প্রকৃতিতে কে আনলো ডেকে হেমন্ত?
পঞ্জিকার পাতায় আজ শনিবার (১৭ অক্টোবর) থেকে শুরু হলো হেমন্ত। শরতের পর কার্তিক-অগ্রহায়ণ মিলে এই হেমন্ত। এই দুই মাস মিলে বাংলার চিরায়ত ছয় ঋতুর চতুর্থ ঋতু এটি। আজ কার্তিকের প্রথম দিন। হেমন্তকে বলা হয় শীতের বাহন। শীতের আগমনী বার্তা নিয়ে ধীরে ধীরে প্রকৃতিতে আসে এই ঋতু। হেমন্তকালে প্রকৃতিতে তীব্র গরমও থাকে না আবার শীতও জেঁকে বসে না। তবে রাতের বেলা হালকা শীতের ছোঁয়া পাওয়া যায়। বর্ষার পর এই সময়ে বৃক্ষরাজি থাকে সবুজ ও শান্ত স্নিগ্ধ। পানিতে ভরা থাকে খাল-বিল নদী-নালা। বিল জুড়ে থাকে সাদা-লাল শাপলা আর পদ্ম ফুলের সমারোহ। থাকে নদী ও বিলের ধারে কুচুরি ফুলের সমারোহ। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর হেমন্তকে নিয়ে লিখেছেন, ‘আজি হেমন্তের শান্তি ব্যাপ্ত চরাচরে/ জনশূন্য ক্ষেত্র মাঝে দীপ্ত দ্বিপ্রহরে/ শব্দহীন গতিহীন স্তব্ধতা উদার/ রয়েছে পড়িয়া শ্রান্ত দিগন্ত প্রসার/ স্বর্ণশ্যাম ডানা মেলি।’ শীতের আগে এই ঋতু এখন যেনো কাগুজে ঋতুতে পরিণত হয়েছে। বাস্তবে এই ঋতুর আবেশ বাঙালির ঐতিহ্য থেকে হারিয়ে যেতে বসেছে। পরিবর্তনশীল এই আবহাওয়ায় প্রকৃতি এখন আর নিয়ম মানছে না। অনেকটা খামখেয়ালি হয়ে উঠেছে। যত দিন যাবে, ততই সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রার পার্থক্য কমতে থাকবে। /সোহেল/