Advertisement(970X90).png
Advertisement(300X90).png

১৫ কার্তিক ১৪৩৩, ১৯ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬

জামাল ইয়ার্ন ট্রেডিংয়ের বিরুদ্ধে ৪০ কোটি টাকার ভ্যাট মামলা
জামাল ইয়ার্ন ট্রেডিংয়ের বিরুদ্ধে ৪০ কোটি টাকার ভ্যাট মামলা

বুধবার (২৮ অক্টোবর) জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) জনসংযোগ দপ্তর মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে। বিক্রির হিসাব ও ভ্যাট রিটার্নে বড় অসংগতি কমিশনারেট সূত্রে জানা গেছে, নারায়ণগঞ্জ সদরের টানবাজার এলাকার এস এম মালেহ রোডে প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম পরিচালিত হয়। সম্প্রতি সেখানে আকস্মিক পরিদর্শন চালায় কমিশনারেটের একটি নিবারক দল। এই সময় মজুত পণ্য ও হিসাবপত্র যাচাইয়ের জন্য প্রয়োজনীয় ভ্যাট-সংক্রান্ত নথি চাওয়া হলেও প্রতিষ্ঠানটি সেগুলো দেখাতে পারেনি বলে দাবি কর্তৃপক্ষের। পরে বিভিন্ন রেজিস্টার, হিসাবের খাতা, চালান বই, গার্ড ফাইল, কম্পিউটারে সংরক্ষিত তথ্যের এক্সেল কপি এবং প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধির স্বাক্ষরযুক্ত একটি বিবৃতি জব্দ করা হয়। এসব নথি পর্যালোচনায় বিক্রির হিসাব ও ভ্যাট রিটার্নের মধ্যে বড় ধরনের অসংগতি পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে কমিশনারেট। সরকারি কোষাগারে জমা মাত্র ১ লাখ টাকা কমিশনারেটের হিসাব অনুযায়ী, ২০২২ থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত প্রতিষ্ঠানটির বিক্রির বিবরণীতে ৬৫৯ কোটি ১৪ লাখ ৬০ হাজার ৫৯১ টাকার সুতা বিক্রির তথ্য পাওয়া গেছে। এসব বিক্রির ওপর ৫ ও ৭ দশমিক ৫ শতাংশ হারে প্রযোজ্য ভ্যাট নির্ধারণ করা হয়েছে ৪০ কোটি ৪০ লাখ ৪৪ হাজার ৪৪২ টাকা। অন্যদিকে, ২০২২ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৬ সালের আগস্ট পর্যন্ত দাখিল করা ভ্যাট রিটার্নে প্রতিষ্ঠানটি বিক্রি দেখিয়েছে ৩৯ কোটি ১৬ লাখ ৫৩ হাজার ২৩০ টাকা। একই সময়ে ট্রেজারি চালানের মাধ্যমে সরকারি কোষাগারে জমা দিয়েছে মাত্র ১ লাখ ৩৩ হাজার ৫০০ টাকা। কর্তৃপক্ষের হিসাব অনুযায়ী, জমা দেওয়া অর্থ বাদ দেওয়ার পর সরকারের পাওনা দাঁড়িয়েছে ৪০ কোটি ৩৯ লাখ ১০ হাজার ৯৪২ টাকা। এ অর্থের পাশাপাশি প্রযোজ্য সুদ আদায়ের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। মামলার অভিযোগে বিক্রির সময় ভ্যাট চালান ইস্যু না করা এবং প্রকৃত বিক্রির সঙ্গে রিটার্নে উল্লেখ করা হিসাবের অসংগতির বিষয়ও উল্লেখ করা হয়েছে। /শান্ত/

চুয়াডাঙ্গায় ২ মামলায় ৩ জনের যাবজ্জীবন
চুয়াডাঙ্গায় ২ মামলায় ৩ জনের যাবজ্জীবন

