প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফর: দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যে ১৩ বিলিয়ন ডলারের হাতছানি
বাংলাদেশের অর্থনৈতিক কূটনীতি ও দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যের পরিসরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আসন্ন জাপান সফরকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ও দূরদর্শী পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন দেশের ব্যবসায়ী ও অর্থনীতিবিদরা। তারা মনে করছেন, ইউরোপ ও আমেরিকার প্রথাগত বাজারের বাইরে দেশের রপ্তানি বহুমুখীকরণ, বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ ও অবকাঠামো উন্নয়নে জাপানের সহায়তার পরিধি বাড়ানোর এটি এক বড় সুযোগ। বিশেষ করে, গত ফেব্রুয়ারিতে স্বাক্ষরিত বাংলাদেশ-জাপান অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি (ইপিএ) দ্রুত বাস্তবায়ন এবং দেশের ব্যবসা-বাণিজ্যকে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার প্রত্যাশায় মুখিয়ে আছেন দেশের শীর্ষস্থানীয় উদ্যোক্তারা।
আগামী ২৬ থেকে ২৯ অক্টোবর টোকিও সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তাঁর জাপান সফরকে ঘিরে ব্যবসায়ীদের প্রত্যাশা অনেক। তারা চান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের টোকিও সফরকে কাজে লাগিয়ে রপ্তানি বাণিজ্য সম্প্রসারণের পাশাপাশি আরও জাপানি বিনিয়োগ আকর্ষণসহ অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব চুক্তি (ইপিএ) দ্রুত বাস্তবায়নে জোর দিক সরকার।
জাপান-বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (জেবিসিসিআই) সাবেক সভাপতি তারেক রফি ভূঁইয়া বলেন, জাপানে বাংলাদেশি পণ্যের চাহিদা বাড়ায় রপ্তানি বৃদ্ধির যথেষ্ট সম্ভাবনা রয়েছে। ইউরোপ ও যুক্তরাষ্ট্রের পাশাপাশি জাপানও বাংলাদেশের অন্যতম সম্ভাবনাময় রপ্তানি গন্তব্য হয়ে উঠতে পারে।
বিশ্বব্যাংক ঢাকা কার্যালয়ের সাবেক মুখ্য অর্থনীতিবিদ ড. জাহিদ হোসেন মনে করেন, প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফর দুই দেশের ব্যবসায়ীদের মধ্যে যোগাযোগ ও সম্পর্ক জোরদারের সুযোগ হিসেবে কাজে লাগানো উচিত। তিনি বলেন, এই সফরে বাংলাদেশে বিনিয়োগের সম্ভাবনা ও সুযোগগুলো জাপানি বিনিয়োগকারীদের সামনে তুলে ধরার পাশাপাশি সম্ভাবনাময় উচ্চমূল্য সংযোজিত শিল্প খাতে যৌথ বিনিয়োগ আকর্ষণের ওপর গুরুত্ব দিতে হবে।
দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যে নতুন দিগন্ত
বাংলাদেশ ও জাপানের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ইতোমধ্যে ৩৩০ কোটি ডলার অতিক্রম করেছে। জাপান বর্তমানে বিশ্বের নবম ও এশিয়ায় দ্বিতীয় বৃহত্তম বাংলাদেশি পণ্যের রপ্তানি গন্তব্য। তবে দুই দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ককে বর্তমান পর্যায় থেকে বহুগুণ বাড়িয়ে তোলার মূল চাবিকাঠি হলো অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি (ইপিএ)।
