Advertisement(970X90).png
Advertisement(300X90).png

১৫ কার্তিক ১৪৩৩, ১৯ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬

পাকিস্তান-আফগানিস্তানে শক্তিশালী ভূমিকম্প অনুভূত
পাকিস্তান-আফগানিস্তানে শক্তিশালী ভূমিকম্প অনুভূত

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের বরাতে জানা গেছে, প্রাথমিকভাবে ভূমিকম্পটির মাত্রা ৫ দশমিক ৮ বলে ধারণা করা হয়েছিলো। পরে তা সংশোধন করে ৫ দশমিক ২ নির্ধারণ করা হয়। ইউরোপীয়-ভূমধ্যসাগরীয় ভূকম্পন কেন্দ্রের (ইএমএসসি) তথ্য অনুযায়ী, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিলো ভূপৃষ্ঠের প্রায় ১১০ কিলোমিটার গভীরে। আফগানিস্তানের সংবাদমাধ্যম টোলো নিউজ জানিয়েছে, ভূমিকম্পে দেশটির রাজধানী কাবুল, পূর্বাঞ্চলীয় নানগারহার প্রদেশসহ আশপাশের কয়েকটি এলাকায় কম্পন অনুভূত হয়েছে। এসব এলাকায় এখন পর্যন্ত কোনো হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির তথ্য পাওয়া যায়নি। অন্যদিকে পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম জিও নিউজ জানিয়েছে, দেশটির উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় খাইবার পাখতুনখাওয়া প্রদেশের বিভিন্ন এলাকা এবং উত্তরাঞ্চলীয় গিলগিট-বালতিস্তান অঞ্চলেও ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। /এমএএইচ/

ইরান সফরে গেলেন পাকিস্তানের সেনাপ্রধান
ইরান সফরে গেলেন পাকিস্তানের সেনাপ্রধান

এর আগে, ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ঈসমাইল বাগেই তাঁর সাপ্তাহিক সংবাদ সম্মেলনে নিশ্চিত করেছিলেন, ফিল্ড মার্শাল অসিম মুনির ইরানে আসবেন। তিনি বলেছিলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তির আলোচনা নিয়ে অসিম মুনির এবং ইরানি কর্মকর্তাদের মধ্যে বৈঠক হবে। তাঁর মূল সফরটি পাকিস্তান ও ইরানের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক নিয়ে হবে। যেখানে ২ দেশের সম্পর্ক শক্তিশালীকরণ নিয়ে আলোচনা হবে। অসিম মুনির এমন সময় সরাসরি ইরানে গেলেন যখন হরমুজ প্রণালি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে আলোচনা পুরোপুরি থমকে আছে। গতকাল ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি বলেন, হরমুজে জাহাজ চলাচলে যে অনিরাপত্তা তৈরি হয়েছে, সেটির জন্য যুক্তরাষ্ট্র দায়ী। হরমুজ দিয়ে তেল ও গ্যাসসহ অন্যান্য জ্বালানি পরিবহন করা হয়। কিন্তু গত ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথ হামলা চালালে ইরান গুরুত্বপূর্ণ এ রুটটি বন্ধ করে দেয়। এরপর থেকে সেখান দিয়ে স্বাভাবিক জাহাজ চলাচল বন্ধ আছে। এর মধ্যে গত কয়েকদিনে ৫ থেকে ৭টি বড় ট্যাংকার মাইনের সঙ্গে ধাক্কা লেগে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধ বন্ধে পাকিস্তান গুরুত্বপূর্ণ মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করছে। গত জুনে তাদের চেষ্টায় এ দুই দেশ স্বল্পকালীন যুদ্ধবিরতিতে রাজি হয়েছিলো। এটি সফলতার মুখ দেখেনি। গত জুনের সেই চুক্তির পর ফিল্ড মার্শাল অসিম মুনির পঞ্চমবারের মতো তেহরানে গেছেন। সূত্র: আল-আরাবিয়া /এমএএইচ/

আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বাবরের নতুন কীর্তি
আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বাবরের নতুন কীর্তি

