Advertisement(970X90).png
Advertisement(300X90).png

১৫ কার্তিক ১৪৩৩, ১৯ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬

বঙ্গোপসাগরে সুস্পষ্ট লঘুচাপ, কবে কখন আছড়ে পড়তে পারে ঘূর্ণিঝড়?
বঙ্গোপসাগরে সুস্পষ্ট লঘুচাপ, কবে কখন আছড়ে পড়তে পারে ঘূর্ণিঝড়?

শনিবার (২৪ অক্টোবর) দুপুরের বুলেটিন বলছে, পূর্ব-মধ্য এবং সংলগ্ন দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগরের উপর যে নিম্নচাপ অঞ্চলটি ছিলো, তা সকালে সুস্পষ্ট নিম্নচাপ অঞ্চলে পরিণত হয়েছে। এর সংলগ্ন ঘূর্ণাবর্তটি রয়েছে সমুদ্রতল থেকে ৫.৮ কিলোমিটার উচ্চতায়। শনিবারই নিম্নচাপ অঞ্চলটি আরও ঘনীভূত হয়ে পূর্ণাঙ্গ নিম্নচাপে পরিণত হবে। তখনও তার অবস্থান পূর্ব-মধ্য এবং সংলগ্ন দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগর। নিম্নচাপ তৈরি হয়ে যাওয়ার পর ক্রমে তা পশ্চিম-উত্তর পশ্চিম দিকে এগিয়ে রবিবার গভীর নিম্নচাপে ঘনীভূত হবে। সোমবার সকালের মধ্যে সেখান থেকে জন্ম নিতে পারে ঘূর্ণিঝড়। বঙ্গোপসাগরে এই ঘূর্ণিঝড় তৈরি হলে তার নাম হবে ‘অর্ণব’। ঘূর্ণিঝড় ক্রমে পশ্চিম-উত্তর পশ্চিমে সরে সমুদ্রের উপর থেকে আরও শক্তি সঞ্চয় করবে বলে মনে করছেন আবহবিদেরা। ২৮ অক্টোবর, বুধবার সকালে অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূলের কাছে তা পৌঁছে যাবে। তার পর হতে পারে ‘ল্যান্ডফল’। তবে ঘূর্ণিঝড় আছড়ে পড়ার সময় হাওয়ার গতি কত থাকবে, এখনও স্পষ্ট নয়। এর প্রভাবে উপকূলবর্তী এলাকায় ভারী বর্ষণের সম্ভাবনা রয়েছে। আবহাওয়াবিদরা জানিয়েছেন, দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগরে ঝোড়ো হাওয়া বইতে শুরু করেছে। এখন তার বেগ ঘণ্টায় ৪০-৫০ কিলোমিটার। গভীর নিম্নচাপ তৈরি হওয়ার পর রবিবার হাওয়ার বেগ বেড়ে ৫০-৬০ কিলোমিটারে পৌঁছে যেতে পারে। দমকা হাওয়ার বেগ থাকতে পারে ৭০ কিলোমিটারও। সোমবার সকালে ঘূর্ণিঝড় তৈরি হলে সাগরের উপর ঘণ্টায় ৭০ থেকে ৮০ কিলোমিটার বেগে হাওয়া বইবে। দমকা হাওয়ার বেগ ছাড়িয়ে যেতে পারে ৯০ কিলোমিটারও। উপকূলের দিকে ঘূর্ণিঝড় যত এগোবে, হাওয়ার বেগ তত বাড়বে। বাংলাদেশ ওয়েদার অবজারভেশন টিম (বিডব্লিউওটি) জানিয়েছে, সম্ভাব্য এই ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে আগামী ২৭ অক্টোবর থেকে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টিপাত শুরু হতে পারে, যা চলতে পারে ১ নভেম্বর পর্যন্ত। বিডব্লিউওটির তথ্য অনুযায়ী, লঘুচাপটি আগামী ৩ থেকে ৪ দিন ধীরে ধীরে শক্তি বাড়াতে পারে। এর গতিপ্রকৃতি বিশ্লেষণ করে ধারণা করা হচ্ছে, বর্তমানে সুস্পষ্ট লঘুচাপটির কেন্দ্র থেকে ১০০ কিলোমিটার ব্যাসার্ধের মধ্যে বাতাসের গড় সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ৩৫ কিলোমিটার। দমকা বা ঝোড়ো হাওয়ার আকারে এ গতিবেগ ঘণ্টায় ৪৫ কিলোমিটার পর্যন্ত বাড়ছে। এর প্রভাবে মধ্য বঙ্গোপসাগর ও সংলগ্ন এলাকাগুলোতে সাগর ধীরে ধীরে উত্তাল হয়ে উঠছে। বিডব্লিউওটি জানিয়েছে, এখন পর্যন্ত বাংলাদেশের সমুদ্রবন্দরগুলোতে আবহাওয়া অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো সতর্কসংকেত জারি করা হয়নি। তবে পরিস্থিতির পরিবর্তনে দ্রুত সতর্কসংকেত জারি হতে পারে। এই অবস্থায় মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারগুলোকে উপকূল থেকে ১৫০ কিলোমিটারের বেশি দূরে গভীর সাগরে না যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছে সংস্থাটি। পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত জেলেদের উপকূলের কাছাকাছি থেকে সতর্কতার সঙ্গে চলাচল করতে বলা হয়েছে। সংস্থাটি আরও জানিয়েছে, সম্ভাব্য ঘূর্ণিঝড়টির সরাসরি বাংলাদেশের উপকূলে আঘাত হানা বা বড় ধরনের ধ্বংসযজ্ঞ চালানোর আশঙ্কা এখন পর্যন্ত দেখা যাচ্ছে না। বর্তমান পূর্বাভাস অনুযায়ী, ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নেওয়ার পর এটি আগামী ২৮ অক্টোবরের দিকে ভারতের উত্তর অন্ধ্রপ্রদেশ অথবা তৎসংলগ্ন দক্ষিণ ওডিশা উপকূল অতিক্রম করতে পারে। তবে সরাসরি বাংলাদেশে আঘাত না হানলেও এর দূরবর্তী প্রভাবে দেশে ব্যাপক বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। ঘূর্ণিঝড়টি ভারতের উপকূল অতিক্রম করার সময় সেখানে ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টিপাত হতে পারে। বিডব্লিউওটির পূর্বাভাস অনুযায়ী, সম্ভাব্য ঘূর্ণিঝড়টির পরোক্ষ প্রভাবে আগামী ২৭ বা ২৮ অক্টোবর থেকে বাংলাদেশে একটি বিস্তৃত ‘বৃষ্টি বলয়’ সক্রিয় হতে পারে। এই পরিস্থিতিতে ২৭ ও ২৮ অক্টোবর থেকে শুরু করে ১ নভেম্বর পর্যন্ত দেশের অধিকাংশ এলাকায় উল্লেখযোগ্য পরিমাণ বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। এর মধ্যে বরিশাল, খুলনা, রাজশাহী, রংপুর, ময়মনসিংহ ও ঢাকা বিভাগে তুলনামূলক বেশি বৃষ্টি হতে পারে। অন্যদিকে, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের জেলাগুলোতে বৃষ্টিপাত হলেও এর পরিমাণ তুলনামূলক কম থাকতে পারে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি। কেআর/শান্ত/

বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপের আভাস, বাড়তে পারে বৃষ্টি
বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপের আভাস, বাড়তে পারে বৃষ্টি

বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) আবহাওয়াবিদ ড. মুহাম্মদ আবুল কালাম মল্লিকের দেওয়া পূর্বাভাসে এসব তথ্য জানানো হয়। আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, বর্তমানে দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে ভারতের তামিলনাড়ু উপকূলের অদূরে অবস্থানরত লঘুচাপটি কমোরিন ও তৎসংলগ্ন দক্ষিণ তামিলনাড়ু উপকূলীয় এলাকায় রয়েছে। পূর্বাভাস অনুযায়ী, শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) সন্ধ্যা পর্যন্ত সারাদেশের আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। আকাশ আংশিক মেঘলা থাকলেও দিন ও রাতের তাপমাত্রায় উল্লেখযোগ্য পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই। শনিবার (২৪ অক্টোবর) সন্ধ্যা পর্যন্তও আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। ওই দিন রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে। রবিবার (২৫ অক্টোবর) সন্ধ্যার পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রাম বিভাগের দু-এক জায়গায় বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সোমবার (২৬ অক্টোবর) সন্ধ্যার পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এই সময় দেশের অন্যান্য এলাকায় আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। পাশাপাশি দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে বলে পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে। /শান্ত/

ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সঙ্গে বঙ্গোপসাগরীয় অঞ্চলকে যুক্ত করতে চায় জাপান: দ্য হিন্দু
ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সঙ্গে বঙ্গোপসাগরীয় অঞ্চলকে যুক্ত করতে চায় জাপান: দ্য হিন্দু

একান্ত সাক্ষাৎকারে জাপানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একটি জ্যেষ্ঠ কূটনৈতিক সূত্র জানিয়েছে, মাতারবাড়ী বন্দর বাংলাদেশকে একটি শিল্প কেন্দ্রে রূপান্তরিত করতে পারে। পাশাপাশি তা আঞ্চলিক সংযুক্তিও বাড়াবে। জাপানের ওই জ্যেষ্ঠ কূটনৈতিক সূত্র বলেছে, 'বাংলাদেশকে একটি আঞ্চলিক শিল্প হাবে রূপান্তরিত করার সম্ভাবনা রয়েছে মাতারবাড়ী বন্দরের।' ১৪ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ চাইবে বাংলাদেশ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আসন্ন সফরে এই বন্দরটি বিশেষ গুরুত্ব পেতে চলেছে। কারণ ২০২৬ থেকে ২০৩১ সালের মধ্যে মাতারবাড়ী শিল্প, বন্দর ও বাণিজ্যিক কেন্দ্রসহ বেশ কয়েকটি প্রকল্পের জন্য টোকিওর কাছে আর্থিক সহায়তা চাইতে পারেন প্রধানমন্ত্রী। এই সফরের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে অগস্টে প্রধানমন্ত্রী মাতারবাড়ী পরিদর্শন করেন। সেখানে তাকে প্রকল্পের পরের ধাপের কাজ ও প্রয়োজন সম্পর্কে অবহিত করা হয়। নির্মাণকাজ শেষ হলে জাপানের সহায়তায় নির্মিত এই বন্দরই হবে বাংলাদেশের একমাত্র গভীর সমুদ্রবন্দর। বর্তমানে বড় জাহাজ ভেড়ানোর জন্য বাংলাদেশকে সিঙ্গাপুর, কলম্বো ও মালয়েশিয়ার বিভিন্ন বন্দরের ওপর নির্ভর করতে হয়। জাপানি কূটনীতিকদের পরিকল্পনা অনুযায়ী, মাতারবাড়ী বন্দর এমন একটি শিল্প ভ্যালু চেইনের অংশ হবে, যা বাংলাদেশের ভেতর দিয়ে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সাতটি রাজ্যকে বঙ্গোপসাগর ও দক্ষিণ-পূর্ব এশীয় অঞ্চলের সঙ্গে যুক্ত করবে। জাপান এর আগেও এ ধরনের একটি শিল্প ভ্যালু চেইন গড়ে তুলতে সহায়তা করেছে। ওই ভ্যালু চেইন থাইল্যান্ডের ব্যাংকককে কম্বোডিয়া ও ভিয়েতনামের সঙ্গে যুক্ত করেছে। জাপানের অর্থায়ন ও অবকাঠামোগত পরিকল্পনায় বাস্তবায়িত থাইল্যান্ড-কম্বোডিয়া-ভিয়েতনাম উন্নয়ন করিডোর প্রকল্পের উদাহরণ টেনে ওই কর্মকর্তা দ্য হিন্দুকে লিখিত জবাবে বলেন, 'এক্ষেত্রে ব্যাংকক অনুকরণীয় মডেল হতে পারে। নিজস্ব বন্দর ও সাউদার্ন ইকোনমিক করিডোরের মাধ্যমে আঞ্চলিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে নেতৃত্ব দিয়েছে শহরটি।' জাপানি কূটনীতিকরা এই সংযোগ প্রকল্পকে একটি সফল উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। ভুটান, নেপাল, মিয়ানমার, ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে যোগাযোগ ব্যবস্থা আরও জোরদার করতে তারা মাতারবাড়ীকে কেন্দ্র করে একই ধরনের একটি মডেল বাস্তবায়ন করতে চান। জাপানের আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা জাইকা-র অর্থায়নে নির্মিত হচ্ছে মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর। এ প্রকল্পের বড় অংশের কাজ হয়েছিল বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে। ওই সময় ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক তুলনামূলকভাবে মসৃণ থাকায় এ ধরনের সংযোগ প্রকল্প বাস্তবায়ন করা সহজ ছিল। ওই সময়েই ফেনী নদীর ওপর ত্রিপুরার সঙ্গে সংযোগ স্থাপনকারী মৈত্রী সেতু নির্মিত হয়েছিল। সেতুটি নির্মাণের