Advertisement(970X90).png
Advertisement(300X90).png

১৫ কার্তিক ১৪৩৩, ১৯ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬

‘রাষ্ট্রদূতকে ফি‌রিয়ে আনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একান্ত সিদ্ধান্ত’
‘রাষ্ট্রদূতকে ফি‌রিয়ে আনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একান্ত সিদ্ধান্ত’

জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির আমন্ত্রণে ২৬ থেকে ২৯ অক্টোবর টোকিও সফর করবেন তারেক রহমান। ওই সফরের প্রস্তুতির কথা বলে রাষ্ট্রদূত মো. দাউদ আলীকে সদর দপ্তরে ডেকে পাঠানো হয়েছে। শনিবার (২৪ অক্টোবর) রাজধানীর তোপখানা রোডের সিরডাপ মিলনায়তনে এক সংলাপ শেষে সাংবাদিকরা এই বিষয়ে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদের কাছে জানতে চান। জবাবে তিনি বলেন, কোনো রাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূতকে কখন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ডেকে পাঠানো হবে, সেটি মন্ত্রণালয়ের একান্ত নিজস্ব সিদ্ধান্ত। এটি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ বিষয়, জাতীয় বা আন্তর্জাতিক কোনো বিষয় নয়। এটি একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফর প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমরা মনে করি, জাপান বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান বাণিজ্য ও উন্নয়ন অংশীদার। মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় থেকে জাপানের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক রয়েছে, যা বর্তমানে আরও গভীর হয়েছে। বিএনপি সরকারের সময়গুলোতে বাংলাদেশ-জাপান সম্পর্ক আরও উন্নত হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এবারের সফর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে তুলে ধরে শামা ওবায়েদ বলেন, বাংলাদেশের অবকাঠামো, জ্বালানি, প্রযুক্তি ও তৈরি পোশাকসহ বিভিন্ন খাতে জাপানের সঙ্গে সহযোগিতার সুযোগ রয়েছে। শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতেও সহযোগিতার সম্ভাবনা রয়েছে। এসব খাতে জাপানের সঙ্গে নতুন করে সহযোগিতা গড়ে উঠবে বলে আমরা আশা করছি। জাপানি বিনিয়োগ বাড়ার সম্ভাবনা কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর এই সফর নতুন জাপানি বিনিয়োগের ক্ষেত্র তৈরি করবে বলে আমরা মনে করি। বাংলাদেশে নতুন বিনিয়োগ আকৃষ্ট করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ‘বাংলাদেশ ইনভেস্ট’-এর মাধ্যমে আরও জাপানি বিনিয়োগ আনার প্রচেষ্টা এই সফরেও থাকবে। আমরা আশা করছি, আমাদের প্রত্যাশার চেয়েও বেশি সফল হবে এই সফর। /এমএএইচ/

‘আল্লাহ’র ঘরে এমন কর্মকাণ্ড ঠিক না’
‘আল্লাহ’র ঘরে এমন কর্মকাণ্ড ঠিক না’

সোমবার (১৯ অক্টোবর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে এই কথা বলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘সৌদি আরবের সঙ্গে বাংলাদেশের, বিশেষ করে আমাদের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও আমাদের সরকারের সঙ্গে একটা ভালো, গভীর ও ঐতিহাসিক সম্পর্ক রয়েছে। এটা নতুন একটা উচ্চতায় ইনশাআল্লাহ যাবে এবং যাচ্ছে।’ তথ্য পাওয়ায় ঘাটতি ছিল জানিয়ে হুমায়ুন কবির বলেন, ‘আমরা ব্যাখ্যা চেয়েছি আমাদের বন্ধুপ্রতিম দেশ সৌদি আরবের কাছে। এখানে অবশ্যই একটা তথ্যের ঘাটতি ছিলো। কোথায়, কোন জায়গায় ত্রুটি আছে আমরা এটা খতিয়ে দেখার জন্য কথাবার্তা বলছি।’ তিনি আরও বলেন, ‘এটা অবশ্যই দুঃখজনক। যে অভিযোগ এনে বা যে অপরাধের কথা বলে এই শাস্তি কার্যকর হলো, এটাও আমাদের জন্য বেশ হতাশাজনক। আল্লাহ’র ঘরের পবিত্রতা এবং মক্কা যাওয়ার উদ্দেশ্য পবিত্র নিয়তেই হয়। তো মৃত্যুদণ্ডের যে কারণ পেলাম, এটা যদি হয়ে থাকে, তাহলে তো স্বাভাবিকভাবে এটা অত্যন্ত হতাশার, দুঃখজনক এবং কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য না।’ পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘যদি অপরাধ হয়ে থাকে, এটার একটা আইন আছে, তাঁদের লোকাল আইন আছে। সৌদি আরবে যে যায়, সে জানে ওখানে গেলে কী দণ্ডনীয় অপরাধ, এটা পরিষ্কার। আমাদের এখন যে ঘাটতি আছে তথ্য ও যোগাযোগের, এটা নিয়ে আমরা সৌদি আরবের কাছে একটা ব্যাখ্যা চেয়েছি।’ /শুভ/এমএএইচ/

সৌদিতে ২ বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড আমাদের জন্য বড় শিক্ষা: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী
সৌদিতে ২ বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড আমাদের জন্য বড় শিক্ষা: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

শামা ওবায়েদ বলেন, সৌদি আরবে ২ বাংলাদেশির ফাঁসির আদেশ নিয়ে এখনও কিছু জানতে পারেনি বাংলাদেশ সরকার। এই বিষয়ে জানতে চেয়ে সৌদি কর্তৃপক্ষকে চিঠি দেওয়া হয়েছে। অতীতের অভিজ্ঞতা থেকে বলতে পারি— সৌদি আরবের একটি নিজস্ব আইনি কাঠামো আছে। সেই আইনি কাঠামো অনুযায়ী কেউ যদি গর্হিত অন্যায় কাজ করে, তখন সেই আইন অনুযায়ী অভিযুক্তদের সাজা হয়। তিনি বলেন, সৌদি মিশনের শ্রম উইং থেকে বার্তা এসেছে— ওই ২ বাংলাদেশি মক্কা নগরীর একটি মসজিদের অভ্যন্তরে ব্যভিচারে লিপ্ত ছিলেন, যা সৌদি আইনে একটি গর্হিত কাজ হিসেবে গণ্য। ওই আইন অনুযায়ী আদালত ব্যবস্থা নিয়েছেন। আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশের সরকার এখনও কোনোকিছুই জানতে পারেনি। এই জন্য ওই ২ জনের বিস্তারিত জানতে চেয়ে চিঠি দিয়েছে সরকার। /এমএএইচ/