Advertisement(970X90).png
Advertisement(300X90).png

১৫ কার্তিক ১৪৩৩, ১৯ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা ব্যবহারে সতর্ক করলো দূতাবাস
যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা ব্যবহারে সতর্ক করলো দূতাবাস

বুধবার (২৮ অক্টোবর) প্রকাশিত এক বার্তায় দূতাবাস জানায়, বি১/বি২ ভিজিটর ভিসায় যুক্তরাষ্ট্রে ব্যবসায়িক বৈঠকে অংশ নেওয়া এবং ব্যবসায়িক চুক্তি নিয়ে আলোচনা করা যায়। তবে দেশটিতে চাকরি বা অন্য কোনো কর্মসংস্থানমূলক কাজে যুক্ত হতে হলে সংশ্লিষ্ট কাজের উপযোগী ভিন্ন ক্যাটাগরির ভিসা নিতে হবে। বার্তায় বলা হয়, ‘ভ্রমণের আগে নিয়মকানুন জেনে নিন। বি১/বি২ ভিজিটর ভিসায় ব্যবসায়িক বৈঠকে অংশ নেওয়া এবং চুক্তি নিয়ে আলোচনা করা যায়। তবে যুক্তরাষ্ট্রে কাজ করতে হলে আপনার ভিন্ন ধরনের ভিসার প্রয়োজন হবে।’ ভিসার শর্ত যথাযথভাবে মেনে চলার ওপরও গুরুত্ব দিয়েছে দূতাবাস। এই বিষয়ে বার্তায় বলা হয়, ভিসা যথাযথভাবে ব্যবহার করার দায়িত্ব ভিসাধারীর নিজের। যুক্তরাষ্ট্রের ভিজিটর ভিসায় ব্যবসায়িক আলোচনা ও বৈঠকের মতো নির্দিষ্ট কার্যক্রমের অনুমতি থাকলেও সাধারণভাবে দেশটিতে চাকরি বা অনুমোদনহীন কর্মসংস্থানমূলক কাজ করা যায় না। এই ধরনের কাজের জন্য প্রযোজ্য ভিসা প্রয়োজন। তাই যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার পরিকল্পনা করার আগে ভিসার ধরন, অনুমোদিত কার্যক্রম ও সংশ্লিষ্ট শর্ত সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়ার পরামর্শ দিয়েছে দেশটির দূতাবাস। /শান্ত/

যে কারণে বাতিল হতে পারে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা
যে কারণে বাতিল হতে পারে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা

শনিবার (২৪ অক্টোবর) দূতাবাসের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এই তথ্য জানানো হয়। পোস্টে বলা হয়, কেউ গ্রেফতার হলে তার যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা বাতিল হয়ে যেতে পারে। তাকে যুক্তরাষ্ট্র থেকে ফেরত পাঠানো হতে পারে এবং ভবিষ্যতে মার্কিন ভিসা পাওয়ার অযোগ্য বিবেচনা করা হতে পারে। এর আগে আরেকটি পোস্টে বি১/বি২ ভিজিটর ভিসার ব্যবহার সম্পর্কে জানিয়েছিলো দূতাবাস। ওই পোস্টে বলা হয়, পর্যটন, অবকাশযাপন, কেনাকাটা, বন্ধুবান্ধব বা আত্মীয়স্বজনের সঙ্গে দেখা করা এবং ব্যবসায়িক সহযোগীদের সঙ্গে বৈঠকের মতো কাজে এই ভিসা ব্যবহার করা যায়। এছাড়া সভা ও সম্মেলনে অংশ নেওয়ার ক্ষেত্রেও এই ভিসা প্রযোজ্য। /শান্ত/

সৌদিতে মৃত্যুদন্ড দেয়া ২ বাংলাদেশীর ব্যাপারে অন্ধকারে ছিলো দূতাবাস
সৌদিতে মৃত্যুদন্ড দেয়া ২ বাংলাদেশীর ব্যাপারে অন্ধকারে ছিলো দূতাবাস

