Advertisement(970X90).png
Advertisement(300X90).png

১৫ কার্তিক ১৪৩৩, ১৯ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা ব্যবহারে সতর্ক করলো দূতাবাস
যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা ব্যবহারে সতর্ক করলো দূতাবাস

বুধবার (২৮ অক্টোবর) প্রকাশিত এক বার্তায় দূতাবাস জানায়, বি১/বি২ ভিজিটর ভিসায় যুক্তরাষ্ট্রে ব্যবসায়িক বৈঠকে অংশ নেওয়া এবং ব্যবসায়িক চুক্তি নিয়ে আলোচনা করা যায়। তবে দেশটিতে চাকরি বা অন্য কোনো কর্মসংস্থানমূলক কাজে যুক্ত হতে হলে সংশ্লিষ্ট কাজের উপযোগী ভিন্ন ক্যাটাগরির ভিসা নিতে হবে। বার্তায় বলা হয়, ‘ভ্রমণের আগে নিয়মকানুন জেনে নিন। বি১/বি২ ভিজিটর ভিসায় ব্যবসায়িক বৈঠকে অংশ নেওয়া এবং চুক্তি নিয়ে আলোচনা করা যায়। তবে যুক্তরাষ্ট্রে কাজ করতে হলে আপনার ভিন্ন ধরনের ভিসার প্রয়োজন হবে।’ ভিসার শর্ত যথাযথভাবে মেনে চলার ওপরও গুরুত্ব দিয়েছে দূতাবাস। এই বিষয়ে বার্তায় বলা হয়, ভিসা যথাযথভাবে ব্যবহার করার দায়িত্ব ভিসাধারীর নিজের। যুক্তরাষ্ট্রের ভিজিটর ভিসায় ব্যবসায়িক আলোচনা ও বৈঠকের মতো নির্দিষ্ট কার্যক্রমের অনুমতি থাকলেও সাধারণভাবে দেশটিতে চাকরি বা অনুমোদনহীন কর্মসংস্থানমূলক কাজ করা যায় না। এই ধরনের কাজের জন্য প্রযোজ্য ভিসা প্রয়োজন। তাই যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার পরিকল্পনা করার আগে ভিসার ধরন, অনুমোদিত কার্যক্রম ও সংশ্লিষ্ট শর্ত সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়ার পরামর্শ দিয়েছে দেশটির দূতাবাস। /শান্ত/

মার্কিন নাগরিকদের সৌদি ত্যাগের জরুরি নিদের্শ যুক্তরাষ্ট্রের
মার্কিন নাগরিকদের সৌদি ত্যাগের জরুরি নিদের্শ যুক্তরাষ্ট্রের

মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) দূতাবাসের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বিবৃতির বরাতে এই তথ্য জানা গেছে। বিবৃতিতে বলা হয়, সাম্প্রতিক সময়ে ইরান-সমর্থিত হুতি গোষ্ঠীর ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার প্রেক্ষাপটে সৌদি আরবের যেকোনো বিমানবন্দর ব্যবহার করতে মার্কিন সরকারি কর্মীদের মিশনপ্রধানের বিশেষ অনুমোদন নিতে হবে। দূতাবাস আরও সতর্ক করেছে, দেশটির বিমানবন্দরগুলো লক্ষ্য করে নতুন করে হামলা হতে পারে। এছাড়া আকাশসীমা বন্ধ হয়ে যাওয়া, ফ্লাইট বাতিল এবং যাতায়াতে বিঘ্ন ঘটার আশঙ্কাও রয়েছে। এসব ঝুঁকি বিবেচনায় সৌদি আরবে অবস্থানরত মার্কিন নাগরিকদের সতর্ক থাকতে এবং ভ্রমণ পরিস্থিতির পরিবর্তন সম্পর্কে নিয়মিত খোঁজখবর রাখতে বলা হয়েছে। এর আগে গত ২৩ অক্টোবর যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর এই সংক্রান্ত নির্দেশনা জারি করেছিলো। তারই ধারাবাহিকতায় নতুন করে নিরাপত্তা সতর্কতা জারি করলো রিয়াদে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস। /শান্ত/

নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতকরণে যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তা চাইলেন খাদ্যমন্ত্রী
নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতকরণে যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তা চাইলেন খাদ্যমন্ত্রী

খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, আমদানিকৃত খাদ্যশস্যের মান পরীক্ষা এবং দীর্ঘ মেয়াদে খাদ্যশস্য সংরক্ষণে যুক্তরাষ্ট্রের কারিগরি সহায়তা চেয়েছেন খাদ্যমন্ত্রী আফরোজা খানম। বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি ক্রিস্টেনসেনের সঙ্গে এক সৌজন্য সাক্ষাতে এই সহায়তা চান তিনি। রবিবার (২৫ অক্টোবর) সচিবালয়ে এই সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। এই সময় দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়। খাদ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সাক্ষাৎকালে খাদ্যমন্ত্রী বাংলাদেশে নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতকরণে যুক্তরাষ্ট্রের কারিগরি সহায়তা চান। বিশেষ করে আমদানিকৃত চাল ও গমের গুণগত মান পরীক্ষার সক্ষমতা বাড়াতে চট্টগ্রাম ও মোংলা বন্দরে খাদ্য পরীক্ষার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষজ্ঞ ও কারিগরি সহায়তা প্রদানের অনুরোধ জানান। বাংলাদেশের আবহাওয়াগত বাস্তবতার কারণে দীর্ঘ মেয়াদে খাদ্যশস্য, বিশেষ করে চাল ও গম সংরক্ষণে বিভিন্ন চ্যালেঞ্জের কথা জানিয়েছেন মন্ত্রী। এই সময় তিনি খাদ্যশস্য সংরক্ষণ প্রযুক্তি ও ব্যবস্থাপনায় যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষজ্ঞদের অভিজ্ঞতা কাজে লাগানোর সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করেন। নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতকরণে কারিগরি সহায়তার বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষজ্ঞদের সহযোগিতার সম্ভাবনা বিবেচনা করা হবে বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত। চুক্তি অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ের মধ্যে গম আমদানি সম্পন্ন হওয়া এবং এ ক্ষেত্রে কোনো সমস্যা না থাকায় উভয় পক্ষ সন্তোষ প্রকাশ করেন। /এমএএইচ/

যে কারণে বাতিল হতে পারে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা
যে কারণে বাতিল হতে পারে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা

শনিবার (২৪ অক্টোবর) দূতাবাসের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এই তথ্য জানানো হয়। পোস্টে বলা হয়, কেউ গ্রেফতার হলে তার যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা বাতিল হয়ে যেতে পারে। তাকে যুক্তরাষ্ট্র থেকে ফেরত পাঠানো হতে পারে এবং ভবিষ্যতে মার্কিন ভিসা পাওয়ার অযোগ্য বিবেচনা করা হতে পারে। এর আগে আরেকটি পোস্টে বি১/বি২ ভিজিটর ভিসার ব্যবহার সম্পর্কে জানিয়েছিলো দূতাবাস। ওই পোস্টে বলা হয়, পর্যটন, অবকাশযাপন, কেনাকাটা, বন্ধুবান্ধব বা আত্মীয়স্বজনের সঙ্গে দেখা করা এবং ব্যবসায়িক সহযোগীদের সঙ্গে বৈঠকের মতো কাজে এই ভিসা ব্যবহার করা যায়। এছাড়া সভা ও সম্মেলনে অংশ নেওয়ার ক্ষেত্রেও এই ভিসা প্রযোজ্য। /শান্ত/

বিশ্বের শীর্ষ ঋণগ্রস্ত দেশ যুক্তরাষ্ট্র, বাংলাদেশের অবস্থান ৪৫তম
বিশ্বের শীর্ষ ঋণগ্রস্ত দেশ যুক্তরাষ্ট্র, বাংলাদেশের অবস্থান ৪৫তম