রবিবার (১৮ অক্টোবর) রাওয়ালপিন্ডি ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ওয়ানডে ত্রিদেশীয় সিরিজের উদ্বোধনী ম্যাচে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে খেলতে নেমেছিলো পাকিস্তান। নামের পাশে ১৫,৯৯৩ রান নিয়ে ব্যাট করতে নামেন বাবর আজম। তাঁর প্রয়োজন ছিলো মাত্র ৭ রান। দ্রুতই সেই রান তুলে নেন ৩২ বছর বয়সী এই তারকা ব্যাটার। ৫৭ বলে ৪৫ রান করে ইশান মালিঙ্গার বলে আউট হন তিনি। তাঁর ইনিংসে ছিল ৬টি ৪। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে তাঁর মোট রান এখন ১৬,০৩৮। তিন সংস্করণ মিলিয়ে ৩৯৯ ইনিংসে ১৬ হাজার রান পূর্ণ করেছেন বাবর। পাকিস্তানের হয়ে এই মাইলফলকে পৌঁছাতে তার চেয়ে কম ইনিংস লেগেছে কেবল মোহাম্মদ ইউসুফ ও জাভেদ মিয়াদাদের। ইউসুফের লেগেছিলো ৩৮৮ ইনিংস, মিয়াদাদের ৩৯৮ ইনিংস। পাকিস্তানের হয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সর্বোচ্চ রানসংগ্রাহকদের তালিকার শীর্ষে রয়েছেন ইনজামাম উল হক। ৪৯৫ ম্যাচে তাঁর সংগ্রহ ২০ হাজার ৫৪১ রান। দ্বিতীয় স্থানে ইউনিস খান। ৪০৮ ম্যাচে ১৭ হাজার ৭৯০ রান করেছেন তিনি। মোহাম্মদ ইউসুফের রান ১৭ হাজার ১৩৪ এবং জাভেদ মিয়াঁদাদের ১৬ হাজার ২১৩। তিন সংস্করণেই ধারাবাহিক পারফরম্যান্সের সুবাদে এই মাইলফলকে পৌঁছেছেন বাবর। ৬৬ টেস্টে তাঁর রান ৪ হাজার ৭৭১। ১৪৫ টি-২০ আন্তর্জাতিক ম্যাচে করেছেন ৪ হাজার ৫৯৬ রান। ওয়ানডেতে তাঁর সংগ্রহ সাড়ে ৬ হাজারের বেশি। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে তিন সংস্করণ মিলিয়ে তাঁর সেঞ্চুরি ৩২টি এবং ফিফটি ১১১টি। পাকিস্তানের হয়ে ওয়ানডেতে ওপেনার সাঈদ আনোয়ারের সঙ্গে যৌথভাবে সর্বোচ্চ সেঞ্চুরির মালিক বাবর। দু’জনেই ২০টি করে সেঞ্চুরি করেছেন। আর একটি শতক করতে পারলেই আনোয়ারকে ছাড়িয়ে রেকর্ডটি এককভাবে নিজের করে নেবেন বাবর। ওয়ানডেতে ২১টি সেঞ্চুরি করতে দ্রুততম ব্যাটারদের তালিকায় জায়গা করে নেওয়ার সুযোগও রয়েছে বাবরের সামনে। দক্ষিণ আফ্রিকার হাশিম আমলা ১১৬ ইনিংসে ২১টি সেঞ্চুরি করে এই রেকর্ড গড়েন। ভারতের বিরাট কোহলি এই মাইলফলকে পৌঁছান ১৩৮ ইনিংসে। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে দ্রুততম ১৬ হাজার রানের মালিক কোহলি। এই মাইলফলকে পৌঁছাতে ভারতীয় তারকার লেগেছিলো মাত্র ৩৫০ ইনিংস। /এমএএইচ/

পাকিস্তানে ট্রেন দুর্ঘটনায় নিহত ৬
পাকিস্তানে ট্রেন দুর্ঘটনায় নিহত ৬

উদ্ধারকারী দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে কাজ শুরু করেছে। আহতদের চিকিৎসার জন্য মুলতানের নিশতার হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। কর্মকর্তারা জানান, এরইমধ্যে ১৩টি বগির উদ্ধারকাজ শেষ হয়েছে এবং বাকি একটি বগিতে তল্লাশি চালানো হচ্ছে। ট্রেনটি করাচি থেকে পেশোয়ারের দিকে যাচ্ছিল। এক যাত্রী জানান, মঙ্গলবার ভোর আনুমানিক ৫টা ১৫ মিনিটে এই দুর্ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনার কিছু সময় আগে রোহড়ির কাছাকাছি এলাকায় রেলকর্মীরা ট্রেনের ৯ নম্বর বগির নাট-বল্টু মেরামত করেছিলেন। ঠিক কী কারণে ট্রেনটি লাইনচ্যুত হয়েছে, তা এখনও সরকারিভাবে নিশ্চিত করা যায়নি। এই ঘটনায় পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তিনি উদ্ধারকাজ আরও দ্রুত করার নির্দেশ দিয়েছেন। সেই সঙ্গে আহত যাত্রীরা যাতে কোনো বিলম্ব ছাড়াই সেরা চিকিৎসা পান, তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছেন। পাকিস্তানে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে একের পর এক বড় রেল দুর্ঘটনা ঘটছে। এর আগে ২০২৩ সালের আগস্টে সিন্ধ প্রদেশের নবাবশাহের কাছে ‘হাজারা এক্সপ্রেস’ লাইনচ্যুত হয়ে অন্তত ৩০ জন নিহত এবং ১০০ জনেরও বেশি মানুষ আহত হয়েছিলেন। মঙ্গলবারের এই দুর্ঘটনা পাকিস্তানের রেলওয়ের নিরাপত্তা ও রক্ষণাবেক্ষণ ব্যবস্থাকে আবারও বড় প্রশ্নের মুখে দাঁড় করালো। /আকরাম/