Advertisement(970X90).png
Advertisement(300X90).png

১৫ কার্তিক ১৪৩৩, ১৯ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬

চিত্রশিল্পী যোগেন চৌধুরী’র জীবনাবসান
চিত্রশিল্পী যোগেন চৌধুরী’র জীবনাবসান

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম জানায়, এক বছরেরও বেশি সময় ধরে রক্তের ক্যান্সারে ভুগছিলেন গুণী এই শিল্পী। ১৪ মাসে তাঁকে একাধিকবার কেমোথেরাপি দেওয়া হয়। সম্প্রতি মূত্রনালির সংক্রমণে আক্রান্ত হওয়ার পর শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে। এরপর থেকে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি। ছবিতে অভিনব রেখার ব্যবহার এবং মানুষের শরীরের বিভিন্ন ভঙ্গি, আবেগ ও অনুভূতি ফুটিয়ে তোলার অসাধারণ দক্ষতার জন্য বিশেষভাবে পরিচিত ছিলেন যোগেন চৌধুরী। নিজস্ব শৈলীর কারণে ভারতীয় আধুনিক চিত্রকলায় তিনি স্বতন্ত্র পরিচিতি অর্জন করেন। চিত্রকলার বাইরেও প্রশাসন ও শিক্ষাক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে তাঁর। দিল্লির রাষ্ট্রপতি ভবনের সংগ্রহশালায় অবেক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। পরে শান্তিনিকেতনের বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের কলাভবনে অধ্যাপক ও অধ্যক্ষ হিসেবে কাজ করেন। শিল্পচর্চার পাশাপাশি লেখালেখিতেও সক্রিয় ছিলেন যোগেন চৌধুরী। শিল্পভাবনা, সমাজ, পরিবেশ, শিল্পকলা শিক্ষা ও সংস্কৃতি নিয়ে বিভিন্ন সময়ে প্রবন্ধ লিখেছেন তিনি। তাঁর লেখা বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে। এসব বিষয়ের ওপর তাঁর একাধিক গ্রন্থও প্রকাশিত হয়। এছাড়া সাহিত্যচর্চার অংশ হিসেবে কবিতাও লিখেছেন এই শিল্পী। ১৯৩৯ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি অবিভক্ত বাংলার ফরিদপুরের দহরপাড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন যোগেন চৌধুরী। তাঁর বাবা প্রমথনাথ চৌধুরী ছিলেন জমিদার। তাঁর মাও আলপনা আঁকায় পারদর্শী ছিলেন। ছোটবেলা থেকেই ছবি আঁকার প্রতি আগ্রহ ছিলো তাঁর। ১৯৪৮ সালে পরিবারের সঙ্গে কলকাতায় চলে যান তিনি। ১৯৫৫ সালে কলকাতার সরকারি চারুকলা ও কারুশিল্প মহাবিদ্যালয়ে ভর্তি হন যোগেন চৌধুরী। ১৯৬০ সালে পড়াশোনা শেষ করে হাওড়া জেলা স্কুলে শিল্পের শিক্ষক হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। পরে কলকাতার তাঁত বোর্ডে নকশাকার হিসেবে কাজ করেন। ১৯৬৫ সালে ফরাসি সরকারের বৃত্তি নিয়ে শিল্পশিক্ষার জন্য প্যারিসে যান। সেখানে চারুকলা বিদ্যালয়ে পড়াশোনার পাশাপাশি ছাপচিত্রের চর্চা করেন। ইউরোপীয় শিল্পচর্চার অভিজ্ঞতা তাঁর শিল্পকর্মে নতুন মাত্রা যোগ করে। দেশে ফেরার পর সমাজসচেতন শিল্পী হিসেবে পরিচিতি বাড়তে থাকে তার। সমাজ ও রাজনীতির অসংগতি, ক্ষমতার কদর্যতা এবং মানুষের জীবনের টানাপোড়েন তার শিল্পকর্মে বিশেষভাবে উঠে এসেছে। তার ছবিতে মানুষের অবয়ব হয়ে উঠেছে সমাজের অন্তর্লীন যন্ত্রণা ও বৈপরীত্যের প্রতীক। শিল্পকলায় অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে তিনি পদ্মভূষণসহ বিভিন্ন সম্মাননা লাভ করেন। ললিতকলা একাডেমির স্বীকৃতিও পেয়েছেন তিনি। ফ্রান্সেও তার শিল্পকর্ম সম্মানিত হয়েছে। জীবনের শেষ পর্যায়ে তৃণমূল কংগ্রেসের সদস্য হিসেবে ভারতের রাজ্যসভার সংসদ সদস্যের দায়িত্ব পালন করেন যোগেন চৌধুরী। /এমএএইচ/

