Advertisement(970X90).png
Advertisement(300X90).png

১৫ কার্তিক ১৪৩৩, ১৯ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬

সাজেকে পঞ্চম দিনের মতো অবরোধ চলছে
সাজেকে পঞ্চম দিনের মতো অবরোধ চলছে

সাজেক গণঅধিকার রক্ষা কমিটির আহ্বায়ক বাবুধন চাকমা জানান, সন্তু লারমার নেতৃত্বাধীন পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির (জেএসএস) সশস্ত্র সদস্যদের সাজেক এলাকা থেকে অপসারণ এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাসহ ৩ দফা দাবি বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত অবরোধ চলবে। আন্দোলনকারীদের ৩ দফা দাবির মধ্যে রয়েছে– সাজেক এলাকা থেকে সন্তু লারমা নেতৃত্বাধীন জেএসএসের সশস্ত্র সদস্যদের অবিলম্বে সরিয়ে নেওয়া, স্থানীয় পাহাড়ি জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং এলাকায় শান্তিপূর্ণ পরিবেশ ও স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ফিরিয়ে আনার কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া। এদিকে অবরোধের কারণে সাজেক পর্যটনকেন্দ্র বন্ধ থাকায় পর্যটনসংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। রাঙামাটি জেলা প্রশাসনের বিজ্ঞপ্তিতে গত ২২ অক্টোবর থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য সাজেকে পর্যটকদের ভ্রমণ বন্ধ ঘোষণা করা হয়। ফলে নতুন করে পর্যটকদের যাতায়াত বন্ধ রয়েছে। রাঙামাটি পুলিশ সুপার মুহম্মদ আব্দুর রকিব বলেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। সমস্যা সমাধানে আলোচনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। /এমএএইচ/

সাজেকে সেনাবাহিনী ও পুলিশের সহায়তায় ৩ হাজার পর্যটক উদ্ধার
সাজেকে সেনাবাহিনী ও পুলিশের সহায়তায় ৩ হাজার পর্যটক উদ্ধার

সেনাবাহিনীর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, পর্যটকদের নিরাপদে সরিয়ে নেওয়ার সময় সকাল ১০টার দিকে গঙ্গারাম বাজার এলাকায় অবরোধকারীরা সড়কে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে যান চলাচল বন্ধ করে দেন। সেনাবাহিনী ও পুলিশের সদস্যরা তাদের সঙ্গে আলোচনা করে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার চেষ্টা করেন। সেনাবাহিনীর দাবি, সকাল পৌনে ১১টার দিকে অবরোধকারীরা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও পর্যটকদের লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বাহিনীর সদস্যরা লাঠিচার্জ করে অবরোধকারীদের ছত্রভঙ্গ করেন। পরে সকাল ১১টার দিকে ইউপিডিএফের সশস্ত্র সদস্যরা আনুমানিক ৩০ থেকে ৪০ রাউন্ড গুলি ছোড়েন বলে প্রাথমিক তথ্যের বরাতে জানিয়েছে সেনাবাহিনী। এই সময় আত্মরক্ষা ও পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সেনাবাহিনীর টহল দল পাল্টা গুলি ছোড়ে। এরপর সশস্ত্র ব্যক্তিরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান। সেনাবাহিনীর বিবৃতিতে আরও বলা হয়, স্থানীয় লোকজনকে ভয়ভীতি দেখিয়ে অবরোধে অংশ নিতে বাধ্য করা এবং মানবঢাল হিসেবে ব্যবহারের অভিযোগ রয়েছে। এই ধরনের সহিংসতা পার্বত্য চট্টগ্রামের শান্তি, স্থিতিশীলতা, পর্যটনশিল্প ও স্থানীয় মানুষের জীবন-জীবিকার ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলছে বলে উল্লেখ করা হয়। পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তি ও জননিরাপত্তা বজায় রাখতে বেসামরিক প্রশাসন ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করে দায়িত্ব পালন অব্যাহত রাখার কথা জানিয়েছে সেনাবাহিনী। /শান্ত/

