Advertisement(970X90).png
Advertisement(300X90).png

১৫ কার্তিক ১৪৩৩, ১৯ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬

৭ নভেম্বর দেশের সব তফসিলি ব্যাংক বন্ধ
৭ নভেম্বর দেশের সব তফসিলি ব্যাংক বন্ধ

সার্কুলারে বলা হয়েছে, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ৭ অক্টোবর জারি করা প্রজ্ঞাপনের আলোকে সরকার ৭ নভেম্বর ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ উপলক্ষে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে। এই কারণে ওই দিন বাংলাদেশে কার্যরত সব তফশিলি ব্যাংক বন্ধ থাকবে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, সরকারি ছুটির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এদিকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের গত ৭ অক্টোবরের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী সরকার ৭ নভেম্বর ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ উপলক্ষে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করে। এই প্রজ্ঞাপনের আলোকেই দেশে কার্যরত সব তফসিলি ব্যাংক বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। /এসআই/

প্রথম নন রেসিডেন্ট কনভার্টিবল টাকা অ্যাকাউন্ট প্রোডাক্ট চালু করলো এনআরবি ব্যাংক
প্রথম নন রেসিডেন্ট কনভার্টিবল টাকা অ্যাকাউন্ট প্রোডাক্ট চালু করলো এনআরবি ব্যাংক

বাংলাদেশে প্রথম ব্যাংক হিসেবে নন রেসিডেন্ট কনভার্টিবল টাকা অ্যাকাউন্ট প্রডাক্ট চালু করেছে এনআরবি ব্যাংক পিএলসি। নন রেসিডেন্স বাংলাদেশীদের (এনআরবি) জন্য এই নন রেসিডেন্ট কনভার্টিবল টাকা অ্যাকাউন্ট প্রডাক্ট চালু করেছে ব্যাংকটি। রবিবার (২৫ অক্টোবর) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা তারেক রিয়াজ খান আনুষ্ঠানিকভাবে এই প্রডাক্ট চালু করেন। এ সময় ব্যাংকের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালকবৃন্দ আনোয়ার উদ্দিন ও কিমিওয়া সাদ্দাত, উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম রাশিদুল হুদা এবং রিটেইল ব্যাংকিং বিভাগের প্রধান অলি আহাদ চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন। /কেআর/

সাইবার হামলার শঙ্কা, বেঙ্গল কমার্শিয়াল ব্যাংকের ওয়েবসাইট বন্ধ
সাইবার হামলার শঙ্কা, বেঙ্গল কমার্শিয়াল ব্যাংকের ওয়েবসাইট বন্ধ

রবিবার (২৫ অক্টোবর) দুপুর সোয়া ২টার দিকে ব্যাংক দুটির ওয়েবসাইটে প্রবেশের চেষ্টা করে দেখা যায়, উভয় ওয়েবসাইটেই রক্ষণাবেক্ষণ কার্যক্রম চলার কথা জানিয়ে নোটিশ দেওয়া হয়েছে। নোটিশে বলা হয়েছে, শিগগিরই ওয়েবসাইটগুলো চালু করা হবে। সাময়িক এই অসুবিধার জন্য গ্রাহকদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করেছে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ। পরে একাধিকবার চেষ্টা করেও ওয়েবসাইট দু’টিতে প্রবেশ করা সম্ভব হয়নি। গত কয়েক দিন ধরে দেশের ব্যাংকসহ আর্থিক খাতে সম্ভাব্য সাইবার হামলার আশঙ্কা নিয়ে সতর্কতা অবলম্বন করা হচ্ছে। এর অংশ হিসেবে গত বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ব্যাংকের অফিশিয়াল ওয়েবসাইট বন্ধ করে দেওয়া হয়। ৩ দিন বন্ধ থাকার পর আজ সকাল ৮টা থেকে ওয়েবসাইটটি আবার চালু করা হয়েছে। এছাড়া অগ্রণী ব্যাংক, আইএফআইসি ব্যাংক, স্ট্যান্ডার্ড ইসলামী ব্যাংক ও এসবিএসি ব্যাংকের ওয়েবসাইটও সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে বন্ধ রাখা হয়েছিলো। বর্তমানে ব্যাংকগুলোর ওয়েবসাইট চালু রয়েছে। অন্যদিকে জনতা ব্যাংক ও বেঙ্গল কমার্শিয়াল ব্যাংকের ওয়েবসাইট এখনও বন্ধ থাকায় গ্রাহকেরা অনলাইনে ব্যাংকগুলোর ওয়েবসাইটভিত্তিক সেবা নিতে পারছেন না। গত তিন দিনে ব্যাংকগুলোর ইন্টারনেট ব্যাংকিং ও মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে লেনদেন স্বাভাবিক ছিলো। ফলে এসব সেবার মাধ্যমে গ্রাহকদের লেনদেনে কোনো সমস্যা হয়নি। বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান বলেন, ওয়েবসাইটে কোনো ত্রুটি রয়েছে কি না, তা পরীক্ষা করে দেখা হয়। বিশ্বব্যাপী সাইবার হামলার আশঙ্কা থেকে সতর্কতামূলকভাবে ওয়েবসাইট বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছিলো। ঝুঁকি কেটে যাওয়ায় বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট আবার চালু করা হয়েছে। /এমএএইচ/