হত্যা মামলায় প্রত্যেক আসামিকে ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা, অনাদায়ে আরও ২ মাসের কারাদণ্ড এবং মাদক মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও এক মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বুধবার (২৮ অক্টোবর) চুয়াডাঙ্গা জেলা ও দায়রা জজ এবং শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. মোক্তাগীর আলম ঝন্টু হত্যা মামলার রায় ঘোষণা করেন। একই দিন দুপুরে চুয়াডাঙ্গার বিশেষ দায়রা জজ আদালত ও পারিবারিক আপিল আদালতের (জেলা ও দায়রা জজ) বিচারক শিমুল কুমার বিশ্বাস মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলার রায় দেন। ঝন্টু হত্যা মামলায় দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন আলমডাঙ্গার গাংনী ইউনিয়নের শালিকা গ্রামের সোলায়মান আলীর ছেলে ইসমাইল হোসেন এবং একই গ্রামের মৃত আবু ছদ্দিনের ছেলে আবুল কালাম আজাদ। মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, নিহত ঝন্টুর বাবা জাহা বক্স মণ্ডল ২০০৯ সালের ২০ এপ্রিল আলমডাঙ্গা থানায় হত্যা মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় ইসমাইল হোসেন এবং অজ্ঞাতনামা আরও ২-৩ জনকে অভিযুক্ত করা হয়। এজাহারে উল্লেখ করা হয়, বাদী ও অভিযুক্ত ইসমাইল হোসেন পান ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ২০০৯ সালের ১৯ এপ্রিল রাত সাড়ে ৭টার দিকে মোবাইল ফোনে ইসমাইলের কল পেয়ে টাকা নিয়ে বাড়ি থেকে বের হন ঝন্টু। পরদিন গ্রামের একটি ধানখেতে তাঁর মরদেহ পাওয়ার খবর আসে। আর্থিক লেনদেনকে কেন্দ্র করে পরিকল্পিতভাবে তাকে হত্যা করা হয়েছে বলে এজাহারে সন্দেহ প্রকাশ করা হয়। মামলার তদন্তে ইসমাইল হোসেনের পাশাপাশি আবুল কালাম আজাদের সম্পৃক্ততার বিষয়টিও উঠে আসে। তদন্ত কর্মকর্তা ২০০৯ সালের ২৮ ডিসেম্বর তাদের দু’জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আবেদন করেন। পরবর্তী সময়ে তদন্ত কর্মকর্তা তাদের দু’জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন (চার্জশিট) দাখিল করেন। দীর্ঘ ১৭ বছর বিচারিক কার্যক্রম শেষে ২০ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে আদালত ২ আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন। একইসঙ্গে প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা এবং অনাদায়ে আরও ২ মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। আলমডাঙ্গায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলায় শফিউল্লাহ (৬০) নামে এক ব্যক্তিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে তাকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা এবং অনাদায়ে আরও এক মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। দণ্ডপ্রাপ্ত শফিউল্লাহ আলমডাঙ্গা উপজেলার কালিদাসপুর দক্ষিণপাড়ার মৃত জালাল উদ্দীনের ছেলে। রায় ঘোষণার সময় তিনি আদালতে উপস্থিত ছিলেন। মামলার নথি অনুযায়ী, ২০২১ সালের ১৯ অক্টোবর শফিউল্লাহর বাড়িতে অভিযান চালিয়ে শোকেসের মধ্যে ২২ অ্যাম্পুল বুপ্রেনরফাইন ইনজেকশন উদ্ধার করে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। প্রতিটি অ্যাম্পুলে ২ মিলিলিটার করে মোট ৪৪ মিলিলিটার ইনজেকশনের আনুমানিক মূল্য ছিলো ৬ হাজার ৬০০ টাকা। এই ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে তাঁর বিরুদ্ধে আলমডাঙ্গা থানায় মামলা করা হয়। বিচারিক কার্যক্রম শেষে ৪ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আদালত তাকে দোষী সাব্যস্ত করে এই রায় দেন। /এমএএইচ/

