Advertisement(970X90).png
Advertisement(300X90).png

১৫ কার্তিক ১৪৩৩, ১৯ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬

আইএমএফের ঋণ পেতে শর্ত পূরণ করতে হবে: অর্থমন্ত্রী
আইএমএফের ঋণ পেতে শর্ত পূরণ করতে হবে: অর্থমন্ত্রী

বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) ব্যাংককে আইএমএফের ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর নাইজেল ক্লার্কের সঙ্গে বৈঠক শেষে অর্থমন্ত্রী এসব কথা বলেন। অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘নতুন কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা ইতিবাচকভাবে এগোচ্ছে। তবে এই কর্মসূচির আওতায় কী ধরনের শর্ত থাকবে এবং সেগুলো কীভাবে পূরণ করা হবে, তা নিয়ে আরও আলোচনা হবে। কিছু বিষয়ে দুই পক্ষের সমঝোতার মাধ্যমে সমাধানে পৌঁছানো হবে।’ তিনি বলেন, ব্যাংকিং খাত, ট্যাক্স-জিডিপি অনুপাত, ব্যাংকের পুনঃমূলধনীকরণ এবং সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতাসহ বিভিন্ন বিষয়ে আইএমএফের পর্যবেক্ষণ রয়েছে। এসব বিষয়ে বাংলাদেশেরও সম্মতি রয়েছে। ইতোমধ্যে অনেক সমস্যার সমাধান হয়েছে, বাকি বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা চলবে। সংস্কারের বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে আইএমএফের প্রশ্ন রয়েছে- সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নে অর্থমন্ত্রী বলেন, আমাদেরও কিছু অবজারবেশন আছে। সেই অবজারবেশন আছে। ব্যাংক, ট্যাক্স-জিডিপি অনুপাত নিয়ে ওদের অবজারবেশন আছে। আমরা এসব অবজারবেশন নিয়ে একমত। ইতিমধ্যে অনেকগুলো পূরণও হয়ে গেছে। /শান্ত/

বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে ১০ বিলিয়ন ডলারের ঋণ নিয়ে আলোচনা চলছে: অর্থমন্ত্রী
বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে ১০ বিলিয়ন ডলারের ঋণ নিয়ে আলোচনা চলছে: অর্থমন্ত্রী

মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) থাইল্যান্ডের ব্যাংককে বিশ্বব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের (এমডি) সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এই কথা বলেন। অর্থমন্ত্রী বলেন, অতিরিক্ত সহায়তার বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। এটি একটি চলমান প্রক্রিয়া, যার ভিত্তিতে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে। আগামী কয়েক মাস ধরে আলোচনা চলবে। এই বিষয়ে ঢাকাতেও আলোচনা অব্যাহত থাকবে। বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে আলোচনার অগ্রগতিতে সন্তোষ প্রকাশ করে আমির খসরু বলেন, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক নীতি, কর্মসূচি এবং মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন পরিকল্পনার সঙ্গে সংস্থাটির সমঝোতা রয়েছে। অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনা এবং বর্তমান পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে সরকারের নেওয়া নীতির সঙ্গেও বিশ্বব্যাংক একমত। তিনি বলেন, সরকার দায়িত্ব নেওয়ার সময় দেশের অর্থনীতি সংকটের মধ্যে ছিলো। আগের সময়ের বিভিন্ন দায়দায়িত্বের পাশাপাশি বিশ্বজুড়ে চলমান যুদ্ধের কারণে সৃষ্ট অর্থনৈতিক সংকটও মোকাবিলা করতে হচ্ছে। এসব বিষয় বিশ্বব্যাংক অনুধাবন করছে। বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে অংশীদারত্বের কাঠামো নিয়েও আলোচনা চলছে বলে জানান অর্থমন্ত্রী। এই বিষয়ে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে লিখিত প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। বিশ্বব্যাংকও বিভিন্ন সুপারিশ ও পরামর্শ দিয়েছে। /শান্ত/

আইএমএফ-এর নতুন ঋণচুক্তি নিয়ে অস্বস্তি নেই, আলোচনায় অগ্রগতি হয়েছে: অর্থমন্ত্রী
আইএমএফ-এর নতুন ঋণচুক্তি নিয়ে অস্বস্তি নেই, আলোচনায় অগ্রগতি হয়েছে: অর্থমন্ত্রী