সাজেকে কী হচ্ছে, কার্যকর পদক্ষেপের আহ্বান শফিকুর রহমানের
সাজেকে কী হচ্ছে, কার্যকর পদক্ষেপের আহ্বান শফিকুর রহমানের

বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি বলেন, সাধারণ নাগরিকদের জীবন নিয়ে তামাশা করার অধিকার কারও নেই। সাজেককে কেন্দ্র করে কী ঘটছে, সে প্রশ্ন তুলে তিনি ভুয়া গোয়েন্দা তথ্যের পেছনে না ছুটে সঠিক তথ্যের ভিত্তিতে পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান। এদিকে সাজেকে আটকে পড়া পর্যটকেরা নিরাপত্তা বাহিনীর সহায়তায় খাগড়াছড়ির দীঘিনালার কাছাকাছি পৌঁছেছেন। এর আগে বৃহস্পতিবার সকালে প্রায় তিন হাজার পর্যটক সাজেক থেকে খাগড়াছড়ির উদ্দেশে রওনা হন। সকাল সাড়ে ৮টার দিকে তাঁ=দের গাড়িবহর উজোবাজার এলাকায় পৌঁছালে অবরোধকারীদের বাধার মুখে পড়ে। স্থানীয়ভাবে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে আঞ্চলিক দুটি সংগঠনের বিরোধের জেরে সাজেক সড়কে অবরোধের ডাক দেয় সাজেক গণঅধিকার রক্ষা কমিটি ও কার্বারি অ্যাসোসিয়েশন। /শান্ত/

সাজেকে ফের অবরোধ, সরিয়ে নেওয়া হলো পর্যটকদের
সাজেকে ফের অবরোধ, সরিয়ে নেওয়া হলো পর্যটকদের