‘৩০ বছরেও ক্ষমতায় আসবে না কংগ্রেস’, রাহুলকে কটাক্ষ অমিত শাহ’র
‘৩০ বছরেও ক্ষমতায় আসবে না কংগ্রেস’, রাহুলকে কটাক্ষ অমিত শাহ’র

বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধীকে কটাক্ষ করে ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বলেছেন, আগামী ৩০ বছরেও কংগ্রেস ক্ষমতায় আসতে পারবে না। পরাজয়ের অজুহাত হিসেবে তাই তাঁরা (কংগ্রেস) ভোট চুরির অভিযোগ তুলছে। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) নিজের ৬২তম জন্মদিনে দিল্লিতে যমুনা নদী পরিষ্কারের জন্য ৮ হাজার ৯৪১ কোটি টাকার প্রকল্প উদ্বোধনকালে তিনি এসব কথা বলেন। গত ১৩ অক্টোবর রাহুলের নেতৃত্বে দিল্লিতে মিছিল হয়। একই সঙ্গে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) আন্দোলন কেন্দ্রকে চাপে রেখেছিলো। কিন্তু হিন্দু ধর্মীয় উৎসবের কারণে আন্দোলনের গতি থমকে যায়। সম্প্রতি বিজেপি এক ভিডিও ফুটেজ দেখিয়ে দাবি করে, রাহুল ৪ দিনের ভিয়েতনাম সফরে যাচ্ছেন। সেই প্রসঙ্গ টেনেই বৃহস্পতিবার রাহুলের উদ্দেশে অমিত শাহ বলেন, আমি জানি আমার কথা আপনি এখন শুনতে পাবেন না। কারণ আপনি বিদেশে কোথাও বসে আছেন। তার কোনো ব্যাখ্যাও কোনোদিন আপনি দেন না। সে সব ঠিক আছে। ওটা আপনার ব্যক্তিগত জীবন। কিন্তু দিল্লিতে নামার পর আমার কথা শুনে রাখুন। আগামী ৩০ বছরেও আপনি ক্ষমতায় আসাতে পারবেন না। ভোট চুরির অভিযোগ প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বিজেপি তো ভোটে জিতেই চলেছে। বিরোধীদের তাতে অসুবিধা হচ্ছে। সেই কারণেই তারা ভোট চুরির অজুহাত নিয়ে এসেছে। রাহুলকে উদ্দেশ্য করে সরাসরি অনুপ্রবেশকারীর প্রসঙ্গ তোলেন অমিত শাহ। তিনি বলেন, রাহুলজি, আপনি শুধু ভোট চুরি নিয়ে কথা বলেন। কারণ আপনি অনুপ্রবেশকারীদের ভোটাধিকার দিতে চান। তাদের ভোটগুলোকে আগলে রাখতে চান। অমিত শাহ আরও বলেন, আমি যখন বলি বিজেপি আরও ৩০ বছর ক্ষমতায় থাকবে, তখন বিরোধীরা ভোট চুরির অভিযোগ তোলে। জিজ্ঞেস করে, ভোটের ফলাফল অমিত শাহ কীভাবে আগে থেকে জেনে যাচ্ছেন! আসলে অমিত শাহ তো এখানেই জন্মেছেন, এখানেই থাকেন এবং এখানেই মারা যাবেন। প্রতি ৬ মাস অন্তর আমাকে বিদেশে যেতে হয় না। আমি এই দেশের মানুষের মাঝে বাস করি। /এমএএইচ/

আয়োজকদের বিরুদ্ধে ‘অপহরণের’ অভিযোগ মডেলের
আয়োজকদের বিরুদ্ধে ‘অপহরণের’ অভিযোগ মডেলের

