Advertisement(970X90).png
Advertisement(300X90).png

১৫ কার্তিক ১৪৩৩, ১৯ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬

পিঠা-পুরি-পেঁয়াজুর দোকানেরও লাগবে লাইসেন্স, কার্যকর কবে থেকে?
পিঠা-পুরি-পেঁয়াজুর দোকানেরও লাগবে লাইসেন্স, কার্যকর কবে থেকে?

খাদ্য ব্যবসায় নিবন্ধন ও লাইসেন্স গ্রহণ বাধ্যতামূলক করছে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ (বিএফএসএ)। এর আওতায় রাস্তার পাশের অস্থায়ী বা ভ্রাম্যমাণ খাবারের দোকান, রেস্তোরাঁ, বেকারি থেকে শুরু করে খাদ্য উৎপাদনকারী ও আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানকে নিতে হবে নিবন্ধন বা লাইসেন্স। গত ১৬ জুলাই ‘নিরাপদ খাদ্য (রেজিস্ট্রেশন ও লাইসেন্স) প্রবিধানমালা, ২০২৬’ নামের নতুন এই প্রবিধানমালা সরকারি গেজেট আকারে প্রকাশিত হওয়ার পর সংশ্লিষ্ট সব খাদ্য ব্যবসায়ী ও প্রতিষ্ঠানকে আগামী ১ নভেম্বর থেকে প্রয়োজনীয় নিবন্ধন ও লাইসেন্স গ্রহণের জন্য আবেদন করার আহ্বান জানিয়েছে নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ। নিরাপদ খাদ্য আইন, ২০১৩ এবং নিরাপদ খাদ্য (রেজিস্ট্রেশন ও লাইসেন্স) প্রবিধানমালা, ২০২৬ অনুযায়ী নির্ধারিত ৪ শ্রেণির খাদ্য ব্যবসার ক্ষেত্রে ব্যবসায়িক লাইসেন্স, প্রিমিসেস লাইসেন্স, উৎপাদন ও আমদানিকৃত পণ্যের লাইসেন্স এবং লাইসেন্সপ্রাপ্ত পণ্যসমূহের নিবন্ধন গ্রহণ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। একই সঙ্গে নির্ধারিত ১৬টি শ্রেণির খাদ্য ব্যবসা ও খাদ্য স্থাপনার ক্ষেত্রে নিবন্ধন গ্রহণের বিধান রয়েছে। প্রবিধানের তফশিলে খাদ্য ব্যবসাকে প্রধানত দু’টি ভাগে ভাগ করা হয়েছে। প্রচলিত ১৬ ধরনের খাদ্যব্যবসা প্রতিষ্ঠানের জন্য শুধু নিবন্ধনই যথেষ্ট হবে। যাঁরা বিশেষ ধরনের বা সুপার ফুড পণ্য নিয়ে কাজ করে, তাঁদের লাইসেন্স নিতে হবে। রেস্তোরাঁ, বেকারি, ফলের রসের দোকান, পেস্ট্রি শপ এবং ক্যাটারিং সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানগুলোকে নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ থেকে নিবন্ধন নিতে হবে। প্যাকেটজাত বা মোড়কজাত খাবার উৎপাদনকারী, মিষ্টির দোকান, দুগ্ধপণ্য প্রস্তুতকারী এবং আমদানিকারকদেরও (কাঁচা ও তাজা খাবার বাদে) নিবন্ধন করতে হবে। এমনকি রাস্তার পাশে যারা পিঠা, পুরি ও পেঁয়াজুর মতো খাবারের ব্যবসা করেন, নতুন এই নিয়মের আওতায় তাদেরও নিবন্ধন নিতে হবে। এছাড়া পাইকারি মুদি খাদ্য ব্যবসা, কাঁচা ও তাজা খাদ্য আমদানি, খাদ্য সংরক্ষণাগার ও কোল্ড স্টোরেজ, ভোজ্যতেল ও ভোজ্য লবণ উৎপাদন, বিশেষ খাদ্য, পুষ্টিসমৃদ্ধ (Fortified) খাদ্য, স্বাস্থ্য সহায়ক ও সম্পূরক খাদ্য, বিশেষ পথ্য, চিকিৎসাসংক্রান্ত বিশেষ পথ্য, প্রোবায়োটিক ও প্রিবায়োটিক খাদ্য, জৈব-খাদ্য, কিরণ-সম্পাতকৃত খাদ্য, স্বতাত্ত্বিকভাবে পরিবর্তিত খাদ্য, অভিনব খাদ্য, ব্যবহারিক খাদ্য, একাধিক ধাপে প্রক্রিয়াজাত খাদ্য এবং খাদ্য সংযোজন দ্রব্যের উৎপাদন, প্রক্রিয়াকরণ, মজুত, আমদানি, রপ্তানি ও বিপণনসংশ্লিষ্ট নির্ধারিত ব্যবসার জন্য নিবন্ধন বা রেজিস্ট্রেশন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। অন্যদিকে যেসব প্রতিষ্ঠান বিশেষায়িত খাদ্যপণ্য নিয়ে কাজ করে, যেমন: শিশুদের ফর্মুলা দুধ এবং বয়স্ক বা নির্দিষ্ট রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের জন্য তৈরিকৃত বিশেষ ধরনের খাবার, এমন চার ধরনের ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে বাধ্যতামূলক লাইসেন্সের আওতায় নিয়ে আসা হবে এই প্রবিধানের মাধ্যমে। এর মধ্যে রয়েছে স্বাস্থ্য সহায়ক ও সম্পূরক খাদ্য, বিশেষ পথ্য ও চিকিৎসাসংক্রান্ত বিশেষ পথ্য, প্রোবায়োটিক ও প্রিবায়োটিক খাদ্য এবং নিউট্রাসিউটিক্যালসহ অনুরূপ খাদ্যের উৎপাদন, প্রক্রিয়াকরণ, মজুত, আমদানি ও বিপণন। এছাড়া বংশগত বৈশিষ্ট্য পরিবর্তিত বা সংশোধিত খাদ্য, জৈব-খাদ্য, কিরণ-সম্পাতকৃত খাদ্য, স্বতাত্ত্বিকভাবে পরিবর্তিত খাদ্য, অভিনব খাদ্য, ব্যবহারিক খাদ্য, পুষ্টিসমৃদ্ধ খাদ্য এবং নিরাপদ খাদ্য (বিজ্ঞাপন ও দাবি) প্রবিধানমালা, ২০২৫ অনুযায়ী স্বাস্থ্য সহায়ক দাবি বা রোগের ঝুঁকি হ্রাস-সংক্রান্ত দাবি-সম্পন্ন খাদ্যের ক্ষেত্রেও সংশ্লিষ্ট বিধান অনুসারে প্রয়োজনীয় লাইসেন্স ও নিবন্ধন গ্রহণ করতে হবে। বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নিরাপদ খাদ্য (রেজিস্ট্রেশন ও লাইসেন্স) প্রবিধানমালা, ২০২৬-এর তফশিল-১০-এ নির্ধারিত ফি পরিশোধ করে সংশ্লিষ্ট প্রবিধানে বর্ণিত শর্ত পূরণ সাপেক্ষে আবেদন করতে হবে। বাধ্যতামূলক লাইসেন্সের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য ফরম ৬.১, ৭.১, ৮.১ ও ৯.১ এবং নিবন্ধনের ক্ষেত্রে ফরম ৫.১ অনুযায়ী আবেদন দাখিল করতে হবে। কর্তৃপক্ষ আরও জানায়, নিবন্ধন বা লাইসেন্স গ্রহণের বাধ্যবাধকতা থাকা সত্ত্বেও নিবন্ধন বা লাইসেন্স ছাড়া খাদ্য ব্যবসা পরিচালনা করা নিরাপদ খাদ্য আইন, ২০১৩-এর সংশ্লিষ্ট বিধান অনুযায়ী দণ্ডনীয় অপরাধ। এই কারণে সংশ্লিষ্ট খাদ্য ব্যবসায়ী ও প্রতিষ্ঠানগুলোকে নির্ধারিত সময় থেকে প্রযোজ্য নিবন্ধন ও লাইসেন্স গ্রহণের প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানানো হয়েছে। /এমএএইচ/

