Advertisement(970X90).png
Advertisement(300X90).png

১৫ কার্তিক ১৪৩৩, ১৯ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬

আদাবরে ভবন মালিকদের কাছে চাঁদা দাবি, ছাত্রদলের আহ্বায়ক আটক
আদাবরে ভবন মালিকদের কাছে চাঁদা দাবি, ছাত্রদলের আহ্বায়ক আটক

রাজধানীর আদাবরে সিটি করপোরেশনের পয়োনিষ্কাশন ও ড্রেনেজ উন্নয়নকাজে বাধা দেওয়া এবং ভবনমালিকদের কাছে চাঁদা দাবির অভিযোগে মো. নয়ন হোসেন নামে একজনকে আটক করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। আটককৃত নয়ন হোসেন আদাবর থানা ছাত্রদলের আহ্বায়ক। বুধবার (২১ অক্টোবর) রাতে তাঁকে আটক করা হয়। এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন ডিবি তেজগাঁও বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) মো. জিয়াউদ্দিন। তিনি জানান, আটককৃত ছাত্রদল নেতা নয়নের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে, আদাবর এলাকায় সিটি করপোরেশনের পয়োনিষ্কাশন ও ড্রেনেজ উন্নয়নকাজে বাধা দেওয়ার পাশাপাশি বিভিন্ন ভবনমালিকের কাছে চাঁদা দাবি করেছিলেন। এসব অভিযোগে তাঁকে আটক করা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে থানায় নিয়মিত মামলায় তাঁকে হস্তান্তর করা হবে বলেও জানান তিনি। এই বিষয়ে আদাবর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহিদুর রহমান জানান, ডিবি পুলিশ নয়নকে আটক করেছে বলে তিনি জেনেছেন। তাকে এখনও থানায় হস্তান্তর করা হয়নি। /এমএইচ/

মাদকের আস্তানায় প্রতিমন্ত্রী ইশরাকের অভিযান, আটক ৬
মাদকের আস্তানায় প্রতিমন্ত্রী ইশরাকের অভিযান, আটক ৬

মঙ্গলবার (১৭ অক্টোবর) ঢাকা-৬ আসনের গেন্ডারিয়া থানার ৪৫ নম্বর ওয়ার্ডের রেললাইনসংলগ্ন একটি বস্তিতে মাদকের আস্তানায় আকস্মিক অভিযান চালান প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন। এই সময় মাদক কারবারে জড়িত সন্দেহে ছয়জনকে আটক করা হয়। অভিযানকালে এলাকাবাসীর উদ্দেশে ইশরাক হোসেন বলেন, এলাকায় যারা মাদক বিক্রি করে, তাদের স্থান আমার এই ঢাকা-৬ আসনে নাই। স্বৈরাচার সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন করে সরকার পতন করেছি। আর এই মাদক কারবারিদের কোনো টাইম আছে? এই এলাকায় যত বড় মাদক কারবারি হোক না কেন, তারা যে দলেরই হোক না কেন, যদি আমার দলের হয়, তাহলে তাদের শাস্তি আরও বড় হবে। মাদকাসক্তির কারণে তরুণ সমাজ ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এই মাদকের কারণে আমাদের তরুণ সমাজ ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। গত ছয় মাস ধরে গোয়েন্দা দিয়ে তথ্য সংগ্রহ করছি। যারা বাইরে থেকে এসে মাদক দিয়ে যায়, তাদের আটক করতে পারবে-এমন ব্যক্তিদের আমার মাথায় করে রাখবো। আমার এই এলাকা থেকে মাদকবিরোধী অভিযান শুরু হয়েছে। বাংলাদেশে কোথাও মাদকের জায়গা হবে না। অভিযানের সময় আটক ব্যক্তিরা ছেড়ে দেওয়ার জন্য হাতজোড় করলে তাদের আশ্বস্ত করেন ইশরাক হোসেন। তিনি বলেন, তোমাদের গায়ে কেউ হাত দেবে না, তোমাদের কেউ কিছু করবে না। তোমরা থানায় যাবা, পুলিশ তোমাদের ব্যবস্থা নেবে। তোমাদের মারার জন্য আমরা আসি নাই। এই দেশ আইনের মাধ্যমে চলবে। তাদের বিচার হবে, বিচারের মাধ্যমে তাদের শাস্তি হবে। এর আগেও ঢাকা-৬ আসনের বিভিন্ন এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান চালিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন। আসনটিকে মাদকমুক্ত করতে এই অভিযান অব্যাহত রাখার পাশাপাশি এলাকাবাসীর সহযোগিতা চেয়েছেন তিনি। এই বিষয়ে গেন্ডারিয়া থানার (ওসি) মনিরুজ্জামান মনির বলেন, প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন ৬ জনকে আটক করে থানায় ফোন দেন। পরে থানা থেকে পুলিশ সদস্যরা গিয়ে তাদের নিয়ে আসেন। ওসি বলেন, আটক ব্যক্তিদের কাছে সাদা পাউডারজাতীয় পদার্থ পাওয়া গেছে। সেগুলো হেরোইন কি না, তা পরীক্ষার মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া যাবে। /শান্ত/

