Advertisement(970X90).png
Advertisement(300X90).png

১৫ কার্তিক ১৪৩৩, ১৯ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬

কম্বোডিয়া থেকে ৯ মাসে ৩ হাজারের বেশি বাংলাদেশি বহিষ্কার
কম্বোডিয়া থেকে ৯ মাসে ৩ হাজারের বেশি বাংলাদেশি বহিষ্কার

কম্বোডিয়াভিত্তিক গণমাধ্যম বিটিভি নিউজ গ্লোবাল গতকাল দেশটির অভিবাসন বিভাগের প্রতিবেদনের বরাতে এই তথ্য জানিয়েছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ৩ হাজার ১০৪টি আইন প্রয়োগকারী অভিযান পরিচালনা করা হয়। এতে আটক ও বহিষ্কৃত বিদেশি নাগরিকের সংখ্যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ৪১ হাজার ৬৮৫ জন বেড়েছে, যা ৪০০ শতাংশের বেশি। বহিষ্কৃতদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি চীনের নাগরিক, প্রায় ২৩ হাজার। এছাড়া ৮ হাজারের বেশি ইন্দোনেশীয়, ৪ হাজারের বেশি ভিয়েতনামি এবং ৩ হাজারের বেশি বাংলাদেশিকে বহিষ্কার করা হয়েছে। তালিকায় আরও রয়েছেন পাকিস্তান, মিয়ানমার ও থাইল্যান্ডের নাগরিকেরা। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বহিষ্কৃতদের মধ্যে ৩৮টি দেশের ১৮ হাজারের বেশি নাগরিক সরাসরি অনলাইন প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন বলে শনাক্ত হয়েছেন। তবে বহিষ্কৃত বাংলাদেশিদের মধ্যে কতজন এসব কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন এবং কতজন মানবপাচারের শিকার হয়ে জোরপূর্বক অপরাধে যুক্ত হতে বাধ্য হয়েছেন, তার পৃথক পরিসংখ্যান প্রকাশ করা হয়নি। /শান্ত/

কম্বোডিয়ায় মুক্তি পাওয়া ৩০ বাংলাদেশি দেশে ফিরছেন
কম্বোডিয়ায় মুক্তি পাওয়া ৩০ বাংলাদেশি দেশে ফিরছেন

প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের অধীন ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ড সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে। সংস্থাটি জানায়, অনির্বাণ সারভাইভার ভয়েস ফাউন্ডেশনের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ব্যাংককে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসের শ্রম শাখার প্রথম সচিবকে আটকে পড়া বাংলাদেশিদের দ্রুত মুক্তি ও দেশে ফেরানোর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিলো। ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের উপপরিচালক (আইআরপি) মোহাম্মদ জাকির হোসেনের সই করা এক চিঠিতে নিয়ম অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করে তাদের মুক্ত করার এই তাগিদ দেওয়া হয়। ভুক্তভোগীদের পরিবার জানায়: কম্বোডিয়া সরকারের নির্ধারিত নিয়মে দেশে ফেরার উদ্দেশ্যে গত ৩ সেপ্টেম্বর রাজধানী নমপেনের বিমানবন্দরে গেলে ইমিগ্রেশন পুলিশ অবৈধ অবস্থানের অভিযোগে ৩২ জন বাংলাদেশিকে গ্রেপ্তার করে। পরে দুইজন মুক্তি পেলেও বাকি ৩০ জন দেশটির ইমিগ্রেশন ডিটেনশন সেন্টারে বন্দি ছিলেন। আটকে পড়া ৩০ কর্মী হলেন, মো. হারুন অর রশীদ, মো. আব্দুল ওয়াদুদ, মো. তারলিব হাসান তিতুল, সুমিত চন্দ্র দাস, রাকিব হোসেন, বাপ্পি দাস, মো. লাবন শেখ, মো. আবদুর রহমান, মো. বিল্লাল হোসেন, মো. মোস্তফা, নূর নবী, মো. ইমন আলী, মো. বারকাতুল্লাহ, মো. রুবেল মিয়া, আলী আহমেদ, জাহিদুল ইসলাম, শামসুল আলম, মো. আবদুর রহমান, আবু জাহের সবুজ, শাওন, নাহিদ ঢালি, রাজু হোসেন, মো. তৈয়ব আলী শেখ, সাইমন ভূঁইয়া, মো. রাশেদুল, মো. আকাশ আহমেদ, মো. শিমুল আলী, আশিকুর রহমান, মো. আলামিন পিকে ও মোহাম্মদ কবির। /সোহেল/