম জাতীয় এসএমই পণ্যমেলা-২০২৬’। এসএমই ফাউন্ডেশন-এর উদ্যোগে আয়োজিত ৭ দিনব্যাপী এই মেলার উদ্বোধন করবেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এসএমই ফাউন্ডেশন পরিচালিত ‘১২তম জাতীয় উদ্যোক্তা পুরস্কার-২০২৬’ এর বিজয়ী উদ্যোক্তাদের হাতে পুরস্কার তুলে দেবেন প্রধানমন্ত্রী। • তারিখ ও সময়: ২২ নভেম্বর ২০২৬, রবিবার, সকাল ১০:৩০টা থেকে দুপুর ১২:৩০টা। • স্থান: হল-অব-ফেম, বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী প্রদর্শনী কেন্দ্র, আগারগাঁও, ঢাকা। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ক্ষুদ্র, মাঝারি ও নারী উদ্যোক্তাদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে অনলাইনে নিবন্ধনের সুযোগ দিয়েছে এসএমই ফাউন্ডেশন। নিরাপত্তার স্বার্থে আগ্রহী উদ্যোক্তাদের আগামী ৩১ অক্টোবর ২০২৬, শনিবারের মধ্যে জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) ও ব্যবসার স্বপক্ষে ট্রেড লাইসেন্স বা প্রয়োজনীয় নথিপত্রসহ আবেদন সম্পন্ন করতে হবে। নিবন্ধনের ক্ষেত্রে ঢাকার বাইরের উদ্যোক্তাদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে এবং নারী উদ্যোক্তাদের জন্য নির্দিষ্ট আসন সংরক্ষিত থাকবে। চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত উদ্যোক্তাদের কুরিয়ার বা ডাকযোগে সিরিয়াল নম্বরসহ আমন্ত্রণপত্র পাঠানো হবে, যা ছাড়া অনুষ্ঠানে প্রবেশ করা যাবে না। উল্লেখ্য, উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের জন্য কোনো প্রকার যাতায়াত বা দৈনিক ভাতা প্রদান করা হবে না। • নিবন্ধন লিংক: আগ্রহী উদ্যোক্তারা সরাসরি এসএমই মেলা রেজিস্ট্রেশন ফর্ম অথবা সংশ্লিষ্ট কিউআর (QR) কোড স্ক্যান করে আবেদন করতে পারবেন। এবারের মেলায় সারা দেশ থেকে ৪০০-এর বেশি উদ্যোক্তা অংশ নেবেন। মেলা প্রাঙ্গণে উদ্যোক্তাদের পণ্য বিক্রয়, ব্যাপক প্রচার ও ব্র্যান্ডিংয়ের পাশাপাশি দেশি-বিদেশি ক্রেতাদের কাছ থেকে কার্যাদেশ পাওয়ার বড় সুযোগ থাকবে। এছাড়া উদ্যোক্তাদের ব্যবসায়িক সহায়তার জন্য বিভিন্ন ব্যাংক, অ-ব্যাংক আর্থিক প্রতিষ্ঠান এবং সরকারি-বেসরকারি প্রায় ৫০টি সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান মেলায় অংশ নেবে, যেখান থেকে উদ্যোক্তারা সরাসরি প্রয়োজনীয় সেবা ও পরামর্শ নিতে পারবেন। নিবন্ধন বা মেলা সংক্রান্ত যেকোনো তথ্যের জন্য এসএমই ফাউন্ডেশনের সহকারী ব্যবস্থাপক মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেনের সাথে (মোবাইল: ০১৮১৮১০০০১৭) সকাল ১০:০০ টা থেকে বিকাল ৪:০০ টার মধ্যে যোগাযোগ করা যাবে। /এমএএইচ/

২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৬৬২, মামলা ৪৩
২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৬৬২, মামলা ৪৩

সোমবার (২৬ অক্টোবর) ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার নিয়াজ মেহেদী এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানান। বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, মিরপুর বিভাগ ১৪০ জন, ওয়ারী বিভাগ ৯৩ জন, তেজগাঁও বিভাগ ৯২ জন, মতিঝিল বিভাগ ৮২ জন, লালবাগ বিভাগ ৭৮ জন, গুলশান বিভাগ ৭৮ জন, উত্তরা বিভাগ ৫৭ জন, রমনা বিভাগ ৩৬ জন এবং গোয়েন্দা বিভাগ ৬ জনকে গ্রেপ্তার করে। অভিযানকালে গ্রেপ্তারকৃতদের কাছ থেকে ১টি চাইনিজ কুড়াল, ২টি চাকু, ৪ হাজার ৬২১ পিস ইয়াবা, ৭১২ গ্রাম গাঁজা, ৩০ গ্রাম হেরোইন, ৩০০ বোতল আমদানি নিষিদ্ধ অবৈধ নেশাজাতীয় মাদকদ্রব্য ইসকাফ, ১টি মোটরসাইকেল, ৫টি মোবাইল ফোন ও নগদ ৩৩ হাজার ৮২০ টাকা উদ্ধার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন বলে জানিয়েছে পুলিশ। /এমএএইচ/

রাজধানীর যেসব এলাকায় টানা ৪ ঘণ্টা গ্যাস থাকবে না আজ
রাজধানীর যেসব এলাকায় টানা ৪ ঘণ্টা গ্যাস থাকবে না আজ

পাইপলাইনের জরুরি লিকেজ মেরামতের জন্য শনিবার (২৪ অক্টোবর) রাজধানীর কয়েকটি এলাকায় গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকবে বলে জানিয়েছে তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন পিএলসি কর্তৃপক্ষ। শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানিয়েছে সংস্থাটি। তিতাস জানিয়েছে, পাইপলাইনের জরুরি লিকেজ মেরামত কাজের জন্য শনিবার দুপুর ২টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত নতুন বাজার থেকে কুড়িল বিশ্বরোড পর্যন্ত রাস্তার উভয় পাশের নর্দ্দা, কালাচাঁদপুর, বসুন্ধরা, জোহার সাহারা, ভাটারা, বারিধারা জে ব্লকসহ পার্শ্ববর্তী এলাকায় সব শ্রেণির গ্রাহকপ্রান্তে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকবে। গ্রাহকদের সাময়িক অসুবিধার জন্য তিতাস আন্তরিকভাবে দুঃখিত। /এমএএইচ/