সোমবার (১২ অক্টোবর) ব্যাংককে বিশ্বব্যাংকের দক্ষিণ এশিয়া বিভাগের ভাইস প্রেসিডেন্ট জোহানেস জুটের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ইতোমধ্যে সংস্থাটির সঙ্গে তাদের অনেকগুলো বৈঠক হয়েছে এবং আগামী দুই দিন নতুন ঋণ পাওয়ার বিষয়ে আরও আলোচনা হবে। এ বিষয়ে সরকার 'অবশ্যই আশাবাদী'। তিনি জানান, আইএমএফ-এর সঙ্গে নতুন ঋণচুক্তি নিয়ে আলোচনা করার ক্ষেত্রে অস্বস্তির কোনো কারণ নেই। আশা করছি, আইএমএফ আমাদের সঙ্গে একমত হবে। একমত না হওয়ার কোনো কারণ নেই। কারণ, আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংক যা চাইছে, বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই আমাদের অবস্থানের সঙ্গে মিল রয়েছে। দু-একটি বিষয়ে ভিন্নতা আছে। সেগুলো আমরা ধারাবাহিকতা অনুযায়ী বিবেচনা করছি। আন্তর্জাতিক বাজারে তেল, গ্যাসের উচ্চমূল্যের কারণে অর্থনীতিতে একটা 'কুশন' বা সুরক্ষা বলয় দরকার জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, 'এজন্য বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে পার্টনারশীপ ফ্রেমওয়ার্ক এগ্রিমেন্ট স্বাক্ষরের বিষয়ে আলোচনা চলছে। সংস্থাটির একটি টিম বাংলাদেশ সফরে যাবে এবং সেখানেও আলোচনা হবে। আমি মনে করি আমরা সঠিক পথেই আছি। তিনি বলেন, 'এই পার্টনারশীপ এগ্রিমেন্টের মাধ্যমে কেবল প্রজেক্ট ফিনান্স নয়, গ্লোবাল এনার্জি সেক্টর আনরেস্টেও কুশন দরকার। এ বিষয়ে আলোচনা করেছি। বিশ্বব্যাংক আগেও সাপোর্ট করেছে, আগামী দিনেও সাপোর্ট করবে।’ অর্থমন্ত্রীর নেতৃত্বে বাংলাদেশের একটি প্রতিনিধিদল সোমবার সকালে ব্যাংককে আইএমএফের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেছে। ঋণদাতা সংস্থাটির সঙ্গে সম্পর্ক পুনর্মূল্যায়ন এবং অর্থায়নের বিকল্প উৎস খুঁজে বের করার উদ্যোগের অংশ হিসেবে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এর আগে, আগের সরকারের নেওয়া ৫৫০ কোটি ডলারের ঋণ কর্মসূচির শর্ত নিয়ে মতবিরোধের জেরে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) বিদ্যমান কর্মসূচি থেকে সরে আসার সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশ। বিএনপি সরকার মনে করে, কর্মসূচির কিছু শর্ত দেশের অর্থনৈতিক বাস্তবতা ও জনস্বার্থের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। রাজস্ব আহরণ, করব্যবস্থা, ভর্তুকি ও ব্যাংক খাতের সংস্কার নিয়ে মূলত এ মতবিরোধ তৈরি হয়েছে। কর অব্যাহতি প্রত্যাহার, ভর্তুকি যৌক্তিকীকরণ এবং বিনিময় হার ব্যবস্থায় আরও নমনীয়তা আনার পাশাপাশি আর্থিক খাতকে শক্তিশালী করার পদক্ষেপ নিতে বলেছে আইএমএফ। তবে এসব পদক্ষেপের অর্থনৈতিক ও সামাজিক প্রভাব নিয়ে উদ্বেগ জানিয়ে কিছু শর্ত বাস্তবায়নে আপত্তি জানিয়েছে সরকার। আগের ঋণ কর্মসূচির আওতায় বাংলাদেশ প্রায় ৩৬০ কোটি ডলার পেয়েছিল। পরে ওই কর্মসূচি স্থগিত করে নতুন কর্মসূচি নিয়ে আলোচনার উদ্যোগ নেয় সরকার। এরপর সরকারের অগ্রাধিকার অনুযায়ী ধাপে ধাপে সংস্কার বাস্তবায়নের পরিকল্পনা নিয়ে আইএমএফ-এর কাছ থেকে নতুন করে ৪০০ থেকে ৪৫০ কোটি ডলারের ঋণ প্যাকেজ নেওয়ার চেষ্টা করছে বাংলাদেশ। - কেআর