প্রশ্নের ছবি তুলে পাঠানোর চেষ্টা, পরীক্ষার্থীর কারাদণ্ড
প্রশ্নের ছবি তুলে পাঠানোর চেষ্টা, পরীক্ষার্থীর কারাদণ্ড

শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) রাজধানীর বেগম বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজ পরীক্ষা কেন্দ্রে এই ঘটনা ঘটে। যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. নূর আলম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। দণ্ডপ্রাপ্ত রেশমা আক্তার কুড়িগ্রামের বাসিন্দা। পরীক্ষা চলাকালে গোপনে মোবাইল ফোন ব্যবহার করে প্রশ্নপত্রের ছবি তুলে বাইরে পাঠানোর চেষ্টা করলে কেন্দ্রের পরিদর্শকের হাতে আটক হন তিনি। পরে লালবাগ রাজস্ব সার্কেলের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আমিনুল ইসলামের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ার পর তাঁকে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। দণ্ডাদেশের পর ওই পরীক্ষার্থীকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এই সময় তাঁর ব্যবহৃত মোবাইলটিও জব্দ করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

কুমিল্লায় কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযানে আটক ৫১৯
কুমিল্লায় কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযানে আটক ৫১৯

শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) দুপুরে জেলা পুলিশের মিডিয়া কর্মকর্তা ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. লুৎফর রহমান গণমাধ্যমকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, আটক ব্যক্তিদের অপরাধের সঙ্গে সম্পৃক্ততা যাচাই-বাছাই করে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। পুলিশ জানায়, কিশোর গ্যাংয়ের তৎপরতা ও কিশোর বয়সী ছেলেদের উৎপাত আছে, এমন স্থানগুলো লক্ষ্য করে এই অভিযান চালানো হয়। জেলা পুলিশের সব ইউনিট ও ডিবি অভিযানে অংশ নেয়। উঠতি বয়সী কিশোররা যেন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে না পড়ে, সে জন্য অভিযান চালানো হচ্ছে। পাশাপাশি অভিযানে কোনো নিরপরাধ ব্যক্তি যেন হয়রানির শিকার না হন, সে বিষয়েও কঠোর নজরদারি করা হচ্ছে। এর আগে ১১ অক্টোবর সপ্তম দফার অভিযানে ৩৫৩ জন এবং ৮ অক্টোবর ষষ্ঠ দফার অভিযানে ২৫২ জনকে আটক করা হয়েছিলো। কিন্তু তাদের মধ্যে যাচাই-বাছাই শেষে কতজনের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হয়, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি। পুলিশের হিসাব অনুযায়ী, প্রথম ৫ দফার অভিযানে মোট ২ হাজার ৪২ জনকে আটক করা হয়। তাদের মধ্যে ১ হাজার ৪০৯ জনকে যাচাই-বাছাই শেষে মুচলেকা নিয়ে অভিভাবকের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়। অন্যদের বিরুদ্ধে অভিযোগ ও অপরাধে সম্পৃক্ততার ভিত্তিতে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হয়। /সোহেল/

