Advertisement(970X90).png
Advertisement(300X90).png

১৫ কার্তিক ১৪৩৩, ১৯ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬

আড়াই লাখ টাকায় মাল্টার বাগান, বছরে মামুনের আয় ১০ লাখ
আড়াই লাখ টাকায় মাল্টার বাগান, বছরে মামুনের আয় ১০ লাখ

লালমনিরহাট সরকারি কলেজের দর্শন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মামুন ২০২১ সালে তামাকের বিকল্প হিসেবে মাল্টা চাষ শুরু করেন। তার বাগানে মাল্টার পাশাপাশি রয়েছে কমলা ও পেঁপে। নিয়মিত পরিচর্যায় গাছগুলোতে ফলন আসতে শুরু করলে বদলে যায় তার উদ্যোগ সম্পর্কে আশপাশের মানুষের ধারণা। মামুন জানান, সীমান্তবর্তী দুর্গাপুর ইউনিয়নে ব্যাপকভাবে তামাক চাষ হয়। তরুণদের মাদক থেকে দূরে রাখা এবং বিকল্প কর্মসংস্থান তৈরির চিন্তা থেকেই তিনি ফলের বাগান করার উদ্যোগ নেন। তাঁর মতে, তামাকের পরিবর্তে মিশ্র ফলের বাগান গড়ে তুললে আয় বাড়ার পাশাপাশি পরিবেশেরও উপকার হবে। বাগানে কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করছেন চারটি পরিবারের সদস্যরা। পরিচর্যার দায়িত্বে থাকা মোকলেসুর রহমান মমিন জানান, বাগানের আয় থেকে তাদের পরিবারের খরচ ও সন্তানদের পড়াশোনা ভালোভাবে চলছে। মামুনের বাগান দেখতে প্রতিদিন বিভিন্ন এলাকা থেকে তরুণ ও আগ্রহী কৃষকেরা আসছেন। তারা চাষের পদ্ধতি, উৎপাদন খরচ ও লাভের হিসাব জানছেন। কেউ কেউ নিজের জমিতে ফলের বাগান করার প্রস্তুতিও নিচ্ছেন। লালমনিরহাট জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক ড. মো. সাইখুল আরিফিন বলেন, পরিকল্পিতভাবে মাল্টা চাষ ও যথাযথ পরিচর্যা করা গেলে কৃষকেরা লাভবান হবেন। পাশাপাশি গ্রামীণ এলাকায় কর্মসংস্থানের সুযোগও বাড়বে। /শান্ত/

‘কৃষিকে লাভজনক খাতে পরিণত করতে হবে’
‘কৃষিকে লাভজনক খাতে পরিণত করতে হবে’

রাষ্ট্রপতি বলেন, বাংলাদেশের কৃষি এখন আর লাভজনক কোনো খাত নয়। কৃষিকাজ করে পর্যাপ্ত আয় না হওয়ায় শ্রমিকরা এই পেশা ছেড়ে যাচ্ছেন। এখন মাঠে কাজ করার জন্য কৃষক পাওয়া যায় না। তাই এই খাতকে লাভজনক করতে করতে হবে। এই সময় তিনি কৃষিপণ্য সংরক্ষণ ও প্রক্রিয়াজাতকরণ প্রযুক্তির সম্প্রসারণ, কৃষকদের প্রণোদনা বৃদ্ধি এবং কৃষি গবেষকদের সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিতের ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, কৃষিপণ্যের উৎপাদন বাড়লেও যথাযথ সংরক্ষণ ও প্রক্রিয়াজাতকরণের অভাবে কৃষকরা ন্যায্যমূল্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। এই অবস্থা থেকে উত্তরণে কৃষিপণ্য সংরক্ষণ প্রযুক্তির উন্নয়ন এবং বেসরকারি খাতকে সম্পৃক্ত করা প্রয়োজন। রাষ্ট্রপতি বলেন, উত্তরাঞ্চলে প্রচুর আলু উৎপাদিত হলেও ওই অঞ্চলের কৃষকরা ন্যায্যমূল্য পান না। অনেক সময় তারা আলু রাস্তায় ফেলে দিতে বাধ্য হন। পরবর্তী সময়ে বীজ আলুর দাম বেড়ে যায়। একইভাবে উৎপাদনস্থল থেকে ঢাকায় পৌঁছানোর পর আলুর দাম অনেক বেড়ে যায়। অন্যান্য সবজির ক্ষেত্রেও এই সমস্যা রয়েছে। কৃষিজমিতে অতিমাত্রায় রাসায়নিক সার ব্যবহারের বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, অতিরিক্ত সার মাটির ক্ষতি ও ফসলের গুণগত মান নষ্ট করছে। এই ক্ষেত্রে কৃষকদের সচেতনতা বাড়ানোর পাশাপাশি টেকসই কৃষিপ্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষকদের সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দিয়ে রাষ্ট্রপতি বলেন, কৃষি বিজ্ঞানীরা যথাযথ সুযোগ-সুবিধা না পেলে মেধাবী শিক্ষার্থীদের এই পেশায় আকৃষ্ট করা কঠিন হবে। কৃষি বিজ্ঞানীদের পেনশন-সংক্রান্ত বিধিমালা পরিবর্তনের উদ্যোগ নিতে তিনি কৃষিমন্ত্রীর প্রতি আহ্বান জানান। /এমএএইচ/