প্রবাসী দুই বাংলাদেশির আইনি সহায়তা ও বিচারপ্রক্রিয়ায় দোভাষীর ভূমিকা নিয়ে গত ১৮ অক্টোবর প্রবাসী কল্যাণ সচিবের কাছে একটি চিঠি পাঠিয়েছে জেদ্দা বাংলাদেশ কনস্যুলেট। চিঠিতে বলা হয়েছে, সৌদি আরবের ক্রিমিনাল কোর্টসহ অন্যান্য আদালতে শুনানির সময় অনুবাদের কাজে ‘মারকাযুত তারজামাহ আল মুওয়াহহাদ’ নামের প্রতিষ্ঠানের সহায়তা নেওয়া হয়। এসব আদালতে বাংলাদেশ মিশনের পক্ষ থেকে অনুবাদক দেওয়া হয় না। ফলে আসামিপক্ষের বিচারিক কার্যক্রমে যুক্ত হওয়ার সুযোগ থাকে না। কনস্যুলেটের তথ্য অনুযায়ী, সৌদি আরবে আটক দুই বাংলাদেশি নাগরিকের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য চেয়ে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে অনুরোধ করা হয়েছিল। জেদ্দা কনস্যুলেটের আওতাধীন পশ্চিমাঞ্চলের বিভিন্ন কারাগারে আটক বাংলাদেশিদের তথ্য চাওয়ার পর গত ৩০ সেপ্টেম্বর সৌদি কর্তৃপক্ষ একটি তালিকা পাঠায়। সেই তালিকায় দুই বাংলাদেশির নাম পাওয়া যায়। তবে তাদের সাজার মেয়াদ উল্লেখ ছিল না। আটক দুই বাংলাদেশি হলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদরের নজরুল ইসলাম আব্দুল বশির এবং টাঙ্গাইলের মির্জাপুরের সুইটি আক্তার। তারা দুজনই সৌদি আরবের আল মাজাল কোম্পানিতে পরিচ্ছন্নতাকর্মী হিসেবে কাজ করতেন। কনস্যুলেটের কাছে পাওয়া তালিকা অনুযায়ী, নজরুল ইসলামকে ২০২৩ সালের ১ আগস্ট সাইবার অপরাধের অভিযোগে আটক করা হয়। তিনি জেদ্দা সংশোধনাগারে ছিলেন। তার বিরুদ্ধে রায় ঘোষণার তথ্য তালিকায় উল্লেখ রয়েছে। অন্যদিকে সুইটি আক্তারকে ২০২৩ সালের ২ আগস্ট ব্যভিচারে লিপ্ত হওয়ার অভিযোগে আটক করা হয়। তিনি জেদ্দা মহিলা কারাগারে ছিলেন। তার বিরুদ্ধেও রায় হয়েছে বলে তালিকায় উল্লেখ রয়েছে। তালিকার ৭ নম্বর কলামে রায়প্রাপ্ত বন্দিদের সাজার বিবরণ দেওয়ার কথা থাকলেও এই দুই বাংলাদেশির ক্ষেত্রে সাজার মেয়াদ উল্লেখ করা হয়নি। কনস্যুলেটের ভাষ্য, সৌদি আরবে সাইবার অপরাধ ও জেনা-ব্যভিচারের অভিযোগে কোনো বাংলাদেশি নাগরিকের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের নজির আগে ছিল না। আইনি সহায়তা ও দোভাষী নিয়ে প্রশ্ন বিদেশে আটক নাগরিকদের অধিকার ও তাদের আইনি সহায়তা দেওয়ার বিষয়টি ভিয়েনা কনভেনশনের আলোচনাতেও আসে। এই কনভেনশন অনুযায়ী, বিদেশে আটক নাগরিকের সঙ্গে দেখা করা, তার মামলার নথি পাওয়া এবং তাকে আইনি পরামর্শ দেওয়ার অধিকার কনস্যুলেটের রয়েছে। কিন্তু জেদ্দা কনস্যুলেটের চিঠিতে বলা হয়েছে, সৌদি আরবের আদালতগুলোতে শুনানির সময় অনুবাদের জন্য সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের সহায়তা নেওয়া হলেও বাংলাদেশ মিশনের পক্ষ থেকে অনুবাদক দেওয়া হয় না। ফলে বিচারিক কার্যক্রমে আসামিপক্ষের যুক্ত হওয়ার সুযোগ সীমিত থাকে। সৌদি কর্তৃপক্ষের দেওয়া ৩০ সেপ্টেম্বরের তালিকায় দুই বাংলাদেশির বিরুদ্ধে রায় হওয়ার তথ্য থাকলেও সাজার মেয়াদ ছিল না। তাদের মৃত্যুদণ্ডের রায় ঘোষণা বা কার্যকরের বিষয়েও বাংলাদেশ দূতাবাস কিংবা কনস্যুলেটকে কিছু জানানো হয়নি বলে জানিয়েছে কনস্যুলেট। কনস্যুলেট আরও জানিয়েছে, সৌদি আরবে সাধারণত মৃত্যুদণ্ডযোগ্য গুরুতর অপরাধে আটক বাংলাদেশিদের পরিবারের পক্ষ থেকে আইনি সহায়তা চেয়ে আবেদন করা হয়। পরিবার সরাসরি বাংলাদেশ দূতাবাস বা কনস্যুলেট জেনারেলে আবেদন করতে পারে। এ ছাড়া পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কিংবা প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমেও আবেদন করা যায়। তবে নজরুল ইসলাম ও সুইটি আক্তারের পরিবারের পক্ষ থেকে আইনি সহায়তা চেয়ে কোনো আবেদন করা হয়নি। তাঁদের পরিবারের কেউ কনস্যুলেটের সঙ্গে যোগাযোগও করেননি বলে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে। কারাগারে আরও ৩০৬ বাংলাদেশি আটক কনস্যুলেটের কাছে থাকা বন্দিদের তালিকায় সৌদি আরবের পশ্চিমাঞ্চলের কারাগারগুলোতে বিভিন্ন চারিত্রিক মামলায় আটক মোট ৩০৬ জন বাংলাদেশির তথ্য রয়েছে। তাদের মধ্যে ১৪৭ জনের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা হয়েছে। সাজার মেয়াদ সর্বনিম্ন এক মাস থেকে সর্বোচ্চ ১৫ বছর। এ ছাড়া মক্কায় সাইবার অপরাধের তিনটি পৃথক মামলায় বাংলাদেশি নাগরিকদের ছয় মাস থেকে পাঁচ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে বলে তালিকায় উল্লেখ রয়েছে। দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়ার পর তাদের মামলার বিস্তারিত তথ্য, বিচারপ্রক্রিয়ায় দোভাষীর সুযোগ এবং সাজা কার্যকরের বিষয়ে বাংলাদেশি কর্তৃপক্ষকে অবহিত না করার বিষয়গুলো সামনে এসেছে। জেদ্দা কনস্যুলেটের চিঠিতে এসব বিষয়ে সৌদি কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে বিস্তারিত তথ্য না পাওয়ার বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে। কেআর/