কেন খাবেন জাপানিজ সবজি পিকল?
কেন খাবেন জাপানিজ সবজি পিকল?

যা লাগবে শসা, বেল পেপার অথবা ক্যাপসিকাম, রসুন, সামান‍্য গোলমরিচ (ব্ল্যাক পেপার) পাউডার, সামান্য পিংক সল্ট, দুটি কাঁচামরিচ কুচি, খাবার ভিনেগার। কেউ চাইলে হোয়াইট ভিনেগার বা রাইস ভিনেগার দিয়েও করতে পারেন। উপকারিতা জাপানিজ সবজি ভিনেগার পিকল হজমশক্তি বাড়ায়, ওজন নিয়ন্ত্রণে সহায়ক, রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণ করে। একবারে অনেক বেশি না খেয়ে প্রতিদিন মূল খাবারের সাথে অল্প পরিমাণে (সাইড ডিশ হিসেবে) খেতে হয়। বাংলাদেশে যেসব সবজি সহজে পাওয়া যায় যেমন পেঁপে, লাউ, শসা, গাজর, মুলা, মিষ্টি কুমড়া, ক্যাপসিকাম, বেগুন, বাঁধাকপি ফুলকপি ইত্যাদি দিয়েও তৈরি করা সম্ভব। একবার বানিয়ে কাঁচের জারে করে ফ্রিজে রেখে দিলে পুরো এক সপ্তাহ বা তারও বেশি সময় ধরে স্বাচ্ছন্দ্যে খাওয়া যায়। /শিউলী/

খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি বেড়ে ৯.৩২ শতাংশ, সামান্য কমেছে খাদ্য মূল্যস্ফিতি
খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি বেড়ে ৯.৩২ শতাংশ, সামান্য কমেছে খাদ্য মূল্যস্ফিতি

সোমবার (১২ অক্টোবর) বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশনের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগ (জিইডি) প্রকাশিত 'ইকোনমিক আপডেট অ্যান্ড আউটলুক, সেপ্টেম্বর ২০২৬' শীর্ষক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে। খাদ্যপণ্যের দাম বৃদ্ধির গতি কমে আসায় বিগত আগস্ট মাসে দেশের সার্বিক মূল্যস্ফীতি সামান্য কমেছে। তবে খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি এখনও ৯ শতাংশের ওপরে রয়েছে। একই সময়ে মূল্যস্ফীতির চেয়ে মজুরি বৃদ্ধির হার নিচে নেমে যাওয়ায় পরিবারগুলোর প্রকৃত আয় ও ক্রয়ক্ষমতার ওপর চাপ অব্যাহত রয়েছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, পয়েন্ট-টু-পয়েন্ট ভিত্তিতে সার্বিক মূল্যস্ফীতি জুলাইয়ের ৮ দশমিক ৩২ শতাংশ থেকে কমে আগস্টে ৮ দশমিক ২৬ শতাংশ হয়েছে। একই সময়ে খাদ্য মূল্যস্ফীতি ৭ দশমিক ১৬ শতাংশ থেকে কমে ৭ দশমিক ০২ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। অন্যদিকে খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি জুলাইয়ের ৯ দশমিক ২৮ শতাংশ থেকে বেড়ে আগস্টে ৯ দশমিক ৩২ শতাংশ হয়েছে। ফলে খাদ্য ও খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতির ব্যবধান বেড়ে দুই শতাংশীয় পয়েন্টের বেশি হয়েছে। জিইডি জানিয়েছে, সার্বিক মূল্যস্ফীতি কিছুটা কমলেও এর ভেতরের বিভিন্ন উপাদানে ভিন্নমুখী প্রবণতা আড়ালে থেকে যাচ্ছে। খাদ্য মূল্যস্ফীতি নিম্নমুখী হলেও খাদ্যবহির্ভূত পণ্যের ক্ষেত্রে মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী চাপ এখনও বিদ্যমান। চালের দাম কমায় স্বস্তি খাদ্যপণ্যের মূল্যস্ফীতি কমার পেছনে প্রধান কারণ চালের দাম কমে যাওয়া। জুলাইয়ে চালের মূল্যস্ফীতি ঋণাত্মক ৬ শতাংশ থাকলেও আগস্টে তা আরও কমে ঋণাত্মক ৭ দশমিক ৯৯ শতাংশ হয়েছে। এই সময়ে মাঝারি চালের মূল্যস্ফীতি ঋণাত্মক ৪ দশমিক ২৮ শতাংশ থেকে কমে ঋণাত্মক ৫ দশমিক ৫৮ শতাংশ এবং সরু চালে ঋণাত্মক ৪ দশমিক ১২ থেকে কমে ঋণাত্মক ৬ দশমিক ৭১ শতাংশ হয়। মোটা চালের ক্ষেত্রে দরপতন ছিল সবচেয়ে বেশি; ঋণাত্মক ১০ দশমিক ১৯ শতাংশ থেকে তা নেমেছে ঋণাত্মক ১১ দশমিক ৮৩ শতাংশে। এর ফলে খাদ্য মূল্যস্ফীতিতে চালের ঋণাত্মক অবদান জুলাইয়ের ২০ দশমিক ২৫ শতাংশ থেকে বেড়ে আগস্টে ২৭ দশমিক ৪৭ শতাংশে দাঁড়ায়। জিইডি জানিয়েছে, সব ধরনের চালে দাম কমার এ প্রবণতা প্রমাণ করে যে স্বস্তি কেবল নির্দিষ্ট কোনো শ্রেণিতে সীমাবদ্ধ ছিল না। তবে প্রতিবেদনে সতর্ক করে বলা হয়, দীর্ঘদিন চালের দাম এভাবে কমতে থাকলে তা উৎপাদকদের উৎসাহে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। ফলে