Advertisement(970X90).png
Advertisement(300X90).png

১৫ কার্তিক ১৪৩৩, ১৯ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬

ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে পদত্যাগ করলেন এনসিপি নেতা
ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে পদত্যাগ করলেন এনসিপি নেতা

মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৭টার দিকে এনসিপির নোয়াখালী জেলা শাখার আহ্বায়ক কাজী মাঈন উদ্দীন তানভীর ও সদস্য সচিব মোহাম্মদ ইকবাল হোসেনের স্বাক্ষরে ২৩ সদস্যের কমিটিটি অনুমোদন দেওয়া হয়। কমিটি অনুমোদনের পর রাত ১১টা ২৭ মিনিটে নিজের ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে এনসিপি থেকে পদত্যাগের ঘোষণা দেন খন্দকার দিদারুল আলম। তাঁর দাবি, কমিটি গঠনের আগে তাঁর সঙ্গে কোনো ধরনের যোগাযোগ না করায় তিনি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। ফেসবুক পোস্টে তিনি লেখেন, এনসিপি থেকে পদত্যাগ করলাম। আজ থেকে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-এর সঙ্গে আমার কোনো সম্পর্ক নেই। /এমএএইচ/

শেখ হাসিনার প্রতি ন্যায়বিচার করা হবে: তথ্য উপদেষ্টা
শেখ হাসিনার প্রতি ন্যায়বিচার করা হবে: তথ্য উপদেষ্টা

মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলনকক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এই কথা বলেন। শেখ হাসিনার দেশে ফেরা প্রসঙ্গে ডা. জাহেদ বলেন, তিনি দেশে ফিরলে বিচারের মুখোমুখি হবেন। তিনি ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি। দেশে ফেরার পর আইনি প্রক্রিয়ায় যা হওয়ার, তা-ই হবে। তথ্য উপদেষ্টা বলেন, শেখ হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে নানা আলোচনা ও জল্পনা চলছে। তিনি ডিসেম্বরের পর জুনে আসার কথা বলতে পারেন, আবার জুনের পর ডিসেম্বরের কথা বলতে পারেন। এভাবে একই আলোচনা চলতে থাকবে। তবে তিনি দেশে ফিরলে সরকার খুশি হবে। তাহলে তাঁকে আর বেঁধে আনতে হবে না। তিনি আরও বলেন, শেখ হাসিনার দেশত্যাগের প্রসঙ্গে অতীতের রাজনৈতিক পরিস্থিতির সঙ্গে তুলনা করা যায়। এরশাদের পতনের পরও তিনি দেশে ছিলেন, কারাবরণ করেছেন এবং নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন। তখনও পুলিশ থানায় দায়িত্ব পালন করেছে। /এমএএইচ/

বিএনপি সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতায় বিশ্বাসী: রিজভী
বিএনপি সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতায় বিশ্বাসী: রিজভী

