Advertisement(970X90).png
Advertisement(300X90).png

১৫ কার্তিক ১৪৩৩, ১৯ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬

চট্টগ্রামে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৯৯৭ জন
চট্টগ্রামে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৯৯৭ জন

সোমবার (২৬ অক্টোবর) থেকে মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টার অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি আবদুল কুদ্দুছ চৌধুরী জানান, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে নিয়মিত মামলার আসামি ৮৪ জন, পূর্ববর্তী মামলায় ৭৭ জন, পুলিশ অ্যাক্টের ৩৪ ধারায় ২৮ জন, ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারায় ১১ জন এবং ১৫১ ধারাসহ অন্যান্য আইনে ৩৮ জন রয়েছেন। এছাড়া পরোয়ানাভুক্ত ১১৬ জন, সাজা পরোয়ানাভুক্ত ২৪ জন, মাদক মামলায় ৫২ জন এবং নিয়মিত ও অন্যান্য মামলায় মাদক কারবারি হিসেবে আরও ৪০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অভিযানে ১১ হাজার ৬৫২ পিস ইয়াবা, ৩৯ কেজি ৬৭৫ গ্রাম গাঁজা, ১২৪ লিটার চোলাই মদ, আট বোতল বিদেশি মদ, ১৬ ক্যান বিয়ার, ৭৫ বোতল স্কাফ সিরাপ ও ৭০টি ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়েছে। মাদকবিরোধী অভিযানে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ২০ জনকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এছাড়া ১৮ হাজার ৯০০ টাকা জরিমানা আদায় এবং ৩৭টি মাদক মামলা করা হয়েছে। কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের গ্রেপ্তার ১১ সদস্যের মধ্যে চট্টগ্রামের একজন, কুমিল্লার তিনজন, চাঁদপুরের একজন, নোয়াখালীর তিনজন, ফেনীর দু’জন ও খাগড়াছড়ির একজন রয়েছেন। অন্যদিকে, কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযানে গ্রেপ্তার ৫৬৭ জনের মধ্যে ৩৮৬ জনকে মুচলেকা নিয়ে অভিভাবকদের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে। বাকি ১৮১ জনের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। /এমএএইচ/

ডিএমপি’র অভিযান, ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৬৮৪
ডিএমপি’র অভিযান, ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৬৮৪

শনিবার (২৪ অক্টোবর) ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার(এডিসি) নিয়াজ মেহেদী এই তথ্য জানান। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) রাজধানীর বিভিন্ন থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে রমনা বিভাগে ৩৮ জন, লালবাগ বিভাগে ৪৭ জন, ওয়ারী বিভাগে ৮৭ জন, মতিঝিল বিভাগে ৭৮ জন, তেজগাঁও বিভাগে ১১০ জন, মিরপুর বিভাগে ২০৬ জন, গুলশান বিভাগে ৭৮ জন, উত্তরা বিভাগে ৩২ জন, এসআরইউ বিভাগে চারজন এবং গোয়েন্দা বিভাগ চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে। অভিযানকালে ২ হাজার ৫০৮ পিস ইয়াবা, ২৩ কেজি গাঁজা ও ৪৯৮ গ্রাম হেরোইন উদ্ধার করা হয়। এছাড়া ১৮টি মোবাইল ফোন, ৭৯টি সিম, একটি মোটরসাইকেল, চারটি ব্যাটারিসহ একটি অটোরিকশা, নগদ ৩২ হাজার ৫৩০ টাকা, জুয়া খেলার ১০৪টি কার্ড, আটটি খাতা এবং গাঁজা ভর্তি কলকি ও কাটার উদ্ধার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়। /এমএএইচ/

২৪ ঘণ্টায় ডিএমপি’র অভিযানে গ্রেপ্তার ৪৭৭
২৪ ঘণ্টায় ডিএমপি’র অভিযানে গ্রেপ্তার ৪৭৭

শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানিয়েছে ডিএমপি। গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে রমনা বিভাগ ২৫ জন, লালবাগ বিভাগ ৩৪ জন, ওয়ারী বিভাগ ৩৫ জন, মতিঝিল বিভাগ ৩৬ জন, তেজগাঁও বিভাগ ৮৫ জন, মিরপুর বিভাগ ১৬১ জন, গুলশান বিভাগ ৫২ জন, উত্তরা বিভাগ ৪৬ জন ও গোয়েন্দা বিভাগ ৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছে। অভিযানকালে ৪৩৬ পিস ইয়াবা, ৪ বোতল বিদেশি মদ, ৭টি মোবাইলফোন, নগদ ৬৫৫০ টাকা ও একজন ভিকটিমকে উদ্ধার করা হয়। রাজধানীর বিভিন্ন থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে বিভিন্ন আলামত ও মাদকদ্রব্য উদ্ধারসহ তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন। /এমএএইচ/

ধর্ষণের অভিযোগে এনসিপি নেতা গ্রেপ্তার
ধর্ষণের অভিযোগে এনসিপি নেতা গ্রেপ্তার

শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) জেলা শহরের শিশু পার্কসংলগ্ন ওই রিসোর্ট থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। বান্দরবান সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাসুদ পারভেজ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। অভিযোগ অনুযায়ী, দীর্ঘদিন ধরে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে ওই তরুণীকে রিসোর্টে নিয়ে যেতেন শৈক্যচিং মার্মা। শুক্রবারও তাকে সেখানে নিয়ে ধর্ষণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী। ঘটনার একপর্যায়ে রিসোর্টের ভেতর থেকে তরুণীর চিৎকার শুনে পাশের শিশু পার্কের দর্শনার্থী ও পথচারীরা সেখানে জড়ো হন। পরে স্থানীয়রা প্রশাসন ও গণমাধ্যমকর্মীদের বিষয়টি জানান। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তরুণীকে উদ্ধার করে এবং অভিযুক্তকে আটক করে। এদিকে, স্থানীয় বাসিন্দা নুরুল আলমের অভিযোগ, পাহাড় কেটে পরিবেশের ক্ষতি করে এবং প্রয়োজনীয় অনুমোদন ছাড়াই রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে রিসোর্টটি নির্মাণ করা হয়েছে। সেখানে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড চলছিলো বলেও দাবি করেন তিনি। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। ওসি মাসুদ পারভেজ জানান, এই ঘটনায় শৈক্যচিং মার্মার বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। গ্রেপ্তার আসামিকে শনিবার (১৭ অক্টোবর) আদালতে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। /শান্ত/

তালাকের পর স্ত্রীর অশ্লীল ভিডিও ছড়ানোর অভিযোগে যুবক গ্রেপ্তার
তালাকের পর স্ত্রীর অশ্লীল ভিডিও ছড়ানোর অভিযোগে যুবক গ্রেপ্তার

বুধবার (১৪ অক্টোবর) ভোর ৪টার দিকে জেলার সোনাতলা উপজেলার দক্ষিণ আটকোরিয়া এলাকায় জহুরুল ইসলামের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি সোনাতলা উপজেলার কর্নিপাড়া (আগাবরগাছা) এলাকার বাসিন্দা। তার বাবার নাম বাবলু মিয়া। মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালের ১৮ জানুয়ারি ওই নারীর সঙ্গে রাজুর বিয়ে হয়। সংসার চলাকালে রাজু অন্য নারীদের সঙ্গে পরকীয়ায় জড়ালে স্ত্রী প্রতিবাদ করেন। পরে ২০২৬ সালের ১০ জানুয়ারি তাকে বাবার বাড়িতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। একই বছরের ৬ জুন তাকে তালাকের কাগজ পাঠানো হয়। এজাহারে অভিযোগ করা হয়, সংসার চলাকালে কৌশলে স্ত্রীর কিছু অশ্লীল ছবি ও ভিডিও ধারণ করে রেখেছিলেন রাজু। তালাকের পর স্ত্রীর কাছে থাকা কিছু কাগজপত্র ফেরত চেয়ে চাপ দিতে থাকেন তিনি। কাগজপত্র ফেরত না দিলে অশ্লীল ছবি ও ভিডিও অনলাইনে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেন। একপর্যায়ে গত ৪ অক্টোবর নিজের হোয়াটসঅ্যাপ নম্বর থেকে সেসব ছবি ও ভিডিও ওই নারী, তার পরিবারের সদস্য ও আত্মীয়স্বজনের কাছে পাঠান বলে অভিযোগ করা হয়েছে। মামলার পরিপ্রেক্ষিতে সিপিএসসি বগুড়ার এসআরবি-১২-এর একটি দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে। /শান্ত/