যন্তর মন্তরে ঢোকার চেষ্টা, সিজেপির ২ নেতা আটক
যন্তর মন্তরে ঢোকার চেষ্টা, সিজেপির ২ নেতা আটক

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়া ও এএনআইয়ের প্রতিবেদন অনুযায়ী, যন্তর মন্তরকে বিক্ষোভের নির্ধারিত স্থান হিসেবে বাতিল করার পর সেখানে জড়ো হন সিজেপির নেতাকর্মীরা। তারা নিরাপত্তাবেষ্টনী অতিক্রম করে ভেতরে প্রবেশের চেষ্টা করলে পুলিশ তাদের আটক করে। পরে ঘটনাস্থল থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়। সিজেপি নেতা অভিজিৎ দিপকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে ৩ নেতাকে আটকের কথা জানিয়েছেন। তিনি লেখেন, জাতীয় পতাকা হাতে দলের নেতাকর্মীরা ভোরে যন্তর মন্তরে প্রবেশ করেছিলেন। পরে পুলিশ তাদের আটক করে। যন্তর মন্তরকে বিক্ষোভস্থলের তালিকা থেকে বাদ দিলেও প্রতিবাদের অধিকার কেড়ে নেওয়া যায় না বলে মন্তব্য করেন তিনি। এর আগে যন্তর মন্তরকে বিক্ষোভের নির্ধারিত স্থান হিসেবে বাতিলের সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেন দিপকে। কংগ্রেস নেতা জয়রাম রমেশও এই সিদ্ধান্তের সমালোচনা করে বলেছেন, এর ফলে শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদের সুযোগ সীমিত হচ্ছে। গণতান্ত্রিক অধিকার ও ভিন্নমত প্রকাশের স্বাধীনতা নিয়েও উদ্বেগ জানিয়েছেন তিনি। /শান্ত/

দিল্লিতে বিক্ষোভের সংবাদ সংগ্রহে গিয়ে আটক ১২ সাংবাদিক
দিল্লিতে বিক্ষোভের সংবাদ সংগ্রহে গিয়ে আটক ১২ সাংবাদিক

অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের (এআইএসএ) ডাকা বিক্ষোভের সংবাদ সংগ্রহের সময় সাংবাদিকদের আটক করা হয়। এই ঘটনায় পুলিশের বিরুদ্ধে দুর্ব্যবহার ও সাংবাদিকদের কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ‘হিন্দুস্তান’-এর ২৭ বছর বয়সি প্রতিবেদক আশিস সিং জানান, বেলা আড়াইটার দিকে আরকে আশ্রম মার্গ এলাকায় বিক্ষোভের খবর সংগ্রহের সময় পুলিশ তাকে আটক করে। তার অভিযোগ, গলায় সংবাদমাধ্যমের পরিচয়পত্র থাকা সত্ত্বেও পুলিশ তা আমলে নেয়নি। এই সময় ধাক্কাধাক্কিতে তিনি আহত হন এবং একটি ধারালো বস্তু দিয়ে তাকে আঘাত করা হয়। পরে এক আলোকচিত্রীর সঙ্গে তাকে জোর করে বাসে তোলা হয়। প্রায় ২০ থেকে ৩০ মিনিট পর মন্দির মার্গ এলাকায় পৌঁছালে তারা বাস থেকে নেমে যান। আটক অন্য সাংবাদিকদের মধ্যে ‘ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস হিন্দি’, ‘দ্য হিন্দু’ এবং বিভিন্ন ডিজিটাল সংবাদমাধ্যমের কর্মীরা রয়েছেন। ‘ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস’ জানিয়েছে, তাদের তিন সাংবাদিককে কনট প্লেস এলাকা থেকে আটক করে প্রায় ১২ কিলোমিটার দূরের ছত্রসাল স্টেডিয়ামে নেওয়া হয়। প্রায় ৪৫ মিনিট পর তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়। ‘দ্য হিন্দু’র এক নারী প্রতিবেদককেও সন্ধ্যায় সাময়িকভাবে আটক করা হয়েছিলো। সাংবাদিকদের আটকের বিষয়ে মন্তব্য করতে রাজি হননি দিল্লি পুলিশের জনসংযোগ কর্মকর্তা। /শান্ত/