সোমবার (২৬ অক্টোবর) জাতীয় প্রেসক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী হলে প্রখ্যাত সাংবাদিক, ভয়েস অব আমেরিকার সাবেক সংবাদ পাঠক ও একুশে পদকপ্রাপ্ত গিয়াস কামাল চৌধুরীর স্মরণসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। বাংলাদেশ জাতীয় সাংবাদিক সমিতি এই স্মরণসভার আয়োজন করে। রিজভী বলেন, সাংবাদিক গিয়াস কামাল চৌধুরী ছিলেন দেবতুল্য মানুষ। তাঁর মতো অনেকের অদম্য সাহস ও সততা ছিলো বলেই ফ্যাসিস্টরা এই দেশে চিরস্থায়ী হতে পারেনি। এই সময় বিদেশে শ্রমিক হিসেবে বাংলাদেশিদের সুনামের কথাও তুলে ধরেন। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার (বাসস) চেয়ারম্যান ও দৈনিক যুগান্তরের সম্পাদক কবি আবদুল হাই শিকদার বলেন, গিয়াস কামাল চৌধুরীর মতো গুণী ও দেশপ্রেমিক মানুষকে স্মরণ করার অর্থ হলো ভালো কাজের সঙ্গে নিজেকে যুক্ত করা। দেশে গুণী, ভালো ও প্রয়োজনীয় মানুষদের স্মরণ করার লোকের অভাব রয়েছে। বরং প্রকৃত ভিলেনদের হিরো বানাতে নানা আয়োজন করা হয়। সে দিক থেকে গিয়াস কামাল চৌধুরীকে স্মরণ করা একটি ভালো কাজ। গিয়াস কামাল চৌধুরীর ব্যক্তিত্বের স্মৃতিচারণা করে আবদুল হাই শিকদার বলেন, জীবনানন্দ দাশের ভাষায় বলতে ইচ্ছে করে—এ পৃথিবী একবার পায় তারে, পায় নাকো আর। গিয়াস কামাল চৌধুরীর মতো আরও সাংবাদিক আসবেন, নতুন মুখ আসবে; কিন্তু তাঁর মতো ব্যক্তিত্ব আর কখনও পাওয়া যাবে কি না, তা নিয়ে সংশয় রয়েছে। মরহুম আনোয়ার জাহিদ, আহমেদ হুমায়ুন, এনায়েতুল্লাহ খান, আকরাম খান ও আবুল কালাম শামসুদ্দিনের বুদ্ধিবৃত্তিক সাংবাদিকতার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, তাঁরা ছিলেন বুদ্ধিবৃত্তিক সাংবাদিক। তবে গিয়াস কামাল ছিলেন গণমানুষের সাংবাদিক। মানুষের জন্য, দেশের জন্য তাঁর অন্তরের দরদ আজ আর দেখা যায় না। তার মধ্যে সব সময় মওলানা ভাসানীর ছায়া দেখা যেতো। গিয়াস কামাল চৌধুরীর মানবিকতার স্মৃতিচারণা করে শিকদার বলেন, প্রেসক্লাবের ইফতার মাহফিলের পর বেঁচে যাওয়া ফলমূল ঝোলায় ভরে নিতেন তিনি। অনেকে এতে অবাক হলেও পরে জানতে পারতেন, সেসব খাবার প্রেসক্লাব থেকে পল্টন পর্যন্ত ফুটপাতের হকার ও ভিক্ষুকদের মধ্যে বিলিয়ে দিতেন গিয়াস কামাল। সাধারণ মানুষের বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে ব্যস্ত থাকা এই সাংবাদিককে অনেকে ভুল বুঝলেও তিনি নিজের পকেটের টাকা দিয়ে মানুষের রিকশাভাড়া ও খাবারের খরচ জোগাতেন। তিনি আরও বলেন, নতুন যমুনা সেতু চালুর ১৫ দিন পর রাজশাহীতে একটি সেমিনারে যাওয়ার পথে এক দুর্বৃত্তকে হাতুড়ি দিয়ে সেতুতে আঘাত করতে দেখে গাড়ি থামিয়ে প্রতিবাদ করেছিলেন গিয়াস কামাল। দেশের সামান্য ক্ষতিও তার দৃষ্টি এড়াতো না। গিয়াস কামালের জনপ্রিয়তার স্মৃতি তুলে ধরে আবদুল হাই শিকদার বলেন, চলনবিলের কাদায় গাড়ি আটকে গেলে তিনি ক্ষেতমজুরদের কাছে গিয়ে তাঁদের খোঁজখবর নেন। ভয়েস অব আমেরিকার পরিচিত কণ্ঠের এই সাংবাদিককে চিনতে পেরে খেটে খাওয়া মানুষগুলো সারিবদ্ধভাবে তাঁকে কদমবুচি করেন। এটি তাঁর বিপুল জনপ্রিয়তার প্রমাণ। /এমএএইচ/