এই প্রসঙ্গে ড. জাহিদ হোসেন বলেন, বাংলাদেশের প্রত্যাশার জায়গা থেকে প্রথমেই অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তির বিষয়টি আসবে। এই চুক্তি বাস্তবায়নের জন্য দুই দেশের সরকারের উচ্চপর্যায় থেকে কিছু নির্দেশনা প্রয়োজন। চুক্তির পর কী অগ্রগতি হয়েছে, কোথায় আটকে আছে; এসব বিষয় পর্যালোচনা করতে হবে। তিনি বলেন, জাপানের বাজারে বাংলাদেশের পণ্যের প্রবেশাধিকার ও শুল্কসংক্রান্ত বিষয়গুলো নিয়েও দুই পক্ষের বিস্তারিত আলোচনা হওয়া প্রয়োজন, যেন ব্যবসায়ীরা জানতে পারে তাদের জন্য কী ধরনের সুযোগ রয়েছে।
জাপান-বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (জেবিসিসিআই) সেক্রেটারি জেনারেল রবিউল আলমের মতে, ইপিএ কার্যকর হলে আগামী কয়েক বছরে দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য বর্তমানের ৩ বিলিয়ন ডলার থেকে বেড়ে ১২ থেকে ১৩ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত হওয়ার বিশাল সম্ভাবনা রয়েছে।
এই সম্ভাবনা কাজে লাগানোর জন্য প্রস্তুতি নেওয়ার ওপর জোর দেন রবিউল আলম। তিনি বলেন, জাপানের বাজারে রপ্তানি বাড়ানোর জন্য মানসম্পন্ন পণ্য উৎপাদন, প্রয়োজনীয় মানদণ্ড পূরণ ও রপ্তানি সক্ষমতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। শুধু চুক্তি সই করলেই হবে না, এর সুবিধা কাজে লাগানোর মতো সক্ষমতাও গড়ে তুলতে হবে।
রবিউল আলম বলেন, জাপানের বাজারের চাহিদা বুঝে পণ্য উৎপাদন করতে হবে এবং দেশটির নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণ করতে হবে। এসব সক্ষমতা একদিনে তৈরি করা সম্ভব নয়। ধাপে ধাপে প্রস্তুতি নিতে হবে এবং বিদ্যমান চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলা করতে হবে।
ব্যবসায়ীদের জোরালো দাবি, প্রধানমন্ত্রীর এই সফরে ইপিএ-এর অনুমোদন প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করার জন্য দুই দেশের উচ্চপর্যায় থেকে সুনির্দিষ্ট রাজনৈতিক নির্দেশনা ও রূপরেখা ঘোষণা করা হোক। চুক্তিটি বাস্তবায়িত হলে প্রায় সাত হাজারের বেশি পণ্যে শুল্কমুক্ত বাজার সুবিধা পাওয়ার পথ উন্মুক্ত হবে।
এজন্য প্রয়োজন ইপিএ চু্ক্তির শর্তাবলি প্রকাশ করা। ইপিএর পূর্ণাঙ্গ শর্ত প্রকাশিত হলে কোন কোন খাতে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি সুবিধা পাবে, তা আরও পরিষ্কার হবে। তখন সরকার ও ব্যবসায়ী সংগঠনগুলো যৌথভাবে রপ্তানি বাড়ানোর কৌশল নির্ধারণ করতে পারবে।
রবিউল আলম বলেন, আমাদের মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত, চুক্তির সুযোগ কাজে লাগিয়ে কিভাবে সর্বোচ্চ রপ্তানি প্রবৃদ্ধি অর্জন করা যায়, তার একটি কার্যকর পথ-নকশা তৈরি করা।
রপ্তানি বহুমুখীকরণ
দীর্ঘদিন ধরে জাপানে বাংলাদেশের মোট রপ্তানির প্রায় ৮০ শতাংশই দখল করে আছে তৈরি পোশাক খাত। বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ) জাপানের বাজারে পোশাক রপ্তানি ৩০০ কোটি ডলারে উন্নীত করার সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে। ইতোমধ্যে জাপানের বাজারের জন্য উত্তরা কার্যালয়ে বিশেষ ডেস্ক চালু করা হয়েছে। আগামী মাসে হংকংয়ে আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডগুলোকে আকৃষ্ট করতে রোড-শো হওয়ার কথা রয়েছে।
