Advertisement(970X90).png
Advertisement(300X90).png

১৫ কার্তিক ১৪৩৩, ১৯ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬

যন্তর মন্তরে ঢোকার চেষ্টা, সিজেপির ২ নেতা আটক
যন্তর মন্তরে ঢোকার চেষ্টা, সিজেপির ২ নেতা আটক

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়া ও এএনআইয়ের প্রতিবেদন অনুযায়ী, যন্তর মন্তরকে বিক্ষোভের নির্ধারিত স্থান হিসেবে বাতিল করার পর সেখানে জড়ো হন সিজেপির নেতাকর্মীরা। তারা নিরাপত্তাবেষ্টনী অতিক্রম করে ভেতরে প্রবেশের চেষ্টা করলে পুলিশ তাদের আটক করে। পরে ঘটনাস্থল থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়। সিজেপি নেতা অভিজিৎ দিপকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে ৩ নেতাকে আটকের কথা জানিয়েছেন। তিনি লেখেন, জাতীয় পতাকা হাতে দলের নেতাকর্মীরা ভোরে যন্তর মন্তরে প্রবেশ করেছিলেন। পরে পুলিশ তাদের আটক করে। যন্তর মন্তরকে বিক্ষোভস্থলের তালিকা থেকে বাদ দিলেও প্রতিবাদের অধিকার কেড়ে নেওয়া যায় না বলে মন্তব্য করেন তিনি। এর আগে যন্তর মন্তরকে বিক্ষোভের নির্ধারিত স্থান হিসেবে বাতিলের সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেন দিপকে। কংগ্রেস নেতা জয়রাম রমেশও এই সিদ্ধান্তের সমালোচনা করে বলেছেন, এর ফলে শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদের সুযোগ সীমিত হচ্ছে। গণতান্ত্রিক অধিকার ও ভিন্নমত প্রকাশের স্বাধীনতা নিয়েও উদ্বেগ জানিয়েছেন তিনি। /শান্ত/

দিল্লি পুলিশকে ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম
দিল্লি পুলিশকে ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম

সোমবার (১২ অক্টোবর) আরেক সহ-সমন্বয়ক সৌরভ দাসকে সঙ্গে নিয়ে পার্লামেন্ট স্ট্রিট থানায় যান রানকা। সেখানে তারা বিক্ষোভের জন্য নতুন তারিখ নির্ধারণের দাবি জানান। রানকা বলেন, যন্তর মন্তর বিক্ষোভের নির্ধারিত স্থান। সেখানে কবে বিক্ষোভ করা যাবে, তা জানতে তারা পুলিশের কাছে এসেছেন। আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে পুলিশকে বিক্ষোভের সুযোগ ও তারিখ জানাতে হবে। অন্যথায় পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে। গত ১০ অক্টোবর যন্তর মন্তরে সিজেপির প্রস্তাবিত বিক্ষোভের অনুমতি দেয়নি দিল্লি পুলিশ। স্বল্প সময়ের নোটিশে আবেদন, আগের বিক্ষোভে নিয়ম লঙ্ঘনের অভিযোগ এবং জননিরাপত্তা, যান চলাচল ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগের কথা জানিয়ে অনুমতি প্রত্যাখ্যান করা হয়। পুলিশের দাবি, প্রস্তাবিত কর্মসূচির বিষয়ে ৭ অক্টোবর তাদের জানানো হয়েছিলো। অর্থাৎ, বিক্ষোভের মাত্র ৩ দিন আগে আবেদন করা হয়। অথচ নিয়ম অনুযায়ী, এ ধরনের কর্মসূচির জন্য অন্তত ১০ দিন আগে আবেদন জমা দিতে হয়। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভের পরিকল্পনা করেছিলো সিজেপি। ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) কার্যক্রমে কথিত অনিয়মের প্রতিবাদে দলটির চলমান আন্দোলনের অংশ ছিলো এই কর্মসূচি। পুলিশ আরও অভিযোগ করেছে, সিজেপির আগের একটি বিক্ষোভ নির্ধারিত সময়ের পরও চলেছিলো, যার ফলে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটে। /শান্ত/

দিল্লিতে বিক্ষোভের সংবাদ সংগ্রহে গিয়ে আটক ১২ সাংবাদিক
দিল্লিতে বিক্ষোভের সংবাদ সংগ্রহে গিয়ে আটক ১২ সাংবাদিক

অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের (এআইএসএ) ডাকা বিক্ষোভের সংবাদ সংগ্রহের সময় সাংবাদিকদের আটক করা হয়। এই ঘটনায় পুলিশের বিরুদ্ধে দুর্ব্যবহার ও সাংবাদিকদের কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ‘হিন্দুস্তান’-এর ২৭ বছর বয়সি প্রতিবেদক আশিস সিং জানান, বেলা আড়াইটার দিকে আরকে আশ্রম মার্গ এলাকায় বিক্ষোভের খবর সংগ্রহের সময় পুলিশ তাকে আটক করে। তার অভিযোগ, গলায় সংবাদমাধ্যমের পরিচয়পত্র থাকা সত্ত্বেও পুলিশ তা আমলে নেয়নি। এই সময় ধাক্কাধাক্কিতে তিনি আহত হন এবং একটি ধারালো বস্তু দিয়ে তাকে আঘাত করা হয়। পরে এক আলোকচিত্রীর সঙ্গে তাকে জোর করে বাসে তোলা হয়। প্রায় ২০ থেকে ৩০ মিনিট পর মন্দির মার্গ এলাকায় পৌঁছালে তারা বাস থেকে নেমে যান। আটক অন্য সাংবাদিকদের মধ্যে ‘ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস হিন্দি’, ‘দ্য হিন্দু’ এবং বিভিন্ন ডিজিটাল সংবাদমাধ্যমের কর্মীরা রয়েছেন। ‘ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস’ জানিয়েছে, তাদের তিন সাংবাদিককে কনট প্লেস এলাকা থেকে আটক করে প্রায় ১২ কিলোমিটার দূরের ছত্রসাল স্টেডিয়ামে নেওয়া হয়। প্রায় ৪৫ মিনিট পর তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়। ‘দ্য হিন্দু’র এক নারী প্রতিবেদককেও সন্ধ্যায় সাময়িকভাবে আটক করা হয়েছিলো। সাংবাদিকদের আটকের বিষয়ে মন্তব্য করতে রাজি হননি দিল্লি পুলিশের জনসংযোগ কর্মকর্তা। /শান্ত/