‘বিরোধী দলে থাকতেই কবর দিতে বাধা দিচ্ছেন, রাষ্ট্রক্ষমতা হাতে গেলে কী করবেন’
‘বিরোধী দলে থাকতেই কবর দিতে বাধা দিচ্ছেন, রাষ্ট্রক্ষমতা হাতে গেলে কী করবেন’

সোমবার (২৬ অক্টোবর) সকালে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ ও অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে এসব কথা বলেন তাসনিম জারা। পোস্টে তিনি লেখেন, বাংলাদেশের সমাজে কেউ মারা গেলে তাঁর দাফনের জন্য কবর খুঁড়তে সাধারণত কাউকে ডেকে আনতে হয় না। খবর পেয়ে এলাকার লোকজন নিজেরাই কোদাল নিয়ে এগিয়ে আসেন। কেউ বাঁশ কাটেন, কেউ চাটাই নিয়ে আসেন। মৃত ব্যক্তির দাফনে দেরি করা উচিত নয়-এমন শিক্ষা নিয়েই তিনি বড় হয়েছেন। তাসনিম জারা লেখেন, গত শনিবার সকালে ৮৭ বছর বয়সী বীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারী মারা যান। কিন্তু তাঁর মরদেহ নিয়ে পরিবারের সদস্যদের সারা দিন উৎকণ্ঠায় অপেক্ষা করতে হয়। জামায়াতের স্থানীয় নেতাকর্মীরা মিছিল করেন এবং মাইক ও ফেসবুকে ঘোষণা দেন, তাঁকে পিরোজপুরে দাফন করতে দেওয়া হবে না। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, প্রথমে বাড়িতে একটি কবর খোঁড়া হলেও কয়েকজন তা ভরাট করে দেন বলে মানিক পশারীর মেয়ে সীমু আক্তার স্থানীয় সাংবাদিকদের জানিয়েছেন। পরে মেয়ে ও তার ফুফুরা মিলে আরেকটি কবর খোঁড়েন। পরিস্থিতি খারাপ হওয়ার আশঙ্কায় কবর খুঁড়তে অন্য কাউকে পাওয়া যায়নি বলেও পোস্টে উল্লেখ করেন তাসনিম জারা। তিনি লেখেন, শেষ পর্যন্ত রাত ২টার দিকে পুলিশ পাহারায় ওই কবরে মানিক পশারীকে দাফন করা হয়। প্রশাসনের লোকজন ছাড়া পরিবারের বাইরের কেউ সেখানে উপস্থিত ছিলেন না। মানিক পশারী সরকারি গেজেটভুক্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা উল্লেখ করে তাসনিম জারা লেখেন, পিরোজপুর জেলা জামায়াতের এক সহকারী সেক্রেটারি তাঁকে ‘ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা’ আখ্যা দিয়ে গার্ড অব অনার দিতে না দেওয়া এবং পিরোজপুরের মাটিতে দাফন করতে না দেওয়ার কথা বলেছিলেন। অথচ দাফনের পর ওই নেতাই বলেছেন, জামায়াতের নেতারা লাশের রাজনীতি করেন না বলে তার পোস্টে উল্লেখ করেন তাসনিম জারা। তাসনিম জারা বলেন, মানিক পশারী মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন কি না, সেই প্রশ্ন তোলা যেতে পারে। তবে তা যাচাই করার জন্য রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান ও আদালত রয়েছে। তাঁর বক্তব্য, দাফনে বাধা দিয়ে বা মাইক হাতে ঘোষণা দিয়ে এই ধরনের প্রশ্নের মীমাংসা করা যায় না। মৃত ব্যক্তির প্রতি সম্মান ও পরিবারের শোকের প্রসঙ্গ তুলে তিনি লেখেন, সাধারণত জানাজার আগে মৃত ব্যক্তির স্বজনেরা তাঁর কোনো আচরণে কেউ কষ্ট পেয়ে থাকলে ক্ষমা করে দেওয়ার অনুরোধ জানান। কিন্তু মানিক পশারীর ক্ষেত্রে তার পরিবার গ্রামের মানুষের সামনে দাঁড়িয়ে ক্ষমা চাওয়ার সেই সুযোগও পায়নি বলে মন্তব্য করেন তিনি। তাসনিম জারা লিখেছেন, মানিক পশারীর দাফন পিরোজপুরে হতে দেওয়া হবে না-এ কথা জামায়াতের নেতাকর্মীরা এমনভাবে বলেন যেন, এই মাটির দলিল তাঁদের নামে লেখা। যেন একজন মানুষ নিজের পারিবারিক কবরস্থানে শুয়ে থাকবেন কি না, সে অনুমতিও তাঁদের কাছ থেকে নিতে হবে। তাঁদের একসময় একই ভাষায় বলা হতো ‘জামাত-শিবির রাজাকার, এই মুহূর্তে বাংলা ছাড়’। এটা যে কেমন অন্যায় কথা, সেটা তাঁদের ভালোই জানার কথা। কিন্তু ক্ষমতা একটু হাতে আসার সঙ্গে সঙ্গেই, বিরোধীদলে থাকতেই, সেটা তাঁরা ভুলে গেছেন। তিনি আরও লেখেন, একাত্তরে জামায়াতে ইসলামী দল হিসেবে বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিরোধিতা করেছিলো। অথচ এখন দলটির নেতাকর্মীরা কে মুক্তিযোদ্ধা, কে ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা, কে রাষ্ট্রীয় সম্মান পাবেন এবং কার কবর কোথায় হবে-তা ঠিক করে দিতে চাইছেন বলে তার অভিযোগ। জামায়াত নিজেদের নেতাদের ক্ষেত্রে ন্যায়বিচার, মানবাধিকার, সঠিক প্রক্রিয়া ও মানবিক মর্যাদার কথা বললেও অন্যদের ক্ষেত্রে তারা সেটা করতে নারাজ বলে অভিযোগ করেন তাসনিম জারা। জামায়াতের নেতাকর্মীদের সম্পর্কে তিনি লিখেছেন, ভোটের আগে আর বক্তৃতায় ইনসাফের কথা বলেন। কিন্তু একজন মৃত মানুষের সাথে ও তাঁর শোকসন্তপ্ত পরিবারের সাথে এমন আচরণ করেন। বিরোধী দলে থাকতেই নিজের বসতভিটায় কবর দিতে বাধা দিচ্ছেন, রাষ্ট্রের সকল ক্ষমতা ওনাদের হাতে গেলে কী করবেন? /এমএএইচ/

নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করলো জামায়াত
নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করলো জামায়াত

২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর ঢাকায় সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের বিচারের দাবিতে ২ দিনের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে ঢাকায় আলোচনা সভা এবং সারা দেশে বিক্ষোভ, আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল। রবিবার (২৫ অক্টোবর) এক বিবৃতিতে এই কর্মসূচি ঘোষণা করেন জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক সংসদ সদস্য মিয়া গোলাম পরওয়ার। ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, আগামী ২৭ অক্টোবর ঢাকায় আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে। এতে জামায়াতের আমির প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেবেন। পরদিন ২৮ অক্টোবর সারা দেশে বিক্ষোভ, আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠিত হবে। বিবৃতিতে মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর ঢাকার রাজপথে লগি-বৈঠা নিয়ে সংঘটিত সহিংসতা ও হত্যাকাণ্ড বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের একটি কলঙ্কজনক অধ্যায়। তাঁর দাবি, ওই ঘটনার মধ্য দিয়ে দেশে দীর্ঘ দুই দশকের ফ্যাসিবাদ, গণতন্ত্র হত্যা ও নাগরিক অধিকার হরণের সূচনা হয়েছিলো। তিনি আরও বলেন, ওই ঘটনার ২ দশক পূর্ণ হতে চললেও হত্যাকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তিদের বিচার হয়নি। এই ঘটনায় জড়িতদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার করে বিচারের আওতায় আনতে সরকারের প্রতি দাবি জানান তিনি। /এমএএইচ/