১ হাজার কোটি টাকার গ্রিন বন্ড ছাড়ছে ব্র্যাক ব্যাংক
১ হাজার কোটি টাকার গ্রিন বন্ড ছাড়ছে ব্র্যাক ব্যাংক

বাংলাদেশের ‘প্রথম ব্যাংক’ হিসেবে ১ হাজার কোটি টাকার গ্রিন বন্ড ছাড়তে যাচ্ছে ব্র্যাক ব্যাংক। ব্যাংক সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে। রবিবার (২৫ অক্টোবর) বিকেলে রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও, ঢাকায় এক সংবাদ সম্মেলনে ব্র্যাক ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা তারেক রেফাত উল্লাহ খান আনুষ্ঠানিকভাবে এই উদ্যোগের ঘোষণা দেবেন। ব্যাংকটি জানিয়েছে, বাংলাদেশ ব্যাংকের গ্রিন বন্ড নীতিমালা মেনেই এটি ছাড়া হবে। এই বন্ডের মাধ্যমে সংগৃহীত অর্থ ব্যয় করা হবে নবায়নযোগ্য জ্বালানি প্রকল্প, পরিবেশবান্ধব ভবন নির্মাণ এবং শিল্প খাতে জ্বালানি দক্ষতা বৃদ্ধির নানা উদ্যোগে। গ্রিন বন্ড মূলত এমন একটি আর্থিক মাধ্যম, যার মাধ্যমে পরিবেশগতভাবে টেকসই ও পরিবেশবান্ধব প্রকল্পের জন্য তহবিল সংগ্রহ করা হয় এবং একই সঙ্গে এটি বিনিয়োগকারীদের নিয়মিত আয়ের নিশ্চয়তা দেয়। গত ২৩ মে প্রকাশিত এক ডিসক্লোজারে জানানো হয়েছে, ব্র্যাক ব্যাংক পিএলসি তাদের পরিবেশবান্ধব অর্থায়ন কার্যক্রমে সহায়তার জন্য অভিহিত মূল্যে (ফেস ভ্যালু) সর্বোচ্চ ১ হাজার কোটি টাকার গ্রিন বন্ড ছাড়ার পরিকল্পনা করেছে। এর ২ দিন আগে অনুষ্ঠিত ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সভায় এই বন্ড ছাড়ার বিষয়টি অনুমোদন পায়। তথ্যানুযায়ী, ৩ বছর মেয়াদি এই বন্ডটি হবে রূপান্তর-অযোগ্য (নন-কনভার্টেবল) এবং মেয়াদ শেষে সম্পূর্ণ পরিশোধযোগ্য (ফুললি রিডিমেবল)। নিজেদের ওয়েবসাইটের তথ্যানুযায়ী, পরিবেশবান্ধব বিভিন্ন প্রকল্পে বিশেষ অর্থায়ন সুবিধা দিয়ে থাকে ব্র্যাক ব্যাংক। এর মধ্যে রয়েছে সৌর ও বায়ু শক্তির মতো নবায়নযোগ্য জ্বালানি উদ্যোগ, জ্বালানিসাশ্রয়ী প্রযুক্তি, পরিবেশবান্ধব অবকাঠামো নির্মাণ এবং ইটিপি (বর্জ্য শোধনাগার) সুবিধার মাধ্যমে দায়িত্বশীল বর্জ্য ব্যবস্থাপনা। এর আগে ২০২৫ সালের অক্টোবরে বাংলাদেশের প্রথম প্রতিষ্ঠান হিসেবে ১ হাজার কোটি টাকার একটি ‘সোশ্যাল বন্ড’ ছাড়ার জন্য নিয়ন্ত্রক সংস্থার অনুমোদন পেয়েছিলো ব্যাংকটি। সেই বন্ড থেকে পাওয়া অর্থ ব্যাসেল-৩ কাঠামোর অধীনে ব্যাংকের টায়ার-২ মূলধন শক্তিশালী করতে এবং সামাজিক উন্নয়নে ব্যয়ের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছিলো। /এসআই/এমএএইচ/

বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট বন্ধ, যা জানা গেলো
বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট বন্ধ, যা জানা গেলো

এদিন সন্ধ্যায় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ওয়েবসাইটে প্রবেশের চেষ্টা করলে ‘The Service is under Maintenance’ শীর্ষক একটি বার্তা দেখা যায়। ওই বার্তায় বলা হয়েছে, নির্ধারিত রক্ষণাবেক্ষণ কার্যক্রমের কারণে সেবাটি সাময়িকভাবে বন্ধ রয়েছে। শিগগিরই সেবা আবারও চালু করা হবে। সম্প্রতি সাইবার হামলার আশঙ্কায় বিশ্বজুড়ে একের পর এক ওয়েবসাইট বন্ধ রাখা হচ্ছে। ইন্টারনেটের বড় একটি অংশে ব্যবহৃত প্রোগ্রামিং ভাষা পিএইচপিতে দু’টি গুরুতর নিরাপত্তা ত্রুটি শনাক্ত হওয়ার পর থেকে এমন সতর্কতামূলক পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে। এক প্রতিবেদনে ব্রিটিশ গণমাধ্যম বিবিসি জানিয়েছে, এসব ত্রুটি কাজে লাগিয়ে হ্যাকাররা দূর থেকে সিস্টেমে প্রবেশ করে ক্ষতিকর কোড চালাতে পারে বলে সতর্ক করেছেন সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) সহায়তায় শনাক্ত হওয়া এই ত্রুটি সংশোধনে বিশ্বজুড়ে জরুরি পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে। /এমএইচ/

টানা ৫ দিন ব্যাংক বন্ধে চাপ বাড়ছে এটিএম বুথে
টানা ৫ দিন ব্যাংক বন্ধে চাপ বাড়ছে এটিএম বুথে

