Advertisement(970X90).png
Advertisement(300X90).png

১৫ কার্তিক ১৪৩৩, ১৯ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬

উন্নত দেশগুলোকে জলবায়ু অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি পূরণের আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর
উন্নত দেশগুলোকে জলবায়ু অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি পূরণের আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর

আন্তর্জাতিক জলবায়ু আলোচনায় বাংলাদেশের প্রত্যাশা ও প্রাপ্তির মধ্যে ব্যবধান কমাতে সরকার, বেসরকারি খাত, নাগরিক সমাজ ও বিশেষজ্ঞদের সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। একই সঙ্গে উন্নত দেশগুলোকে জলবায়ু অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি পূরণ করতে হবে এবং ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর ঋণের বোঝা কমাতে এই সহায়তা অনুদানভিত্তিক হতে হবে। আসন্ন জাতিসংঘ জলবায়ু সম্মেলন কপ-৩১ সামনে রেখে এই আহ্বান জানিয়েছেন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম, এমপি। শনিবার (২৪ অক্টোবর) রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে ‘জনবান্ধব জলবায়ু নীতি: কপ-৩১ এ বাংলাদেশের অবস্থান’ শীর্ষক জাতীয় সংলাপে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই আহ্বান জানান। বাংলাদেশে জলবায়ু বিষয়ে কাজ করা ৩৩টি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সংস্থা ও নাগরিক সমাজের সম্মিলিত উদ্যোগে আয়োজিত এই সংলাপে বাংলাদেশের জলবায়ুবিষয়ক অবস্থানপত্রের মূল দাবি ও সুপারিশ তুলে ধরা হয়। প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্যারিস জলবায়ু চুক্তির এক দশক পর অঙ্গীকারের পাশাপাশি বাস্তবায়নের অগ্রগতিও নিশ্চিত করা জরুরি। বাংলাদেশের জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষয়ক্ষতি মোকাবিলায় অর্থায়ন প্রয়োজন। অভিযোজন ও প্রশমন কার্যক্রমে সমান গুরুত্ব দেওয়ার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক আলোচনায় স্বচ্ছতা বাড়াতে হবে। এই লক্ষ্যে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং পরিবেশ ও জলবায়ুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মধ্যে সমন্বয় জোরদারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। জলবায়ু নিয়ে কাজ করা তরুণদেরও এই প্রক্রিয়ায় যুক্ত করার আগ্রহ প্রকাশ তিনি। কপ-৩১-এ বাংলাদেশের পরিবেশবান্ধব পাটজাত পণ্যের সম্ভাবনা তুলে ধরার উদ্যোগের কথাও জানান শামা ওবায়েদ ইসলাম। তিনি বলেন, বিশেষ ‘জুট প্যাভিলিয়নের’ মাধ্যমে এসব পণ্য আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তুলে ধরার পরিকল্পনা রয়েছে। এতে পাটের বৈশ্বিক বাজার সম্প্রসারণের পাশাপাশি দেশীয় কৃষকদের জীবনমান উন্নয়নের সুযোগ তৈরি হতে পারে। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিচালক মির্জা শওকত আলী। তিনি বলেন, শিল্প খাতে নির্গমন কমানোর উদ্যোগ চলছে। আন্তর্জাতিক আলোচনায় বাংলাদেশের দাবি কার্যকরভাবে তুলে ধরতে নির্ভরযোগ্য তথ্য-প্রমাণ ও সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা প্রয়োজন। এই সংলাপের সমাপনী বক্তব্যে সঞ্চালক অ্যাকশনএইড বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর ফারাহ্ কবির ঋণের পরিবর্তে অনুদানভিত্তিক জলবায়ু অর্থায়ন নিশ্চিত করতে সম্মিলিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্ব দেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তনের অন্যতম প্রধান ভুক্তভোগী। তাই আন্তর্জাতিক সম্মেলনগুলোতে ঋণের বোঝা নয়, বরং অনুদানের ভিত্তিতে আর্থিক সহায়তা (Grant-based Finance) আদায়ে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করে যেতে হবে। স্বাগত বক্তব্যে ন্যাচার কনজার্ভেশন ম্যানেজমেন্টের (ন্যাকম)-এর নির্বাহী পরিচালক ড. এস. এম. মঞ্জুরুল হান্নান খান সমন্বিত পরিকল্পনার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, প্যারিস চুক্তির ১০ বছর পেরিয়ে গেলেও কতোটুকু বাস্তবায়ন সম্ভব হয়েছে, তা পর্যালোচনার সময় এসেছে। বাংলাদেশ নিজস্ব এনডিসি বাস্তবায়নে চেষ্টা চালাচ্ছে, তবে ক্লাইমেট ফাইন্যান্স, নীল অর্থনীতি, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং সিটির হিট স্ট্রেস মোকাবিলায় পরিষ্কার ও সমন্বিত পরিকল্পনা প্রয়োজন। সংলাপে ৬টি বিশেষ খাতের ওপর তথ্য ও উপাত্ত উপস্থাপন করা হয়। উপস্থাপিত তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশের হালনাগাদ জাতীয়ভাবে নির্ধারিত অবদান বা এনডিসি ৩.০ অনুযায়ী, ২০৩৫ সালের মধ্যে গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন ২০.৩১ শতাংশ বা ৮৪.৯৭ মিলিয়ন টন কার্বন ডাই-অক্সাইড সমতুল্য কমানোর লক্ষ্য রয়েছে। ২০২৬–২০৩৫ মেয়াদে এ পরিকল্পনা বাস্তবায়নে প্রয়োজন ১১৬.১৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, যার ৯০.২৩ বিলিয়ন ডলার আন্তর্জাতিক সহায়তা থেকে আসতে হবে। জাতীয় অভিযোজন পরিকল্পনায় ২০২৩–২০৫০ মেয়াদে ১১৩টি উদ্যোগ বাস্তবায়নে প্রায় ২৩০ বিলিয়ন ডলারের প্রয়োজন চিহ্নিত করা হয়েছে। সিত্রিইআর -এর রৌফা খানম বৈশ্বিক নির্গমন ও বাংলাদেশের জলবায়ু ঝুঁকি তুলে ধরেন। সিএপিএস -এর চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. আহমদ কামরুজ্জামান মজুমদার বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, বায়ুদূষণ ও শিল্প খাতে নির্গমন কমানোর ওপর গুরুত্ব দেন। অ্যাকশনএইড বাংলাদেশ-এর মেহজাবিন মাহফুজ ন্যায্য জ্বালানি রূপান্তর এবং আবরার জিশান ও হেলেনা সামুদ্রিক সম্পদ ও আন্তর্জাতিক অর্থায়নের বিষয়ে আলোচনা করেন। তরুণদের পক্ষ থেকে চৌধুরী আবরার জাহিন, সোহাইল বিন সাইফুল্লাহ ও হেলেনা খাতুন জলবায়ু অর্থায়ন, শিক্ষা, কর্মসংস্থান, সামাজিক সুরক্ষা এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণে তরুণদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার ছয় দফা দাবি তুলে ধরেন। আলোচনায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের কাছে অর্থায়ন পৌঁছানো, বাস্তুচ্যুত মানুষের পুনর্বাসন এবং নারী, প্রতিবন্ধী ব্যক্তি ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়। ১. ঋণ নয়, অনুদান: এনডিসি ৩.০ বাস্তবায়নসহ আন্তর্জাতিক জলবায়ু অর্থায়ন ঋণমুক্ত ও অনুদানভিত্তিক করতে হবে। ২. সম্মিলিত কণ্ঠস্বর: আন্তর্জাতিক আলোচনায় সরকার, নাগরিক সমাজ, তরুণ ও বেসরকারি খাতের সমন্বিত অবস্থান নিশ্চিত করতে হবে। ৩. সবুজ উদ্ভাবন: কপ-৩১-এ পাটের মতো পরিবেশবান্ধব দেশীয় পণ্যের সম্ভাবনা তুলে ধরতে হবে। ৪. শিল্প ও বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণ: শিল্প খাতে নির্গমন কমানো এবং শ্রমিকদের সুরক্ষাসহ ন্যায্য জ্বালানি রূপান্তর নিশ্চিত করতে হবে। ৫. তরুণ ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অংশগ্রহণ: জলবায়ুবিষয়ক নীতিনির্ধারণ ও জাতীয় প্রতিনিধিদলে নারী, তরুণ ও ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের অর্থবহ অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে। ৬. নগরাঞ্চলের জলবায়ু সংকট: জলবায়ু অভিবাসীদের নিরাপদ আবাসন, উন্নত বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং তাপপ্রবাহ মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় অর্থায়ন নিশ্চিত করতে হবে। /এমএএইচ/