হানিফসহ ৪ নেতার মামলার রায় বৃহস্পতিবার
হানিফসহ ৪ নেতার মামলার রায় বৃহস্পতিবার

মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন ৩ সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণার এই দিন ধার্য করেন। প্যানেলের অন্য ২ সদস্য হলেন বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর। মামলার অন্য তিন আসামি হলেন কুষ্টিয়া জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সদর উদ্দিন খান, সাধারণ সম্পাদক আজগর আলী এবং শহর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আতাউর রহমান আতা। চার আসামিই বর্তমানে পলাতক। এর আগে গত ৭ অক্টোবর মামলাটিতে রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের যুক্তি-পালটা যুক্তি উপস্থাপন শেষ হয়। পরে রায় ঘোষণার জন্য অপেক্ষমাণ রাখেন ট্রাইব্যুনাল-২। এর আগে ৫ অক্টোবর ৪ আসামির সর্বোচ্চ সাজা চেয়ে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ করে প্রসিকিউশন। প্রসিকিউশনের দাবি, মামলাটির বিচারিক কার্যক্রম আগেই শেষ হয়েছিলো। তবে রাষ্ট্রপক্ষ নতুন কিছু তথ্যপ্রমাণ দাখিল করায় পুনরায় যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করা হয়। রাষ্ট্রপক্ষের প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম যুক্তিতর্কে বলেন, আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে মাহবুবউল আলম হানিফ জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের আন্দোলন দমনে সরকারের সিদ্ধান্তের সঙ্গে একমত ছিলেন এবং অধীনদের মাধ্যমে তা বাস্তবায়নে ভূমিকা রাখেন। তাঁর দাবি, হানিফ বেসামরিক নেতা হিসেবে বিভিন্ন নির্দেশনা ও টেলিফোনে কথোপকথনের মাধ্যমে আন্দোলন দমনের কর্মকাণ্ডে যুক্ত ছিলেন। প্রসিকিউটর আরও বলেন, একই ধরনের অপরাধে আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনা, সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের এবং যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বাহাউদ্দীন নাছিমকে সর্বোচ্চ সাজা দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। সে-ই বিবেচনায় হানিফের ক্ষেত্রেও একই সাজা প্রত্যাশা করছে রাষ্ট্রপক্ষ। এর আগে গত ১০ জুন রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের যুক্তি-পালটা যুক্তি শেষে মামলাটি রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ রাখা হয়েছিলো। ২৩ এপ্রিল তদন্ত কর্মকর্তাকে জেরার মধ্য দিয়ে মামলায় ১৯ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়। পরে অতিরিক্ত তথ্যপ্রমাণ দাখিলের কারণে আবারও যুক্তিতর্ক অনুষ্ঠিত হয়। গত বছরের ২ নভেম্বর ৪ আসামির বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরুর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল-২। মামলায় তাঁদের বিরুদ্ধে উসকানিমূলক বক্তব্য, ষড়যন্ত্র এবং জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় কুষ্টিয়ায় ৬ জনকে হত্যার ঘটনায় সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ আনা হয়েছে। এসব অভিযোগের বিষয়ে আগামী ২৯ অক্টোবর রায় ঘোষণা করবেন ট্রাইব্যুনাল। /এমএএইচ/

হত্যার হুমকির মামলায় সমন, ফেসবুকে যা বললেন তানজিন তিশা
হত্যার হুমকির মামলায় সমন, ফেসবুকে যা বললেন তানজিন তিশা

স্ট্যাটাসে তিশা অভিযোগ করেন, তার একটি বক্তব্যের রেকর্ড থেকে সুবিধামতো অংশ কেটে মূল বক্তব্যের অর্থ বদলে দেওয়া হয়েছে। এরপর ভিন্ন গল্প সাজিয়ে তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে তার দীর্ঘদিনের সম্মান, ক্যারিয়ার ও অর্জন নষ্ট করার চেষ্টা চলছে বলে দাবি করেন তিনি। তিশা প্রশ্ন তোলেন, অভিযোগ উঠলেই কি কাউকে দোষী সাব্যস্ত করা যায়, নাকি সত্য-মিথ্যার বিচার হওয়া উচিত আদালতে? এই ঘটনায় তার কাছে অনেক প্রশ্নের উত্তর ও তথ্যপ্রমাণ রয়েছে বলেও জানান তিনি। তবে সেসব তথ্যপ্রমাণ কে সামনে আনবে, আদালত নাকি দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা, সেই প্রশ্নও তোলেন অভিনেত্রী। স্ট্যাটাসে তিনি লেখেন, ‘মামলা কি এতই সহজ? অভিযোগ করলেই সত্য হয়ে যায়? একজনের নাম একের পর এক অভিযোগ ছড়িয়ে সামাজিক মাধ্যমে সম্মানহানি করা হয়?’ অভিযোগ যাচাই না করে তা বিশ্বাস না করার আহ্বান জানিয়ে তিশা সত্য-মিথ্যা নির্ধারণে আদালত ও দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার ভূমিকার ওপর গুরুত্ব দেন। নারী উদ্যোক্তা ও ফ্যাশন ডিজাইনার সানায়া আনাম ওয়াফিকাহ চৌধুরী মামলাটি করেছেন। সোমবার (২৬ অক্টোবর) ঢাকার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মু. মাহবুব-উল-আলমের আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১০৭/১১৭(সি) ধারায় মামলাটি করা হয়। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে তিশাকে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেন। /শান্ত/

