Advertisement(970X90).png
Advertisement(300X90).png

১৫ কার্তিক ১৪৩৩, ১৯ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬

নির্বাচনে হেরে ব্রাজিল ছাড়লেন বলসোনারো
নির্বাচনে হেরে ব্রাজিল ছাড়লেন বলসোনারো

মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) প্রকাশিত এই খবরের একদিন আগে অর্থপাচারের অভিযোগের তদন্তের অংশ হিসেবে ফ্লাভিওর পাসপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন ব্রাজিলের সুপ্রিম কোর্ট। তবে ফ্লাভিও কোনো অন্যায় করার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। সোমবার তিনি বলেছিলেন, দেশ ছাড়ার কথা কখনও ভাবেননি এবং বিরোধীদলের নেতৃত্ব দিতে ব্রাজিলেই থাকবেন। গত ২৫ অক্টোবরের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ফ্লাভিও বামপন্থী প্রেসিডেন্ট লুইজ ইনাসিও লুলা দা সিলভার কাছে ৪৪ লাখের বেশি ভোটের ব্যবধানে হেরে যান। প্রথমে তিনি ফল মেনে নিতে অস্বীকৃতি জানান এবং নির্বাচন বাতিলের উদ্যোগ নেওয়ার কথা বলেন। মঙ্গলবার নিজের ৮১তম জন্মদিনের অনুষ্ঠানে লুলা বলেন, দেশ ছেড়ে চলে যাওয়া ফ্লাভিওর জন্য লজ্জাজনক। নির্দোষ হলে তাঁর ব্রাজিলেই থেকে নিজের পক্ষে প্রমাণ দেওয়ার কথা ছিলো বলে মন্তব্য করেন তিনি। এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ব্রাজিলের নির্বাচন নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করে বলেছেন, তাঁর কাছে নির্বাচনটি কারচুপিপূর্ণ বলে মনে হয়েছে। তবে ভোটে অনিয়মের পক্ষে কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। ভোটগ্রহণের সময় বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়ে সমালোচনা হলেও এতে নির্বাচনের ফল বদলে যাওয়ার সম্ভাবনা ছিলো না বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। ফ্লাভিওর দেশত্যাগে আমেরিকা মহাদেশের সবচেয়ে জনবহুল দুই দেশ ব্রাজিল ও যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্কে আরও টানাপোড়েন তৈরি হতে পারে। ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট লুলা অভিযোগ করেছেন, বলসোনারো পরিবারকে আবার ক্ষমতায় আনতে ওয়াশিংটন তাঁদের সঙ্গে যোগসাজশ করছে। রবিবারের নির্বাচনের আগে বলসোনারো পরিবারকে ক্ষমতায় ফেরাতে ট্রাম্প প্রশাসনের উদ্যোগ নিয়ে রয়টার্স প্রতিবেদন প্রকাশ করেছিলো। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এর আগে ফ্লাভিওর বাবা ও ব্রাজিলের সাবেক প্রেসিডেন্ট জইর বলসোনারোর বিরুদ্ধে বিচারিক নিপীড়ন চালানো হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছিলেন। ২০২২ সালের নির্বাচনে লুলার কাছে হারের পর জইর বলসোনারোও পরাজয় স্বীকার না করে যুক্তরাষ্ট্রে চলে গিয়েছিলেন। পরে তিনি ব্রাজিলে ফিরে আসেন। অভ্যুত্থানের ষড়যন্ত্রের অভিযোগে দেশটির সরকারি ভবনে তাঁর সমর্থকদের হামলার পর তাঁকে ২৭ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। /এমএএইচ/