প্রতিমন্ত্রী ইশরাকের অস্ত্র হাতে অভিযান, তদন্ত করবে ডিএমপি
প্রতিমন্ত্রী ইশরাকের অস্ত্র হাতে অভিযান, তদন্ত করবে ডিএমপি

রবিবার (১৮ অক্টোবর) দুপুরে ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে ডিএমপির গোয়েন্দা বিভাগের (ডিবি) প্রধান শফিকুল ইসলাম এই তথ্য জানান। তিনি বলেন, এই বিষয়ে তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ডিএমপির ওয়ারী বিভাগের উপকমিশনারকে। শনিবার বিকেলে রাজধানীর গেন্ডারিয়া রেলস্টেশনসংলগ্ন দয়াগঞ্জ গুমটিঘর রেলগেট এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেনের ফেসবুক পেজে অভিযানের ভিডিও প্রকাশের পর তা ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিওতে তাকে আগ্নেয়াস্ত্র হাতে কয়েকজনের দিকে এগিয়ে যেতে দেখা যায়। তার সঙ্গে থাকা আরও কয়েকজনের হাতেও আগ্নেয়াস্ত্র দেখা গেছে। আরেকটি ভিডিওতে আটক ব্যক্তিদের পুলিশের হাতে তুলে দিতে দেখা যায়। প্রকাশিত ভিডিওতে প্রতিমন্ত্রীকে কয়েকজনকে ধরতে নির্দেশ দিতে শোনা যায়। এই সময় তার সঙ্গে থাকা এক ব্যক্তিকে এক তরুণকে লাথি মারতেও দেখা যায়। ঘটনাটি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়। ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ছাত্রদলের সাবেক আহ্বায়ক পাভেল শিকদারের ভাষ্য, স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে প্রতিমন্ত্রী সেখানে গিয়েছিলেন। পুলিশকে জানানো হলেও তারা পৌঁছাতে দেরি করে। /শান্ত/

মাদকের আস্তানায় প্রতিমন্ত্রী ইশরাকের অভিযান, আটক ৬
মাদকের আস্তানায় প্রতিমন্ত্রী ইশরাকের অভিযান, আটক ৬