চাঁদাবাজি নির্মূলে শিগগিরই নতুন আইন হচ্ছে: আইজিপি
চাঁদাবাজি নির্মূলে শিগগিরই নতুন আইন হচ্ছে: আইজিপি

চাঁদাবাজি নির্মূলে শিগগিরই নতুন আইন হচ্ছে বলে জানিয়েছেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির। শনিবার (২৪ অক্টোবর) দুপুরে খুলনায় পুলিশ লাইন্সে খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ (কেএমপি) এবং খুলনা এলাকার মাদক, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, কিশোর গ্যাং ও উগ্রবাদ বিরোধী কমিউনিটি পুলিশিং সুধী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এই কথা বলেন তিনি। আইজিপি বলেন, প্রভাবশালী চাঁদাবাজদের ভয়ে সাধারণ মানুষ থানায় অভিযোগ করতে চান না বা সাক্ষ্য দিতে ভয় পান। এই বাধা দূর করতে এবং চাঁদাবাজি নির্মূলে শিগগিরই নতুন আইন হতে যাচ্ছে। এই আইন পাস হলে ভুক্তভোগীর অভিযোগ ছাড়াই পুলিশ নিজে বাদী হয়ে চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে পারবে। তিনি বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা করতে বলপ্রয়োগ করলে পুলিশকে ফ্যাসিবাদী বলা হয়, আর বলপ্রয়োগ না করলে দুর্বল মনে করে মানুষ। গত ১৭ বছরে পুলিশ ও জনগণের মধ্যে দূরত্ব তৈরি হয়েছে। সমাজে মাদককে প্রতিষ্ঠিত করা হয়েছে। এই পরিস্থিতি নিরসনে কাজ করছে পুলিশ। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে আরও কার্যকর করতে স্বরাষ্ট্র ও অর্থ মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনে আইনি কাঠামো তৈরি করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে কমিউনিটি পুলিশিং পুলিশের একটি শাখা হিসেবে কাজ করবে। কমিউনিটি পুলিশের কতিপয় সদস্যের বিরুদ্ধে নিরীহ মানুষকে হয়রানি ও ভয়-ভীতি দেখিয়ে অর্থ আদায়ের অভিযোগ রয়েছে। এসব যেন আর না হয়, সেজন্য একটি আইনি কাঠামোর ভেতরে কমিউনিটি পুলিশের কার্যক্রম পরিচালিত হবে। তিনি আরও বলেন, কিশোর গ্যাং, চাঁদাবাজি ও মাদক নিয়ন্ত্রণে দেশব্যাপী যৌথ অভিযান চলছে। পাশাপাশি চাঁদাবাজির অভিযোগে ভুক্তভোগীদের অভিযোগ ছাড়াই পুলিশ যাতে স্বপ্রণোদিত হয়ে মামলা করতে পারে, সেই ক্ষমতা দিতে নতুন আইন প্রণয়নের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। /এমএএইচ/

হাফিজুল হত্যা মামলা, রিমান্ড শেষে কারাগারে দীপু মনি
হাফিজুল হত্যা মামলা, রিমান্ড শেষে কারাগারে দীপু মনি

শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) ২ দিনের রিমান্ড শেষে তাঁকে আদালতে হাজির করা হয়। এই সময় মামলার তদন্ত কর্মকর্তা অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) পুলিশের ঢাকা মেট্রো উত্তরের পরিদর্শক রিদুয়ানুল হক তাঁকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মেহেদী হাসানের আদালত তাঁকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। মামলা সূত্রে জানা গেছে, এর আগে তদন্ত কর্মকর্তা দীপু মনিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৫ দিনের রিমান্ড আবেদন করেছিলেন। আসামিপক্ষের আইনজীবীরা রিমান্ড বাতিলের পাশাপাশি জামিনের আবেদন করেন। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত জামিন আবেদন নাকচ করে ২ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে। ২ দিনের জিজ্ঞাসাবাদে দীপু মনি এই ঘটনায় গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন বলে তদন্ত কর্মকর্তা আবেদনে উল্লেখ করেন। মামলার অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪ সালের ২০ জুলাই বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে রাজধানীর বাড্ডার প্রগতি সরণি এলাকায় যাত্রীর অপেক্ষায় ছিলেন অটোরিকশাচালক হাফিজুল শিকদার (২৮)। এই সময় আন্দোলন দমনে আসামিদের ছোড়া গুলি তাঁর বাম পাঁজর দিয়ে ঢুকে ডান বগল দিয়ে বেরিয়ে যায়। এই ঘটনায় ২০২৪ সালের ২১ আগস্ট হাফিজুলের বাবা মো. আবুবকর শিকদার বাদী হয়ে বাড্ডা থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলায় তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ১৭৯ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও ৩০০ থেকে ৪০০ জনকে আসামি করা হয়। /এমএএইচ/