ফলে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সঙ্গে চট্টগ্রাম ও মাতারবাড়ী বন্দরের সরাসরি যোগাযোগ গড়ে তোলার সম্ভাবনা তৈরি হয়। তবে রাজনৈতিক অনিশ্চয়তার জেরে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কে টানাপোড়েন সৃষ্টি হওয়ায় মৈত্রী সেতু এখনো অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে আছে। তা সত্ত্বেও, ভারত ও বাংলাদেশের দীর্ঘমেয়াদি সম্পর্কের গতিপ্রকৃতি নিয়ে জাপানি কর্মকর্তারা বেশ আশাবাদী। তারা বলেন, 'বাংলাদেশ থেকে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চল ও প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ বাড়ানো হলে এই বন্দরের উপযোগিতা ও গুরুত্ব আরও বাড়বে।' বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এর আগে জানিয়েছিল, জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি চার দিনের রাষ্ট্রীয় সফরের জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। ২৬ অক্টোবর থেকে এই রাষ্ট্রীয় সফর শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। মহেশখালী-মাতারবাড়ী সমন্বিত অবকাঠামো উন্নয়ন উদ্যোগ (এমএমআইডিআই) এই আলোচ্যসূচিতে স্থান পাবে। এ সফরে জাপানের কাছে ২.২ ট্রিলিয়ন ইয়েন বা ১৪ বিলিয়ন ডলারের কৌশলগত বিনিয়োগ ও সহযোগিতা প্যাকেজের প্রস্তাব দেবে বাংলাদেশ। এমএমআইডিআই ও মাতারবাড়ী হাবের জন্য ৫০০ বিলিয়ন ইয়েন (৩.১৪ বিলিয়ন ডলার) অর্থায়নের প্রস্তাব করার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। এই অর্থায়নের আওতায় গভীর সমুদ্রবন্দর ও লজিস্টিকস, সড়ক ও রেল যোগাযোগ, শিল্প অবকাঠামো এবং অর্থনৈতিক অঞ্চল উন্নয়নে বিনিয়োগের পরিকল্পনা রয়েছে। - কেআর

বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপের আভাস, বৃষ্টি হতে পারে যেসব অঞ্চলে
বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপের আভাস, বৃষ্টি হতে পারে যেসব অঞ্চলে

সোমবার (১২ অক্টোবর) আবহাওয়াবিদ মো. তরিফুল নেওয়াজ কবিরের সই করা ১২০ ঘণ্টার পূর্বাভাসে এই তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়েছে, লঘুচাপের বর্ধিতাংশ উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। সোমবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং খুলনা ও বরিশাল বিভাগের দু-এক জায়গায় হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। দেশের অন্যত্র আকাশ আংশিক মেঘলা থাকলেও আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। এদিন সারা দেশে দিনের তাপমাত্রা বাড়তে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। মঙ্গলবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। দেশের অন্যান্য অঞ্চলে আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। এ সময় সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে। বুধবার (১৪ অক্টোবর) খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং ঢাকা ও সিলেট বিভাগের দু-এক জায়গায় বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। বৃহস্পতিবারও (১৫ অক্টোবর) একই ধরনের পূর্বাভাস রয়েছে। এসব দিনে দেশের অন্যান্য অঞ্চলে আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের দু-এক জায়গায় বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এদিন সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে। /শান্ত/