সরেজমিনে দেখা যায়, ব্যাংক বন্ধ থাকায় গ্রাহকরা প্রয়োজনীয় টাকা উত্তোলনের জন্য রাস্তার পাশে অবস্থিত বিভিন্ন ব্যাংকের এটিএম বুথের দারস্থ হচ্ছেন। সেখান থেকে তারা তাদের চাহিদামতো প্রয়োজনীয় টাকা উত্তোলন করছেন। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত কোথাও উপচেপড়া ভীড় দেখা না গেলেও অন্যান্য দিনের চেয়ে বেশি গ্রাহককে এটিএম বুথ থেকে টাকা উত্তোলন করতে দেখা যাচ্ছে। গ্রাহকরা বলছেন, এখন পর্যন্ত বুথে টাকার সংকট হয়নি। তবে ছুটির আগে পর্যান্ত টাকা রাখা না হলে অতীতের মতো দু’একদিন পর বুথে টাকার সংকট দেখা দিতে পারে। বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়ী, মঙ্গলবার থেকে বৃহস্পতিবার (২০-২২ অক্টোবর) পর্যন্ত শারদীয় দুর্গাপূজার ছুটি। এরপর শুক্র ও শনিবার (২৩ ও ২৪ অক্টোবর) সাপ্তাহিক ছুটি থাকায় টানা পাঁচ দিন ব্যাংকিং কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। আগামী রোববার (২৫ অক্টোবর) থেকে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে স্বাভাবিক কার্যক্রম শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। ছুটির আগে ব্যাংকিং কার্যক্রম সচল রাখতে গত শনিবার (১৭ অক্টোবর) সাপ্তাহিক ছুটির দিনেও ব্যাংক খোলা রাখা হয়েছিল। ওই দিন সাধারণ কর্মদিবসের মতো ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালিত হয়। ব্যাংক বন্ধ থাকলেও গ্রাহকদের জন্য এটিএম বুথের মাধ্যমে টাকা উত্তোলনসহ নির্ধারিত সেবা চালু থাকবে। তবে টানা পাঁচ দিন ব্যাংক বন্ধ থাকায় নগদ টাকার চাহিদা বাড়তে পারে। এতে বিশেষ করে ব্যস্ত এলাকার এটিএম বুথে গ্রাহকের ভিড় বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। এ অবস্থায় গ্রাহকদের প্রয়োজনীয় নগদ টাকা আগেভাগে তুলে রাখার পরামর্শ দিচ্ছেন সংশ্লিষ্টরা। অন্যদিকে ব্যাংক বন্ধ থাকার কারণে একই সময়ে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) লেনদেনও বন্ধ থাকবে। ব্যাংকিং কার্যক্রমের সঙ্গে শেয়ারবাজারের লেনদেন ও নিষ্পত্তি কার্যক্রম সম্পৃক্ত থাকায় এ সিদ্ধান্ত কার্যকর হচ্ছে। ছুটি শেষে আগামী রবিবার থেকে দুই শেয়ারবাজারে স্বাভাবিক লেনদেন শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। তবে ছুটির মধ্যেও আমদানি-রফতানি কার্যক্রম সচল রাখতে সমুদ্র, স্থল ও বিমানবন্দর এলাকার ব্যাংক শাখা ও বুথে সীমিত পরিসরে ব্যাংকিং সেবা চালু থাকবে। বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়ী, বন্দর ও কাস্টমস এলাকায় আমদানি-রফতানি সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলোকে ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। এ জন্য স্থানীয় প্রশাসন, বন্দর কর্তৃপক্ষ ও কাস্টমস কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে ব্যাংকগুলোকে। গত ৭ অক্টোবর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে ২০ থেকে ২২ অক্টোবর পর্যন্ত সরকারি ছুটি ঘোষণা করে। একই সঙ্গে ছুটির সমন্বয় করতে গত ১৭ অক্টোবর শনিবার সরকারি, আধা সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, আধা স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি অফিস খোলা রাখার সিদ্ধান্ত জানানো হয়েছিল। সব মিলিয়ে পূজার ছুটি ও সাপ্তাহিক ছুটি মিলিয়ে টানা পাঁচ দিন ব্যাংকিং কার্যক্রম বন্ধ থাকায় এ সময়ে নগদ টাকা উত্তোলন ও জরুরি লেনদেনের ক্ষেত্রে গ্রাহকদের আগাম পরিকল্পনা করে চলতে হবে। কেআর/

মঙ্গলবার থেকে টানা ৫ দিন বন্ধ ব্যাংক-শেয়ারবাজার
মঙ্গলবার থেকে টানা ৫ দিন বন্ধ ব্যাংক-শেয়ারবাজার

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়ী, ২০ থেকে ২২ অক্টোবর পর্যন্ত ৩ দিন দুর্গাপূজার সরকারি ছুটি। এরপর ২৩ ও ২৪ অক্টোবর যথাক্রমে শুক্রবার ও শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি থাকায় টানা ৫ দিন ব্যাংকিং কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। ছুটির আগে ব্যাংকিং কার্যক্রম সচল রাখতে গত শনিবার (১৭ অক্টোবর) ব্যাংক খোলা রাখা হয়েছিলো। ওই দিন সাধারণ কর্মদিবসের মতো ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালিত হয়। দুর্গাপূজার ছুটিতে সাধারণ ব্যাংকিং কার্যক্রম বন্ধ থাকলেও আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম সচল রাখতে সমুদ্র, স্থল ও বিমানবন্দর এলাকার ব্যাংক শাখা ও বুথগুলোতে সীমিত পরিসরে ব্যাংকিং সেবা চালু থাকবে। বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়ী, বন্দর ও কাস্টমস এলাকায় আমদানি-রপ্তানি সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলোকে ব্যবস্থা নিতে হবে। এ জন্য স্থানীয় প্রশাসন এবং বন্দর ও কাস্টমস কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে বলা হয়েছে। // সোহেল//