অপ্রতিম হত্যা মামলায় ৪ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র
অপ্রতিম হত্যা মামলায় ৪ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র

শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) সকালে গণমাধমকে এই তথ্য নিশ্চিত করেন কুমিল্লা জেলা পুলিশের মিডিয়া কর্মকর্তা ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. লুৎফর রহমান। তিনি জানান, গত ২০ অক্টোবর আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়েছে। তদন্তে আসামিদের অপরাধে জড়িত থাকার প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে। অভিযোগপত্রে থাকা আসামিরা হলেন সাইফুল ইসলাম ওরফে তুহিন (১৯), মো. সিয়াম (১৯) এবং ১৫ ও ১৬ বছর বয়সী দুই কিশোর। তাদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৩০২, ২০১ ও ৩৪ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে। শিশু আইন অনুযায়ী, ২ কিশোরকে শিশু হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। তারা বর্তমানে গাজীপুর শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে রয়েছে। নিহত অপ্রতিমের বাবা ব্যবসায়ী কে এম ফিরোজ শাহরিয়ার দ্রুত মামলার রায় দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। পাশাপাশি দুই আসামির বয়স কম দেখানো হয়েছে বলে অভিযোগ করে ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে তাদের বয়স পুনর্নির্ধারণের দাবি জানিয়েছেন তিনি। গত ১৮ সেপ্টেম্বর বিকেলে আইফোন নিয়ে ছবি তুলতে বের হওয়ার পর কুমিল্লার কোটবাড়ি এলাকা থেকে নিখোঁজ হয় অপ্রতিম। পরদিন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়সংলগ্ন লালমাই পাহাড়ের সানন্দা এলাকার একটি জঙ্গল থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে এই ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তার করা হয়। /শান্ত/

রিমান্ড শেষে কারাগারে সাবেক ২ সেনা কর্মকর্তা
রিমান্ড শেষে কারাগারে সাবেক ২ সেনা কর্মকর্তা

শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) তাঁদের ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হলে তাদের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত। ৪ দিনের রিমান্ড শেষে শুক্রবার তাঁদের ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করে পুলিশ। এরপর মামলার তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাঁদের কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা। অপর দিকে তাদের আইনজীবী জামিন আবেদন করেন। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মেহেদী হাসান তাদের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। এর আগে ১৩ অক্টোবর ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট দিদারুল আলম তাদের ৪ দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন। মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, আসামি অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট কর্নেল বিজয় দেবাশীষ নারায়ন পাল ও অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট কাজী গুলশান আরা ‘বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সাপোর্টারস আলফা নাম্বার ওয়ান’-এর মতো সরকারবিরোধী হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপের সঙ্গে যুক্ত থেকে তহবিল সংগ্রহ ও সহিংসতায় উস্কানিমূলক ডিজিটাল কনটেন্ট তৈরি করে বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার করছেন। এছাড়া কতিপয় অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তার সমন্বয়ে গঠিত 'ইউনিটি কেয়ার অ্যান্ড পাবলিক পার্লামেন্ট' প্ল্যাটফর্ম-এর মাধ্যমে সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল (অব.) আবদুল আজিজ, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও পলাতক শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের পুনর্বাসন ও রাষ্ট্রবিরোধী সংগঠিত অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছেন। আসামিরা একটি পেজ তৈরি করে এর মাধ্যমে সহিংসতা ও অস্থিতিশীলতা উস্কে দেয় এমন কনটেন্ট তৈরি করে দেশকে অস্থিতিশীল করার প্রচেষ্টা চালাচ্ছেন। এই ঘটনায় ১২ অক্টোবর রাজধানীর পল্লবী থানায় সন্ত্রাসবিরোধী (সংশোধন) অধ্যাদেশ, সন্ত্রাসবিরোধী আইন ও সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশে একটি মামলা করেন গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক আলী আকবর। /এমএএইচ