শুধু তা-ই নয়, তার দাবি, অনুষ্ঠানের জন্য নির্ধারিত পারিশ্রমিকও মেটানো হয়নি। প্রচারের কাজে তাঁর ছবি ব্যবহার করা হয়েছে। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছায় যে, আয়োজকদের আচরণকে একপ্রকার ‘অপহরণ’ বলেও বর্ণনা করেছেন এই মডেল। পুনের পেডকর গ্রাউন্ডসে নবরাত্রির ওই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিলো। আকাঙ্ক্ষার অভিযোগ, আয়োজক দলের মাত্র ৩ জন সদস্যের সঙ্গে তার যোগাযোগ ছিলো। তাঁদের প্রত্যেকের বয়স ১৮ বছরের কাছাকাছি। আকাঙ্ক্ষার দাবি, রাত সাড়ে ১০টা পর্যন্ত তাঁকে আনতে আসেননি আয়োজকেরা। অথচ ততক্ষণে তাঁর অনুষ্ঠান শেষ হওয়ার কথা ছিলো। তার অভিযোগ, শিল্পীর জন্য প্রয়োজনীয় কোনো ব্যবস্থাপনাই রাখেননি আয়োজকেরা। পরিস্থিতি নিয়ে ক্ষুব্ধ হয়ে পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের করার হুঁশিয়ারিও দেন তিনি। এরপর পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ আকাঙ্ক্ষার। তার দাবি, জোর করে তাকে গাড়িতে বসিয়ে অনুষ্ঠানস্থলে নিয়ে যাওয়া হয়। সঙ্গে নিজের দলের সদস্যরা না থাকায় নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছিলেন তিনি। এই অবস্থায় অনুষ্ঠানস্থলে ঢুকতে পারবেন না বলে জানালেও আয়োজকেরা তাঁর কথায় গুরুত্ব দেননি। উল্টো তাকে নিয়ে হাসাহাসি করতে থাকেন বলে অভিযোগ এই মডেলের। ঘটনাটিকে একপ্রকার ‘অপহরণ’ হিসেবে বর্ণনা করেন আকাঙ্ক্ষা। /এমএএইচ/

ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সঙ্গে বঙ্গোপসাগরীয় অঞ্চলকে যুক্ত করতে চায় জাপান: দ্য হিন্দু
ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সঙ্গে বঙ্গোপসাগরীয় অঞ্চলকে যুক্ত করতে চায় জাপান: দ্য হিন্দু

