Advertisement(970X90).png
Advertisement(300X90).png

১৫ কার্তিক ১৪৩৩, ১৯ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬

গ্যাস সংকটে আবারও বন্ধ যমুনা সার কারখানা
গ্যাস সংকটে আবারও বন্ধ যমুনা সার কারখানা

কারখানা সূত্রে জানা গেছে, দৈনিক ১ হাজার ৭০০ মেট্রিক টন ইউরিয়া সার উৎপাদনের সক্ষমতাসম্পন্ন যমুনা সার কারখানাটি গ্যাস সংকটের কারণে ৭ মাস বন্ধ ছিলো। দীর্ঘ সময় বন্ধ থাকার পর চলতি বছরের ২০ সেপ্টেম্বর কারখানায় গ্যাস সংযোগ দেওয়া হলে উৎপাদন শুরু হয়। এরপর ৭ অক্টোবর কারখানার বয়লার প্ল্যান্টে ত্রুটি দেখা দিলে সাময়িকভাবে সার উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। বয়লার প্ল্যান্টের যান্ত্রিক ত্রুটি সারানোর পর ১৬ দিন বিরতি দিয়ে গত ২৩ অক্টোবর আবারও উৎপাদনে ফেরে কারখানাটি। কিন্তু উৎপাদন শুরুর ২ দিনের মাথায় গ্যাস সংকটে আবারও বন্ধ হয়ে গেলো যমুনা সার কারখানা। যমুনা সার কারখানার উৎপাদন বিভাগের প্রধান ফজলুল হক জানান, নিরবচ্ছিন্নভাবে সার উৎপাদন চালু রাখতে দৈনিক ৪২ থেকে ৪৩ পিএসআই গ্যাসের চাপ প্রয়োজন। কিন্তু চাহিদা অনুযায়ী গ্যাস সরবরাহ না থাকায় রবিবার ভোর ৫টা থেকে কারখানায় সার উৎপাদন বন্ধ রাখা হয়েছে। গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক হলে আবারও উৎপাদন শুরু হবে। কারখানা সূত্রে আরও জানা গেছে, গ্যাস সংকট ও বিভিন্ন যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে ২০২৪ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৫ সালের নভেম্বর পর্যন্ত যমুনা সার কারখানা বন্ধ ছিলো। পরে গ্যাসের চাপ বাড়লে উৎপাদন শুরু হয়। চলতি বছরের ১২ ফেব্রুয়ারি থেকে গ্যাস সংকটের কারণে আবারও কারখানাটিতে উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। দীর্ঘ ৭ মাস বন্ধ থাকার পর গত ২০ সেপ্টেম্বর তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ কারখানাটিতে গ্যাস সংযোগ দেয়। দীর্ঘদিন বন্ধ থাকায় কারখানাটিতে বিভিন্ন যান্ত্রিক ও কারিগরি ত্রুটি দেখা দেয়। এতে উৎপাদনের কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যমাত্রা অর্জন ব্যাহত হয়। যমুনা সার কারখানা বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশনের (বিসিআইসি) তালিকাভুক্ত ১ হাজার ৯০০ ডিলারের মাধ্যমে জামালপুর, শেরপুর, ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইলসহ উত্তরবঙ্গের ২১টি জেলায় সার সরবরাহ করে আসছে। কারখানাটিতে গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক থাকলে এবং উৎপাদন সচল থাকলে প্রতি মাসে প্রায় ২০০ কোটি টাকার সার উৎপাদন হয়। এতে কারখানাটির লাভ থাকে প্রায় ৬০ কোটি টাকা। অন্যদিকে, কারখানা বন্ধ থাকলেও অন্যান্য খরচের পাশাপাশি শুধু প্ল্যান্ট সচল রাখতে গ্যাস বিল দিতে হয় প্রায় ৬ কোটি টাকা। /এমএএইচ/