Advertisement(970X90).png
Advertisement(300X90).png

১৫ কার্তিক ১৪৩৩, ১৯ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬

নিবন্ধন ছাড়া অটোরিকশা চলাচলে নতুন বিধিমালা, গেজেট প্রকাশ করলো সরকার
নিবন্ধন ছাড়া অটোরিকশা চলাচলে নতুন বিধিমালা, গেজেট প্রকাশ করলো সরকার

বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) স্থানীয় সরকার বিভাগ ‘সিটি করপোরেশন এলাকায় ৩ চাকার স্বল্পগতির ব্যাটারিচালিত রিকশা (ই-রিকশা) চলাচল বিধিমালা, ২০২৬’ নামে প্রজ্ঞাপন জারি করে। বিধিমালাটি অবিলম্বে কার্যকর হবে। নতুন নিয়মে দুই যাত্রী ধারণক্ষমতার ই-রিকশার নিবন্ধন ফি ৮ হাজার এবং বার্ষিক নবায়ন ফি ৪ হাজার টাকা। ৪ যাত্রী ধারণক্ষমতার ই-রিকশার নিবন্ধন ফি ১০ হাজার ও নবায়ন ফি ৫ হাজার টাকা। সব ধরনের ই-রিকশার ফিটনেস সনদের জন্য দিতে হবে ১ হাজার টাকা। নিবন্ধনের মেয়াদ পাঁচ বছর। একটি জাতীয় পরিচয়পত্রের বিপরীতে সর্বোচ্চ পাঁচটি ই-রিকশা নিবন্ধন করা যাবে। বিধিমালায় ই-রিকশার সর্বোচ্চ গতিসীমা ঘণ্টায় ২৫ কিলোমিটার নির্ধারণ করা হয়েছে। স্কুল, হাসপাতাল, ধর্মীয় উপাসনালয় ও জনবহুল এলাকায় এই সীমা ঘণ্টায় ১৫ কিলোমিটার। আকার অনুযায়ী চালক ছাড়া দুই বা চারজন যাত্রী বহন করা যাবে। ই-রিকশা জাতীয় মহাসড়ক, এক্সপ্রেসওয়ে, এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে, বিআরটি করিডোর ও ফুটপাতে চলতে পারবে না। সিটি করপোরেশন ও ট্রাফিক বিভাগ যৌথভাবে চলাচলের রুট নির্ধারণ করবে। বিভিন্ন জোনে ভাগ করে প্রতিটি জোনের জন্য ই-রিকশার সংখ্যা, চলাচলের সড়ক ও নির্দিষ্ট রং নির্ধারণ করা হবে। প্রতিটি ই-রিকশার অর্থনৈতিক আয়ুষ্কাল নির্ধারণ করা হয়েছে ১২ বছর। অনুমোদিত চার্জিং পয়েন্ট বা লাইসেন্সপ্রাপ্ত গ্যারেজে ব্যাটারি চার্জ করতে হবে। পুরোনো ব্যাটারি যত্রতত্র ফেলা বা পোড়ানো নিষিদ্ধ করা হয়েছে। নিবন্ধন ছাড়া চালানো, অতিরিক্ত যাত্রী বহন, অনুমোদিত গতিসীমা অতিক্রম, নিষিদ্ধ এলাকায় চলাচল ও বিপজ্জনকভাবে গাড়ি চালানোর মতো কাজের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া যাবে। নতুন বিধিমালার মাধ্যমে ২০২৫ সালের ১৪ ডিসেম্বর জারি করা আগের বিধিমালাটি রহিত করা হয়েছে। /শান্ত/

সরকারি বেতন দিতে আরও ৫ হাজার কোটি টাকা ঋণ নিচ্ছে সরকার
সরকারি বেতন দিতে আরও ৫ হাজার কোটি টাকা ঋণ নিচ্ছে সরকার

