Advertisement(970X90).png
Advertisement(300X90).png

১৫ কার্তিক ১৪৩৩, ১৯ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬

শাহজালাল রুমিকে গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান হয়নি: রাশেদ খাঁন
শাহজালাল রুমিকে গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান হয়নি: রাশেদ খাঁন

টঙ্গীর মাদরাসার ঘটনায় শিশুটির বাবা শাহজালাল রুমিকে গ্রেপ্তারের কোনো সিদ্ধান্ত পুলিশ নেয়নি এবং এই ঘটনায় কোনো অভিযানও পরিচালনা করা হয়নি বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান। শনিবার (২৪ অক্টোবর) রাতে নিজের ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে রাশেদ খান বলেন, গাজীপুর পুলিশ কমিশনারের সঙ্গে আমি কথা বলেছি। টঙ্গীর মাদরাসার ঘটনায় শাহজালাল রুমিকে গ্রেপ্তার করার কোনো সিদ্ধান্ত পুলিশ নেয়নি এবং পুলিশ কোনো অভিযানও পরিচালনা করেনি। সরকারের পক্ষ থেকেও গ্রেপ্তারের কোনো পরামর্শ পুলিশকে দেওয়া হয়নি। /এমএএইচ/

'একটি দলের প্রধান নেতা প্রকাশ্যে চুমু দেওয়ার সংস্কৃতি চালু করেছেন'
'একটি দলের প্রধান নেতা প্রকাশ্যে চুমু দেওয়ার সংস্কৃতি চালু করেছেন'

শনিবার (২৪ অক্টোবর) নিজের ফেসবুক পোস্টে এই কথা লেখেন তিনি। একই সঙ্গে শিশুদের নিরাপত্তা, মাদরাসাশিক্ষা এবং রাজনৈতিক নেতাদের আচরণ নিয়েও মন্তব্য করেন রাশেদ খাঁন। পোস্টে তিনি বলেন, সন্তান প্রতিটি বাবা-মায়ের কাছে পবিত্র আমানত। সন্তানের প্রতি কেউ অনাকাঙ্ক্ষিত আচরণ করলে অভিভাবকদের ক্ষুব্ধ হওয়া স্বাভাবিক। তবে কোনো ব্যক্তির অপরাধের দায় পুরো মাদরাসাশিক্ষাব্যবস্থার ওপর চাপানো উচিত নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি। রাশেদ খাঁন আশা প্রকাশ করেন, মাদরাসাশিক্ষকেরা এই ধরনের ঘটনার প্রতিকার এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে উদ্যোগী হবেন। এতে মানুষের আস্থা ফিরিয়ে আনা সম্ভব হবে বলে মনে করেন তিনি। নিজের পোস্টে একটি রাজনৈতিক দলের প্রধান নেতার প্রকাশ্যে চুমু দেওয়ার আচরণ নিয়েও কথা বলেন রাশেদ খাঁন। তার দাবি, একটি দলের প্রধান নেতা প্রকাশ্যে এমন চুমু দেওয়ার সংস্কৃতি চালু করেছেন। হয়তো শিশু বা কারও প্রতি স্বাভাবিক আদর কিংবা ভালবাসার বহিঃপ্রকাশ হিসেবে তিনি চুমু দেন। টঙ্গীর ঘটনার পর রাজনৈতিক নেতাদেরও নিজেদের আচরণ নিয়ে ভাবা উচিত বলে মন্তব্য করেন রাশেদ খাঁন। /শান্ত/

নুরের মিসাইলে মগবাজার আর বাংলামোটর তছনছ হয়ে গেছে: রাশেদ খাঁন
নুরের মিসাইলে মগবাজার আর বাংলামোটর তছনছ হয়ে গেছে: রাশেদ খাঁন

বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) রাতে নিজের ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এসব কথা লেখেন রাশেদ খাঁন। পোস্টে তিনি লেখেন, বিরোধী রাজনৈতিক চরিত্রের বক্তব্যে তেজস্বী ভাব থাকতে হয়। জামায়াত-শিবির ও এনসিপি মিলেও এমন কোনো নেতা নেই বলে মন্তব্য করেন তিনি। রাশেদ খাঁন আরও লেখেন, জেল-জুলুম ও ধারাবাহিক সংগ্রামের মধ্য দিয়ে বলিষ্ঠ কণ্ঠ তৈরি হয়। তার ভাষ্য, গোপনে শিবির ও প্রকাশ্যে ছাত্রলীগের রাজনীতি করে এমন ‘বারুদ কণ্ঠ’ অর্জন করা যায় না। নুরুল হক নুরের রাজনৈতিক বক্তব্যের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, বিরোধী রাজনীতিতে নুরের কণ্ঠে যে তেজ ছিলো, সরকারে যাওয়ার কারণে তা অনেকটা নমনীয় হয়ে গিয়েছিলো। তবে জামায়াত-এনসিপির বিরুদ্ধে আবারও সেই তেজস্বী নুরকে দেখা গেছে। নুরুল হক নুরের দীর্ঘদিনের সহযোদ্ধা হিসেবে নিজের অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে রাশেদ খাঁন লেখেন, নুরকে খেপানোর খেসারত জামায়াত-শিবির ও এনসিপিকে দিতে হবে। পোস্টের শেষাংশে তিনি লেখেন, ‘আমি ভিপি নুরের দীর্ঘদিনের সহযোদ্ধা হিসেবে জানি, ভিপি নুর কী জিনিস, ভিপি নুর মানেই একটা বারুদ।’ /শান্ত/