এই অস্থিরতার কেন্দ্রবিন্দু এখন ফ্রান্স। দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, শিক্ষা ও জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি নিয়ে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় গত শনিবার দেশজুড়ে ৫ লাখ ৫০ হাজারের বেশি মানুষ বিক্ষোভ করেছেন। এসব বিক্ষোভের জেরে ইউরোপের দেশগুলোর অর্থনৈতিক সংকট সামলানোর সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। বছরের পর বছর বিপুল ঋণ নেওয়ায় দেশগুলো এখন তীব্র ঋণভারে জর্জরিত। একই সঙ্গে বাড়ছে এসব ঋণের সুদ পরিশোধের খরচও। ফ্রান্সে ঋণ নেওয়ার খরচ ২০০২ সালের পর সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। ঋণের সুদ মেটাতে সরকারের বাড়তি ব্যয় হওয়ায় স্কুল, হাসপাতাল ও পেনশনের মতো জনগুরুত্বপূর্ণ খাতে বরাদ্দ কমছে। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার এক বিশ্লেষণে বৈশ্বিক ঋণের চিত্র, সরকারগুলোর ঋণ নেওয়ার প্রক্রিয়া এবং ফ্রান্সসহ শীর্ষ ঋণগ্রস্ত দেশগুলোর তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। বাংলাদেশের অবস্থান ৪৫তম বিশ্বে সবচেয়ে বেশি সরকারি ঋণ যুক্তরাষ্ট্রের। দেশটির ঋণের পরিমাণ ৪১.৪ ট্রিলিয়ন ডলার, যা দেশটির মোট জিডিপির ১২৭ শতাংশ। বিশ্বের প্রধান রিজার্ভ মুদ্রা মার্কিন ডলারে ঋণ নিতে পারায় যুক্তরাষ্ট্র সুবিধা পায়। এতে দেশটির ঋণের প্রতি বিশ্বজুড়ে চাহিদা বজায় থাকে। তবে যুক্তরাষ্ট্রেরও সীমাহীন ঋণ নেওয়ার সুযোগ নেই। সরকারি ঋণের পরিমাণের দিক থেকে এরপর রয়েছে চীন। দেশটির ঋণ ২২.৫ ট্রিলিয়ন ডলার, যা জিডিপির ১০৪ শতাংশ। জাপানের ঋণ ৮.৭ ট্রিলিয়ন ডলার। বড় অর্থনীতির দেশগুলোর মধ্যে জাপানের ঋণের অনুপাত সবচেয়ে বেশি, জিডিপির ১৯৯ শতাংশ। যুক্তরাজ্যের সরকারি ঋণ ৪.৪ ট্রিলিয়ন ডলার, যা দেশটির জিডিপির ১০২ শতাংশ। বিশ্বে সরকারি ঋণের পরিমাণের দিক থেকে পঞ্চম অবস্থানে রয়েছে ফ্রান্স। দেশটির ঋণ ৪.২ ট্রিলিয়ন ডলার, যা জিডিপির ১১৮.৫ শতাংশ। ইতালির সরকারি ঋণ ৩.৭ ট্রিলিয়ন ডলার হলেও দেশটির অর্থনীতির তুলনায় ঋণের বোঝা বেশি। ইতালির ঋণ জিডিপির ১৩৮ শতাংশ। অন্যদিকে জার্মানির সরকারি ঋণ ৩.৫ ট্রিলিয়ন ডলার, যা দেশটির জিডিপির ৬৫ শতাংশ। বৈশ্বিক ঋণ তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান ৪৫তম। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের মোট ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২০৪ দশমিক ৯ বিলিয়ন ডলারে। ২০১০ সালে এ ঋণের পরিমাণ ছিল মাত্র ৪০ দশমিক ৯ বিলিয়ন ডলার; অর্থাৎ গত দেড় দশকে দেশে ঋণ বেড়েছে প্রায় পাঁচ গুণ। তবে উন্নত বিশ্বের তুলনায় বাংলাদেশের ঋণ ও জিডিপির অনুপাত এখনো বেশ সহনীয় পর্যায়ে রয়েছে। বর্তমানে দেশের ঋণ মোট জিডিপির ৪০ শতাংশ। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০৩০ সালের মধ্যে ফ্রান্সের সরকারি ঋণ বেড়ে জিডিপির ১২১.