পোশাকের ওপর একচ্ছত্র নির্ভরতা কমিয়ে অর্থনীতিকে টেকসই করতে বহুমুখীকরণের তাগিদ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। এ ক্ষেত্রে যে খাতগুলো সবচেয়ে বেশি সম্ভাবনা জাগিয়েছে, সেগুলো হলো, কৃষিপণ্য ও প্রক্রিয়াজাত খাদ্য, কৃষি ও প্রাণিসম্পদভিত্তিক পণ্য এবং ওষুধশিল্প ।
কৃষিপণ্য ও প্রক্রিয়াজাত খাদ্য: জাপানি বাজারে খাদ্যনিরাপত্তা এবং কঠোর মান নিয়ন্ত্রণ প্রক্রিয়া মেনে কৃষিপণ্য রপ্তানির সুযোগ রয়েছে।
কৃষি ও প্রাণিসম্পদভিত্তিক পণ্য: স্বাস্থ্যসম্মত ও মানসম্মত পশুখাদ্য বা প্রক্রিয়াজাত আমিষপণ্য রপ্তানির নতুন বাজার তৈরি করা।
ওষুধশিল্প (ফার্মাসিউটিক্যালস): উচ্চমূল্য সংযোজিত এই খাতে জাপানের কঠোর সার্টিফিকেশন পূরণ করে নিজেদের অবস্থান তৈরি করা।
বিশ্লেষকরা বলছেন, এলডিসি (স্বল্পোন্নত দেশ) থেকে উত্তরণের পরও জাপান আগামী তিন বছর শুল্কমুক্ত সুবিধা বহাল রাখার যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, তা সময়মতো কাজে লাগাতে হলে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড ও সনদ অর্জনে আমাদের উৎপাদন সক্ষমতা রাতারাতি বাড়িয়ে নিতে হবে।
ডা. জাহিদ হোসেন বলেন, জাপানের বাজারের নিজস্ব কিছু সংবেদনশীলতা রয়েছে। ফলে সেখানে পণ্য রপ্তানি করতে হলে নির্দিষ্ট মানদণ্ড পূরণ করতে হয়। কোন ধরনের প্রতিষ্ঠানের সনদের ভিত্তিতে বাংলাদেশের পণ্য জাপানের বাজারে প্রবেশ করতে পারবে, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। বিশেষ করে কৃষি ও প্রক্রিয়াজাত কৃষিপণ্যের ক্ষেত্রে মানের বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
১৪ বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ প্যাকেজ
জাপান বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান উন্নয়ন অংশীদার হলেও বিগত বছরগুলোতে বাংলাদেশে জাপানি প্রত্যক্ষ বিনিয়োগের (এফডিআই) পরিমাণ আশানুরূপ ছিল না। বিগত পাঁচ অর্থবছরে জাপানের সর্বোচ্চ বার্ষিক বিনিয়োগ ছিল ১০০ কোটি ডলারের কাছাকাছি। এই স্থবিরতা ভাঙতে প্রধানমন্ত্রীর এবারের সফরে জাপানের কাছে ২.২ ট্রিলিয়ন ইয়েন বা প্রায় ১৪ বিলিয়ন ডলারের একটি কৌশলগত বিনিয়োগ ও সহযোগিতা প্যাকেজের প্রস্তাব দেওয়া হচ্ছে।
২০২৬-৩১ মেয়াদের এই প্যাকেজে ১২টি অগ্রাধিকার খাত এবং বিগ-বি’(বে অব বেঙ্গল ইন্ডাস্ট্রিয়াল গ্রোথ বেল্ট) ২.০ কাঠামোর বিভিন্ন প্রকল্প অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিশাল বিনিয়োগ ও বাজেট সহায়তা সফল করতে হলে মাঠপর্যায়ে দৃশ্যমান অগ্রগতি থাকতে হবে। বিশেষ করে, নারায়ণগঞ্জের জাপানি অর্থনৈতিক অঞ্চল। এই অঞ্চলের উন্নয়ন কাজ দ্রুত শেষ করে পরিপূর্ণ অবকাঠামো ও গ্যাস-বিদ্যুৎ সংযোগ নিশ্চিত করা জরুরি, যাতে বিদেশি বিনিয়োগকারীরা এসে আস্থার পরিবেশ পান।
বিশ্বব্যাংক ঢাকা কার্যালয়ের সাবেক মুখ্য অর্থনীতিবিদ ড. জাহিদ হোসেন বলেন, জাপানি বিনিয়োগ বাড়ানো একটি বড় বিষয়। নারায়ণগঞ্জে জাপানি অর্থনৈতিক অঞ্চলের অগ্রগতি পর্যালোচনা করা জরুরি এবং সেখানে কোন ধরনের সুবিধা রয়েছে তা তুলে ধরতে হবে। প্রধানমন্ত্রীর সফরে জাপানি বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে বৈঠক করলে তাদের প্রত্যাশা ও উদ্বেগগুলো জানতে হবে। একই সঙ্গে বাংলাদেশ কোন ধরনের উদ্যোগ নিচ্ছে, তা স্পষ্ট করতে হবে।
