Advertisement(970X90).png
Advertisement(300X90).png

১৫ কার্তিক ১৪৩৩, ১৯ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬

শেয়ার ইস্যুতে আইনি বাধা কাটলো ইউসিবি'র
শেয়ার ইস্যুতে আইনি বাধা কাটলো ইউসিবি'র

বাংলাদেশ ব্যাংক ও ইউসিবি সূত্রে জানা যায়, ব্যাংকটির সাবেক চেয়ারম্যান সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাভেদ এবং তার পরিবারের সদস্যদের হাতে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ শেয়ার ছিলো। ২০২৪ সালের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ সামনে এলে বাংলাদেশ ব্যাংক ব্যাংকটির পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে দেয়। পরে সাইফুজ্জামান চৌধুরী ও তার পরিবারের সদস্যদের শেয়ার বাজেয়াপ্ত করা হয়। এতে উদ্যোক্তা-পরিচালকদের সম্মিলিত শেয়ার ধারণের পরিমাণ ৩০ শতাংশের নিচে নেমে আসে। ফলে নতুন করে শেয়ার ইস্যুতে আইনি বাধার মুখে পড়ে ব্যাংকটি। ব্যাংক কোম্পানি আইনের ১৪ক (১) ধারা অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান বা পরিবারের সদস্যরা এককভাবে বা যৌথভাবে কোনো ব্যাংকের ১০ শতাংশের বেশি শেয়ার কিনতে পারেন না। এই বিধিনিষেধের কারণে বড় অঙ্কের বিনিয়োগকারী যুক্ত করাও ইউসিবির জন্য কঠিন হয়ে পড়েছিলো। ইউসিবির প্রধান যোগাযোগ কর্মকর্তা জীশান কিংশুক হক জানান, ব্যাংকের মূলধনভিত্তি শক্তিশালী করতে ৭৭৫ কোটি টাকার রাইট শেয়ার ইস্যুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ৮০০ কোটি টাকার বন্ড ইস্যু এবং দেশি-বিদেশি প্রতিষ্ঠানকে কৌশলগত বিনিয়োগকারী হিসেবে যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের ছাড়ের ফলে বড় অঙ্কের বিনিয়োগ আনার সুযোগ সহজ হবে বলে আশা করছে ব্যাংকটি। /শান্ত/

টানা লোকসানের পরও ২% নগদ লভ্যাংশ দিচ্ছে তিতাস গ্যাস
টানা লোকসানের পরও ২% নগদ লভ্যাংশ দিচ্ছে তিতাস গ্যাস

মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) দেওয়া আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে তিতাস গ্যাসের শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ছিলো ঋণাত্মক ৬.০২ টাকা। আগের ২০২৪-২৫ অর্থবছরে শেয়ারপ্রতি লোকসান ছিলো ৭.৮০ টাকা। সেই তুলনায় বিদায়ী অর্থবছরে প্রতিষ্ঠানটির লোকসান কিছুটা কমেছে। ২০২৬ সালের জুন শেষে তিতাসের শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভি) কমে দাঁড়িয়েছে ৮৩.৯৪ টাকা, যা এর আগের বছর একই সময়ে ছিলো ৯০.১৩ টাকা। এদিকে ২০২৫-২৬ অর্থবছরে তিতাস গ্যাসের শেয়ারপ্রতি নিট পরিচালন নগদ প্রবাহ (এনওসিএফপিএস) বড় ধরনের পতনের মুখে পড়ে ঋণাত্মক ২.৭০ টাকায় নেমে এসেছে। আগের অর্থবছরে এর পরিমাণ ছিলো ১৮.৭ টাকা। এনওসিএফপিএস ঋণাত্মক হওয়ার অর্থ হলো, প্রতিষ্ঠানটি বর্তমানে দৈনন্দিন কার্যক্রম পরিচালনার ক্ষেত্রে নগদ অর্থের সংকটে ভুগছে। সর্বশেষ বার্ষিক আর্থিক হিসাব ও সুপারিশকৃত লভ্যাংশ অনুমোদনের জন্য আগামী ২৪ ডিসেম্বর বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) আহ্বান করেছে প্রতিষ্ঠানটি। ঘোষিত লভ্যাংশ প্রাপ্তি ও এজিএমে অংশগ্রহণের যোগ্য শেয়ারধারী নির্ধারণের জন্য আগামী ১৭ নভেম্বর ‘রেকর্ড ডেট’ নির্ধারণ করা হয়েছে। /এমএএইচ/

স্কয়ার ফার্মার ১৩০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা
স্কয়ার ফার্মার ১৩০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা

কোম্পানির তথ্য অনুযায়ী, গত অর্থবছর বিক্রি প্রায় ১৩ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮ হাজার ৬০৬ কোটি টাকায়। একই সময়ে মুনাফা ১৮ শতাংশ বেড়ে হয়েছে ২ হাজার ৭৭০ কোটি টাকা। এর আগের ৩ অর্থবছরে কোম্পানিটি যথাক্রমে ১২০, ১১০ ও ১০৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছিলো। তারও আগে, ২ বছর দিয়েছিল ১০০ ও ৬০ শতাংশ। অর্থাৎ বিনিয়োগকারীদের লভ্যাংশ ধারাবাহিকভাবে বেড়েছে। শেয়ারবাজারে ব্লু-চিপ হিসেবে পরিচিত এই কোম্পানির শেয়ারের দাম বছরের পর বছর তুলনামূলক স্থিতিশীল রয়েছে। গত এক বছরে শেয়ারটির দাম ১৯৮ থেকে ২৩৬ টাকার মধ্যে ওঠানামা করেছে। রবিবার শেয়ারটি ২১৮ টাকায় লেনদেন হয়। আর্থিক প্রতিবেদন বিশ্লেষণে দেখা যায়, স্কয়ার ফার্মার ব্যবসার পরিচালন মুনাফা এক বছরের ব্যবধানে প্রায় ১৮ শতাংশ বেড়েছে। এই বছর কোম্পানিটি পরিচালন মুনাফা করেছে ২ হাজার ৪৪৮ কোটি টাকা। আগের অর্থবছরে যার পরিমাণ ছিলো ২ হাজার ৭৮ কোটি টাকা। সেই হিসাবে এক বছরের ব্যবধানে পরিচালন মুনাফা বেড়েছে ৩৭০ কোটি টাকা। /এমএএইচ/