৮ শতাংশে পৌঁছাতে পারে। এতে দেশটির সরকারি অর্থব্যবস্থাকে দীর্ঘমেয়াদে টেকসই অবস্থায় ফিরিয়ে আনার প্রচেষ্টা আরও কঠিন হয়ে পড়বে। সরকার যেভাবে ঋণ নেয় সাধারণ মানুষ ব্যাংকের দ্বারস্থ হলেও সরকার মূলত বন্ড ছেড়ে অর্থ সংগ্রহ করে। এর বিনিময়ে সরকাারি বন্ড ক্রেতাদের নির্দিষ্ট হারে সুদ দেয় এবং নির্ধারিত মেয়াদে মূল অর্থ ফেরত দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেয়। যেমন, ১০ বছর মেয়াদি বন্ডের অর্থ সরকার ১০ বছর পর ফেরত দেয়। এ বন্ডের 'ইল্ড' বা মুনাফার হার দিয়ে বোঝা যায় বিনিয়োগকারীরা ঋণ দিয়ে কতটা আয় করছেন। মূলত একটি দেশ তার ঋণ সামাল দিতে পারবে কি না, সে বিষয়ে আর্থিক বাজারের আস্থা পরিমাপের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সূচক এটি। বিনিয়োগকারী যদি ১০০ ইউরো দিয়ে ১০ বছর মেয়াদি বন্ড কেনেন এবং সুদের হার ৫ শতাংশ হয়, তবে তিনি প্রতিবছর ৫ ইউরো করে ১০ বছরে ৫০ ইউরো সুদ পাবেন। মেয়াদ শেষে তিনি মূল ১০০ ইউরোও ফেরত পাবেন। ঋণ নেওয়ার খরচ বাড়লে সংকট কোথায়? বন্ডের দাম কমলে এর 'ইল্ড' বা মুনাফার হার বাড়ে। ফলে সরকারের জন্য নতুন ঋণ নেওয়া ব্যয়বহুল হয়ে ওঠে। কোনো পরিবারের গৃহঋণের সুদ বাড়লে যেমন সংসার খরচে টান পড়ে, সরকারের ক্ষেত্রেও তাই হয়। সুদ পরিশোধে তহবিল চলে যাওয়ায় স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও অবকাঠামো খাতে টান পড়ে। বর্তমানে ইউরোজোনে ফ্রান্সকে ১০ বছর মেয়াদি ঋণের জন্য প্রায় ৫ শতাংশ সুদ দিতে হচ্ছে। অন্যদিকে জার্মানির ক্ষেত্রে এই হার ৩.৪১ শতাংশ। এমনকি ইতালি ও গ্রিসের চেয়েও ফ্রান্সকে এখন বেশি সুদ গুনতে হচ্ছে। ইউরোজোনের বাইরে শুধু যুক্তরাজ্যই বর্তমানে ফ্রান্সের চেয়ে বেশি সুদে ঋণ নিচ্ছে। সুদ পরিশোধেই খরচ ৩.৩ ট্রিলিয়ন ডলার ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল ফাইন্যান্সের (আইআইএফ) তথ্যানুযায়ী, চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে বৈশ্বিক ঋণ ১০ ট্রিলিয়ন ডলার বেড়ে ৩৬৫ ট্রিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে। এতে সরকার, ব্যক্তি ও করপোরেট খাতের ঋণ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। মাথাপিছু হিসাবে বিশ্বের প্রতিটি মানুষের ওপর ঋণের বোঝা দাঁড়িয়েছে প্রায় ৪৪ হাজার ডলার। এই বিপুল ঋণের সুদ পরিশোধে বড় অঙ্কের অর্থ ব্যয় করতে হচ্ছে। গত এক বছরে উন্নত অর্থনীতির দেশগুলোকে সরকারি বন্ডের সুদ বাবদ ৩.৩ ট্রিলিয়ন ডলারের বেশি পরিশোধ করতে হয়েছে। এই অর্থ বিশ্বের সামরিক খাতে ব্যয় হওয়া ৩.১ ট্রিলিয়ন ডলার, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) খাতে ব্যয় হওয়া ২.৬ ট্রিলিয়ন ডলার এবং পরিচ্ছন্ন জ্বালানি খাতে ব্যয় হওয়া ২.৩ ট্রিলিয়ন ডলারের চেয়েও বেশি। ঋণের সুদ পরিশোধে ব্যয় বাড়লে স্কুল, হাসপাতাল ও পেনশনের মতো জনসেবামূলক খাতে সরকারের হাতে অর্থ কমে যায়। এই খরচ মেটাতে সরকারকে কর বাড়াতে বা অন্যান্য খাতে ব্যয় কমাতে হতে পারে। এছাড়া সরকারের ঋণ নেওয়ার খরচ বাড়লে গৃহঋণ, গাড়ি কেনার ঋণ ও ক্রেডিট কার্ডের সুদের হারও বেড়ে যেতে পারে। /কেআর/