তিনি বলেন, আমার মনে হয়, বাংলাদেশে গাড়ি উৎপাদন ও সেমিকন্ডাক্টর খাতে জাপানি বিনিয়োগের সম্ভাবনা রয়েছে। বাংলাদেশে গাড়ি তৈরি করে বিদেশের বাজারে বিক্রির সুযোগও বিবেচনা করা যেতে পারে। তবে কোন খাতে জাপানি বিনিয়োগকারীরা আগ্রহী এবং তাদের বিনিয়োগের জন্য বাংলাদেশকে আর কী করতে হবে, তা নিয়ে আলোচনা প্রয়োজন।
জেবিসিসিআই সেক্রেটারি জেনারেল রবিউল আলম বাংলাদেশে জাপানের বিনিয়োগ এখনো তুলনামূলক কম। আমরা আশা করছি, ইপিএ কার্যকর হলে বাংলাদেশে জাপানি কোম্পানিগুলোর বিনিয়োগের আগ্রহ বাড়বে। বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হলে নতুন বিনিয়োগের সুযোগ তৈরি হবে। ফলে আগামী দিনে বাংলাদেশে আরও বেশি জাপানি বিনিয়োগকারী আসবেন বলে আমরা আশাবাদী।
আমলাতান্ত্রিক জটিলতা নিরসন
বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরির ক্ষেত্রে কাগজ-কলমের প্রতিশ্রুতির চেয়ে বাস্তব রূপায়ণকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন ব্যবসায়ীরা। বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণের পথে প্রধান অন্তরায়গুলো হলো: প্রশাসনিক ও আমলাতান্ত্রিক দীর্ঘসূত্রতা এবং বন্দর ও সাপ্লাই চেইন ঘাটতি।
প্রশাসনিক ও আমলাতান্ত্রিক দীর্ঘসূত্রতার কারণে বিভিন্ন লাইসেন্স ও ছাড়পত্র পেতে ধীরগতির কারণে বিনিয়োগকারীদের বাড়তি সময় ও অর্থ অপচয় হয়। যদিও বিডা, বেজা এবং পিপিএ একীভূত করে ইনভেস্ট বাংলাদেশ’গঠন করা হয়েছে এবং ওয়ান স্টপ সার্ভিস চালু করা হয়েছে, তবুও এর সেবা মাঠপর্যায়ে পুরোপুরি কার্যকর করার তাগিদ রয়েছে।
আর বন্দর ও সাপ্লাই চেইন ঘাটতির করেণে কাস্টমস ক্লিয়ারেন্স এবং আমদানি-রপ্তানি সংক্রান্ত লজিস্টিকস প্রক্রিয়া সহজতর করা না গেলে কাঙ্ক্ষিত বৈদেশিক বিনিয়োগের সুফল পাওয়া অসম্ভব।
পলিসি এক্সচেঞ্জ বাংলাদেশের চেয়ারম্যান ড. এম মাসরুর রিয়াজ উল্লেখ করেছেন যে, বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে জাপানের সঙ্গে বাংলাদেশের অংশীদারিত্ব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অর্থনৈতিক কূটনীতির পাশাপাশি আঞ্চলিক নিরাপত্তা, বাজেট সহায়তা এবং বাজেট ঘাটতি মেটাতে জাপানের সহযোগিতা দেশের সার্বিক সামষ্টিক অর্থনীতিতে স্বস্তি ফিরিয়ে আনতে বড় ভূমিকা রাখবে।
প্রধানমন্ত্রীর এই জাপান সফর কেবল প্রথাগত দ্বিপক্ষীয় কূটনৈতিক সফর নয়; বরং এটি বাংলাদেশের অর্থনীতিকে একটি রূপান্তরমুখী কাঠামোর ওপর দাঁড় করানোর সুবর্ণ সুযোগ। ইপিএ চুক্তি দ্রুত কার্যকর করা, জাপানি বিনিয়োগকারীদের আস্থায় আনতে অর্থনৈতিক অঞ্চলের দৃশ্যমান অগ্রগতি দেখানো এবং রপ্তানি পণ্যের গুণগত মান নিশ্চিত করার সঠিক কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করতে পারলে বাংলাদেশ ও জাপানের এই অংশীদারত্ব ভবিষ্যতের স্মার্ট বাংলাদেশের পথচলাকে আরও বেগবান করবে।
