Advertisement(970X90).png
Advertisement(300X90).png

১৫ কার্তিক ১৪৩৩, ১৯ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬

‘বিরোধী দলে থাকতেই কবর দিতে বাধা দিচ্ছেন, রাষ্ট্রক্ষমতা হাতে গেলে কী করবেন’
‘বিরোধী দলে থাকতেই কবর দিতে বাধা দিচ্ছেন, রাষ্ট্রক্ষমতা হাতে গেলে কী করবেন’

সোমবার (২৬ অক্টোবর) সকালে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ ও অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে এসব কথা বলেন তাসনিম জারা। পোস্টে তিনি লেখেন, বাংলাদেশের সমাজে কেউ মারা গেলে তাঁর দাফনের জন্য কবর খুঁড়তে সাধারণত কাউকে ডেকে আনতে হয় না। খবর পেয়ে এলাকার লোকজন নিজেরাই কোদাল নিয়ে এগিয়ে আসেন। কেউ বাঁশ কাটেন, কেউ চাটাই নিয়ে আসেন। মৃত ব্যক্তির দাফনে দেরি করা উচিত নয়-এমন শিক্ষা নিয়েই তিনি বড় হয়েছেন। তাসনিম জারা লেখেন, গত শনিবার সকালে ৮৭ বছর বয়সী বীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারী মারা যান। কিন্তু তাঁর মরদেহ নিয়ে পরিবারের সদস্যদের সারা দিন উৎকণ্ঠায় অপেক্ষা করতে হয়। জামায়াতের স্থানীয় নেতাকর্মীরা মিছিল করেন এবং মাইক ও ফেসবুকে ঘোষণা দেন, তাঁকে পিরোজপুরে দাফন করতে দেওয়া হবে না। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, প্রথমে বাড়িতে একটি কবর খোঁড়া হলেও কয়েকজন তা ভরাট করে দেন বলে মানিক পশারীর মেয়ে সীমু আক্তার স্থানীয় সাংবাদিকদের জানিয়েছেন। পরে মেয়ে ও তার ফুফুরা মিলে আরেকটি কবর খোঁড়েন। পরিস্থিতি খারাপ হওয়ার আশঙ্কায় কবর খুঁড়তে অন্য কাউকে পাওয়া যায়নি বলেও পোস্টে উল্লেখ করেন তাসনিম জারা। তিনি লেখেন, শেষ পর্যন্ত রাত ২টার দিকে পুলিশ পাহারায় ওই কবরে মানিক পশারীকে দাফন করা হয়। প্রশাসনের লোকজন ছাড়া পরিবারের বাইরের কেউ সেখানে উপস্থিত ছিলেন না। মানিক পশারী সরকারি গেজেটভুক্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা উল্লেখ করে তাসনিম জারা লেখেন, পিরোজপুর জেলা জামায়াতের এক সহকারী সেক্রেটারি তাঁকে ‘ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা’ আখ্যা দিয়ে গার্ড অব অনার দিতে না দেওয়া এবং পিরোজপুরের মাটিতে দাফন করতে না দেওয়ার কথা বলেছিলেন। অথচ দাফনের পর ওই নেতাই বলেছেন, জামায়াতের নেতারা লাশের রাজনীতি করেন না বলে তার পোস্টে উল্লেখ করেন তাসনিম জারা। তাসনিম জারা বলেন, মানিক পশারী মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন কি না, সেই প্রশ্ন তোলা যেতে পারে। তবে তা যাচাই করার জন্য রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান ও আদালত রয়েছে। তাঁর বক্তব্য, দাফনে বাধা দিয়ে বা মাইক হাতে ঘোষণা দিয়ে এই ধরনের প্রশ্নের মীমাংসা করা যায় না। মৃত ব্যক্তির প্রতি সম্মান ও পরিবারের শোকের প্রসঙ্গ তুলে তিনি লেখেন, সাধারণত জানাজার আগে মৃত ব্যক্তির স্বজনেরা তাঁর কোনো আচরণে কেউ কষ্ট পেয়ে থাকলে ক্ষমা করে দেওয়ার অনুরোধ জানান। কিন্তু মানিক পশারীর ক্ষেত্রে তার পরিবার গ্রামের মানুষের সামনে দাঁড়িয়ে ক্ষমা চাওয়ার সেই সুযোগও পায়নি বলে মন্তব্য করেন তিনি। তাসনিম জারা লিখেছেন, মানিক পশারীর দাফন পিরোজপুরে হতে দেওয়া হবে না-এ কথা জামায়াতের নেতাকর্মীরা এমনভাবে বলেন যেন, এই মাটির দলিল তাঁদের নামে লেখা। যেন একজন মানুষ নিজের পারিবারিক কবরস্থানে শুয়ে থাকবেন কি না, সে অনুমতিও তাঁদের কাছ থেকে নিতে হবে। তাঁদের একসময় একই ভাষায় বলা হতো ‘জামাত-শিবির রাজাকার, এই মুহূর্তে বাংলা ছাড়’। এটা যে কেমন অন্যায় কথা, সেটা তাঁদের ভালোই জানার কথা। কিন্তু ক্ষমতা একটু হাতে আসার সঙ্গে সঙ্গেই, বিরোধীদলে থাকতেই, সেটা তাঁরা ভুলে গেছেন। তিনি আরও লেখেন, একাত্তরে জামায়াতে ইসলামী দল হিসেবে বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিরোধিতা করেছিলো। অথচ এখন দলটির নেতাকর্মীরা কে মুক্তিযোদ্ধা, কে ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা, কে রাষ্ট্রীয় সম্মান পাবেন এবং কার কবর কোথায় হবে-তা ঠিক করে দিতে চাইছেন বলে তার অভিযোগ। জামায়াত নিজেদের নেতাদের ক্ষেত্রে ন্যায়বিচার, মানবাধিকার, সঠিক প্রক্রিয়া ও মানবিক মর্যাদার কথা বললেও অন্যদের ক্ষেত্রে তারা সেটা করতে নারাজ বলে অভিযোগ করেন তাসনিম জারা। জামায়াতের নেতাকর্মীদের সম্পর্কে তিনি লিখেছেন, ভোটের আগে আর বক্তৃতায় ইনসাফের কথা বলেন। কিন্তু একজন মৃত মানুষের সাথে ও তাঁর শোকসন্তপ্ত পরিবারের সাথে এমন আচরণ করেন। বিরোধী দলে থাকতেই নিজের বসতভিটায় কবর দিতে বাধা দিচ্ছেন, রাষ্ট্রের সকল ক্ষমতা ওনাদের হাতে গেলে কী করবেন? /এমএএইচ/

নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করলো জামায়াত
নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করলো জামায়াত

২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর ঢাকায় সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের বিচারের দাবিতে ২ দিনের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে ঢাকায় আলোচনা সভা এবং সারা দেশে বিক্ষোভ, আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল। রবিবার (২৫ অক্টোবর) এক বিবৃতিতে এই কর্মসূচি ঘোষণা করেন জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক সংসদ সদস্য মিয়া গোলাম পরওয়ার। ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, আগামী ২৭ অক্টোবর ঢাকায় আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে। এতে জামায়াতের আমির প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেবেন। পরদিন ২৮ অক্টোবর সারা দেশে বিক্ষোভ, আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠিত হবে। বিবৃতিতে মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর ঢাকার রাজপথে লগি-বৈঠা নিয়ে সংঘটিত সহিংসতা ও হত্যাকাণ্ড বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের একটি কলঙ্কজনক অধ্যায়। তাঁর দাবি, ওই ঘটনার মধ্য দিয়ে দেশে দীর্ঘ দুই দশকের ফ্যাসিবাদ, গণতন্ত্র হত্যা ও নাগরিক অধিকার হরণের সূচনা হয়েছিলো। তিনি আরও বলেন, ওই ঘটনার ২ দশক পূর্ণ হতে চললেও হত্যাকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তিদের বিচার হয়নি। এই ঘটনায় জড়িতদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার করে বিচারের আওতায় আনতে সরকারের প্রতি দাবি জানান তিনি। /এমএএইচ/