সাধারণত সরকারের স্বল্পমেয়াদি অর্থের প্রয়োজন মেটাতে ৯১, ১৮২ ও ৩৬৪ দিন মেয়াদি ট্রেজারি বিল ইস্যু করা হয়। তবে এবার বেতন পরিশোধের বাড়তি চাপ সামলাতে বিশেষ এই বিলের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, চলতি অক্টোবর মাসে ২৭ তারিখ পর্যন্ত ট্রেজারি বিল ও বন্ডের মাধ্যমে সরকার ৫৫ হাজার ৩০০ কোটি টাকা ঋণ নিয়েছে। আজ আরও ৫ হাজার কোটি টাকা নেওয়া হলে মাসটিতে মোট ঋণের পরিমাণ দাঁড়াবে ৬০ হাজার ৩০০ কোটি টাকা। চলতি অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে সরকার ব্যাংক খাত থেকে ৫৬ হাজার কোটি টাকা ঋণ নিয়েছিল। আগস্টে এই পরিমাণ ছিলো ৫০ হাজার কোটি এবং সেপ্টেম্বরে ৪১ হাজার ৫০০ কোটি টাকা। এদিকে সরকারের ঋণের চাহিদা বাড়ায় ট্রেজারি বিলের সুদহারও বেড়েছে। ৯১ দিন মেয়াদি বিলের সুদহার ৫ অক্টোবরের ৮ দশমিক ১৩ শতাংশ থেকে বেড়ে ২৬ অক্টোবর ৮ দশমিক ৫৫ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। অথচ আগস্ট শেষে ব্যাংক খাতে উদ্বৃত্ত তারল্য ছিলো ৪ লাখ ৪২ হাজার কোটি টাকা। অর্থনীতিবিদদের মতে, রাজস্ব আদায় প্রত্যাশা অনুযায়ী না বাড়ায় সরকারকে ক্রমাগত ব্যাংকঋণের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে। সাবেক অর্থসচিব মোহাম্মদ মুসলিম চৌধুরী মনে করেন, বেতন-ভাতা দিতে বিশেষ ট্রেজারি বিল ইস্যু সরকারের আর্থিক সক্ষমতার জন্য উদ্বেগজনক। তার আশঙ্কা, এভাবে ঋণ বাড়তে থাকলে বেসরকারি খাত আরও সংকুচিত হতে পারে। বিশ্বব্যাংকের ঢাকা কার্যালয়ের সাবেক প্রধান অর্থনীতিবিদ ড. জাহিদ হোসেনের মতে, রাজস্ব ঘাটতির কারণে সরকারকে বাজেটের লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও বেশি ঋণ নিতে হচ্ছে। মেয়াদ শেষ হওয়া ঋণের বড় অংশও নতুন ঋণের মাধ্যমে পরিশোধ বা পুনর্বিন্যাস করতে হচ্ছে। চলতি অর্থবছরের বাজেটে ব্যাংক খাত থেকে ১ লাখ ১২ হাজার কোটি টাকা ঋণ নেওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। গত অর্থবছরে এই খাত থেকে সরকারের ঋণ ছিলো ১ লাখ ৩৪ হাজার ৫৭১ কোটি টাকা। /শান্ত/

সব অফিসের জন্য সরকারের জরুরি নির্দেশ
সব অফিসের জন্য সরকারের জরুরি নির্দেশ

সম্প্রতি এ বিষয়ে সব সিনিয়র সচিব ও সচিবের কাছে চিঠি পাঠিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। চিঠিতে বলা হয়েছে, সরকারি ও সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠানে কর্মরত কিছু কর্মকর্তা বা ব্যক্তি জাতীয় পতাকা ব্যবহারের অধিকারী না হয়েও অফিস কক্ষে চেয়ার বা সোফার পেছনে খুঁটিতে খাড়াভাবে জাতীয় পতাকা প্রদর্শন করছেন। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের পতাকা বিধিমালা, ১৯৭২ অনুযায়ী, মোটরগাড়ি, জলযান ও বিমান ছাড়া জাতীয় পতাকা সূর্যোদয় থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত প্রদর্শনের বিধান রয়েছে। তবে কিছু অফিসে দিন-রাত সার্বক্ষণিকভাবে জাতীয় পতাকা ঝুলিয়ে রাখার বিষয়টি নজরে এসেছে বলে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে। এ ছাড়া জাতীয় পতাকার নির্ধারিত আকার, অনুপাত ও রং বজায় না রেখে অফিস কক্ষের অভ্যন্তরে সজ্জা, অলংকরণ কিংবা ব্যক্তিগত ও দাপ্তরিক পটভূমি হিসেবে ব্যবহারের ঘটনাও উল্লেখ করা হয়েছে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের চিঠিতে বলা হয়েছে, এ ধরনের কর্মকাণ্ড বাংলাদেশ জাতীয় সংগীত, পতাকা এবং প্রতীক আদেশ, ১৯৭২ এবং গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের পতাকা বিধিমালা, ১৯৭২-এর সরাসরি লঙ্ঘন। জাতীয় পতাকার প্রতি যথাযথ সম্মান ও মর্যাদা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে অধীন দপ্তর, সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান ও স্বায়ত্তশাসিত সংস্থাগুলোকে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়ার কথাও বলা হয়েছে। এসআই

