Advertisement(970X90).png
Advertisement(300X90).png

১৫ কার্তিক ১৪৩৩, ১৯ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬

একই দিকে বাঁকানো ৪০০ গাছ, প্রকৃতির সৃষ্টি নাকি মানুষের কারসাজি
একই দিকে বাঁকানো ৪০০ গাছ, প্রকৃতির সৃষ্টি নাকি মানুষের কারসাজি

গাছগুলোর এমন আকৃতির পেছনে একাধিক তত্ত্ব রয়েছে। একটি ধারণা অনুযায়ী, গাছগুলো ছোট থাকাকালে ভারী তুষারের চাপে কাণ্ড বেঁকে যায়। আবার কারও মতে, এই অঞ্চলের মাধ্যাকর্ষণ শক্তির অস্বাভাবিক প্রভাবের কারণে এমনটি হয়েছে। তবে কোনো তত্ত্বই নিশ্চিতভাবে প্রমাণিত নয়। আরেকটি ধারণা বলছে, ১৯২৫ থেকে ১৯২৮ সালের মধ্যে গাছগুলো লাগানোর পর পরিকল্পিতভাবে কাণ্ড বাঁকিয়ে দিয়েছিলেন বনকর্মীরা। উদ্দেশ্য ছিলো, বাঁকানো কাঠ দিয়ে আসবাব তৈরি করা। গাছের বয়স প্রায় ১০ বছর হলে এই কাজ করা হয়েছিলো বলে ধারণা করা হয়। তবে ১৯৩৯ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হলে সেই পরিকল্পনা আর বাস্তবায়িত হয়নি। গাছগুলোর কাণ্ডে প্রায় একই রকম হুকের মতো বাঁক থাকলেও সেগুলো বেশ লম্বা হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পরও গাছগুলো বেঁচে থেকে বেড়ে উঠেছে। আকৃতির এই মিল দেখে অনেকেই মনে করেন, কোনো পরিকল্পিত প্রক্রিয়ায় সেগুলো বাঁকানো হয়েছিলো। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় এলাকার মানুষের বাস্তুচ্যুতি এবং পরবর্তী সময়ে প্রয়োজনীয় তথ্য হারিয়ে যাওয়ায় গাছগুলোর আকৃতির প্রকৃত কারণ জানা যায়নি। ফলে পোল্যান্ডের এই বন আজও কৌতূহলের বিষয় হয়ে আছে। গাছগুলোর অদ্ভুত আকৃতি প্রকৃতির খেলা, নাকি মানুষের পরিকল্পিত সৃষ্টি, সেই প্রশ্নের নিশ্চিত উত্তর মেলেনি। /শান্ত/