৩১ অক্টোবর ১১ দলের লংমার্চ
৩১ অক্টোবর ১১ দলের লংমার্চ

শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) রাজধানীর ২৯ মিন্টো রোডে বিরোধীদলীয় নেতার সরকারি বাসভবনে ১১ দলীয় ঐক্যের লিয়াজোঁ কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন কমিটির সমন্বয়ক ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ড. এএইচএম হামিদুর রহমান আযাদ। তিনি বলেন, গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচার, বিদ্যুৎ, তেল, গ্যাস ও সার সংকট নিরসন, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্যবৃদ্ধি রোধ, দুর্নীতি, চাঁদাবাজি ও দখলদারি বন্ধ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং সংকীর্ণ দলীয়করণ বন্ধের দাবিতে তারা আন্দোলন ও লংমার্চ করছেন। দুর্নীতি ও দলীয়করণ বন্ধের দাবি ড. হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, দুর্নীতি বন্ধ করতে অবিলম্বে দুর্নীতির পথগুলো বন্ধ করা উচিত। এই জন্য দুর্নীতি দমন কমিশনের পাশাপাশি মানবাধিকার কমিশন এবং গুম ও খুন প্রতিরোধে স্বাধীন কমিশন গঠনের দাবি জানিয়েছে ১১ দলীয় ঐক্য। প্রশাসনের সর্বত্র দলীয়করণ করা হচ্ছে অভিযোগ করে তিনি বলেন, পিএসসির সদস্যদের চায়ের দাওয়াত দিয়ে পদত্যাগে বাধ্য করা হচ্ছে। মেধার ভিত্তিতে নিয়োগ ও বৈষম্য দূর করার দাবিতে শিক্ষার্থীরা আন্দোলন করেছিলেন। কোটা আন্দোলন ও জুলাই আন্দোলন স্মরণ করিয়ে দেয়, অতীতের ফ্যাসিবাদী আমলে মেধা হত্যা করা হয়েছিল। তাঁর অভিযোগ, বর্তমান সরকারও একই পথে হাঁটছে। এখন মেধার ভিত্তিতে নিয়োগ ও পদোন্নতির পরিবর্তে দলীয় বিবেচনাকে প্রাধান্য দেওয়া হচ্ছে। নির্বাচন কমিশনে অতিরিক্ত সচিব পদমর্যাদায় শামসুল আলমের নিয়োগকে দলীয়করণের উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি। মাগুরার মতো নির্বাচনের পুনরাবৃত্তি চান না ঠাকুরগাঁওয়ে ১১ দলীয় ঐক্যের প্রার্থী দেলাওয়ার হোসেনের পক্ষে গণজোয়ার তৈরি হয়েছে দাবি করে হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, জনগণ ভোট দেওয়ার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে। কিন্তু আগামী ২৯ অক্টোবরের উপনির্বাচনে ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের মতো ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে বলে তারা খবর পাচ্ছেন। তিনি বলেন, এই ধরনের কোনো ঘটনা ঘটলে সরকারকে মাগুরার নির্বাচন থেকে শিক্ষা নিতে হবে। বাংলাদেশের নির্বাচনের ইতিহাসে মাগুরার নির্বাচন একটি কালো অধ্যায়। ওই নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সরকার পতনের আন্দোলন হয়েছিলো, যা পরে চূড়ান্ত রূপ নেয়। হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, ‘মাগুরার পুনরাবৃত্তি ঘটুক, আমরা চাই না।’ এই ধরনের নির্বাচনের কোনো পরিকল্পনা থাকলে তা থেকে সরে আসতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানান তিনি। প্রশাসনের সহযোগিতা চায় ১১ দল আগামী ৩১ অক্টোবরের লংমার্চ শান্তিপূর্ণ, সুশৃঙ্খল, জনবান্ধব ও জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণমূলক হবে বলে জানান হামিদুর রহমান আযাদ। তিনি বলেন, সরকার যেন অনতিবিলম্বে জনগণের ভাষা বুঝতে পারে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদর দফতর থেকে শুরু করে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের কর্মকর্তাদের জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে কেউ যেন বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে না পারে, সে জন্য আগেই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে। তিনি আরও বলেন, সরকার ও প্রশাসন যদি এ ধরনের পরিস্থিতি মোকাবিলায় ব্যবস্থা না নেয়, তাহলে তারা মনে করবেন, কর্মসূচিতে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির জন্য প্রশাসনকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। প্রশাসন জনগণের হয়ে কাজ করবে-এমন প্রত্যাশা জানিয়ে তিনি লংমার্চ শান্তিপূর্ণভাবে পালনে সহযোগিতা চান। বায়তুল মোকাররমে উদ্বোধনী সমাবেশ ৩১ অক্টোবর সকাল ৭টায় রাজধানীর বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের দক্ষিণ গেটে লংমার্চের উদ্বোধনী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেবেন বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। এছাড়া ১১ দলের শীর্ষ নেতারা বক্তব্য দেবেন। আয়োজকদের পরিকল্পনা অনুযায়ী, সকাল ৮টায় প্রায় এক হাজার গাড়ির বহর নিয়ে মাওয়া সড়ক হয়ে পদ্মা সেতু পার হয়ে লংমার্চ শুরু হবে। এরপর শরীয়তপুর, মাদারীপুর, ফরিদপুরের ভাঙ্গা, গোপালগঞ্জ ও বাগেরহাটের ফকিরহাট হয়ে রূপসা সেতু পার হয়ে খুলনায় পৌঁছাবে বহর। পরে যশোর ও ঝিনাইদহ হয়ে কুষ্টিয়া জিলা স্কুল মাঠের সমাপনী সমাবেশে যোগ দেবে লংমার্চের গাড়িবহর। এই কর্মসূচিতে গণমাধ্যমকর্মী, চিকিৎসক, শিল্পী ও বিভিন্ন পেশাজীবী সংগঠনের সদস্যরা অংশ নেবেন বলে জানানো হয়েছে। পথে ছয় স্থানে পথসভা লংমার্চ চলাকালে ছয়টি স্থানে পথসভা অনুষ্ঠিত হবে। নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী, সকাল ৯টায় শরীয়তপুরের জাজিরার নাওডোবায় প্রথম পথসভা হবে। সকাল ১১টায় বাগেরহাটের ফকিরহাটের কাঁটাখালীর মোড়ে দ্বিতীয় পথসভা অনুষ্ঠিত হবে। দুপুর ১২টা ৩০ মিনিটে খুলনা মহানগরীর বাবরী চত্বরে এবং দুপুর ২টায় ফুলতলা বাসস্ট্যান্ডের স্বাধীনতা চত্বরে পথসভা হবে। বিকেল ৩টা ৩০ মিনিটে যশোরের মুড়লীর মোড়ে এবং বিকেল ৫টায় ঝিনাইদহ বাস টার্মিনালে পরবর্তী পথসভা অনুষ্ঠিত হবে। সবশেষে রাত সাড়ে ৮টায় কুষ্টিয়া জিলা স্কুল মাঠে সমাপনী সমাবেশে যোগ দেবে লংমার্চের বহর। বৈঠকে এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব আতাউল্লাহ আমীন, জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল অ্যাডভোকেট মুয়াযম হোসাইন হেলাল, এলডিপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব বিল্লাল হোসেন মিয়াজী, নেজামে ইসলাম পার্টির সিনিয়র নায়েবে আমির আব্দুল মাজেদ আতহারী, এবি পার্টির যুগ্ম মহাসচিব আব্দুল্লাহ আল মামুন রানা, বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, জাগপার মহাসচিব অধ্যাপক ইকবাল হোসাইন, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট আনোয়ারুল ইসলাম চান এবং বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের মহাসচিব মুফতি ফখরুল ইসলামসহ ১১ দলের নেতারা উপস্থিত ছিলেন। কেআর/