সরকারকে দুই মাসের আলটিমেটাম দিলেন শিক্ষকরা
সরকারকে দুই মাসের আলটিমেটাম দিলেন শিক্ষকরা

বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ‘উচ্চতর গ্রেড বৈষম্য নিরসনপ্রত্যাশী মাধ্যমিক শিক্ষক উইং’-এর নেতারা এসব দাবি জানান। সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষক নেতারা বলেন, একই এমপিওভুক্ত শিক্ষাব্যবস্থার আওতায় থাকলেও মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষকদের উচ্চতর গ্রেড পাওয়ার ক্ষেত্রে ভিন্ন নীতিমালা কার্যকর রয়েছে। এর ফলে মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকরা উচ্চতর গ্রেডপ্রাপ্তিতে বৈষম্যের শিকার হচ্ছেন। তাদের দাবি, এই বৈষম্য দূর করতে স্কুল-কলেজের এমপিও নীতিমালা সংশোধন করে মাদ্রাসার নীতিমালার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করতে হবে। শিক্ষক নেতারা জানান, আগামী দুই মাসের মধ্যে দাবি বাস্তবায়নে কার্যকর পদক্ষেপ না নেওয়া হলে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে মানববন্ধনসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করা হবে। প্রয়োজনে পরবর্তী সময়ে আরও কঠোর কর্মসূচি দেওয়ারও ঘোষণা দিয়েছেন তারা। /শান্ত/

‘স্থানীয় নির্বাচন নিয়ে কলঙ্ক নিতে চায় না সরকার’
‘স্থানীয় নির্বাচন নিয়ে কলঙ্ক নিতে চায় না সরকার’

মীর শাহে আলম জানান, চলতি অর্থবছরের মধ্যে ৫টি স্থানীয় সরকার নির্বাচন সম্পন্ন করার সিদ্ধান্তে সরকার এখনও অনড় রয়েছে। এই লক্ষ্যে নির্বাচন কমিশনকে জুনের মধ্যে সব নির্বাচন আয়োজনের অনুরোধ জানানো হয়েছে। নির্বাচনের জন্য আরও তারিখ নির্ধারণের সুযোগ থাকলে তা কাজে লাগিয়ে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নির্বাচন সম্পন্ন করার আহ্বান জানিয়েছে সরকার। তিনি বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের জন্য প্রায় ৬ হাজার কোটি টাকা বাজেট রাখা হয়েছে। চলতি অর্থবছরের মধ্যে নির্বাচনগুলো সম্পন্ন করা সম্ভব না হলে বরাদ্দের অর্থ অব্যবহৃত থেকে যাবে এবং পরবর্তী অর্থবছরে চলে যাবে। তবে জুনের মধ্যে সব নির্বাচন আয়োজন করা সম্ভব হবে কি না, সে বিষয়ে নির্বাচন কমিশনই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাতে পারবে। গ্রাম পুলিশের আইনগত ক্ষমতা, বেতন ও সুযোগ-সুবিধা বাড়ানোর বিষয়ে প্রস্তাবনা চাওয়া হয়েছে জানিয়ে মীর শাহে আলম বলেন, আগামী ৭ নভেম্বর বেলা সাড়ে ১১টায় চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রের পাশে পুরোনো বাণিজ্য মেলার মাঠে গ্রাম পুলিশ মহাসমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সমাবেশে সারা দেশ থেকে প্রায় ৫০ হাজার গ্রাম পুলিশ সদস্যের অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে। /আকরাম/