ডিভি লটারি চালুর আদেশ স্থগিত চেয়ে আপিল ট্রাম্প প্রশাসনের
ডিভি লটারি চালুর আদেশ স্থগিত চেয়ে আপিল ট্রাম্প প্রশাসনের

যুক্তরাষ্ট্রের ২০২৭ সালের ডাইভার্সিটি ভিসা (ডিভি) লটারির নিবন্ধন পুনরায় চালুর নির্দেশের বিরুদ্ধে আপিল করেছে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন। একই সঙ্গে আপিল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত আদালতের ওই আদেশ স্থগিত রাখার আবেদনও জানিয়েছে সরকার, যা মঞ্জুর হলে লটারির নিবন্ধন শুরুর প্রক্রিয়া ফের ঝুলে যেতে পারে। গত ১৪ অক্টোবর যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরকে ডিভি-২০২৭ লটারির নিবন্ধন চালুর নির্দেশ দেয় ফেডারেল আদালত। এই কর্মসূচির মাধ্যমে অংশগ্রহণকারীরা ডাইভারসিটি ভিসা বা গ্রিন কার্ড লটারিতে অংশগ্রহণের সুযোগ পান। যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন ও গ্রিন কার্ডসংক্রান্ত মামলা পরিচালনাকারী আইনজীবী কার্টিস মরিসনের বরাতে ‘ইউএ নিউজ’ লিখেছে, মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও আদালতের ওই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করেছেন। আপিলের নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত আদালতের আদেশ স্থগিত রাখার আবেদনও করেছেন তিনি। যুক্তরাষ্ট্র সরকার ২০২৬ সালের ২১ অক্টোবর পর্যন্ত এই স্থগিতাদেশের আবেদন বিবেচনার জন্য আদালতের কাছে অনুরোধ জানিয়েছে। আদালত আবেদন মঞ্জুর না করলে ২২ অক্টোবরের মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্রের নবম সার্কিট আপিল আদালতে যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। আপিল করলেই ফেডারেল আদালতের রায় বাতিল হয়ে যায় না বা তার কার্যকারিতা স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ হয় না। নিবন্ধন স্থগিত করতে হলে সরকারকে আদালতের কাছ থেকে আলাদা স্থগিতাদেশ নিতে হবে। আদালত প্রাথমিক নিষেধাজ্ঞা স্থগিত করার আদেশ না দেওয়া পর্যন্ত আগের নির্দেশে নির্ধারিত সময়সীমা বহাল থাকবে। সময়সূচি অনুযায়ী, ২৯ অক্টোবরের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরকে নিবন্ধনের তারিখ ও শর্ত ঘোষণা করতে হবে। নিবন্ধন শুরু করতে হবে ১ নভেম্বরের মধ্যে। নির্বাচিতদের ফল জানাতে হবে ৩ ডিসেম্বরের মধ্যে। গ্রিন কার্ড লটারির প্রক্রিয়া কবে শুরু হবে, আর কবে শেষ হবে, তা নির্ভর করছে চলমান আইনি প্রক্রিয়া নিষ্পত্তির ওপর। যুক্তরাষ্ট্র সরকারের আবেদন মঞ্জুর হলে নিবন্ধন চালুর নির্দেশ স্থগিত হতে পারে। এতে নিবন্ধন শুরু হতে আরও দেরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এর আগে গত ২৭ জানুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট গ্রিন কার্ড দেওয়ার নিয়ম কঠোর করার বিষয়ে ট্রাম্প প্রশাসনের উদ্যোগ বহাল রাখেন। এই বিষয়ে ৫ বিচারপতি কঠোর নিয়মের পক্ষে এবং ৪ জন বিপক্ষে ভোট দেন। বাংলাদেশিদের জন্য ২০১২ সাল থেকে ডাইভারসিটি ভিসা কর্মসূচি বন্ধ রয়েছে। কারণ হিসেবে বাংলাদেশে মার্কিন দূতাবাসের ওয়েবসাইটে বলা হয়েছে, ২০০৭ থেকে ২০১২ সালের মধ্যে ৫০ হাজারের বেশি বাংলাদেশি এই ভিসার আওতায় যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমানোর ফলে বাংলাদেশ এই যোগ্যতা হারিয়েছে। কারণ ডিভি কর্মসূচি সেই দেশগুলোর জন্য, যেসব দেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসনের হার তুলনামূলক কম। /এমএএইচ/

