দক্ষিণ আমেরিকায় বাংলাদেশের রপ্তানির বড় বাজার ব্রাজিল ও চিলি
রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) তথ্য অনুযায়ী, এই সময়ে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় রপ্তানি গন্তব্য ছিলো ব্রাজিল। দেশটিতে ৭ কোটি ৮ লাখ ২০ হাজার ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়েছে। চিলিতে রপ্তানি হয়েছে ৫ কোটি ১৮ লাখ ৭০ হাজার ডলারের পণ্য এবং পেরুতে ২ কোটি ৪২ লাখ ৪০ হাজার ডলারের। এছাড়া কলম্বিয়ায় ১ কোটি ৮০ লাখ ৫০ হাজার, উরুগুয়েতে ১ কোটি ১৬ লাখ ৩০ হাজার এবং আর্জেন্টিনায় ১ কোটি ২ লাখ ৮০ হাজার ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়েছে। ইপিবির হিসাবে, দক্ষিণ আমেরিকার ১১টি দেশে বাংলাদেশের মোট রপ্তানি আয়ের প্রায় ৭৯ দশমিক ২ শতাংশ এসেছে তৈরি পোশাক থেকে। আলোচ্য সময়ে ওভেন পোশাক ও পোশাকের আনুষঙ্গিক পণ্য রপ্তানি থেকে আয় হয়েছে প্রায় ৮ কোটি ৪৫ লাখ ৩০ হাজার ডলার। নিট পোশাক রপ্তানি থেকে এসেছে প্রায় ৭ কোটি ১০ লাখ ডলার। তৈরি পোশাকের পাশাপাশি ওষুধ, জুতা, চামড়াজাত পণ্য, ভ্রমণসামগ্রী ও অন্যান্য বস্ত্রপণ্যের বাজার সম্প্রসারণের সুযোগ রয়েছে এই অঞ্চলে। এই লক্ষ্যে গত ১১ থেকে ১৩ আগস্ট ব্রাজিলের সাও পাওলোতে অনুষ্ঠিত ‘হোম শো ব্রাজিল ২০২৬’ প্রদর্শনীতে অংশ নেয় বাংলাদেশের চারটি প্রতিষ্ঠান। ইপিবির আর্থিক সহায়তা ও ব্রাসিলিয়ায় বাংলাদেশ দূতাবাসের ব্যবস্থাপনায় আয়োজিত প্রদর্শনীতে পাটজাত পণ্য, চামড়াজাত সামগ্রী, গৃহসজ্জার উপকরণ, বাঁশের পণ্য ও নকশিকাঁথাসহ বিভিন্ন পণ্য তুলে ধরা হয়। ইপিবির ভাইস চেয়ারম্যান ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ হাসান আরিফ বলেন, তৈরি পোশাকের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা ও অল্প কয়েকটি বাজারে রপ্তানি সীমাবদ্ধ থাকলে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অস্থিরতায় ঝুঁকি বাড়ে। তাই নতুন পণ্য ও বাজার খুঁজে বের করার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক প্রদর্শনীতে অংশ নেওয়ার আগে বাজারের চাহিদা, দাম ও প্রতিযোগিতা নিয়ে গবেষণা জরুরি। /শান্ত/