Advertisement(970X90).png
Advertisement(300X90).png

১৫ কার্তিক ১৪৩৩, ১৯ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬

প্যাকেটজাত খাবারে স্বাস্থ্যঝুঁকির সতর্কবার্তা চালুর দাবি
প্যাকেটজাত খাবারে স্বাস্থ্যঝুঁকির সতর্কবার্তা চালুর দাবি

বিশ্ব খাদ্য দিবস উপলক্ষে গবেষণা ও অ্যাডভোকেসি প্রতিষ্ঠান প্রজ্ঞা (প্রগতির জন্য জ্ঞান) আয়োজিত এক ওয়েবিনারে এই দাবি জানানো হয়। গ্লোবাল হেলথ অ্যাডভোকেসি ইনকিউবেটরের (জিএইচএআই) সহযোগিতায় ‘অতিপ্রক্রিয়াজাত খাদ্য-প্যাকেটের সামনে সতর্কতামূলক লেবেল: অগ্রগতি, বাধা ও করণীয়’ শীর্ষক ওয়েবিনারটি অনুষ্ঠিত হয়। ওয়েবিনারে জানানো হয়, দেশের ৯৭ শতাংশ মানুষ সপ্তাহে অন্তত একবার অতিপ্রক্রিয়াজাত খাবার খান। বর্তমানে প্যাকেটের পেছনে থাকা জটিল পুষ্টিতথ্য বুঝে ভোক্তাদের পক্ষে স্বাস্থ্যসম্মত খাবার নির্বাচন করা কঠিন। এই পরিস্থিতিতে খাদ্য প্যাকেটের সামনে বাধ্যতামূলক সতর্কীকরণভিত্তিক ফ্রন্ট-অফ-প্যাকেজ লেবেলিং (এফওপিএল) কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ এই সংক্রান্ত ‘নিরাপদ খাদ্য (মোড়কাবদ্ধ খাদ্য লেবেলিং) প্রবিধানমালা, ২০২৬’-এর খসড়া তৈরি করলেও এটি এখনো খাদ্য মন্ত্রণালয়ে রয়েছে। বক্তাদের অভিযোগ, খাদ্যশিল্পের বিভিন্ন পক্ষ বাধ্যতামূলক লেবেলিংয়ের পরিবর্তে স্বেচ্ছামূলক ব্যবস্থা ও সতর্কবার্তার বদলে কম দৃশ্যমান লেবেল চালুসহ নানা দাবি জানাচ্ছে। বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের সদস্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ শোয়েব বলেন, খসড়াটি খাদ্য মন্ত্রণালয়ে রয়েছে। বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেওয়া হয়েছে এবং ব্যবসায়িক সংগঠনগুলোর সঙ্গেও কাজ চলছে। দ্রুত এটি গেজেট আকারে প্রকাশের আশা করছেন তারা। জনস্বাস্থ্যবিদ ও আইইডিসিআরের সাবেক প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ডা. মুশতাক হোসেন বলেন, দেশে মোট মৃত্যুর প্রায় ৭১ শতাংশ অসংক্রামক রোগে ঘটে। এসব রোগ মোকাবিলায় বাধ্যতামূলক এফওপিএল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। তাই খাদ্য কোম্পানির হস্তক্ষেপমুক্ত রেখে প্রবিধানমালাটি দ্রুত চূড়ান্ত করা প্রয়োজন। /শান্ত/