বিরোধীদল সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা চালাচ্ছে: রিজভী
বিরোধীদল সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা চালাচ্ছে: রিজভী

বিরোধীদল মিথ্যাচারের মাধ্যমে সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। শনিবার (২৪ অক্টোবর) সকালে রাজধানীর ফকিরাপুলে ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা বাড়াতে লিফলেট বিতরণের আগে এই মন্তব্য করেন তিনি। এই সময় রিজভী বলেন, বিএনপি যদি আওয়ামী লীগের সঙ্গে চুক্তি করেই ক্ষমতায় আসে, তাহলে বিরোধীদলের সেই চুক্তিপত্র দেখানো উচিত। তিনি আরও বলেন, জামায়াতের আমির ডা. শাফিকুর রহমান ৫ আগস্টের রক্ত শুকানোর আগেই বলেছিলেন আওয়ামী লীগের সব কিছু মাফ করে দেবেন। জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল অপপ্রচারের মাধ্যমে জনগণকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছেন বলেও অভিযোগ করেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব। /এমএএইচ/

মাদক নির্মূলে একটি সংগঠন গড়ে তুলতে চাই: ইশরাক
মাদক নির্মূলে একটি সংগঠন গড়ে তুলতে চাই: ইশরাক

ঢাকা-৬ আসনের সংসদ সদস্য ইশরাক হোসেন বলেছেন, এবার মাদক নির্মূলের কাজে হাত দিতে চান। সেকারণে মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ কার্যক্রম এগিয়ে নিতে একটি সংগঠন গড়ে চান। বুধবার (২১ অক্টোবর) বেলার ১১টার দিকে তাঁর ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে স্ট্যাটাস দিয়ে ইশরাক হোসেন লেখেন, ‌প্রিয় ঢাকা-৬-এর বাসিন্দাগণ, মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার কার্যক্রম এগিয়ে নেবো, ইনশাআল্লাহ। এই লক্ষ্য অর্জনে এখানকার সাধারণ মানুষকে সঙ্গে নিয়ে একটি সংগঠন গড়ে তুলতে চাই। এই সংগঠন স্থানীয় প্রশাসনকে সহযোগিতা করবে এবং তাদের সহযোগিতা নেবে। আমাদের এই অত্যধিক ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় জনগণ সম্পৃক্ত না হলে কোনো একটি সংস্থার পক্ষে মাদক নির্মূল করা সম্ভব নয়। তিনি লেখেন, এই লক্ষ্য অর্জনে কাজ করার পাশাপাশি আমরা চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই ও চাঁদাবাজিও প্রতিরোধের আওতায় আনতে পারবো। আমরা থানা-পুলিশের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রতিটি পদক্ষেপ গ্রহণ করবো। কিছু পত্রিকা, তাদের ফেসবুক পেজ ও অনলাইন মাধ্যম এবং অন্য কিছু গণমাধ্যম আমাদের এই উদ্যোগ বানচাল করতে চাইবে। সঙ্গে থাকবে যাঁরা এই ধরনের ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত। একসময় তাঁরাই বিলুপ্ত হয়ে যাবে; আমরাই সফল হবো, ইনশাআল্লাহ। তিনি আরও লেখেন, আমি এলাকাবাসী ও ভোটারদের আশ্বস্ত করছি, আল্লাহ প্রদত্ত মৃত্যু ছাড়া কোনো দালাল মিডিয়া গ্রুপ অথবা অপরাধীরা আমাকে থামাতে পারবে না। এই মিডিয়া আমাদের দেশকে বিকলাঙ্গ করে রাখতে চায়। তাই তাদের বর্জন করে আমরা এগিয়ে যাবো। আমরা বাংলাদেশপন্থী, মেধাবী ও দেশপ্রেমিক নতুন প্রজন্মকে নিয়ে নতুন ধারার মিডিয়া গড়ে তুলবো, ইনশাআল্লাহ। সোমবার (১৯ অক্টোবর) মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করেন ইশরাক হোসেন। প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে তিনি পদত্যাগের ঘোষণা দিয়ে বলেন, স্বেচ্ছায় অব্যাহতি চেয়েছেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী এতে সম্মতি দিয়েছেন। সম্প্রতি রাজধানীর গেন্ডারিয়া এলাকায় রেললাইনসংলগ্ন একটি বস্তিতে মাদকবিরোধী অভিযানে অংশ নেন ইশরাক হোসেন। এসময় তাঁর হাতে আগ্নেয়াস্ত্র দেখা যায়। তাঁর নিজের ফেসবুক আইডি থেকে দেওয়া অভিযানের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তুমুল আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে তিনি পদত্যাগ করেন। /এমএএইচ/

