ভিসা সার্ভারে নিয়ন্ত্রণ নেই লন্ডন হাইকমিশনের
ছবি: সংগৃহীত
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়েপড়া গুজবকে ‘ভিত্তিহীন ও বিভ্রান্তিকর’ আখ্যা দিয়ে লন্ডনে অবস্থিত বাংলাদেশ হাইকমিশন বলেছে, ভিসা সার্ভারের ওপর তাদের কোন নিয়ন্ত্রণে নেই। এসব সার্ভার বাংলাদেশ থেকে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে কেন্দ্রীয়ভাবে পরিচালিত ও রক্ষণাবেক্ষণ করা হয়। তবে বাংলাদেশ হাইকমিশনের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটটি সম্পূর্ণ নিরাপদ আছে।
শনিবার (২৪ অক্টোবর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে লন্ডন মিশন তাদের কার্যক্রম নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া তথ্যকে 'বিভ্রান্তিকর ও ভিত্তিহীন' আখ্যা দিয়ে তা প্রত্যাখ্যান করেছে।
একই সঙ্গে সতর্ক করে বলা হয়েছে, এই ধরনের অপপ্রচার মিশনের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে পারে এবং যুক্তরাজ্যে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করতে পারে।
হাইকমিশন জানায়, তাদের অফিশিয়াল ওয়েব পোর্টালটি সম্পূর্ণ নিরাপদ। এর নিরাপত্তা কিংবা কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন তোলার মতো কোনো যৌক্তিক ভিত্তি নেই।
বিজ্ঞপ্তিতে ব্যাখ্যা দিয়ে বলা হয়, ভিসা সংক্রান্ত সার্ভার এবং এর সঙ্গে সম্পর্কিত প্রযুক্তিগত ব্যবস্থাগুলো বাংলাদেশ থেকে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কেন্দ্রীয়ভাবে পরিচালনা করে থাকে। ফলে এগুলোর পরিচালনা, রক্ষণাবেক্ষণ বা প্রযুক্তিগত ব্যবস্থাপনায় লন্ডন মিশনের সরাসরি কোনো নিয়ন্ত্রণ বা হস্তক্ষেপের সুযোগ নেই। তাই ভিসা সার্ভারজনিত কোনো প্রযুক্তিগত বা পরিচালনাগত সমস্যার জন্য হাইকমিশনকে দায়ী করা উচিত নয়।
মিশন জানায়, আবেদনকারীরা প্রয়োজনীয় সব কাগজপত্র ও সঠিক তথ্য জমা দিলে হাইকমিশন দ্রুততম সময়ে ভিসা ও অন্যান্য কনস্যুলার সেবা পৌঁছে দিতে সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালায়।
যুক্তরাজ্যে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের স্বার্থ সংরক্ষণ, কল্যাণ নিশ্চিতকরণ এবং তাদের প্রয়োজনীয় কনস্যুলার ও অন্যান্য সেবা প্রদানকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে মিশন কাজ করে যাচ্ছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়। এতে আরও বলা হয়, প্রবাসী বাংলাদেশিদের সঙ্গে সুদৃঢ় সম্পর্ক বজায় রাখা, তাদের ন্যায্য অধিকার ও স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে সহযোগিতা প্রদান এবং বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করতে মিশন সর্বদা সচেষ্ট। অর্পিত এই দায়িত্ব ভবিষ্যতেও একইভাবে অব্যাহত রাখতে হাইকমিশন দৃঢ়ভাবে অঙ্গীকারবদ্ধ।
মিশনের কার্যক্রম নিয়ে কারও কোনো প্রশ্ন, অভিযোগ বা উদ্বেগ থাকলে কেবল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের তথ্যের ওপর নির্ভর না হওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে হাইকমিশন। যেকোনো তথ্যের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য মিশনের অফিশিয়াল যোগাযোগ মাধ্যমে খোঁজ নেওয়ার বা সরাসরি হাইকমিশনে যোগাযোগ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, অপপ্রচার মোকাবিলা এবং মিশনের কার্যক্রম সম্পর্কে সঠিক ধারণা নিশ্চিত করতে আরও বেশি সচেতনতা, দায়িত্বশীল আচরণ এবং পারস্পরিক সহযোগিতা একান্ত প্রয়োজন।
কেআর/শান্ত/
