Advertisement(970X90).png
Advertisement(300X90).png

১৫ কার্তিক ১৪৩৩, ১৯ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬

বিয়েতে তিনবার ‘কবুল’ বলা কি বাধ্যতামূলক?
বিয়েতে তিনবার ‘কবুল’ বলা কি বাধ্যতামূলক?

ঢাকা থেকে প্রকাশিত ইসলামী গবেষণা পত্রিকা মাসিক আল কাউসারের এক নিবন্ধে বলা হয়েছে, বিয়েতে তিনবার কবুল বলার বিষয়টি শরিয়তসম্মত কোনো বিধান নয়; বরং এটি একটি সামাজিক রীতি। এই ধরনের রীতি পরিহার করা উচিত বলে উল্লেখ করা হয়েছে। নিবন্ধে বলা হয়, শরিয়তের দৃষ্টিতে বিয়ের প্রস্তাবের পর সাক্ষীদের শুনিয়ে একবার ‘কবুল’ বললেই বিবাহ সম্পন্ন হতে পারে। এই ক্ষেত্রে তিনবার কবুল বলা আবশ্যক নয়। এই বিষয়ে ফাতাওয়ায়ে শামি (৩/৯) ও ফাতাওয়ায়ে আলমগিরি (১/৩৭০) গ্রন্থের উদ্ধৃতি দেওয়া হয়েছে। বিয়ে সম্পর্কে হাদিসে নবী করিম (সা.) বলেছেন, সামর্থ্যবান যুবকদের বিয়ে করা উচিত। কারণ, বিয়ে দৃষ্টিকে সংযত রাখতে এবং লজ্জাস্থানের হেফাজত করতে সহায়তা করে। আর যাদের বিয়ের সামর্থ্য নেই, তাদের রোজা রাখার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি। (সহিহ বুখারি: ৫০৬৫; সহিহ মুসলিম: ১৪০০) বিয়ের আগে পাত্র-পাত্রী সম্পর্কে খোঁজখবর নেওয়া এবং পছন্দের বিষয়গুলো জেনে নেওয়ার ওপরও ইসলামে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। জাবির ইবনে আবদুল্লাহ (রা.) থেকে বর্ণিত হাদিসে বিয়ের প্রস্তাব দেওয়া ব্যক্তিকে সম্ভাব্য জীবনসঙ্গীর এমন কিছু বৈশিষ্ট্য দেখে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে, যা তাকে বিয়েতে আগ্রহী করে তুলতে পারে। /শান্ত/

দেশে ১৮ বছরের আগেই বিয়ে হয় প্রায় অর্ধেক মেয়ের: ইউনিসেফ
দেশে ১৮ বছরের আগেই বিয়ে হয় প্রায় অর্ধেক মেয়ের: ইউনিসেফ

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সংস্থাটি জানায়, বাল্যবিবাহের কারণে মেয়েদের পড়াশোনা ব্যাহত হয়, অল্প বয়সে গর্ভধারণের ঝুঁকি বাড়ে এবং ভবিষ্যতে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ সীমিত হয়ে পড়ে। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় শিশুদের জন্য বিনিয়োগ বাড়ানো এবং বাল্যবিবাহ বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন ইউনিসেফের নির্বাহী পরিচালক ক্যাথরিন রাসেল। তিন দিনের সফরে রাসেল ঢাকার কড়াইল বস্তি এবং কক্সবাজারে রোহিঙ্গা শরণার্থী ও আশ্রয়দাতা জনগোষ্ঠীর সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এই সময় তিনি তিনটি বিষয়ে পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান। এগুলো হলো বাল্যবিবাহ বন্ধ করে মেয়েদের পড়াশোনা অব্যাহত রাখা, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে জিডিপির ৫ শতাংশ বিনিয়োগের সরকারি অঙ্গীকার বাস্তবায়ন এবং রোহিঙ্গা ও আশ্রয়দাতা জনগোষ্ঠীর শিশুদের মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করা। কড়াইল বস্তিতে শিশু ও অভিভাবকদের সঙ্গে কথা বলার সময় রাসেল দারিদ্র্য, শিক্ষার বাধা ও মৌলিক সেবার সীমিত সুযোগের কথা শোনেন। তিনি জানান, ইউনিসেফের সহায়তায় পরিচালিত শিশু সুরক্ষা কেন্দ্রের উদ্যোগে ১৪ বছরের এক কিশোরী বাল্যবিবাহ থেকে রক্ষা পেয়েছে। রাসেল বলেন, শিশুদের শিক্ষা, স্বাস্থ্য, পুষ্টি ও সুরক্ষায় বিনিয়োগ বাংলাদেশের ভবিষ্যতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। তিনি রোহিঙ্গা শিশুদের শিক্ষা নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে সহায়তা অব্যাহত রাখারও আহ্বান জানান। /শান্ত/