Advertisement(970X90).png
Advertisement(300X90).png

১৫ কার্তিক ১৪৩৩, ১৯ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬

সৌদিগামী ১১৪ ফ্লাইট বিঘ্নিত, চাকরি হারানোর শঙ্কায় প্রবাসী শ্রমিকরা
সৌদিগামী ১১৪ ফ্লাইট বিঘ্নিত, চাকরি হারানোর শঙ্কায় প্রবাসী শ্রমিকরা

শনিবার (১৭ অক্টোবর) বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে। বেবিচকের হিসাব অনুযায়ী, সরাসরি ও ট্রানজিট-দুই ধরনের ফ্লাইট মিলিয়ে মোট ১১৪টি ফ্লাইট চলাচল বিঘ্নিত হয়েছে। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন ১৭ হাজার ৭০১ যাত্রী। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, সৌদি আরবের রিয়াদগামী সব ফ্লাইট অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত রাখা হয়েছে। ২১ অক্টোবর থেকে দাম্মাম রুটে ফ্লাইট আবার চালুর পরিকল্পনা করা হচ্ছে। তবে জেদ্দা ও মদিনাগামী ফ্লাইট যথারীতি চালু রয়েছে। বেবিচকের তথ্য অনুযায়ী, সরাসরি ফ্লাইটের মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ১৮টি, ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের ১০টি, সৌদিয়ার ১২টি এবং রিয়াদ এয়ারের ১০টি ফ্লাইট চলাচল বিঘ্নিত হয়েছে। সব মিলিয়ে সরাসরি ফ্লাইটের সংখ্যা ৫০টি। অন্যদিকে ট্রানজিট ফ্লাইটের মধ্যে ইন্ডিগোর ২২টি, সালাম এয়ারের ৭টি, ইজিপ্ট এয়ারের ১টি, এমিরেটসের ১৪টি, কাতার এয়ারওয়েজের ৯টি, ফ্লাইদুবাইয়ের ৬টি এবং এয়ার ইন্ডিয়ার ৫টি ফ্লাইট চলাচল বিঘ্নিত হয়েছে। এসব ট্রানজিট ফ্লাইটের সংখ্যা ৬৪। পরিস্থিতি সম্পর্কে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) জানিয়েছে, নিরাপত্তাজনিত সংকট নিরসন ও পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত এই অনিশ্চয়তা বজায় থাকতে পারে। যাত্রী নিরাপত্তার বিষয়টি অগ্রাধিকার দিয়ে পরিস্থিতি প্রতিনিয়ত পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। অনিশ্চয়তার কারণে সৌদি আরবগামী হাজার হাজার প্রবাসী শ্রমিক চাকরি হারানোর আশঙ্কায় চরম উদ্বেগের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। সৌদি প্রবাসী শ্রমিক কামাল আহমেদ বলেন, ফ্লাইট বিঘ্নিত হওয়ায় আমি সৌদি আরব যেতে পারছি না। এতে আমি চাকরি হারানোর শঙ্কায় আছি। /সোহেল রানা/

ঢাকা-সৌদিগামী ১০৩ ফ্লাইট বাতিল, আটকা ১৫ হাজার যাত্রী
ঢাকা-সৌদিগামী ১০৩ ফ্লাইট বাতিল, আটকা ১৫ হাজার যাত্রী

বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) দুপুরে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) জনসংযোগ বিভাগের সহকারী পরিচালক কাওছার মাহমুদ এই তথ্য জানান। তিনি জানান, বাতিল হওয়া ফ্লাইটের মধ্যে ৪২টি সরাসরি ফ্লাইট। এরমধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ১৭টি, ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের ১০টি, সৌদিয়া এয়ারের ৮টি এবং রিয়াদ এয়ারের ৭টি ফ্লাইট রয়েছে। এছাড়া বাতিল হয়েছে ৬১টি ট্রানজিট ফ্লাইট। এর মধ্যে ইন্ডিগোর ২২টি, সালাম এয়ারের ৭টি, ইজিপ্ট এয়ারের ১টি, এমিরেটসের ১৪টি, কাতার এয়ারওয়েজের ৮টি, ফ্লাইদুবাইয়ের ৬টি এবং এয়ার ইন্ডিয়ার ৩টি ফ্লাইট রয়েছে। বেবিচক জানিয়েছে, নিরাপত্তাজনিত পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত ফ্লাইট বাতিলের এই অবস্থা চলতে পারে। এতে যাত্রীদের ভোগান্তি অব্যাহত থাকার আশঙ্কা রয়েছে। /শান্ত/

শাহজালালে ৬২ ফ্লাইট বাতিল, ভোগান্তিতে যাত্রীরা
শাহজালালে ৬২ ফ্লাইট বাতিল, ভোগান্তিতে যাত্রীরা

বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, বাতিল হওয়া ফ্লাইটের মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ৯টি, ইউএস-বাংলার ২টি, সৌদিয়ার ৫টি এবং রিয়াদ এয়ারের ৭টি রয়েছে। এছাড়া ট্রানজিট ফ্লাইটের মধ্যে ইন্ডিগোর ১৬টি, সালামের ৩টি, ইজিপ্টএয়ারের ১টি, এমিরেটসের ৯টি, কাতার এয়ারওয়েজের ৫টি এবং ফ্লাইদুবাইয়ের ৫টি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। সৌদি আরবে কর্মস্থলে যোগ দিতে দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে ঢাকার বিমানবন্দরে আসছেন যাত্রীরা। সেখানে পৌঁছে ফ্লাইট বাতিলের খবর জানতে পেরে বিপাকে পড়ছেন তারা। দুর্ভোগে পড়ছেন তাদের বিদায় জানাতে আসা স্বজনেরাও। যাত্রীদের অভিযোগ, আগে থেকে ফ্লাইট বাতিলের তথ্য জানানো হলে এই ভোগান্তি এড়ানো যেতো। এদিকে ফ্লাইট বাতিল, বিলম্ব বা সময়সূচি পরিবর্তনের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত যাত্রীদের প্রয়োজনীয় সহায়তা নিশ্চিত করতে এয়ারলাইনসগুলোকে নির্দেশ দিয়েছে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ। সোমবার রাতে বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন এস এম রাগীব সামাদ সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইনসগুলোকে পাঠানো চিঠিতে এই নির্দেশনা দেন। /শান্ত/