সৌদি আরবের ২ শহরে জরুরি সতর্কতা
সৌদি আরবের ২ শহরে জরুরি সতর্কতা

সম্ভাব্য বিপদের আশঙ্কায় শহর দু’টিতে সাইরেন বাজানো হয়। পাশাপাশি নাগরিকদের নিরাপত্তা নির্দেশনা মেনে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। প্রবাসী বাংলাদেশিসহ বিভিন্ন দেশের নাগরিকদেরও নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। আনাদোলু এজেন্সি’র প্রতিবেদন অনুযায়ী, নাজরানে সতর্কতা জারির প্রায় ৮ মিনিট পর তা প্রত্যাহার করা হয়। এর কিছুক্ষণ পর আভা শহর থেকেও সতর্কতা তুলে নেওয়া হয়। প্রাথমিক সতর্কবার্তায় কী ধরনের হুমকি তৈরি হয়েছিলো, সে-ই বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হয়নি। কোনো ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের ঘটনাও ঘটেছে কি না, তাও স্পষ্ট নয়। ইয়েমেনের হুতি গোষ্ঠী ও সৌদি আরবের মধ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে দেশটির বিভিন্ন এলাকায় সাম্প্রতিক সময়ে একাধিকবার নিরাপত্তা সতর্কতা জারি করা হয়েছে। ইয়েমেনের হুতি গোষ্ঠী সৌদি আরবের বিভিন্ন স্থাপনা লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার দাবি করেছে। অন্যদিকে, সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটও হুতিদের ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন প্রতিহত করার কথা জানিয়েছে। /এমএএইচ/

ঢাকায় ৩ দিনের আন্তর্জাতিক প্রশিক্ষণ শুরু
ঢাকায় ৩ দিনের আন্তর্জাতিক প্রশিক্ষণ শুরু

প্যাকেজিং অ্যান্ড এক্সেসরিজ ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিপিএএমইএ)-এর উদ্যোগে এবং এশিয়ান প্যাকেজিং ফেডারেশন (এপিএফ)-এর সহযোগিতায় ‌‘ সাসটেইন্যাবল অ্যান্ড কোয়ালিটি প্যাকেজিং ফর লোকাল অ্যান্ড গ্লোবাল মার্কেট’ শীর্ষক ৩ দিনব্যাপী এ আন্তর্জাতিক প্রশিক্ষণ কর্মসূচি শুরু হয়েছে। শনিবার (২৪ অক্টোবর) রাজধানীর বনানীর এক হোটেলে এ কর্মসূচির উদ্বোধন হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ নিটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিকেএমইএ)-এর সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম। বিশেষ অতিথি ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রিন্টিং অ্যান্ড পাবলিকেশন স্টাডিজ বিভাগের চেয়ারম্যান ড. শিল্পী বেগম। এছাড়াও অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এপিএফ ও বিপিএএমইএ-এর সাবেক সভাপতি সফিউল্লাহ চৌধুরী এবং বিপিএএমইএ-এর সাবেক সভাপতি ও উপদেষ্টা মোহাম্মদ মোয়াজ্জেম হোসেন মতি। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মো. শাহরিয়ার। অনুষ্ঠানে জানানো হয়, বিশ্ববাজারে বর্তমানে প্যাকেজিং পণ্যের প্রায় ৭০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বিশাল চাহিদা রয়েছে। এই বৈশ্বিক বাজার ধরতে আধুনিক প্রযুক্তিগত জ্ঞান অর্জন ও দক্ষ জনবল গড়ে তোলা অত্যন্ত জরুরি। সে লক্ষ্যেই প্যাকেজিং ও অ্যাকসেসরিজ খাতের উদ্যোক্তা, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের দক্ষতা ও পণ্যের গুণগত মান বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে এই প্রশিক্ষণ কোর্সের আয়োজন করা হয়েছে। এশিয়ান প্যাকেজিং ফেডারেশনের ১৫টি সদস্য দেশের মধ্যে বাংলাদেশ অন্যতম একটি নির্বাহী সদস্য। দেশি-বিদেশি মিলিয়ে মোট ৩৫ জন প্রশিক্ষণার্থী এ প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ করছেন, যার মধ্যে শ্রীলঙ্কার একজন বিদেশি প্রশিক্ষণার্থীও রয়েছেন। আগামী দিনে উদ্যোক্তা ও প্রযুক্তিবিদ তৈরিতে ভূমিকা রাখার উদ্দেশ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রিন্টিং অ্যান্ড পাবলিকেশন বিভাগের ৫ জন মেধাবী শিক্ষার্থীকে বিশেষ সুবিধায় এই প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়া হয়েছে। তিনদিনের এ প্রশিক্ষণে প্যাকেজিংয়ের শ্রেণিভাগ, গুণগত মান পরীক্ষার পদ্ধতি, করোগেটেড ফাইবারবোর্ড, প্লাস্টিক প্যাকেজিং ও মান মূল্যায়নসহ আধুনিক প্রযুক্তির ওপর বিস্তারিত ধারণা দেওয়া হচ্ছে। কেআর/