Advertisement(970X90).png
Advertisement(300X90).png

১৫ কার্তিক ১৪৩৩, ১৯ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬

২০২৭ শিক্ষাবর্ষ থেকে বাধ্যতামূলক হচ্ছে ‘খেলাধুলা’: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী
২০২৭ শিক্ষাবর্ষ থেকে বাধ্যতামূলক হচ্ছে ‘খেলাধুলা’: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) বিকেলে বরিশালের কবি জীবনানন্দ দাশ আউটার স্টেডিয়ামে বিসিসি প্রশাসক কাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনালের পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই কথা বলেন। আমিনুল হক বলেন, বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো পাঠ্যপুস্তকে খেলাধুলাকে বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। নতুন প্রজন্মকে সুস্থভাবে গড়ে তোলা, ডিভাইসের ব্যবহার থেকে দূরে রাখা এবং মাদকমুক্ত সমাজ গঠনের লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তিনি আরও বলেন, খেলাধুলার মাধ্যমে ঐক্যবদ্ধ জাতি ও সুন্দর সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব। খেলাধুলাকে পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে সরকার ক্রীড়া ভাতা ও ক্রীড়া কার্ড দিচ্ছে। পাশাপাশি ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’-এর মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের খুঁজে বের করে জাতীয় পর্যায়ে তুলে আনার পরিকল্পনা রয়েছে। প্রতিমন্ত্রী জানান, দেশের ৪ হাজার ৫৯৯টি ইউনিয়নে একটি করে খেলার মাঠ তৈরির পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এছাড়া বর্তমানে ২০১টি উপজেলা স্টেডিয়ামের কার্যক্রম চলছে। আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে পর্যায়ক্রমে ৫০৩টি উপজেলায় স্টেডিয়াম নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। অনুষ্ঠানে শেরে বাংলা একাদশ ও তারুণ্যের উচ্ছ্বাস একাদশের মধ্যে ফাইনাল অনুষ্ঠিত হয়। এতে শেরে বাংলা একাদশ ২-০ গোলে জয়ী হয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়। টুর্নামেন্টে মোট ১৬টি দল অংশ নেয়। /শান্ত/

বিয়েতে তিনবার ‘কবুল’ বলা কি বাধ্যতামূলক?
বিয়েতে তিনবার ‘কবুল’ বলা কি বাধ্যতামূলক?

ঢাকা থেকে প্রকাশিত ইসলামী গবেষণা পত্রিকা মাসিক আল কাউসারের এক নিবন্ধে বলা হয়েছে, বিয়েতে তিনবার কবুল বলার বিষয়টি শরিয়তসম্মত কোনো বিধান নয়; বরং এটি একটি সামাজিক রীতি। এই ধরনের রীতি পরিহার করা উচিত বলে উল্লেখ করা হয়েছে। নিবন্ধে বলা হয়, শরিয়তের দৃষ্টিতে বিয়ের প্রস্তাবের পর সাক্ষীদের শুনিয়ে একবার ‘কবুল’ বললেই বিবাহ সম্পন্ন হতে পারে। এই ক্ষেত্রে তিনবার কবুল বলা আবশ্যক নয়। এই বিষয়ে ফাতাওয়ায়ে শামি (৩/৯) ও ফাতাওয়ায়ে আলমগিরি (১/৩৭০) গ্রন্থের উদ্ধৃতি দেওয়া হয়েছে। বিয়ে সম্পর্কে হাদিসে নবী করিম (সা.) বলেছেন, সামর্থ্যবান যুবকদের বিয়ে করা উচিত। কারণ, বিয়ে দৃষ্টিকে সংযত রাখতে এবং লজ্জাস্থানের হেফাজত করতে সহায়তা করে। আর যাদের বিয়ের সামর্থ্য নেই, তাদের রোজা রাখার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি। (সহিহ বুখারি: ৫০৬৫; সহিহ মুসলিম: ১৪০০) বিয়ের আগে পাত্র-পাত্রী সম্পর্কে খোঁজখবর নেওয়া এবং পছন্দের বিষয়গুলো জেনে নেওয়ার ওপরও ইসলামে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। জাবির ইবনে আবদুল্লাহ (রা.) থেকে বর্ণিত হাদিসে বিয়ের প্রস্তাব দেওয়া ব্যক্তিকে সম্ভাব্য জীবনসঙ্গীর এমন কিছু বৈশিষ্ট্য দেখে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে, যা তাকে বিয়েতে আগ্রহী করে তুলতে পারে। /শান্ত/