অধিনায়কত্ব যেতেই বোর্ডের নীতি নিয়ে সমালোচনায় সালমান আঘা
ইংল্যান্ডে টেস্ট সিরিজের মাঝে সাত জন ক্রিকেটারকে দেশে ফিরিয়ে এনেছিল পিসিবি। সেই সাত জনের মধ্যে ছিলেন সালমান আলি আঘাও। শ্রীলঙ্কা, ইংল্যান্ডকে নিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজের মাঝে বাদ দেওয়া হয় সাইম আয়ুবকে।
মহসিন নাকভির নেতৃত্বাধীন পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) বিরুদ্ধে সুর চড়ালেন সালমান আলি আঘা। সিরিজ বা প্রতিযোগিতার মাঝে দলে পরিবর্তন নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন পাকিস্তানের প্রাক্তন এই অধিনায়ক। তাঁর আশা, পাকিস্তানের কর্তারা ভবিষ্যতে এমন সিদ্ধান্ত নেবেন না।
ইংল্যান্ডে টেস্ট সিরিজে মাঝে সাত জন ক্রিকেটারকে দেশে ফিরিয়ে এনেছিল পিসিবি। সেই সাত জনের মধ্যে ছিলেন সালমানও। আবার শ্রীলঙ্কা, ইংল্যান্ডকে নিয়ে আয়োজিত ত্রিদেশীয় সিরিজের মাঝে ঘরোয়া ক্রিকেট খেলতে পাঠিয়ে দেওয়া হয় সাইম আয়ুবকে। সিরিজ বা প্রতিযোগিতার মাঝে দলে পরিবর্তন পাক ক্রিকেটে নিয়মিত হয়ে উঠছে। নতুন এই নীতি নিয়ে আপত্তি জানিয়েছেন সালমান।
অসন্তুষ্ট প্রাক্তন অধিনায়ক এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, ‘‘সিরিজের মাঝে এমন আগে কখনও হয়নি। আমার মনে হয় না, ভবিষ্যতেও এমন কিছু ঘটবে। সিরিজ বা প্রতিযোগিতার মাঝে দল থেকে খেলোয়াড়দের বাদ দেওয়া ভাল বিষয় নয়। আশা করব, এমন সিদ্ধান্ত আর নেওয়া হবে না।’’
সালমান আরও বলেছেন, ‘‘এক জন ক্রিকেটারকে কতগুলো ম্যাচ খেলানো উচিত, এটা নির্দিষ্ট করে বলা যায় না। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ধারাবাহিকভাবে ভাল রান করা সহজ নয়। আমাদের মনে হতে পারে, এক জন খেলোয়াড় কেন সব ম্যাচে রান করবে না। কিন্তু কোনও তরুণ খেলোয়াড়কে দলে নিন বা কয়েক বছর ধরে সাফল্যের সঙ্গে খেলা সিনিয়র ক্রিকেটারকেই দলে রাখুন, তাকে কয়েকটা ম্যাচ সুযোগ দেওয়া উচিত। ব্যর্থ হলেও তাকে ফর্মে ফেরার সুযোগ দেওয়া দরকার। কিছুটা সময় তো দিতে হবে। কেউ ব্যর্থ হলেই তাকে সঙ্গে সঙ্গে বাদ দিয়ে দেওয়া একদমই ঠিক নয়।’’
উল্লেখ্য, বাবর আজমের চোট থাকা ইংল্যান্ড সফরে প্রথম টেস্টে পাকিস্তানকে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন সালমান। সেই টেস্টের দু’ইনিংসে তিনি করেন যথাক্রমে ২১ এবং ৪। পরের টেস্টেই প্রথম একাদশ থেকে বাদ পড়েন সালমান। পরে তৃতীয় টেস্টের আগে আরও ছয় ক্রিকেটারের সঙ্গে তাঁকেও দেশে ফিরিয়ে এনেছিল পিসিবি।
/কেআর/