রাঙামাটির বাঘাইছড়ির সাজেক সড়কে ফের অবরোধের কারণে আটকে পড়া ২ হাজার ৯৩৩ জন পর্যটককে বিশেষ নিরাপত্তায় খাগড়াছড়ি পাঠানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে পুলিশ ও সেনাবাহিনীর নিরাপত্তা প্রহরায় পর্যটকদের বহনকারী যানবাহনগুলো সাজেক থেকে বাঘাইহাটের উদ্দেশে রওনা হয়। সেখান থেকে তাদের খাগড়াছড়িতে পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়। এর আগে সকাল ৬টার দিকে সাজেক সড়কের বিভিন্ন স্থানে টায়ার জ্বালিয়ে পিকেটিং শুরু করেন অবরোধকারীরা। এতে সাজেকের সঙ্গে সড়ক যোগাযোগ ব্যাহত হয়। পর্যটকদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হলে তাদের নিরাপদে সরিয়ে নেওয়ার উদ্যোগ নেয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। বুধবার (২১ অক্টোবর) সন্ধ‌্যায় জারি করা জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে রাঙামাটি জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফী উল্লেখ করেন, বুধবার সন্ধ্যা ৭টা থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত রাঙামাটি জেলাধীন বাঘাইছড়ি উপজেলার অন্তর্গত সাজেক ভ্যালি পর্যটনকেন্দ্র সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করা হলো। একইসঙ্গে বর্তমানে সাজেক পর্যটন এলাকায় অবস্থানরত পর্যটকদের আগামী বৃহস্প‌তিবার (২২ অক্টোবর) বিকেল ৪টার মধ্যে সাজেক ত্যাগ করে নিজ নিজ গন্তব্যে নিরাপদে ফিরে যেতে বলা হয়েছে। ওইদিন বিকেলে বাঘাইছড়ি উপজেলার সাজেক সড়কে ফের অনির্দিষ্টকালের অবরোধ কর্মসূচির ঘোষণা দেয় সাজেক কার্বারি অ্যাসোসিয়েশন ও সাজেক গণঅধিকার রক্ষা কমিটি। ওইদিন বিকেলে সাজেক কার্বারি অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি নতুন জয় চাকমা এবং সাজেক গণঅধিকার রক্ষা কমিটির আহবায়ক বাবুধন চাকমা স্বাক্ষরিত গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এমন তথ্য জানানো হয়। বৃহস্পতিবার থেকে এই কর্মসূচি পালনের ঘোষণা দেয় সংগঠন দু’টি। ওই বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বুধবার সব পর্যটক যেন সাজেক ছেড়ে চলে যায়। পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা না দেওয়া পর্যন্ত এ কর্মসূচি পালন করা হবে বলে জানানো হয়। অবরোধ চলাকালে জরুরি ফায়ার সার্ভিস, অ্যাম্বুলেন্স ও লাশবাহী গাড়ি, জরুরি ওষুধ সরবরাহকারী ও সংবাদপত্র বহনকারী যান, সংবাদ সংগ্রহের কাজে ব্যবহৃত সাংবাদিকদের গাড়ি এই অবরোধের আওতামুক্ত থাকবে বলে নেতৃবৃন্দ বিবৃতিতে উল্লেখ করেন। এর আগে গত গত ১১ অক্টোবর সকাল ৬টা থেকে সাজেক কার্বারি অ্যাসোসিয়েশন ও সাজেক গণঅধিকার রক্ষা কমিটির ডাকে সাজেক-দীঘিনালা সড়কে অনির্দিষ্টকালের অবরোধ পালন করা হয়। অনাকাঙ্খিত ঘটনা এড়াতে এবং পর্যটকদের নিরাপত্তার স্বার্থে ১১ অক্টোবর সন্ধ্যা ৬টা থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য সাজেকে পর্যটন কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করে জেলা প্রশাসন। ওই বিজ্ঞপ্তিতে পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত পর্যটনকেন্দ্রটি বন্ধ রাখার কথা জানানো হয়। একই সঙ্গে সাজেকে অবস্থানরত পর্যটকদের ১৩ অক্টোবর বিকেল ৫টার মধ্যে এলাকা ছেড়ে নিজ নিজ গন্তব্যে নিরাপদে ফিরে যাওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিলো। এরপর দু’দিন কর্মসূচি বন্ধ রেখে সাজেকে ফের ১৫ অক্টোবর সড়ক অবরোধ কর্মসূচি পালন করে সংগঠন দু’টি। সাজেকের মাচালং বাজার দুর্গাপূজা উদযাপন কমিটির অনুরোধে এবং সারাদেশের সনাতন ধর্মালম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গোৎসবের প্রতি যথাযথ মর্যাদা ও সম্মান জানিয়ে সাজেক কার্বারি অ্যাসোসিয়েশন ও সাজেক গণঅধিকার রক্ষা কমিটির ডাকা সাজেক পর্যটন সড়ক অবরোধ কর্মসূচি ১৬ অক্টোবর থেকে ২১ অক্টোবর পর্যন্ত স্থগিত করেছিলো। সাজেক থেকে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির (পিসিজেএসএস) সন্তু গ্রুপের সশস্ত্র সদস্যদের সরিয়ে দিতে এবং সাজেকে ধারাবাহিক অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি, সাধারণ মানুষকে হুমকি ও ভয়ভীতি প্রর্দশনের প্রতিবাদ এবং সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তার ও স্থানীয়দের সার্বিক নিরাপত্তা ও জানমাল রক্ষার দাবিতে সাজেকে সড়ক অবরোধের কর্মসূচি পালন করছে সাজেক গণঅধিকার রক্ষা কমিটি ও সাজেক কার্বারি অ্যাসোসিয়েশন নামে দু’টি সংগঠন। /এমএইচ/

সাজেকে ফের অনির্দিষ্টকালের অবরোধের ঘোষণা
সাজেকে ফের অনির্দিষ্টকালের অবরোধের ঘোষণা