দীর্ঘমেয়াদি এমন প্রবণতার ওপর নজর রাখা জরুরি। মজুরি বৃদ্ধির গতি মন্থর মূল্যস্ফীতি সামান্য কমলেও মজুরি বৃদ্ধির গতি মন্থর থাকায় সাধারণ পরিবারের প্রকৃত ক্রয়ক্ষমতায় টানাপোড়েন অব্যাহত রয়েছে। আগস্টে মজুরি বৃদ্ধির হার নেমে এসেছে ৮ দশমিক ০৫ শতাংশে, যা জুলাইয়ে ছিল ৮ দশমিক ২২ শতাংশ। সার্বিক মূল্যস্ফীতি ৮ দশমিক ২৬ শতাংশ হওয়ায় মজুরি বৃদ্ধির হার মূল্যস্ফীতির চেয়ে শূন্য দশমিক ২১ শতাংশ পয়েন্ট নিচে নেমেছে। জুলাইয়ে এই ব্যবধান ছিল কেবল শূন্য দশমিক ১০ শতাংশ পয়েন্ট। জিইডি জানায়, জুলাইয়ে এ ব্যবধান কিছুটা কমলেও আগস্টের চিত্রে উল্টো অবনতি দেখা গেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, 'এর ফলে আগস্টে শ্রমজীবী পরিবারগুলো তাদের প্রকৃত ক্রয়ক্ষমতার ক্ষেত্রে চাপের মুখোমুখি হয়েছে।' আগামীতে পরিবারগুলোর ক্রয়ক্ষমতা সুরক্ষা মূলত নির্ভর করবে খাদ্যপণ্যের দাম কমার ধারা বজায় থাকা এবং খাদ্যবহির্ভূত খাতের উচ্চ মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে আসার ওপর। পরিবহন ব্যয়ের চাপ বহাল আগস্টে সামগ্রিক পরিবহন ব্যয়ের মূল্যস্ফীতি সামান্য বেড়ে ৯ দশমিক ৪১ শতাংশ হয়েছে, যা জুলাইয়ে ছিল ৯ দশমিক ৩৪ শতাংশ। তবে পরিবহন সেবার মূল্যস্ফীতি ১৮ দশমিক ৫৭ শতাংশ থেকে কমে ১৮ দশমিক ২৪ শতাংশে নেমেছে। তরল জ্বালানি- অকটেন, পেট্রল ও ডিজেলের মূল্যস্ফীতি অপরিবর্তিত ছিল। এলপিজির ক্ষেত্রে তা ২৪ দশমিক ০৩ শতাংশ থেকে কিছুটা কমে হয়েছে ২৩ দশমিক ৯৭ শতাংশ। জিইডি জানায়, জ্বালানি পণ্যের দর স্থিতিশীল থাকা এটাই প্রমাণ করে যে মূল্যস্ফীতি হ্রাসে সরকার-নির্ধারিত বা জ্বালানি মূল্যের বড় কোনো ভূমিকা ছিল না। এডিপি বাস্তবায়ন বিদেশি সহায়তাপুষ্ট প্রকল্পে ব্যয় দ্রুত হ্রাস পাওয়ায় চলতি অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) বাস্তবায়নের গতি ছিল মন্থর। এই বাস্তবায়ন হার আগের অর্থবছরের একই সময়ের ২ দশমিক ৩৯ শতাংশ থেকে নেমে দাঁড়িয়েছে ১ দশমিক ৮৫ শতাংশে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জুলাই-আগস্টে মোট এডিপি ব্যয় হয়েছে ৫ হাজার ৭০৯ কোটি ৭০ লাখ টাকা, যা আগের অর্থবছরের (২০২৫-২৬) একই সময়ের (৫ হাজার ৭১৪ কোটি ৮৩ লাখ টাকা) তুলনায় প্রায় অপরিবর্তিত (শূন্য দশমিক ১ শতাংশ কম)। তবে চলতি অর্থবছরে এডিপির আকার বড় হওয়ায় বাস্তবায়নের হারে বড় পতন দেখা গেছে। কেবল আগস্টে এডিপি ব্যয় হয়েছে ৩ হাজার ৫৮৮ কোটি ৫২ লাখ টাকা, যা আগের বছরের আগস্টের (৪ হাজার ৭০ কোটি ১৮ লাখ টাকা) চেয়ে ১১ দশমিক ৮ শতাংশ কম। ফলে আগস্টে একক মাসের এডিপি বাস্তবায়নের হার ১ দশমিক ৭১ শতাংশ থেকে নেমে ১ দশমিক ১৬ শতাংশে ঠেকেছে। তবে জিইডি জানায়, প্রকল্পের প্রস্তুতি, দরপত্র প্রক্রিয়া, অর্থ ছাড় এবং মাঠপর্যায়ের গতি বাড়িয়ে আগামী মাসগুলোতে বাস্তবায়ন ত্বরান্বিত করার সুযোগ রয়েছে। - কেআর