মঙ্গলবার (১৭ অক্টোবর) ঢাকা-৬ আসনের গেন্ডারিয়া থানার ৪৫ নম্বর ওয়ার্ডের রেললাইনসংলগ্ন একটি বস্তিতে মাদকের আস্তানায় আকস্মিক অভিযান চালান প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন। এই সময় মাদক কারবারে জড়িত সন্দেহে ছয়জনকে আটক করা হয়। অভিযানকালে এলাকাবাসীর উদ্দেশে ইশরাক হোসেন বলেন, এলাকায় যারা মাদক বিক্রি করে, তাদের স্থান আমার এই ঢাকা-৬ আসনে নাই। স্বৈরাচার সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন করে সরকার পতন করেছি। আর এই মাদক কারবারিদের কোনো টাইম আছে? এই এলাকায় যত বড় মাদক কারবারি হোক না কেন, তারা যে দলেরই হোক না কেন, যদি আমার দলের হয়, তাহলে তাদের শাস্তি আরও বড় হবে। মাদকাসক্তির কারণে তরুণ সমাজ ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এই মাদকের কারণে আমাদের তরুণ সমাজ ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। গত ছয় মাস ধরে গোয়েন্দা দিয়ে তথ্য সংগ্রহ করছি। যারা বাইরে থেকে এসে মাদক দিয়ে যায়, তাদের আটক করতে পারবে-এমন ব্যক্তিদের আমার মাথায় করে রাখবো। আমার এই এলাকা থেকে মাদকবিরোধী অভিযান শুরু হয়েছে। বাংলাদেশে কোথাও মাদকের জায়গা হবে না। অভিযানের সময় আটক ব্যক্তিরা ছেড়ে দেওয়ার জন্য হাতজোড় করলে তাদের আশ্বস্ত করেন ইশরাক হোসেন। তিনি বলেন, তোমাদের গায়ে কেউ হাত দেবে না, তোমাদের কেউ কিছু করবে না। তোমরা থানায় যাবা, পুলিশ তোমাদের ব্যবস্থা নেবে। তোমাদের মারার জন্য আমরা আসি নাই। এই দেশ আইনের মাধ্যমে চলবে। তাদের বিচার হবে, বিচারের মাধ্যমে তাদের শাস্তি হবে। এর আগেও ঢাকা-৬ আসনের বিভিন্ন এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান চালিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন। আসনটিকে মাদকমুক্ত করতে এই অভিযান অব্যাহত রাখার পাশাপাশি এলাকাবাসীর সহযোগিতা চেয়েছেন তিনি। এই বিষয়ে গেন্ডারিয়া থানার (ওসি) মনিরুজ্জামান মনির বলেন, প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন ৬ জনকে আটক করে থানায় ফোন দেন। পরে থানা থেকে পুলিশ সদস্যরা গিয়ে তাদের নিয়ে আসেন। ওসি বলেন, আটক ব্যক্তিদের কাছে সাদা পাউডারজাতীয় পদার্থ পাওয়া গেছে। সেগুলো হেরোইন কি না, তা পরীক্ষার মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া যাবে। /শান্ত/

ভারতের কেন্দ্রীয় তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রীর পদত্যাগ
ভারতের কেন্দ্রীয় তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রীর পদত্যাগ

মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) দেশটির সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়ে বলা হয়েছে, তৃণমূল পর্যায়ে ফিরে যাওয়ার লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগ করেছেন তামিলনাড়ু থেকে নির্বাচিত রাজ্যসভার সদস্য, কেন্দ্রীয় তথ্য ও সম্প্রচার এবং সংসদ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী এল মুরুগান। কেন্দ্রীয় মন্ত্রিত্ব এবং রাজ্যসভার এমপি পদ থেকে অব্যাহতি চেয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছে অনুরোধ জানিয়েছেন এল মুরুগান। পদত্যাগের কারণ হিসেবে ২০২৯ সালের লোকসভা নির্বাচনের আগে তামিলনাড়ুতে দলের ভিত্তি শক্ত করার প্রতি সম্পূর্ণ সময় ও মনোযোগ দেওয়ার কথা জানিয়েছেন তিনি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে মুরুগান ওই পদত্যাগের খবর জানিয়ে লেখেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে ভারত মাতা ও তামিলনাড়ুর সেবা করা আমার জীবনের সবচেয়ে বড় সম্মানের। আমি এখন তৃণমূল পর্যায়ে ফিরে যেতে চাই, আমাদের নেতাকর্মীদের পাশে দাঁড়াতে চাই এবং ২০২৯ সালের লোকসভা নির্বাচনের আগে তামিলনাড়ুতে বিজেপিকে শক্তিশালী করার জন্য পূর্ণ সময় উৎসর্গ করতে চাই। সবার আগে দেশ, তারপর দল, সবার শেষে নিজের স্বার্থ। ভারতের কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় বড় ধরনের রদবদলের গুঞ্জনের মাঝেই এল মুরুগানের এই পদত্যাগের ঘটনা ঘটলো। দেশটির জ্বালানি মন্ত্রী হারদীপ সিং পুরীসহ বেশ কয়েকজন রাজ্যসভা এমপি এবং মন্ত্রীকে পুনরায় মনোনয়ন না দেওয়ার পর এই জল্পনা শুরু হয়েছিলো। /আকরাম/