৩ দফা দাবি বাস্তবায়ন না হওয়ায় এবং প্রশাসনের প্রতিশ্রুতি পূরণ না করায় বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সকাল থেকে ফের সাজেক পর্যটন সড়কে অনির্দিষ্টকালের অবরোধের ঘোষণা দিয়েছে সাজেক গণঅধিকার রক্ষা কমিটি ও সাজেক কার্বারী অ্যাসোসিয়েশন। বুধবার (২১ অক্টোবর) গণমাধ্যমে পাঠানো এক যৌথ বিবৃতিতে এই ঘোষণা দেন সাজেক কার্বারী অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি নতুন জয় চাকমা ও সাজেক গণঅধিকার রক্ষা কমিটির আহ্বায়ক বাবুধন চাকমা। পরবর্তী ঘোষণা না দেওয়া পর্যন্ত অবরোধ চলবে বলে বিবৃতিতে জানানো হয়েছে। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বাঘাইহাট ও মাচলং বাজার দুর্গাপূজা উদযাপন কমিটির অনুরোধে এবং শারদীয় দুর্গাপূজার প্রতি সম্মান জানিয়ে ১৬ থেকে ২১ অক্টোবর পর্যন্ত অবরোধ স্থগিত রাখা হয়েছিলো। এই সময়ের মধ্যে দাবি বাস্তবায়ন না হওয়ায় পুনরায় অবরোধের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর আগে, গত ১১ অক্টোবর থেকে সাজেক পর্যটন সড়কে অনির্দিষ্টকালের অবরোধ শুরু করে সংগঠন দু’টি। সেদিন বাঘাইহাট জোনের উপ-অধিনায়ক মো. সালমান ও প্রশাসনের পক্ষ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে জনসংহতি সমিতির (জেএসএস) সন্তু গ্রুপের সশস্ত্র সদস্যদের সাজেক এলাকা থেকে সরিয়ে নেওয়াসহ ৩ দফা দাবি পূরণের আশ্বাস দেওয়া হয়েছিলো বলে সংগঠনগুলোর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। পরে শর্তসাপেক্ষে অবরোধ স্থগিত করা হলেও প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন না হওয়ার অভিযোগে ১৫ অক্টোবর আবার অবরোধ পালন করা হয়। দুর্গাপূজা উপলক্ষে ১৬ থেকে ২১ অক্টোবর পর্যন্ত কর্মসূচি স্থগিত রাখা হয়েছিলো। যৌথ বিবৃতিতে সংগঠন দু’টির নেতারা অভিযোগ করেন, জেএসএসের সন্তু গ্রুপের সশস্ত্র সদস্যরা এখনও আগের অবস্থানে রয়েছেন। তাঁদের দাবি, শতাধিক সাধারণ মানুষকে মৃত্যুর হুমকি ও ভয়ভীতি দেখিয়ে বাড়িঘর ছাড়তে বাধ্য করা হয়েছে। গ্রামবাসীদের মুঠোফোন কেড়ে নেওয়া হচ্ছে এবং নিরাপত্তাহীনতার কারণে জুমচাষিরা নিজেদের জমিতে হলুদ ও ঝাড়ুফুলের বাগান পরিষ্কার করতে পারছেন না। বিবৃতিতে আরও অভিযোগ করা হয়, সেনাবাহিনীর অভিযান কার্যকর ভূমিকা রাখছে না এবং সশস্ত্র সদস্যদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার পরিবর্তে প্রতিবাদকারীদের হয়রানি করা হচ্ছে। এসব অভিযোগের বিষয়ে প্রশাসন ও সেনাবাহিনীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। এদিকে, সাজেকে অবস্থানরত পর্যটকদের বুধবারের মধ্যেই পর্যটন এলাকা ত্যাগ করার অনুরোধ জানিয়েছে সংগঠন দু’টি। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, অবরোধ চলাকালে ফায়ার সার্ভিস, অ্যাম্বুলেন্স ও শববাহী গাড়ি, জরুরি ওষুধ সরবরাহকারী যানবাহন, সংবাদপত্র বহনকারী যান এবং সংবাদ সংগ্রহে নিয়োজিত সাংবাদিকদের গাড়ি অবরোধের আওতামুক্ত থাকবে। /এমএএইচ/