একান্ত সাক্ষাৎকারে জাপানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একটি জ্যেষ্ঠ কূটনৈতিক সূত্র জানিয়েছে, মাতারবাড়ী বন্দর বাংলাদেশকে একটি শিল্প কেন্দ্রে রূপান্তরিত করতে পারে। পাশাপাশি তা আঞ্চলিক সংযুক্তিও বাড়াবে। জাপানের ওই জ্যেষ্ঠ কূটনৈতিক সূত্র বলেছে, 'বাংলাদেশকে একটি আঞ্চলিক শিল্প হাবে রূপান্তরিত করার সম্ভাবনা রয়েছে মাতারবাড়ী বন্দরের।' ১৪ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ চাইবে বাংলাদেশ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আসন্ন সফরে এই বন্দরটি বিশেষ গুরুত্ব পেতে চলেছে। কারণ ২০২৬ থেকে ২০৩১ সালের মধ্যে মাতারবাড়ী শিল্প, বন্দর ও বাণিজ্যিক কেন্দ্রসহ বেশ কয়েকটি প্রকল্পের জন্য টোকিওর কাছে আর্থিক সহায়তা চাইতে পারেন প্রধানমন্ত্রী। এই সফরের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে অগস্টে প্রধানমন্ত্রী মাতারবাড়ী পরিদর্শন করেন। সেখানে তাকে প্রকল্পের পরের ধাপের কাজ ও প্রয়োজন সম্পর্কে অবহিত করা হয়। নির্মাণকাজ শেষ হলে জাপানের সহায়তায় নির্মিত এই বন্দরই হবে বাংলাদেশের একমাত্র গভীর সমুদ্রবন্দর। বর্তমানে বড় জাহাজ ভেড়ানোর জন্য বাংলাদেশকে সিঙ্গাপুর, কলম্বো ও মালয়েশিয়ার বিভিন্ন বন্দরের ওপর নির্ভর করতে হয়। জাপানি কূটনীতিকদের পরিকল্পনা অনুযায়ী, মাতারবাড়ী বন্দর এমন একটি শিল্প ভ্যালু চেইনের অংশ হবে, যা বাংলাদেশের ভেতর দিয়ে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সাতটি রাজ্যকে বঙ্গোপসাগর ও দক্ষিণ-পূর্ব এশীয় অঞ্চলের সঙ্গে যুক্ত করবে। জাপান এর আগেও এ ধরনের একটি শিল্প ভ্যালু চেইন গড়ে তুলতে সহায়তা করেছে। ওই ভ্যালু চেইন থাইল্যান্ডের ব্যাংকককে কম্বোডিয়া ও ভিয়েতনামের সঙ্গে যুক্ত করেছে। জাপানের অর্থায়ন ও অবকাঠামোগত পরিকল্পনায় বাস্তবায়িত থাইল্যান্ড-কম্বোডিয়া-ভিয়েতনাম উন্নয়ন করিডোর প্রকল্পের উদাহরণ টেনে ওই কর্মকর্তা দ্য হিন্দুকে লিখিত জবাবে বলেন, 'এক্ষেত্রে ব্যাংকক অনুকরণীয় মডেল হতে পারে। নিজস্ব বন্দর ও সাউদার্ন ইকোনমিক করিডোরের মাধ্যমে আঞ্চলিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে নেতৃত্ব দিয়েছে শহরটি।' জাপানি কূটনীতিকরা এই সংযোগ প্রকল্পকে একটি সফল উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। ভুটান, নেপাল, মিয়ানমার, ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে যোগাযোগ ব্যবস্থা আরও জোরদার করতে তারা মাতারবাড়ীকে কেন্দ্র করে একই ধরনের একটি মডেল বাস্তবায়ন করতে চান। জাপানের আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা জাইকা-র অর্থায়নে নির্মিত হচ্ছে মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর। এ প্রকল্পের বড় অংশের কাজ হয়েছিল বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে। ওই সময় ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক তুলনামূলকভাবে মসৃণ থাকায় এ ধরনের সংযোগ প্রকল্প বাস্তবায়ন করা সহজ ছিল। ওই সময়েই ফেনী নদীর ওপর ত্রিপুরার সঙ্গে সংযোগ স্থাপনকারী মৈত্রী সেতু নির্মিত হয়েছিল। সেতুটি নির্মাণের ফলে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সঙ্গে চট্টগ্রাম ও মাতারবাড়ী বন্দরের সরাসরি যোগাযোগ গড়ে তোলার সম্ভাবনা তৈরি হয়। তবে রাজনৈতিক অনিশ্চয়তার জেরে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কে টানাপোড়েন সৃষ্টি হওয়ায় মৈত্রী সেতু এখনো অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে আছে। তা সত্ত্বেও, ভারত ও বাংলাদেশের দীর্ঘমেয়াদি সম্পর্কের গতিপ্রকৃতি নিয়ে জাপানি কর্মকর্তারা বেশ আশাবাদী। তারা বলেন, 'বাংলাদেশ থেকে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চল ও প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ বাড়ানো হলে এই বন্দরের উপযোগিতা ও গুরুত্ব আরও বাড়বে।' বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এর আগে জানিয়েছিল, জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি চার দিনের রাষ্ট্রীয় সফরের জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। ২৬ অক্টোবর থেকে এই রাষ্ট্রীয় সফর শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। মহেশখালী-মাতারবাড়ী সমন্বিত অবকাঠামো উন্নয়ন উদ্যোগ (এমএমআইডিআই) এই আলোচ্যসূচিতে স্থান পাবে। এ সফরে জাপানের কাছে ২.২ ট্রিলিয়ন ইয়েন বা ১৪ বিলিয়ন ডলারের কৌশলগত বিনিয়োগ ও সহযোগিতা প্যাকেজের প্রস্তাব দেবে বাংলাদেশ। এমএমআইডিআই ও মাতারবাড়ী হাবের জন্য ৫০০ বিলিয়ন ইয়েন (৩.১৪ বিলিয়ন ডলার) অর্থায়নের প্রস্তাব করার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। এই অর্থায়নের আওতায় গভীর সমুদ্রবন্দর ও লজিস্টিকস, সড়ক ও রেল যোগাযোগ, শিল্প অবকাঠামো এবং অর্থনৈতিক অঞ্চল উন্নয়নে বিনিয়োগের পরিকল্পনা রয়েছে। - কেআর

‘বাংলাদেশ বা নেপালের মতো নয়, ভারতে সরকার বদলাবে গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে’
‘বাংলাদেশ বা নেপালের মতো নয়, ভারতে সরকার বদলাবে গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে’