সৌদিতে ২ বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড, দূতাবাসের ভূমিকা নিয়ে আইনি নোটিশ
সৌদিতে ২ বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড, দূতাবাসের ভূমিকা নিয়ে আইনি নোটিশ

বাংলাদেশ ইমিগ্রেশন লইয়ার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি অ্যাডভোকেট মহিউদ্দিন জুয়েল এবং সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. আবুল কালাম আজাদ এই নোটিশ পাঠান। নোটিশে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব, সৌদি আরবে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত এবং জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর (বিএমইটি) মহাপরিচালককে বিবাদী করা হয়েছে। নোটিশে বলা হয়, গত ১৪ থেকে ১৬ অক্টোবর বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে সৌদি আরবে দুই বাংলাদেশির বিচার ও মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের খবর প্রকাশিত হয়। সংশ্লিষ্ট বিচারপ্রক্রিয়া ও মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের বিষয়ে বাংলাদেশ দূতাবাস অবগত ছিলো না বলে অভিযোগ করেছেন নোটিশদাতারা। তাদের মতে, এই ঘটনা প্রবাসী কর্মীদের আইনি সহায়তা ও কূটনৈতিক সুরক্ষা নিশ্চিত করার ব্যবস্থার কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। নোটিশে চারটি প্রধান দাবি জানানো হয়েছে। এগুলো হলো সৌদি আরবে কর্মরত বাংলাদেশিদের আইনি অবস্থা পর্যবেক্ষণে রিয়েল-টাইম ট্র্যাকিং ব্যবস্থা চালু, গ্রেপ্তার বা আইনি সংকটে পড়লে জরুরি কনস্যুলার সহায়তা নিশ্চিত, আদালত ও বিচারিক কার্যক্রম পর্যবেক্ষণে পোর্টাল তৈরি এবং মৃত্যুদণ্ডের ঘটনায় যোগাযোগের ঘাটতি তদন্ত করে প্রতিবেদন প্রকাশ। এছাড়া ‘আমি প্রবাসী’ অ্যাপ বা কূটনৈতিক সেবাসংশ্লিষ্ট অ্যাপে জরুরি যোগাযোগ ও এসওএস সুবিধা জোরদার এবং প্রবাসী কর্মীদের পরিবারের জন্য আইনি অবস্থাসংক্রান্ত তথ্য জানার ব্যবস্থা তৈরির প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। নোটিশ পাওয়ার ১৫ দিনের মধ্যে কনস্যুলার সুরক্ষা প্রটোকল বাস্তবায়নে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে বলা হয়েছে। অন্যথায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিষ্ক্রিয়তার বিরুদ্ধে রিটসহ প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে সতর্ক করেছেন নোটিশদাতারা।