যুক্তরাষ্ট্রে গ্রিন কার্ড পেলেন মৌসুমী
যুক্তরাষ্ট্রে গ্রিন কার্ড পেলেন মৌসুমী

যুক্তরাষ্ট্রে থেকেও অভিনয় ছাড়েননি মৌসুমী। সম্প্রতি ‘আ বিউটিফুল লাই’ নামে একটি নতুন সিনেমায় যুক্ত হয়েছেন তিনি। ১৯৯৩ সালে সোহানুর রহমান সোহান পরিচালিত ‘কেয়ামত থেকে কেয়ামত’ সিনেমায় সালমান শাহর বিপরীতে তার বড়পর্দায় অভিষেক। প্রথম ছবিতেই নজর কাড়েন তিনি। পরে ওমর সানী, রিয়াজ, ফেরদৌস, ইলিয়াস কাঞ্চন ও মান্নার সঙ্গেও সফল জুটি গড়েন। দুই শতাধিক সিনেমায় অভিনয় করা এই নায়িকা ‘মেঘলা আকাশ’ ও ‘দেবদাস’ ছবির জন্য জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছেন। নির্মাতা হিসেবেও তার পরিচয় আছে। তার পরিচালিত ছবির মধ্যে রয়েছে ‘কখনো মেঘ কখনো বৃষ্টি’, ‘মেহের নিগার’, ‘শূন্য হৃদয়’ ও ‘ভালোবাসবোই তো’। এছাড়া ‘দেনমোহর’, ‘স্নেহ’, ‘সাজন’, ‘বিদ্রোহী’, ‘আম্মাজান’সহ বহু জনপ্রিয় সিনেমায় তাকে দেখা গেছে। দীর্ঘ ক্যারিয়ারের পর এবার যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী জীবনের নতুন অধ্যায় শুরু করতে যাচ্ছেন মৌসুমী। /শুভ/