Advertisement(970X90).png
Advertisement(300X90).png

১৫ কার্তিক ১৪৩৩, ১৯ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬

কিশোর গ্যাং প্রতিরোধে দেশব্যাপী কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত সরকারের
কিশোর গ্যাং প্রতিরোধে দেশব্যাপী কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত সরকারের

সোমবার (১৯ অক্টোবর) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা ফয়সল হাসান এই তথ্য জানান। দেশব্যাপী কিশোর গ্যাংয়ের তৎপরতা, অপরাধে কিশোরদের জড়িয়ে পড়া এবং জননিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগের মধ্যে এই সিদ্ধান্ত এলো। সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযান জোরদার করেছে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী। এসব গোষ্ঠীর সদস্যদের পাশাপাশি তাদের পেছনে থাকা পৃষ্ঠপোষকদের শনাক্ত করার ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে দেশের উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটিগুলোর কার্যপরিধি বাড়িয়ে কিশোর গ্যাং, হত্যা, ছিনতাই, অপহরণ, মাদকসহ বিভিন্ন অপরাধ প্রতিরোধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশনা দিয়েছিলো স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। ওই নির্দেশনায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে কমিটির সভাপতি করা হয় এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যালোচনায় নিয়মিত সভা করার কথা বলা হয়েছিলো। /এমএএইচ/

কুমিল্লায় কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযানে আটক ৫১৯
কুমিল্লায় কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযানে আটক ৫১৯

শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) দুপুরে জেলা পুলিশের মিডিয়া কর্মকর্তা ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. লুৎফর রহমান গণমাধ্যমকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, আটক ব্যক্তিদের অপরাধের সঙ্গে সম্পৃক্ততা যাচাই-বাছাই করে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। পুলিশ জানায়, কিশোর গ্যাংয়ের তৎপরতা ও কিশোর বয়সী ছেলেদের উৎপাত আছে, এমন স্থানগুলো লক্ষ্য করে এই অভিযান চালানো হয়। জেলা পুলিশের সব ইউনিট ও ডিবি অভিযানে অংশ নেয়। উঠতি বয়সী কিশোররা যেন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে না পড়ে, সে জন্য অভিযান চালানো হচ্ছে। পাশাপাশি অভিযানে কোনো নিরপরাধ ব্যক্তি যেন হয়রানির শিকার না হন, সে বিষয়েও কঠোর নজরদারি করা হচ্ছে। এর আগে ১১ অক্টোবর সপ্তম দফার অভিযানে ৩৫৩ জন এবং ৮ অক্টোবর ষষ্ঠ দফার অভিযানে ২৫২ জনকে আটক করা হয়েছিলো। কিন্তু তাদের মধ্যে যাচাই-বাছাই শেষে কতজনের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হয়, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি। পুলিশের হিসাব অনুযায়ী, প্রথম ৫ দফার অভিযানে মোট ২ হাজার ৪২ জনকে আটক করা হয়। তাদের মধ্যে ১ হাজার ৪০৯ জনকে যাচাই-বাছাই শেষে মুচলেকা নিয়ে অভিভাবকের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়। অন্যদের বিরুদ্ধে অভিযোগ ও অপরাধে সম্পৃক্ততার ভিত্তিতে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হয়। /সোহেল/