প্রকাশ রাজ বলেন, আমরা সরকারের পতন চাই। আমরা এই দেশে গণতান্ত্রিকভাবেই তাদের পতন ঘটাবো। ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশ ও নেপালের পরিস্থিতির তুলনা টেনে প্রকাশ রাজ বলেন, আমরা নেপাল নই। এটা বাংলাদেশও নয়। আমাদের আম্বেদকর আছেন, আমাদের গান্ধী আছেন। আমাদের ভগৎ সিং আছেন। আমাদের সংবিধান আছে। আমাদের ভোটের অধিকারও আছে। দিল্লিতে প্রস্তাবিত ‘তিরঙ্গা মার্চ’-এর আগে ছাত্রনেতা ও রাজনৈতিক কর্মীদের আটকের ঘটনায় এই মন্তব্য করেন তিনি। শুক্রবার দিল্লির কনট প্লেসে ‘লেহরা দো তিরঙ্গা’ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে পুলিশের অভিযানে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপক ও অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের (আইসা) প্রধান নেহা বোরা আটক হন। আন্দোলনে বিদেশি অর্থায়ন রয়েছে এবং এর মাধ্যমে ভারতকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা চলছে- এমন অভিযোগের জবাবে প্রকাশ রাজ কর্তৃপক্ষের কাছে প্রমাণ দাবি করে বলেন, শুধু বললেই হবে না। প্রমাণ দেখাতে হবে। ছাত্রনেতাদের আটকের সমালোচনা করে তিনি বলেন, তাঁদের মধ্যে ভয় স্পষ্ট। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির উদ্দেশে প্রকাশ রাজ বলেন, আপনার হার ঘর তিরঙ্গার কী হলো? আপনিই তো প্রথম এমন উদ্যোগ শুরু করেছিলেন। এখন একটি শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে যাওয়ার জন্য আপনিই ছাত্রদের গ্রেপ্তার করছেন কেন? প্রকাশ রাজের দাবি, বিক্ষোভকারীরা শান্তিপূর্ণভাবে সমাবেশ করছেন এবং তাঁদের হাতে কোনো অস্ত্র নেই। /এমএইচ/

সিজেপি’র অভিজিৎ দীপকে, নেহা বোরা আটক
সিজেপি’র অভিজিৎ দীপকে, নেহা বোরা আটক

শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) রাজধানীর কনট প্লেসের সেন্ট্রাল পার্কে এই দুই নেতার ‘তিরঙ্গা মার্চ’ কর্মসূচিতে যোগ দেওয়ার কথা ছিল। দীপকেকে আটকের আগে তাঁর বাড়িতে একটি নোটিশ নিয়ে যান কনট প্লেসের স্টেশন হাউস অফিসার। এতে বলা হয়েছিলো, দীপকে কোনো বৈধ অনুমতি ছাড়াই প্রকাশ্য বিবৃতি ও সমাবেশের ঘোষণা দিয়েছিলেন। এনডিটিভি নেহা বোরাকে তুলে নেওয়ার কথা উল্লেখ করলেও বিস্তারিত কিছু জানায়নি। সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম এক্সের ভেরিফায়েড অ্যাকাউন্ট ‘নেহা বোরা টিম’ সন্ধ্যা ৬টার পর একটি ভিডিও প্রকাশ করে। এতে নেহাকে আটকের চেষ্টা করতে দেখা যায় পুলিশকে। ক্যাপশনে লেখা ছিল, মান্ডি হাউস থেকে নির্বাচন কমিশনের দিকে মিছিল নিয়ে যাওয়ার সময় পুলিশ নেহাকে জোরপূর্বক আটকের চেষ্টা করে। নেহাকে আটকের একটি ছবি প্রকাশ করেছে বার্তা সংস্থা এএফপি। ক্যাপশনে লেখা হয়েছে, প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ দাবির বিক্ষোভ থেকে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা নেহাকে আটক করেছে। সিজেপি নেতা সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কাকে গ্রেপ্তারের প্রতিবাদে তিরঙ্গা মার্চ বা জাতীয় পতাকা ওড়ানোর কর্মসূচি ঘোষণা করেছিলো সংগঠনটি। জমায়েত ঠেকাতে সকালেই সমাবেশস্থল সেন্ট্রাল পার্ক বন্ধের ঘোষণা দেয় নয়াদিল্লি মিউনিসিপ্যাল কাউন্সিল (এনডিএমসি)। এর আশপাশে পুলিশসহ নিরাপত্তা বাহিনীর ২৫ হাজারের বেশি সদস্য মোতায়েন করা হয়। দুপুরের পর দিল্লি পুলিশের পক্ষ থেকে একটি দল নোটিশ নিয়ে অভিজিত দীপকের বাসভবনে যায়। হিন্দুস্থান টাইমস জানিয়েছে, নোটিশে পুলিশ মূলত জননিরাপত্তা, যান চলাচল স্বাভাবিক রাখার কারণ দেখিয়ে কনট প্লেসের আশপাশে মিছিল, সমাবেশ করতে নিষেধ করেছে। যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিলেই কেবল নির্ধারিত স্থানে বিক্ষোভ করতে দেওয়া হবে। দীপকেকে পুলিশ জানায়, কনট প্লেসে বর্তমানে ১৬৩ ধারা জারি আছে। এই আদেশ লঙ্ঘন করলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে। এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নোটিশ পাওয়ার পরও দীপকে কর্মসূচিতে যোগ দেওয়ার চেষ্টা করলে পুলিশ তাঁকে আটক করে। /এমএএইচ/

বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা ও সহিংসতার তদন্ত চায় ভারত
বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা ও সহিংসতার তদন্ত চায় ভারত

বুধবার (১৪ অক্টোবর) ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নিয়মিত ব্রিফিংয়ে এক প্রশ্নের জবাবে মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল এই প্রত্যাশা জানান। ব্রিফিংয়ে এক সাংবাদিক বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের একটি বিবৃতির প্রসঙ্গ তুলে ধরেন। ওই বিবৃতিতে দাবি করা হয়, গত ৩ মাসে বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের ওপর খুনসহ ১৪১টি সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনায় কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি বলেও দাবি করে সংগঠনটি। আসন্ন দুর্গাপূজাকে সামনে রেখে সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগের বিষয়ে ভারতের অবস্থান জানতে চান ওই সাংবাদিক। জবাবে জয়সওয়াল বলেন, বাংলাদেশ সরকার এই ধরনের বিষয়গুলোর সুরাহা করবে বলে তারা প্রত্যাশা করেন। /শান্ত/

স্ত্রীর সঙ্গে ঝগড়া এড়াতে বারান্দা দিয়ে পালানোর চেষ্টা যুবকের, অতঃপর...
স্ত্রীর সঙ্গে ঝগড়া এড়াতে বারান্দা দিয়ে পালানোর চেষ্টা যুবকের, অতঃপর...

পুলিশ জানায়, ২০২৪ সালে হর্ষিত লাভানিয়ার বিয়ে হয়েছিল। দাম্পত্য বিরোধের কারণে গত ৬ মাস ধরে তিনি স্ত্রীর থেকে আলাদা থাকছিলেন। ভাড়া করা ফ্ল্যাটটিতে একাই থাকতেন তিনি। ঘটনার দিন হর্ষিতের স্ত্রী তাঁর ফ্ল্যাটে গিয়ে দরজায় ধাক্কা দেন। স্ত্রীর সঙ্গে আবারো তর্ক-বিতর্ক হতে পারে- এমন আশঙ্কায় তিনি দরজা খুলতে চাননি। তাঁর স্ত্রী তাঁকে বাইরে আসার জন্য বলেন এবং কথা বলার চেষ্টা করেন। হর্ষিত রাজি হননি। পরে দরজা খোলার জন্য তার স্ত্রী নিরাপত্তাকর্মীদের ডাকেন। এই সময় হর্ষিত ফ্ল্যাটের বারান্দা দিয়ে নিচের তলায় যাওয়ার চেষ্টা করার সময় পিছলে নিচে পড়ে যান এবং গুরুতর আহত হন। আবাসিক কমপ্লেক্সের কয়েকজন সদস্য তাকে দ্রুত কাছের একটি হাসপাতালে নিয়ে যান। চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। হর্ষিতের পরিবারের দাবি, স্ত্রীর সঙ্গে চলমান বিরোধের কারণে তিনি মানসিকভাবে চাপে ছিলেন। তদন্ত কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এই ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো অভিযোগ দায়ের করা হয়নি। পুলিশ হর্ষিতের স্ত্রীকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে এবং আবাসিক কমপ্লেক্সের সিসিটিভি ফুটেজ পরীক্ষা করে দেখছে।