নাহিদের উদ্দেশে কড়া বার্তা ইশরাকের
নাহিদের উদ্দেশে কড়া বার্তা ইশরাকের

নাহিদের ভাষ্য, ইশরাক হোসেনের অপরাধ কী, তাও পরিষ্কার করা হয়নি। ফলে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করতে হলে কারও অপরাধ থাকলে তাঁর বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি সেখানে পদত্যাগ কোনো সমাধান নয়। পরে মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে নাহিদের উদ্দেশে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে ইশরাক বলেন, জনাব নাহিদ ইসলামকে একটু হলেও নতুন বন্দোবস্তের ধারক ভাবতাম। আমার প্রসঙ্গে সাংবাদিকের প্রশ্নের উত্তরে সে মাদকের মহামারি ও এর প্রতিকার সম্পর্কে শূন্য শতাংশ কথা বলে একশ শতাংশ আমার ফৌজদারি অপরাধ খুঁজে বের করার পরামর্শ দিলো। তাহলে নাকি আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা পাবে, ইতাদি। আগে মাদকের ইস্যুটা এড্রেস করলে ভালো হতো না? তারপরে আমারে ফাঁসিতে ঝুলাইতি। দুঃখিত জেন-জি, কোনো নতুন বন্দোবস্ত এদের মাধ্যমে পাচ্ছেন না। সমসাময়িক ইস্যুতে আরেকজন ফোন করেছিলেন ইশরাককে। তাঁর ব্যাপারে সাবেক মুক্তিযুদ্ধ প্রতিমন্ত্রীর মত, নাম বললাম না, আরেকটি ছেলে যাঁর থেকে মানসিক সমস্যা ছাড়া কিছুই আশা করিনি, কোথা থেকে নম্বর নিয়ে ফোন করে বললো, ভাই, এরপর গেলে আমাকে নিয়েন, এই মাদক আমাদের ধ্বংস করে যাচ্ছে। এরপরই এনসিপির ভবিষ্যৎ নিয়ে কড়া ভবিষ্যদ্বাণী করেন ইশরাক, এই পার্টির ভবিষ্যৎ জিরো। মাদক নির্মূল করতে গিয়ে ফৌজদারি মামলা খেয়ে আসতে হবে, তাও বৈধ উপায়ে, আইন প্রণেতা হয়ে, পুলিশ সাথে করে নিয়ে যাওয়ার পর। নাহিদকে বলবো, কোনও ফাঁকফোকর দিয়ে ফৌজদারি অপরাধ বের করে একটা মামলা করে দেন আমার নামে। আমি নিজে গিয়ে সারেন্ডার করে জেলে চলে যাবো। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা বলে কথা! এইভাবে ঘোড়ার ডিম রাজনীতি এরা করে যাবে। কিছুই পরিবর্তন করতে পারবে না। মাদকের বিরুদ্ধে নিজের শক্ত অবস্থান আবারও ঘোষণা করেন ইশরাক, অন্য স্টাইলে প্রতিকার করতে হবে। যেমন কুকুর তেমন মুগুর। শিগগিরই আসছি। বড় ডিলার বা বিক্রেতারা অপেক্ষা করো। /এমএএইচ/